Logo
আজঃ সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

চাষিদের আশার আলো দেখাচ্ছে ব্রি ধান ১০৩

প্রকাশিত:রবিবার ১২ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ৩২২জন দেখেছেন

Image

বালাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সদ্য উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল জাতের ব্রি ধান ১০৩ চাষে আশার আলো দেখছেন ধান চাষিরা। আমন মৌসুমে অন্য জাতের ধান চাষের চেয়ে এ জাতের ধান চাষাবাদে দ্বিগুণ ফলন পাওয়া যায়। টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার চাষিরা এ ধান চাষ করে দ্বিগুণ ফলন পাওয়ায় তাদের মুখে ফুটেছে হাসি। 

তাই এ জাত সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে পাড়লে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং চাষিরা উপকৃত হবে। খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপশি জাতীয় পর্যায়ে খাদ্য নিরাপত্তা চাহিদাও মিটবে।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, ব্রি ধান-১০৩ স্বল্প জীবনকাল সম্পন্ন ধান। গড় আয়ু ১২৮-১৩৩ দিন। গাছের গড় উচ্চতা ১২৫ সে. মি। কাণ্ড শক্ত, ডিগ পাতা খাড়া, ধানের ছড়া ও ধান লম্বা, চাল সোজা। ১০০০টি পুষ্ট ধানের ওজন প্রায় ২৩.৭ গ্রাম। এ ধানের প্রোটিন এবং অ্যামাইলোজের পরিমাণ ৮.৩% এবং ২৪%। চালের আকার/আকৃতি লম্বা ও চিকন হওয়ায় ধানের দাম বেশি। বিঘা প্রতি ফলন ২৪/২৫ মণ। উপযুক্ত পরিচর্যা পেলে প্রতি হেক্টরে ৮.০ টন পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়।

আরও জানা গেছে, ভাত ঝরঝরে। ধানে রোগ-বালাই ও পোকা-মাকড়ের আক্রমণ অনেকটা কম। সারও কম লাগে। খেত থেকে ধান কাটার পরপরই ‘রবি শস্য’ করা যায়। এ আগাম জাতের ধান চাষাবাদ করে ২ ফসলি জমিকে ৩ ফসলি ও ৩ ফসলি জমিকে ৪ ফসলে রূপান্তর করতে পারেন চাষিরা। তাই চাষিদের নিকট ব্রি ধান-১০৩ দিনদিন জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছে।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের গত বছরের উদ্ভাবিত ব্রি ধান-১০৩ এ উপজেলায় আবাদ হয়েছে ১২০ হেক্টর। এছাড়াও ব্রি ধান-৭৫, ৮৭, ৯০ ও ৯৫ জাতের ধান চাষ করা হয়েছে। এসব ধানের উপর গত শুক্রবার ‘খামারি মোবাইল অ্যাপের’ কার্যকারিতা যাচাই-বাচাই ও উচ্চ ফলনশীল আমন ধানের ফসল কর্তন ও কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় ধনবাড়ীর মুশুদ্দি উত্তরপাড়ায়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলার মুশুদ্দি গ্রামের কৃষক হারুন মিয়া বলেন, এবার ৫ বিঘা জমিতে ব্রি ধান-১০৩ আবাদ করেছি। এতে বিঘা প্রতি ২৪/২৫ মণ ফলন পেয়েছি। এলাকার অনান্য চাষিরা এ ধান চাষে আশার আলো দেখছেন।

কৃষক বদিউজ্জামান, জমির উদ্দিন, সোহরাব আলী ও খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, এ উচ্চ ফলনশীল ধান আবাদে চাষিরা বেশি লাভবান হবে। ধানে রোগ-বালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ নেই বললেই চলে।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ বলেন, ব্রি ধান-১০৩ এ আধুনিক উফশী ধানের সকল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। আমরা এ জাতের ধান চাষে চাষিদের সঠিক পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মাসুদুর রহমান বলেন, ব্রি ধান-১০৩ উচ্চ ফলনশীল জাত। এ মৌসুমে যেসব চাষিরা এ ধান আবাদ করেছেন তারা দ্বিগুণ ফলন পেয়েছেন। যদি বীজ সংগ্রহ করে কৃষক পর্যায়ে ছড়িয়ে দেয়া যায় তাহলে চাষিরা লাভবান হবেন।


আরও খবর



ঢাকা বোর্ডে এইচএসসিতে ভুল প্রশ্ন, সব পরীক্ষার্থী পাবেন ৮ নম্বর

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | জন দেখেছেন

Image

চ্যানেল 23  রিপোর্ট:


ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বোর্ডে এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ইংরেজি ভার্সনের প্রশ্নপত্রে ভুল ছিল।



 আর এই ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। প্রশ্নটি ভুল থাকায় তার সঠিক উত্তর করতে পারেননি কোনো শিক্ষার্থীই।


বিষয়টি নজরে আসার পর ইংরেজি ভার্সনে ঐ বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়া সব শিক্ষার্থীকে ভুল প্রশ্নের নির্ধারিত নম্বর দিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।



 ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক আবুল বাশার বলেন, শিক্ষার্থীদের বঞ্চিত হবার কোনো কারণ নেই। যেসব শিক্ষার্থী ঐ প্রশ্নটি লেখার চেষ্টা করছে তারা সবাই ৮ নম্বর পাবেন।


শিক্ষকরা জানান, গত ১১ জুলাই অনুষ্ঠিত ঢাকা বোর্ডের পদার্থবিজ্ঞান প্রথমপত্র পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে দুটি জায়গায় ভুল ও অসংগতি রয়েছে। প্রশ্নটি সংশোধন না করায় উত্তর মেলাতে না পেরে ইংরেজি ভার্সনের শিক্ষার্থীরা ৮ নম্বর কম পাওয়ার শঙ্কায় ছিল।


প্রশ্নপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলা ভার্সনের ৪ নম্বর প্রশ্নের ‘উদ্দীপক’-এ বলা হয়েছে, ‘বান্দরবানের পাহাড়ি রাস্তার বাঁকে সুমন ২০০ kg ভরের একটি গাড়ি ৬০ kmh (-১) বেগে চালাচ্ছে। রাস্তার বাঁকের ব্যাসার্ধ ১৫০ m। ঐ স্থানে রাস্তাটি ৪ m চওড়া এবং ভেতরের কিনারা থেকে বাইরের কিনারা ০.৫m উঁচু।’



অন্যদিকে ইংরেজি ভার্সনে একই প্রশ্নে ‘উদ্দীপক’-এ বলা হয়েছে, Suman is driving a car of mass 200kg at a speed of 60 kmh (-1) at a bend in the hilly road of Bandarban. The radius of the road bend is 150m. At that point the road is 4m wide and 5m high from the inner edge to the outer edge.


অর্থাৎ, বাংলা ভার্সনে ‘শূন্য দশমিক ৫ মিটার উঁচু’ বলা হলেও ইংরেজি ভার্সনের প্রশ্নে সরাসরি ‘৫ মিটার উঁচু’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে, যা একেবারেই অসম্ভব বলে উল্লেখ করেছেন পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষকরা।


পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষকরা বলছেন, বাংলা ভার্সনের প্রশ্নটি ঠিক আছে। সেখানে ‘শূন্য দশমিক ৫ মিটার’ উল্লেখ করা হয়েছে। এটার উত্তর মিলবে। কিন্তু ইংরেজি ভার্সনে একই প্রশ্নে সরাসরি ‘৫ মিটার’ বলা হয়েছে। এটা দিয়ে উত্তর মেলানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়।


একই প্রশ্নপত্রে সৃজনশীল প্রশ্নের ৭-এর ‘ঘ’-তে বাংলা ভার্সনের প্রশ্নে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, ‘কোন দোলকের শক্তি বেশি’। অথচ ইংরেজি ভার্সনের প্রশ্নে লেখা হয়েছে, ‘Which pendulum is more powerful।


এ প্রশ্নটির ব্যাপারে শিক্ষকরা জানান, বাংলায় বলা হচ্ছে ‘শক্তি’। আর ইংরেজিতে বলা হচ্ছে ‘পাওয়ারফুল’, যার অর্থ দাঁড়ায় ‘ক্ষমতাশালী’। পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় ‘শক্তি’ ও ‘পাওয়ার’ এক জিনিস নয়। ফলে এ প্রশ্নটাও অসংগতিপূর্ণ বলছেন শিক্ষকরা।



আরও খবর



চাকরিতে কোটা নিয়ে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ২২জন দেখেছেন

Image



বর্তমান দেশবাংলা ডেস্ক:


প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাসহ কোটা পদ্ধতি বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট।



রোববার (১৪ জুলাই) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ ২৭ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেন।


গত ৫ জুন প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত হাইকোর্ট অবৈধ ঘোষণা করেন। এরপর ৯ জুন হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করা হয়। ওইদিন এই আবেদন শুনানির জন্য আপিল বিভাগে পাঠিয়ে দেন চেম্বার আদালত।


পরে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে গত ৪ জুলাই ছয় বিচারপতির আপিল বেঞ্চ সরকারি চাকরির প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় আপাতত বহাল রাখার নির্দেশ দেন। এরপর ১০ জুলাই হাইকোর্টের দেওয়া রায়ে চার সপ্তাহের জন্য স্থিতাবস্থা দেওয়া হয়।


উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে সরাসরি নিয়োগে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি তুলে দিয়ে পরিপত্র জারি করা হয়।


আরও খবর



রাত ২ টায় হলে ফিরলেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা, মধ্য রাতে উত্তাল অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | জন দেখেছেন

Image

চ্যানেল 23 ডেস্কঃ



বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি শেষে হলে হলে ফিরেছেন কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীরা। রোববার (১৪ জুলাই) রাত ২টার দিকে তারা হলে ফিরে যান।



এর আগে কোটা সংস্কারের দাবিতে মধ্যরাতে উত্তাল হয়ে উঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। রোববার (১৪ জুলাই) রাত পৌনে ১১টার দিকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে সাড়া দিয়ে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলসহ প্রত্যেকটি হলের শিক্ষার্থীরা এই বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন।



জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হল, শামসুন্নাহার হল, কবি জসিম উদ্দিন হল, বঙ্গবন্ধু হল, জিয়াউর রহমান হলসহ বিজ্ঞান অনুষদের হলগুলোর কয়েক হাজার শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে বের হয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন।


এদিকে, মিছিলে যোগ দেওয়া ঠেকাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হল, মাস্টারদা সূর্যসেন হল, বিজয় একাত্তর হল, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ও এফ রহমান হলের শিক্ষার্থীদেরকে আটকে রাখার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।



 কিন্তু অন্যান্য হলের শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে এসে এই হলগুলোর মূল ফটকের তালা ভেঙে আগ্রহী শিক্ষার্থীদেরকে উদ্ধার করে মিছিলে যুক্ত করেন।



বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া এক শিক্ষার্থী গণমাধ্যমকে বলেন, সূর্যসেন হল, মুহসীন হল, একাত্তর হল, এ এফ রহমান হল ও সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে আটকে রাখা শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করা হয়েছে এবং মিছিলে যুক্ত করা হয়। জহুরুল হক হলের টিভি রুমে শিক্ষার্থীদের আটকে রাখা হয়েছিল।


বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সহ-সমন্বয়ক রিফাত রশিদ বলেন, বিজয় একাত্তর হলগেট বন্ধ রাখা হয়েছিল। সেখানে আটকে রাখা শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করতে গেলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ আহত হন।


আন্দোলনে অংশ নেওয়া আরেক শিক্ষার্থী বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ বীর মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ কোনো কোটা চায় না। দেশের মানুষ চায় মেধার মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ হোক।


এর আগে রাত পৌনে ১১টার দিকে ছাত্রীরা হল থেকে এবং আশেপাশে মেসে থাকা  শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে জড়ো হন।


রাত ১১টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শামসুজ্জোহা চত্বরে একত্রিত হয়ে বিভিন্ন হল প্রদক্ষিণ করেন আন্দোলনকারীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করেন তারা।


এ ছাড়া চবি, কুবি, বেরোবি, খুবিসহ আরও বেশ কয়েকটি ক্যাম্পাস মধ্যরাতে উত্তাল হয়ে উঠে।



আরও খবর



ডিসি বদল হচ্ছে ১৫ জেলায়,চলতি মাসেই প্রজ্ঞাপন : জনপ্রশাসনমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ৩৬জন দেখেছেন

Image



 নিউজ ডেস্ক:



মাঠ প্রশাসনের জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। চলতি মাসেই যে কোনো সময় নতুন ডিসি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। 



কমপক্ষে ১৫ জেলায় ডিসি পরিবর্তন হবে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। ডিসি পরিবর্তনের পরপরই শুরু হবে বিসিএস ২৮ ব্যাচের ডিসি হওয়ার ফিট লিস্টের কার্যক্রম।



এ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ। জানা গেছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নিয়মিত বদলির কার্যক্রম হিসেবেই নতুন ডিসি নিয়োগ করতে যাচ্ছে সরকার।



 ইতোমধ্যে গত মাসে পুলিশের উচ্চ পর্যায়ে বড় রদবদল করা হয়েছে। যদিও কয়েক মাস ধরেই ডিসি পদে রদবদলের আলোচনা চলছিল।


তবে উপজেলা নির্বাচন আর জুনের বার্ষিক হিসাব সমাপ্তির জন্য বিষয়টি আটকে ছিল।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মাঠ প্রশাসনের ডিসি পদে বর্তমানে তিনটি ব্যাচের কর্মকর্তারা কাজ করছেন। 



৬৪ জেলার মধ্যে ২৪ ব্যাচের ২৩ জন, ২৫ ব্যাচের ১৯ জন এবং ২৭ ব্যাচের ২২ জন কর্মকর্তা রয়েছেন। সাধারণত ডিসি পদে দুই বছর মাঠে রাখা হয়।


তবে কারও কাজ সন্তোষজনক না হলে নির্ধারিত সময়ের আগেও পরিবর্তন করা হয়। ইতোমধ্যে ২৪ ব্যাচের বেশির ভাগ কর্মকর্তাকে মাঠ প্রশাসন থেকে সরিয়ে অন্যত্র দায়িত্ব দেওয়ার সময় হয়েছে। তবে একাধিক সূত্র জানিয়েছেন, ২৪ ব্যাচের সবাইকে বদলি করা হবে না। 



২৫ ব্যাচেরও কয়েকজন ডিসিকে বদলি করা হতে পারে বলে জানা গেছে। ডিসি নিয়োগের ক্ষেত্রে খুবই গোপনীয়তা রক্ষা করে সার্বিক কার্যক্রম এগিয়ে রেখেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।



নতুন ডিসি হিসেবে কাদের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে সে তালিকা অনেকটাই প্রস্তুত করেছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একাধিক সূত্র জানান, নতুন তালিকায় ২৭ ব্যাচের কর্মকর্তাদের নাম বেশি রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, সরকার মাঠ প্রশাসনে সৎ, দক্ষ কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে চায়। 



পাশপাশি অনেক কর্মকর্তা নানা কারণে বঞ্চিত হয়েছেন কিংবা জাতীয় নির্বাচনের আগে ইসির নির্দেশনায় মাঠ থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এমন কর্মকর্তাদের নামও নতুন তালিকায় রয়েছে।



 ডিসি পরিবর্তন বিষয়ে জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘মাঠে দুই বছর হয়ে গেলে ডিসি পদে আমরা পরিবর্তন করি। সিনিয়রদের পর্যায়ক্রমে বদলি করা হয়। একই সঙ্গে যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে না পারলে, কোনো বড় অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়া হয়। 



’ তিনি বলেন, এখন ডিসি হিসেবে যারা আছেন তাদের মধ্যে ২৪ ব্যাচের প্রমোশন হবে। চলতি মাসেই কয়েকটি জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।


একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বাংলাদেশ প্রতিদিনকে নিশ্চিত করেছেন, ডিসি পরিবর্তন আসছে ১৫ জেলায়। এখন পর্যন্ত সেভাবেই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। শেষ মুহূর্তে প্রয়োজনে আরও এক বা দুটি জেলা বাড়তেও পারে। 



ডিসি রদবদলের পর ২৮ ব্যাচের ডিসি হওয়ার ফিট লিস্টের কার্যক্রম শুরু করবে মন্ত্রণালয়। সূত্রগুলো জানান, ডিসি নিয়োগের ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় খুবই গোপনীয়তা রক্ষা করে। 



প্রজ্ঞাপন জারির আগ পর্যন্ত এ-সংক্রান্ত নিয়োগ তালিকা সময়ে সময়ে বদলেও যায়। আবার প্রজ্ঞাপন জারির পরও বাদ পড়েন কোনো কোনো কর্মকর্তা।


মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একাধিক সূত্র জানান, নতুন নিয়োগের পাশাপাশি ২৫ ও ২৭ ব্যাচের দায়িত্ব পালন করা ডিসিদের কিছু জেলাও পরিবর্তন আসতে পারে। অনেক কর্মকর্তাকে পরিবর্তন করে গুরুত্বপূর্ণ বা বড় জেলায় দায়িত্ব দিতে পারে সরকার। 



যেসব কর্মকর্তা ইতোমধ্যে দক্ষতা দেখিয়েছেন তাদের আরও উৎসাহিত করতে চায় সরকার। কয়েক দিন ধরেই কর্মকর্তাদের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনা রয়েছে। বিশেষ করে ২৭ ও ২৮ ব্যাচের কর্মকর্তারা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে খোঁজখবর রাখার চেষ্টা করছেন।



 ২৭ ব্যাচের কর্মকর্তারা আশায় আছেন কে হচ্ছেন ডিসি আর ২৮ ব্যাচ আশায় আছেন ফিট লিস্টের।



আরও খবর



সন্দ্বীপে মাদক বিরোধী পথসভা ও লিফলেট বিতরন।

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ২৩৪জন দেখেছেন

Image

সন্দ্বীপ প্রতিনিধি 

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে ২৪ জুন (সোমবার) মাদকের ভয়াবহতা নিয়ে পথসভা ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।  স্বাধীন বাংলা  মাদক বিরোধী কল্যাণ সোসাইটি ও সন্দ্বীপ অধিকার আন্দোলন   যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

 উপজেলা পরিষদের ভিতরে পথসভা শেষে কমপ্লেক্স এলাকায় ব্যবসায়ী ও সর্বস্তরের  জনগণের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়।  লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি উদ্ভোধন করেন সন্দ্বীপ উপজেলার সহকারী ভূমি কমিশনার তাসফিক সিপাত উল্যা

পথসভায় বক্তব্য রাখেন সন্দ্বীপ অধিকার আন্দোলন এর সভাপতি  মোঃ হাসানুজ্জামান সন্দ্বীপি, স্বাধীন বাংলা মাদক বিরোধী কল্যাণ সোসাইটির সন্দ্বীপ কমিটির  সভাপতি মোঃ রুবেল, সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ সাকিল খান প্রমুখ।

এ সময় সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে উপস্তিত ছিলেন মোঃ জাফর ইসলাম, এমদাদ হোসেন, জয়দেব কাহার,মেহেদী হাসান,আরমান হোসেন তাইমুল হোসেন, আব্দুর রহমান, সাব্বির মাহমুদ, মোঃ রাফি, আব্দুল করিম সহ  স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ , 

বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ সন্দ্বীপ উপজেলাকে মাদকমুক্ত করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করে বলেন ,সন্দ্বীপের প্রতিটি  ইউনিয়ন পাড়া মহল্লাও স্কুল -কলেজে  মাদক বিরোধী জন সচেতনতামূলক লিফলেট ও অন্যান্য কর্মসূচি চলমান থাকবে


আরও খবর