Logo
আজঃ সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

৬৮০০ জনবল বহাল রাখার দাবিতে বিএডিসির কর্মচারীদের মানববন্ধন

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জুলাই ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ৭৬৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিনিধি : কৃষি উৎপাদন প্রবৃদ্ধির স্বার্থে, বিএডিসি’কে রক্ষা করতে হবে“ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ৬৮০০ জনবল বহাল রাখার দাবিতে বিএডিসি শ্রমিক কর্মচারী লীগের আয়োজনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১৬ জুলাই) বিএডিসি কৃষি ভবন সংলগ্ন প্রধান সড়কে বিএডিসি শ্রমিক কর্মচারী লীগের সভাপতি মো. মশিউরি রহমানের নেতৃত্বে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় মানবন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন এর সংস্থাপন বিভাগের উপ-পরিচালক মো. পলাশ হোসেন, বিএডিসি শ্রমিক কর্মচারী লীগের সাধারণ সম্পাদক  মো. আলী হায়দার ফয়সাল , কেন্দ্রীয় মহিলা শ্রমিক লীগ এর শ্রমিক কল্যান বিষয়ক সম্পাদক সাবিনা সুলতানা, সিবিআই এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  মো. রফিকুল ইসলাম সোহান, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন এর অর্থ বিভাগের কম্পিউটার অপারেটর মো. মহাসিন লষ্কর প্রমূখ।


মানববন্ধনে বিএডিসি শ্রমিক কর্মচারী লীগের সভাপতি মো. মশিউরি রহমান বলেন,  ১৯৯৮ সালে ‘কৃষি কমিশন’ কর্তৃক সুপারিশের প্রেক্ষিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রীপরিষদের অনুমোদনক্রমে ৬৮০০ জনবল সম্বলিত বিএডিসির গেজেট প্রজ্ঞাপন ১৯.১০.১৯৯৮ তারিখে মহামান্য রাষ্ট্রপতি অনুমোদক্রমে জারি হয়।

দেশের কৃষি আধুনিকীকরণ তথা মানসম্পন্ন বীজের চাহিদা বৃদ্ধি, নন ইউরিয়া সার সরবরাহ এবং আধুনিক সেচ সুবিধা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক গঠিত ড. এ এম এম শওকত আলীর নেতৃত্বাধীন কমিটি ২০১০ সালে বিএডিসির জনবল ১০১০০-তে উন্নীতকরণের সুপারিশ করেন। উক্ত সুপারিশ এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে বিএডিসির পুনর্গঠনের ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে জনপ্রশাসন কেআইবি কনভেনশন হলে মন্ত্রণালয়ের স্মারক নং-০৫.১৫৭,০২৮,০১,০২,০২০,০৯ (২য় খন্ড), ২৪৬ তারিখঃ ২৯ নভেম্বর ২০১৮ মোতাবেক বিএডিসির জনবল কাঠামো ৯৩৫৫-তে পদ সৃজনের সম্মতি জ্ঞাপন করেন।

২০২১ সালে নভেম্বরে কৃষি মন্ত্রণালয় বিএডিসির ৬৮০০ কর্মচারীর অবসরোত্তর পেনশনের প্রস্তাবনা অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করলে অর্থ মন্ত্রণালয় জনবল ৩০১৭ জনে সংকোচনের নির্দেশনা জারি করে, যা মন্ত্রী পরিষদের অনুমোদনক্রমে মহামান্য রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে জারীকৃত গেজেট প্রজ্ঞাপনের সরাসরি লঙ্গন।

অনুমোদিত জনবল কাঠামো জনবল ৬৮০০ এর স্থলে ৩০১৭ জনে (অর্ধেক এর কম) নামিয়ে আনলে বিএডিসি’র কর্মক্ষেত্র পঙ্গু হয়ে যাবে, দেশের কৃষিখাত নাজুক হয়ে পড়বে। তাই কৃষির প্রাণ বিএডিসিকে বাঁচাতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি।


বিএডিসি শ্রমিক কর্মচারী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আলী হায়দার ফয়সাল বলেন, অনুমোদিত জনবল কাঠামো জনবল ৬৮০০ এর স্থলে ৩০১৭ জনে (অর্ধেক এর কম) নামিয়ে আনলে নানান জটিলতা সম্মুখীন হবো।

মহা ব্যবস্থাপক/ প্রধান প্রকৌশলী পর্যায়ে ৬টি পদ, মাঠ পর্যায়ের ১২৯ টি অফিস প্রধানের পদসহ মোট ৩৭৮৩ টি পদ কম সৃজন করার ফলে প্রায় ১৩৫ টি অফিস বন্ধ হয়ে যাবে। এতে করে বীজ উৎপাদন, সার সংরক্ষণ ও বিতরণ এবং সেচ কার্যক্রম তথা ফসল উৎপাদন ব্যাহত হবে। ফলে দেশের খাদ্য সয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের ধারাবাহিকতা ব্যাহত হবে।

সদস্য পরিচালকের ৪টি পদের (বিএডিসি আইন ২০১৮ কর্তৃক অনুমোদিত) বিপরীতে ২টি পদে সম্মতি প্রদান করায় বোর্ড অব ডাইরেক্টরস অসম্পূর্ণ থাকবে। এতে করে বোর্ডের কার্যক্রম পরিচালনা ও পরিকল্পনা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হবে এবং ইতোপূর্বে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে।

বিএডিসি মাত্র ১৩০০ মে. টন বীজ উৎপাদনের মাধ্যমে শুরু করে ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষিতে বর্তমানে ১৬৫০০০ মে. টন বীজ উৎপাদন করছে। এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা ২০২৯-২০৩০ অনুযায়ী ২,০৫০০০ মে. টন এবং ডেল্টা প্ল্যান অনুযায়ী ২০৪০-২০৪১ সালে ৩,০০,০০০ মে. টন বীজ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হবে।

এছাড়াও সমন্বিত ক্ষুদ্রসেচ নীতিমালা ২০১৭ অনুযায়ী বিএডিসিতে চলমান সেচযন্ত্রের লাইসেন্স প্রদান, বিদ্যুতায়নের ছাড়পত্র প্রদান এবং সেচস্কিম অনুমোদন ব্যাহত হবে।

ইতোমধ্যে জারিকৃত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আলোকে প্রায় ৬০০ পদে নিয়োগ কার্যক্রম চুড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে যা এই আদেশের প্রেক্ষিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে।

প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবে চলমান প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং নতুন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ বাধাগ্রস্থ হবে। এতে করে কৃষিবান্ধব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের অভিলক্ষ্য “ফসলের উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, শস্য বহুমুখীকরণ, পুষ্টিসমৃদ্ধ নিরাপদ ফসল উৎপাদন ও বিপণন ব্যবস্থা আধুনিকায়নের মাধ্যমে কৃষিকে লাভজনক করা এবং জনসাধারণের পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা” রূপকল্প ব্যাহত হবে।

কেন্দ্রীয় মহিলা শ্রমিক লীগ এর শ্রমিক কল্যান বিষয়ক সম্পাদক সাবিনা সুলতানা  বলেন, অনুমোদিত জনবল কাঠামো ৬৮০০ হতে ৩০১৭ তে সংকোচিত করা হলে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে কৃষির উপরে এধরণের হটকারী সিদ্ধান্ত আওয়ামী লীগ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্নসহ দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা কার্যক্রমকে ব্যাহত করবে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে কৃষি ও কৃষকের অন্যতম নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান বিএডিসিকে রক্ষার্থে ১. মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক অনুমোদিত ৬৮০০ জনবল ভূতাপেক্ষভাবে অনুমোদন; ২. বিএডিসিতে পেনশন স্কিম চালুকরণ; ৩. জনপ্রশাসন কর্তৃক স্মারক নং-০৫.১৫৭.০২৮.০১.০২.০২০.০৯ (২য় খন্ড)-২৪৬ তারিখঃ ২৯ নভেম্বর ২০১৮ মোতাবেক সুপারিশকৃত ৯৩৫৫ জনবল কাঠামোর বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি জ্ঞাপনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই বিষয় হস্তক্ষেপ কামণা করছি।


আরও খবর



সন্দ্বীপে মাদক বিরোধী পথসভা ও লিফলেট বিতরন।

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ২৩৪জন দেখেছেন

Image

সন্দ্বীপ প্রতিনিধি 

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে ২৪ জুন (সোমবার) মাদকের ভয়াবহতা নিয়ে পথসভা ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।  স্বাধীন বাংলা  মাদক বিরোধী কল্যাণ সোসাইটি ও সন্দ্বীপ অধিকার আন্দোলন   যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

 উপজেলা পরিষদের ভিতরে পথসভা শেষে কমপ্লেক্স এলাকায় ব্যবসায়ী ও সর্বস্তরের  জনগণের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়।  লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি উদ্ভোধন করেন সন্দ্বীপ উপজেলার সহকারী ভূমি কমিশনার তাসফিক সিপাত উল্যা

পথসভায় বক্তব্য রাখেন সন্দ্বীপ অধিকার আন্দোলন এর সভাপতি  মোঃ হাসানুজ্জামান সন্দ্বীপি, স্বাধীন বাংলা মাদক বিরোধী কল্যাণ সোসাইটির সন্দ্বীপ কমিটির  সভাপতি মোঃ রুবেল, সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ সাকিল খান প্রমুখ।

এ সময় সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে উপস্তিত ছিলেন মোঃ জাফর ইসলাম, এমদাদ হোসেন, জয়দেব কাহার,মেহেদী হাসান,আরমান হোসেন তাইমুল হোসেন, আব্দুর রহমান, সাব্বির মাহমুদ, মোঃ রাফি, আব্দুল করিম সহ  স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ , 

বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ সন্দ্বীপ উপজেলাকে মাদকমুক্ত করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করে বলেন ,সন্দ্বীপের প্রতিটি  ইউনিয়ন পাড়া মহল্লাও স্কুল -কলেজে  মাদক বিরোধী জন সচেতনতামূলক লিফলেট ও অন্যান্য কর্মসূচি চলমান থাকবে


আরও খবর



যাত্রাবাড়িতে ইউনাইটেড বাংলাদেশ পার্টির মাসিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ১২২জন দেখেছেন

Image

23 নিউজ 

নিজস্ব প্রতিবেদক 

রাজধানীর যাত্রাবাড়িতে ইউনাইটেড বাংলাদেশ পার্টির মাসিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রুবার বিকেলে দলটির থানা কার্যালয়ে কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য মুন্সী আল ইমরানের সভাপতিত্বে জনাকীর্ণ এ আলোচনা সভাপি অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যতিক্রমি চিন্তা চরতনার ধারক উল্লেখিত সংগঠনটির  অগ্রগতি,কার্যক্রম, পূর্বের সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ণের পর্যালোচনা,করনীয়,সামনের দিনগুলোর করনীয় ও সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রাণবন্ত আলোচনা করা  হয় মুক্ত মনে। 

পার্টির যুগ্ম আহবায়ক জনাব মোঃ নাসিম ইকবাল তার বক্তব্যে বলেন, দলের মধ্যে সততা, সচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গণতন্ত্র না থাকলে ঐ দল দিয়ে দেশের জন্য ভালো কিছু করা সম্ভব নয়। সুতরাং আগে আমাদের ইউবিপিতে সততা, সচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। 

সভাপতির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জনাব মুন্সি আল ইমরান বলেন, জাতির স্বার্থে, দেশের স্বার্থে আমাদের কথা বলতে হবে, প্রতিবাদ করতে হবে।

 কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব মোঃ শাহাবুদ্দিন তার বক্তব্যে বলেন     ইউবিপি এর যেভাবে সাড়া পাচ্ছি খুব অল্প সময়ের মধ্যে সারাদেশে ইউনাইটেড বাংলাদেশ পার্টির গ্রহনযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে বলে আমি আশা করি।

রাজনীতি পথযাত্রায় দলটির গঠনতান্ত্রিক কার্যক্রম সারা দেশে কিভাবে বিস্তৃত করে জনমানুষের আস্থার ঠিকানায় দ্রুত পৌঁছানো যায় এবং দলের মৌলিক দিকনির্দেশনা মানুষের মাঝে কিভাবে ছড়িয়ে দিয়ে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো যায় সে ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা ও এ সংক্রান্ত গঠনমূলক প্রস্তবণাসমুহ নিয়ে বিশদ কর্মসূচি গ্রহন করা হয়।

 উক্ত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ফরিদ আহমেদ, জাহিরুল ইসলাম, আব্দুস সালাম, হাফিজুর রহমান, মির্জাগঞ্জ উপজেলার সভাপতি আতিক হাসান এবং বেতাগী থানার সদস্য সচিব জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।


আরও খবর



গুলির পর কেমন আছেন ট্রাম্প, জানাল সিক্রেট সার্ভিস

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ২৮জন দেখেছেন

Image


 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:


যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমাবেশে গুলির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় হামলাকারীসহ দুইজন নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যে এই ঘটনা ঘটে।  


যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার (সিক্রেট সার্ভিস) যোগাযোগ বিভাগের প্রধান অ্যান্থনি গুগলিয়েলমি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ট্রাম্প নিরাপদে আছেন।


তিনি বলেন, ‘শনিবার সন্ধ্যায় পেনসিলভানিয়ায় ট্রাম্পের সমাবেশে এ ঘটনা ঘটে। সিক্রেট সার্ভিস প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করেছে এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট নিরাপদে আছেন। তদন্ত শুরু হয়েছে। আরও তথ্য পাওয়া গেলে প্রকাশ করা হবে।



প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে ঘটনা অবহিত করা হয়েছে। তিনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ট্রাম্প নিরাপদ আছেন এবং ভালো আছেন জেনে আমি কৃতজ্ঞ। 


আমি তার জন্য, তার পরিবারসহ সমাবেশে উপস্থিত সকলের জন্য প্রার্থনা করছি। আমরা আরও তথ্যের জন্য অপেক্ষা করছি।


আরও খবর



ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেন

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | জন দেখেছেন

Image



চ্যানেল 23 রিপোর্ট:


অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়ে ফাইনালে ওঠেছিল স্পেন। শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে সেই ধারা অব্যাহত রেখে শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে স্প্যানিশরা।


 ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ১২ ইউরোপ সেরার মুকুট নিজেদের করে নিলো স্পেন।



রোববার (১৪ জুলাই) অলিম্পিয়াস্টাডিয়ন বার্লিন স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় মাঠে নামে দু'দল। ম্যাচের ১২ মিনিটে বাম দিক থেকে আক্রমণে ওঠে স্পেন। ডি বক্সের ভেতর থেকে উইলিয়ামসের নেওয়া শট রুখে দেন ইংলিশ ডিফেন্ডার।


এরপরও আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকপ স্পেন। অন্যদিকে নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে আক্রমণে যায় ইংল্যান্ড। তবে তাদের আক্রমণ আটকে যায় অ্যাটাকিং থার্ডে। শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য সমতায় থেকে বিরতিতে যায় দু'দল।


বিরতি থেকে ফিরেই গোলের দেখা স্পেন। ম্যাচের ৪৭ মিনিটে ডেড লক ভাঙ্গেন উইলিয়ামস। তার গোলে ম্যাচে লিড নেয় স্প্যানিশরা। পিছিয়ে পড়ে গোল শোধে মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে ইংল্যান্ড। একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে তারা।



ম্যাচের ৭৩ মিনিটে সমতায় ফেরে ইংল্যান্ড। ডি বক্সের বাইরে থেকে জোড়ালো শটে বল জালে জড়ান বদলি নামা পালমার। তার গোলে ম্যাচে ফিরে ইংল্যান্ড। 


এরপর ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকে যাচ্ছিলো তখন আবারও গোলেট দেখা পায় স্পেন। চমৎকার ফিনিশিংয়ে বল জালে জড়ান মাইকেল ওয়ারজাবাল। তার গোলে ফের লিড পায় স্পেন। 


এরপর আক্রমণ করেও গোল করতে ব্যর্থ হয় ইংল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয়ে শিরোপা উৎসবে মাতে স্পেন।


আরও খবর



মধ্যরাতে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ছিল স্লোগানে উত্তাল, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | জন দেখেছেন

Image

সদরুল আইনঃ

চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। 



রবিবার দিবাগত রাত পৌনে ১১টার দিকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে সাড়া দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হল ছেড়ে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন। হল ছেড়ে বেরিয়ে ছাত্রীরাও 'আমি কে তুমি কে? রাজাকার, রাজাকার', 'চাইলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার' স্লোগানে দিতে থাকেন। 



কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের প্ল্যাটফর্ম 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন'-এর ডাকে একে একে দেশের অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও এমন বিক্ষোভ শুরু হয় বলে জানা গেছে।


বিক্ষোভে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী বলেছেন, অন্যায্য কোটাব্যবস্থার বিরুদ্ধে কথা বলায় তাদের অপমান ও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অপমান করার অধিকার কারও নেই। তারা এই অবমাননার প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় নেমেছেন।



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

এর আগে রবিবার সন্ধ্যায় গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রসঙ্গে বলেন,  'মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিরা না পেলে, তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে? আমার প্রশ্ন দেশবাসীর কাছে। রাজাকারের নাতি-পুতিরা চাকরি পাবে, মুক্তিযোদ্ধারা পাবে না? নিজের জীবন বাজি রেখে বিজয় এনে দিয়েছিল বলে সবাই উচ্চপদে আসীন। না হলে পাকিস্তানিদের বুটের লাথি খেয়ে চলতে হতো।'



প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যে কোটাব্যবস্থা সংস্কার চেয়ে যারা আন্দোলন করছেন তাদের অবমাননা করা হয়েছে দাবি করে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছেন। মধ্যরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিক্ষোভ চলাকালেই অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ও উত্তাল হয়ে ওঠে।



জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

ইত্তেফাকের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা মাহমুদুর রহমান নাজিদ জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রতিবাদে রবিবার রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। 



মিছিলটি পরে শাখারিবাজার হয়ে তাতিবাজারে যায়। ছাত্রী হলে তালা দিয়ে মেয়েদের আন্দোলনে যেতে নিরুৎসাহিত করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে ছাত্রীরাও গেটের তালা ভেঙে বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণ করেন।


রোকসানা তৃষ্ণা নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, কোটা সংস্কারের আন্দোলনকারীদের নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানাই। দেশের অভিভাবকের কাছে এমন বক্তব্য কখনোই আশা করা যায় না।


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ঃ


 ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া 'তুমি কে, আমি কে— রাজাকার, রাজাকার' স্লোগানে উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজেদের হলে এমন স্লোগান দেয়ার পরিকল্পনা করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা৷ এর প্রেক্ষিতে ৪৯তম ব্যাচের ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের মো. সাঈফ খান মেসেজ দেন। পরে হলের ১২৪ নম্বর কক্ষ থেকে স্লোগান পুরো হলে ছড়িয়ে পড়ে৷ 



এ সময় শিক্ষার্থীরা সমস্বরে স্লোগান দিতে শুরু করলে পলিটিকাল ব্লক থেকে ৪৮তম ব্যাচের সিনিয়ররা এসে তাদের সবাইকে ডেকে হলের ডাইনিংয়ে নিয়ে যান। 


এরপর শিক্ষার্থীদের কাছে 'রাজাকার' স্লোগান দেওয়ার কারণ জিজ্ঞেস করা হয়। এ সময় 'শিবির সন্দেহে' শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন তল্লাশি করা হয়৷ এরই মধ্যে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক নাজমুল হাসান তালুকদারকে ডেকে নিয়ে আসেন ছাত্রলীগ নেতারা৷



 পরে হল প্রাধ্যক্ষের উপস্থিতিতে ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ক্ষমা চাইতে বলা হয়। ক্ষমা চাইলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে পুরো ক্যাম্পাস আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।


পরে রাত ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন' ব্যানারে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি সড়ক ঘুরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা।



শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ঃ


 রাত সোয়া ১২টার দিকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন হল থেকে বের হয়ে আসেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা স্লোগান দিতে থাকেন। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বলেন, একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী কখনো সে দেশের ছাত্রজনতাকে রাজাকারের বাচ্চা বলতে পারেন না। তার এমন উক্তির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা এতো রাতেও রাস্তায় নেমেছেন।


অন্যদিকে ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকেন্ড গেটে জড়ো হতে থাকেন এবং 'বঙ্গবন্ধুর বাংলায় রাজাকারের ঠাই নাই', 'একটা একটা রাজাকার ধর, ধরে ধরে জবাই কর', ধরি ধরি ধরি না, ধরলে মোরা ছাড়ি না' স্লোগান দিতে থাকেন। এসময় তারা লুৎফর হলের ভেতরে ঢুকে স্লোগান দিলে হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা 'ভুয়া', 'ভুয়া' বলতে থাকেন।


শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে ছাত্র পরামর্শক  অধ্যাপক ড. ফরহাদ হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে এধরনের বিশৃঙ্খলা হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ঃ



এদিকে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা মোস্তাফিজুর রহমান রাকিব জানান, মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড়ে সমবেত হয়ে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যুরালের পাদদেশে এসে মিলিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল এবং পাশ্ববর্তী মেস থেকে শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।


এসময় শিক্ষার্থীরা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন আমাদের অধিকারের জন্য লড়াই করেছেন তখন পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী তাকে ভারতের দালাল আখ্যা দিয়েছে। কিন্তু তিনি সেদিকে কর্ণপাত না করে অধিকার আদায়ের সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। আমরা আজ শান্তিপূর্ণ ভাবে স্মারকলিপি জমা দিয়েছি। 



কিন্তু এই পরিস্থিতিতে সরকার প্রধানের বক্তব্য আমাদের হতাশ করেছে। আমাদের দাবিগুলো আমলে নিয়ে পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করছি।



গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ঃ


, রবিবার রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা দিবস হল থেকে আবাসিক শিক্ষার্থীরা প্রথমে বিক্ষোভ করেন। পরে সাড়ে ১১টার দিকে লিপুস ক্যান্টিন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হল ঘুরে, বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণ করে মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। পরে প্রধান ফটকের সামনে জড় হয়ে একই স্লোগান দিতে থাকেন তারা। যা সোয়া ১২টা পর্যন্ত চলে।



কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ঃ



রাত ১১টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, কাজী নজরুল ইসলাম হল,শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল এবং শেখ হাসিনা হলের  আবাসিক শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় স্লোগান দিতে দেখা যায়। পরে সাড়ে ১১টার দিকে  বঙ্গবন্ধু ও নজরুল হল থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে জড়ো হোন।


মিছিলে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য প্রদানকালে মুক্তিযোদ্ধা বাদে সবাইকে রাজাকারের সন্তান ও নাতি বলেছেন। যেটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।


গত ১ জুলাই থেকে টানা আন্দোলনে আছেন কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবি জানানো শিক্ষার্থীরা। ২০১৮ সালের কোটা বাতিলের পরিপত্র পুনর্বহালসহ চার দফা দাবিকে সামনে রেখে আন্দোলন শুরু হয়েছিল। কিন্তু গত ৭ জুলাই থেকে তারা এক দফা দাবির কথা বলছেন। 



দাবিটি হচ্ছে সরকারি চাকরিতে সব গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে সংবিধানে উল্লিখিত অনগ্রসর গোষ্ঠীর জন্য কোটাকে ন্যূনতম মাত্রায় এনে সংসদে আইন পাস করা। সব গ্রেডে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ কোটা রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন তাঁরা। 



আজ বঙ্গভবন অভিমুখে গণপদযাত্রা করে আন্দোলনকারীদের মধ্য থেকে ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে।


আরও খবর