Logo
আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

চাঁদার টাকা না দেয়ায় হামলা ও বাড়ির গেটে তালা,থানায় মামলা

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৪৩২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিনিধি: চাঁদার টাকা পরিপূর্ণ না দেওয়াই রাজধানীর কদমতলীতে নির্মানাধীন বাড়িতে হামলা চালিয়ে কাজ বন্ধ করে বাড়ির গেটে তালা সহ মারপিটের অভিযোগ উঠেছে।

২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ টায় রাজধানীর কদমতলী থানা দিন পূর্ব ধোলাইপাড় ২ নং গলির শেষ মাথায় ঢাকা সিটি জরিপের দাগ নং ১৯৬/১ সদ্য ক্রয়কৃত ২ শতাংশ জমির উপর খন্দকার রাবিয়া নাসরিনের নির্মাণাধীন বাড়িতে এই ঘটনাটি ঘটে।

হামলায় বাড়ির মালিক খন্দকার রাবেয়া নাসরিনের ছোট বোনের স্বামী মুহাম্মদ মফিজুর রহমান গুরুতর আহত হলে ৯৯৯ এ কল করে পুলিশের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে বাড়ির মালিক খন্দকার রাবিয়া নাসরিন (৫২) বাদী হয়ে কদমতলি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন যার নং-৭, তারিখ ০৪-০৩-২০২৪ ।

কিন্তু বাদী পক্ষের অভিযোগ মামলা করার পর থেকে কিশোর গ্যাংয়ের লিডার শুভর নেতৃত্বে আসামিরা তাদেরকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য নানা রকম ভয়-ভীতিসহ প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করছে । এমনকি মামলা তুলে না নিলে বাদীসহ তার পরিবারের সদস্যকে মাদক দিয়ে ফাসিয়ে মাদক মামলার দেয়ার ও হুমকি দেয়া হচ্ছে ।

মামলা সুত্রে জানা যায় , খন্দকার রাবিয়া নাসরিনের ক্রয়কৃত জমির উপর ভবন নির্মানের কাজ চলমান রয়েছে । এবং নির্মান কাজ শুরুর পর থেকেই স্থানীয় সন্ত্রাসী কিছু চাঁদাবাজ ক্রমাগত ভাবে ১০,০০০,০০ (দশ লক্ষ) টাকা চাদা দাবি করে আসছে ।

চাদা না দিলে কাজ বন্ধ করে দেয়ার হুমকিতে ভয় পেয়ে রাবিয়া নাসরিন বিভিন্ন তারিখে তাদেরকে ৩,০০০,০০ (তিন লক্ষ) টাকা দেয় । কিন্তু ঘটনার দিন ২৯-০২-২০২৪ বৃহস্পতিবার বাকি ৭,০০০,০০ (সাত লক্ষ) টাকা চাদার দাবিতে চাদাবাজ আলী আকবর উল্লাস (৩৫)পিতা- হাজী জয়নাল আবেদীন, রাসেল আহমেদ বাবু- পিতা- মৃত এম এ মজিদ মিয়া, আবুল হোসেন ওরফে আবুল, মোহাম্মদ রুবেলসহ আরও ৪/৫ জন আনুমানিক বিকেল তিনটার সময় নির্মানাধীন বাড়ির ভিতরে ঢুকে রাজমিস্ত্রি ও হেল্পার কে এলো পাথাড়িভাবে মারধর করে তাদের যন্ত্রপাতি ও গ্রেডিং মেশিন ছিনিয়ে নেয় ।

পরবর্তীতে বাড়ির মালিক খন্দকার রাবিয়া নাসরিনের উপর হামলা চালালে তার স্বামী মোঃ মফিজুল ইসলাম অসুস্থ থাকায় নির্মাণাধীন ভবন দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা খন্দকার রাবিয়া নাসরিনের ছোট বোনের স্বামী মো: মফিজুর রহমান এগিয়ে আসলে আলী আকবর উল্লাস পিস্তলের বাট দিয়ে মফিজের মাথার ডান পাশে আঘাত করার পর মাটিতে লুটিয়ে পড়ে এবং মাটিতে পড়া অবস্থায় বাবু, উল্লাস, আবুল, রুবেল সহ অন্যান্য সন্ত্রাসী চাঁদাবাজগণ এলোপাতাড়ি ভাবে লাঠি, কাঠের ঢাসা, ইট দ্বারা অমানুষিক নির্যাতন করে বাড়ির বাইরে ফেলে দেয় ।

বাড়ির মালিক রাবিয়া নাসরিনকে জোরপূর্বক বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে মেন গেটে তালা লাগিয়ে দেয়, তাৎক্ষণিক ৯৯৯ এ কল করলে স্থানীয় থানা পুলিশ এসে উদ্ধার করে বাসার মেন গেটের তালা ভেঙ্গে তাদেরকে বাসায় ঢোকার সুযোগ করে দেয় এবং মো: মফিজুর রহমানকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে পাঠানো হয় । এছাড়া সরোজমিনে খবর নিয়ে জানা যায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় একাধিক মামলা রয়েছে ।

এ বিষয়ে বাড়ির মালিক রাবিয়া নাসরিন বলেন, চাদার টাকা না দেওয়ার জন্য তারা আমাদের উপর এমন নির্যাতন চালিয়েছে, এবং এখন বিভিন্ন সময়ে নানা রকম হুমকি দিচ্ছে আমি আমার স্বামী এবং আমার ছেলে মেয়ে সবাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি, তাই আমি আমার পরিবারের নিরাপত্তাসহ চাঁদাবাজদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি ।


আরও খবর



কোটালীপাড়ায় নব-যোগদানকৃত নির্বাহী অফিসারের মতবিনিময় সভা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১৩৭জন দেখেছেন

Image
কোটালীপাড়া প্রতিনিধি
 

বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ,ব্যাবসায়ী, সাংবাদিক ও সুধিজনদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার নব-যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীনুর আক্তার। 

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকাল সাড়ে ১১ টায় কোটালীপাড়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ লাল শাপলা হলরুমে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 মতবিনিময় সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীনুর আক্তারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কোটালীপাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বিমল কৃষ্ণ বিশ্বাস,আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান হাজরা, কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আয়নাল হোসেন শেখ,  কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মর্কা (ওসি) মুহাম্মদ ফিরোজ আলম, নবনির্বাচিত কোটালীপাড়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান দেবদুলাল বসু পল্টু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন বেগম, রাধাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ভীম চন্দ্র বাগচি, বিজন বিশ্বাস, তুষার মধু, বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান শেখ, মোদাচ্ছের হোসেন ঠাকুর, কোটালীপাড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাজাহান সিরাজ,কোটালীপাড়া প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা পুস্পেন কুমার শিকদার, অবসরপ্রাপ্ত শেখ লুৎফর রহমান আদর্শ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ কার্তিক চন্দ্র বিশ্বাসসহ প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।
মতবিনিময় সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ফুল দিয়ে বরন করে নেয় উপজেলা পরিষদের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, উপজেলা আওয়ামী লীগ, মুক্তিযোদ্ধা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিন্দু।

আরও খবর



এবার ঈদে শ্রোতাদের বাংলা ও হিন্দি গান শোনাবেন ড. মাহফুজুর রহমান

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৬৯জন দেখেছেন

Image

23 বিনোদন ডেস্ক

দর্শকদের এবারের ঈদেও একক গান শোনাবেন কণ্ঠশিল্পী ড. মাহফুজুর রহমান। এবারে ২ টি সঙ্গীতানুষ্ঠান নিয়ে আসছেন তিনি। সঙ্গীতের প্রতি তার রয়েছে অসম্ভব ভালোবাসা। আর তাইতো নিজেই যুক্ত হয়েছেন গানের ভুবনে। ২০১৬ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রচার হচ্ছে তার গাওয়া গান নিয়ে একক সঙ্গীতানুষ্ঠান।

এ ধারাবাহিকতায় এবারের ঈদেও তার গাওয়া একগুচ্ছ গান নিয়ে ঈদের দিন রাত ১০.৩০ মিনিটে প্রচার হবে একক সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘আমার চোখের আলো’। অনুষ্ঠানে রয়েছে মোট ১০ টি গান। অ্যালবামের গানগুলোতে সুরারোপ করেছেন মান্নান মোহাম্মদ ও রাজেশ ঘোষ। বাংলা গানের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে থাকছে জনপ্রিয় কয়েকটি হিন্দি গান। অ্যালবামে রয়েছে নীলে নীলে আম্বার, দিল দে দিয়া হ্যায়, হামে অর জিনে কি, জিনা ইয়াহান মারনা ইয়াহান, আমার চোখের আলো, তুমি তো জানো না প্রিয়, তোমার নিঃশ্বাসে বিষ ছিল, চুপ কেন তুমি চুপ কেন এবং প্রথম প্রেম শিরোনামের গান।

এছাড়া ঈদের পরদিন রাত ১০.৩০ মিনিটে প্রচার হবে দ্বৈত গানের সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘ওয়াদা করো’। অনুষ্ঠানে থাকছে কেহেদু তুমছে, তুঝে দেখা তু ইয়ে, মুঝে দিলসে ভুলানা, মেরা দিল ভি কিতনা পাগল, ঢোলনা, তু চিজ বাড়ি হ্যায় মাস্ত মাস্ত, ওয়াদা কারো, সাস মে তেরি, তু তু হ্যায় ওয়াহি দিলনে এবং কিতনি বেচেইন হোকে শিরোনামের গান। ডুয়েট গানগুলোতে ড. মাহফুজুর রহমানের সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন নীলিমা, ভাবনা আহমেদ ও তাহমিনা


আরও খবর



অবৈধভাবে চাঁদা উত্তোলনকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা হতে ০৬ জন পরিবহন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০।

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১৩৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক 

            গতকাল ২৫ মে  রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে আন্তঃজেলা ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, লরী ও সিএনজিসহ বিভিন্ন পরিবহন হতে অবৈধভাবে চাঁদা উত্তোলনকালে ০৬ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের নাম ১। মোঃ আব্দুর রশিদ (৬৬), পিতা-মৃত ফালু বেপারী, সাং-খিলপাড়া, থানা-টংগীবাড়ী, জেলা-মুন্সিগঞ্জ, ২। মোঃ বাবুল হোসেন (৫৬), পিতা-মৃত তোজাম্মেল হোসেন, সাং-গোলাপবাগ, থানা-যাত্রাবাড়ী, ডিএমপি, ঢাকা, ৩। মোঃ শহিদুল ইসলাম (৪৫), পিতা-মৃত আসলাম, মাতা-মোছাঃ রেজিয়া বেগম, সাং-দরবেশপুর, থানা-রামগঞ্জ, জেলা-লহ্মীপুর, ৪। মোঃ আরমান (৪২), পিতা-মৃত গাদু মিয়া, সাং-মাতুয়াইল, থানা-যাত্রাবাড়ী, ডিএমপি, ঢাকা, ৫। মোঃ ফয়সাল হোসেন (৩৫), পিতা-মোঃ আঃ সালাম, সাং-মেদেনী, থানা-লৌহজং, জেলা-মুন্সিগঞ্জ ও ৬। মোঃ রাসেল খান রনি (৩০), পিতা-নূর মোহাম্মদ, সাং-মদনপুর আন্দিরপাড়, থানা-বন্দর, জেলা-নারায়ণগঞ্জ বলে জানা যায়। এ সময় তাদের নিকট থেকে চাঁদাবাজির কাজে ব্যবহৃত ০৬টি লাঠি, ০৬টি মোবাইল ফোন ও আদায়কৃত চাঁদা নগদ-১৯,২৪০/- (ঊনিশ হাজার দুইশত চল্লিশ) টাকা উদ্ধার করা হয়।  


 প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা বেশ কিছুদিন যাবৎ রাজধানীর কোতয়ালী, যাত্রাবাড়ী, ডেমরা ও দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় আন্তঃজেলা ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, লরী ও সিএনজিসহ বিভিন্ন পরিবহনের ড্রাইভার ও হেলপারদের সাথে অশোভন আচরনের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে অবৈধভাবে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করে আসছিল।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করতঃ সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে


আরও খবর



দীপিকা পাডুকোনকে ছেড়েই ক্রুজ পার্টিতে ভালোই ফুর্তিতে ছিলেন রণবীর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৭১জন দেখেছেন

Image

অনন্ত আম্বানি-রাধিকা মার্চেন্টের সেকেন্ড প্রি-ওয়েডিং উপলক্ষে ইতালিতে পাড়ি জমিয়েছিলেন বলিউড অভিনেতা রণবীর সিং।

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী দীপিকা পাডুকোনকে ছেড়েই ক্রুজ পার্টিতে ভালোই ফুর্তিতে ছিলেন রণবীর। তবে ইতালি থেকে ফেরা মাত্রই দীপিকাকে নিয়ে ডিনারে গিয়ে বিদেশে পার্টি করতে যাওয়ার খেসারত দিচ্ছেন অভিনেতা।

এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার রাতে দীপিকাকে নিয়ে ডিনারে গিয়েছিলেন রণবীর সিং। মুম্বাইয়ের একটি রেস্তোরাঁ থেকে বের হওয়ার সময় ফটোসাংবাদিকদের ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন তারা।

এসময় দেখা গেছে, দীপিকার হাত ধরে আগলে রেখেছেন রণবীর সিং। এ সময় অভিনেত্রীর পরনে ছিল স্ট্রাইপড লাল কুর্তা ও পাজামা। রণবীরের পরনে ছিল ছিমছাম টি-শার্ট। দুজনের চোখেই চশমা। এ সময় দীপিকার বেবিবাম্পটাও ঈষৎ দৃশ্যমান হয়েছিল

 

এদিন রণবীরের মা অঞ্জু ভাবনানি ও বাবা জগজিৎ সিং এবং শাশুরিসহ পরিবারের সবাইকে নিয়েই রেস্তোরাঁয় গিয়েছিলেন রণবীর।

কয়েকদিন আগে বেবি বাম্প নিয়েই ‘সিংঘম’ সিনেমায় শ্যুটিং করেছিলেন দীপিকা। এছাড়াও ভারতে চলমান লোকসভা নির্বাচনে বর রণবীরকে নিয়ে অসুস্থ শরীরেই ভোট দিতে গিয়েছিলেন তিনি।

আগামী সেপ্টেম্বরেই তারকা দম্পতি দীপিকা-রণবীরের ঘর আলো করে আসছে তাদের নতুন অতিথি।


আরও খবর



ভারতে মোদির মন্ত্রিসভায় মুসলিম এমপি নেই

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ৮৪জন দেখেছেন

Image

23 ডেস্ক :

ভারতে টানা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি তার মন্ত্রীসভায় কোনো মুসলিমকে স্থান দেননি। এমনকি তার যে জোট সে জোটে কোনো মুসলিম এমপিও নেই। ভারতের প্রায় ২৫ কোটি মুসলিমের বসবাস।

ভারতে এমন কিছু রাজ্য আছে যেখানে মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। তবুও নতুন সরকারের মন্ত্রী সভায় কোনো মুসলিম স্থান পায়নি। এ নিয়ে ভারতে মুসলিমদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, ভারতের ১৮তম লোকসভা নির্বাচনের আগে শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদাররা প্রায়ই দাবি করতেন, সংখ্যালঘু মুসলমানদের একাংশও নাকি এখন তাদের ভোট দিচ্ছেন। আবার অনেকেই এই দাবিকে ‘ফাঁকা আওয়াজ’ হিসেবে অবিহিত করেন। তবে শুভেন্দুদের দাবি যদি সত্য বলে ধরে নেওয়া হয় তাহলে তার প্রতিফলন কোথায়? সরকারি হিসেব অনুযায়ী, মোট ভোটারের ১৪ শতাংশ ভোটার মুসলিম। তবুও মোদির নবগঠিত মন্ত্রিসভায় নেই কোনো সংখ্যালঘু প্রতিনিধি। রোববার (৯ জুন) রাষ্ট্রপতি ভবনে নরেন্দ্র মোদিসহ ৭২ জন শপথগ্রহণ করেন। এই ৭২ জনের মধ্যে কোনো মুসলিম নেই। এমনকি শরিক দল তেলেগু দেশম বা জনতা দল ইউনাইটেডও কোনো মুসলিম প্রার্থীকে মন্ত্রী করেনি।গতকাল মন্ত্রীসভা গঠনের পর বিস্ময় প্রকাশ করেছেন পর্যবেক্ষকরা। টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসা বর্তমান সরকারে ধারাবাহিকভাবে কোনো মুসলিম প্রতিনিধি নেই। এক্ষেত্রে কেউ বলছেন, ‘নো ভোট-নো পোস্ট।’ অর্থাৎ সংখ্যালঘুরা বিজেপি বা তাদের শরিকদের ভোট দেয়নি, তাই তারা মন্ত্রিসভায় নেই।সংখ্যালঘুদের মধ্যে বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার যে প্রবণতা তা নতুন নয়। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর থেকেই সেই প্রবণতা তৈরি হয়েছে। গোধরা কাণ্ডের পর তা আরও তীব্র হয়েছে। ভারেতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা অটল বিহারী বাজপেয়ীও তা বুঝতেন। তিনিও জানতেন যে, মুসলিমদের আস্থা অর্জন করা বিজেপির জন্য কঠিন। তবু বাজপেয়ীর সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় সংখ্যালঘু প্রতিনিধি ছিল। মোখতার আব্বাস নকভিকে ১৯৯৮ সালে মন্ত্রী করেছিলেন বাজপেয়ী। তিনি প্রথমে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন। পরে সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। বাজপেয়ী যুগের অবসানের পর বিজেপির রাজনীতিতে লালকৃষ্ণ আদভানি বিজেপির সভাপতি হন। তার লক্ষ্য ছিল ২০০৯ সালের লোকসভা ভোটে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হয়ে ওঠা। সম্ভবত ভারতে সংখ্যালঘুদের বার্তা দিতে পাকিস্তান সফরে গিয়ে ‘কায়েদ এ আজম’ মহম্মদ আলি জিন্নাহর প্রশংসা করেছিলেন আদভানি। তিনি বলেছিলেন, জিন্নাহ ধর্মনিরপেক্ষ ছিলেন। সেই মন্তব্যের জন্য দলের সভাপতির পদ ছাড়তে হয় আদভানিকে। তবু প্রথাগত ভাবে হলেও বিজেপিতে সংখ্যালঘুদের প্রতিনিধিত্ব ছিল। ২০১৪ সালেও মোদি মন্ত্রিসভায় দুইজন সংখ্যালঘু ছিল। নাজমা হেপতুল্লাহ ও মোখতার আব্বাস নাকভি। কিন্তু মোদির দ্বিতীয় মেয়াদ থেকে মন্ত্রিসভায় আর ঠাঁই মেলেনি সংখ্যালঘু প্রতিনিধিদের। এবারও পুনরানৃত্তি ঘটাল মোদি

১৪০ কোটি মানুষের দেশ ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ২৫ কোটি। দেশটির হিন্দু জনসংখ্যার তুলনায় তা অনেক কম হলেও সংখ্যাটি অল্প নয়! পৃথিবীর অনেক দেশের মোট জনসংখ্যাই ২৫ কোটির কম। এত বিপুল সংখ্যক মানুষের কোনো প্রতিনিধি এবারও কেন্দ্রীয় সরকারে না থাকায় ভারত ছাড়িয়ে এই আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে মুসলিম বিশ্বে।


আরও খবর