Logo
আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

ঢাকায় কনসার্টের পরেরদিন মাকে হারালেন মোনালি

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১৫০জন দেখেছেন

Image

ডিজিটাল ডেস্ক :

ভারতের জনপ্রিয় গায়িকা ও অভিনেত্রী মোনালি ঠাকুরের মা মারা গেছেন। ১৮ দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর শুক্রবার দুপুরে মৃত্যু হয়েছে মোনালির মা মিনতি ঠাকুরের।

আনন্দবাজারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোনালি ঠাকুরের মায়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার বড় বোন মেহুলি ঠাকুর। শুক্রবার (১৭ মে) মেহুলি ফেসবুকে লেখেন, ‘শিকল ছিঁড়ে গেছে...অবশেষে কষ্টের অবসান...। বেলা ২টা বেজে ১০ মিনিটে মা স্থির হয়ে গেছে।’

ইনস্টাগ্রামে মায়ের সঙ্গে ছবি শেয়ার করে মোনালি ঠাকুর লিখেছেন, ‘কঠিন পরিস্থিতিতে কীভাবে লড়াই করব মা, এই একাকিত্ব এই যন্ত্রণা বড্ড অসহায় লাগছে। কিন্তু এবার সময় এসে গেছে, তাকে লাইফ সাপোর্ট থেকে বের করে নেওয়ার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমাকে এবং তৈরি হতে হবে।


আমার মাকে শান্তি দাও ঈশ্বর এবং আমাকে সাহায্য করো। এখন মাকে ছাড়া আমার জীবনটাই বা কীভাবে কল্পনা করব। আর নিজেকে ঠিক রাখতে পারছি না।’

এদিকে মায়ের মৃত্যুর একদিন আগে ঢাকায় কনসার্ট করে গেছেন মোনালি। বৃহস্পতিবার (১৬ মে) কলকাতা থেকে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনে এক গানের অনুষ্ঠান অংশ নেন এই শিল্পী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে গান শোনানোর কথা ছিল তার। আগেই চুক্তি সেরেছিলেন গায়িকা। তাই আর না করতে পারেননি। কথা রেখে ঢাকায় এসে মঞ্চে পারফর্ম করে গেছেন।

তার সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এক ভিডিওতে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার (১৬ মে) ঢাকার একটি কনসার্টে মোনালি ঠাকুর গান গাইছেন তার মায়ের স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ার খবর পাওয়ার পরেও। আর সেখানেই তিনি তার মাকে উদ্দেশ্য করে গেয়েছেন।

বিষন্ন মনে মোনালির কণ্ঠে শোনা যায় রবীন্দ্রসংগীত। যেখানে মাকে উদ্দেশ্য করে এই সংগীতশিল্পী গাইলেন ‘তুমি রবে নীরবে’। গাইতে গাইতে গলা বুজে আসে গায়িকার। কেঁপে যায় গলা। তবুও গান থামান না তিনি।


আরও খবর



ক্লুলেস ইজিবাইক চালক নয়ন হত্যাকান্ডর মূল পরিকল্পনাকারী মিজান’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১৫৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদ 
রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানাধীন শেখদী মল্লিক এলাকায় বসবাসকারী মোঃ নয়ন (২০), পিতা-মোঃ বাবুল হোসেন নামক একজন ইজিবাইক চালক সে ভাড়ায় ইজিবাইক চালিয়ে তার জীবিকা নির্বাহ করতো। গত ১৪ মে ২০২৪ খ্রিঃ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানকি ০৬:৩০ ঘটিকায় ন্যায় যাত্রী বহন করার উদ্দেশ্যে গ্যারেজ হতে ইজিবাইক নিয়ে বের হয়ে। প্রতিদিনের ন্যায় নয়ন রাত আনুমানিক ২২:০০ ঘটিকা হতে ২২:৩০ ঘটিকার মধ্যে বাসায় ফেরার কথা থাকলেও ঐদিন রাতে সে বাসায় না ফিরলে তার পরিবারের লোকজন তাকে মোবাইল ফোনে কল দিলে ফোন বন্ধ পায়। অতঃপর সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজখবর নিয়েও নয়নের কোন সন্ধান না পেয়ে তার পরিবারের লোকজন চিন্তিত হয়ে পড়ে। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে গত ১৮ মে ২০২৪ খ্রিঃ তারিখ বিকাল আনুমানিক ১৬:৩০ ঘটিকায় নয়ননের পিতা বাবুল হোসেন লোক মুখে সংবাদ পায় যে, রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানাধীন মাতুয়াইল মৌজাস্থ গ্রীন মডেল টাউনের বাউন্ডারীর ভিতরে ছনক্ষেতের মধ্যে হাত, পা ও মুখ বাধা এবং গলিত অবস্থায় এক ব্যক্তির লাশ পড়ে আছে। উক্ত সংবাদ পেয়ে নয়নের পরিবারের লোকজন দ্রæত উল্লেখিত স্থানে গিয়ে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের উপস্থিতিতে লাশটি দেখে এটি নিখোঁজ নয়নের লাশ বলে শনাক্ত করে। অতঃপর পুলিশ স্থানীয় লোকজনের সহযোগীতায় লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করতঃ লাশ ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেন।
উক্ত ঘটনার পর মৃত নয়নের বাবা মোঃ বাবুল হোসেন তার পরিবারের সাথে পরামর্শ করতঃ রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। যার মামলা নম্বর-৭৭, তাং-১৯/০৫/২০২৪ খ্রিঃ, ধারা- ৩০২/২০১/৩৪ দÐ বিধি। ইতোমধ্যে হত্যাকাÐের ঘটনাটি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইলেক্ট্রনিক প্রিন্ট মিডিয়ায় গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। ঘটনাটি জানতে পেরে র‌্যাব-১০, সিপিসি-১ যাত্রাবাড়ী ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল উক্ত চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস হত্যাকারি রহস্য উদঘাটন ও হত্যাকাণ্ড  জড়িত আসামিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি ও ছায়া তদন্ত শুরু করে।
 এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল ২৭ মে ২০২৪ খ্রিঃ তারিখ বিকাল আনুমানিক ১৭:১০ ঘটিকায় র‌্যাব-১০, সিপিসি-১ যাত্রাবাড়ী ক্যাম্পের উক্ত আভিযানিক দল তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় এবং র‌্যাব-১৩ এর সহযোগীতায় গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি থানাধীন কঞ্চিপাড়া রসুলপুর এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস ইজিবাইক চালক নয়ন হত্যাকারি মূলহোতা মোঃ নিজাম উদ্দিন  মিজান (২৬), পিতা-মৃত আমীর হোসেন, গ্রামঃ পিটিবি ওয়াবদা গোসাইপুর, থানা-কোতয়ালী, জেলা-দিনাজপুর’কে গ্রেফতার করে।
 প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত মিজান উক্ত হত্যাকারির্ মূল পরিকল্পনাকারী বলে স্বীকার করেছে। মিজান তার অপর দুই সহযোগী দ্বীন ইসলাম এবং মমিন ওরফে মকবুল’কে নিয়ে ইজিবাইক চালক নয়নকে হত্যা করে তার ইজিবাইক ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেছিল। অতঃপর তাদের পরিকল্পনা মোতাবেক গত ১৪ মে ২০২৪ খ্রিঃ তারিখ রাত আনুমানিক ২০:৪০ ঘটিকায় যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা মোড় হতে তাদের পূর্বপরিকল্পিত স্থান ঘটনাস্থল যাত্রাবাড়ী থানাধীন মাতুয়াইল মৌজাস্থ গ্রীন মডেল টাউন এলাকায় যাওয়ার কথা বলে নয়নের ইজিবাইকটি ভাড়া করে উক্ত এলাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা করে। পরবর্তীতে রাত আনুমানিক ২১:১০ ঘটিকায় উক্ত এলাকায় পৌঁছালে মিজান নয়নকে ইজিবাইক থেকে নামতে বলে। অতঃপর নয়ন ইজিবাইক থেকে নামার সাথে সাথে মিজান, দ্বীন ইসলাম ও মমিন তিনজন মিলে নয়নকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে মুখ চেপে ধরে গলায় গামছা পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পরবর্তীতে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে নয়নের মৃতদেহ উক্ত এলাকার একটি ছনক্ষেতের মধ্যে ফেলে রেখে নয়নের ইজিবাইকটি নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
গ্রেফতারকৃত মিজানের দেখানো মতে ঘটনাস্থলের পাশের ঝোপ হতে হত্যার পর নয়নের লাশ গুম করার কাজে ব্যবহৃত একটি কোদাল ও একটি প্লাস্টিকের বাজারের ব্যাগের ভিতরে নীল রংয়ের পলিথিন উদ্ধার করা হয়। তারা নয়নকে হত্যার পর লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে উদ্ধারকৃত পলিথিন দিয়ে নয়নের মৃতদেহ পেচিয়ে মাটিতে পুতে ফেলার পরিকল্পনা করেছিল কিন্তু লোকজনের আনাগুনার ভয়ে পরবর্তীতে লাশ উক্ত ছনক্ষেতের মধ্যে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।


গ্রেফতারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আরও খবর



স্থায়ী কমিটির শূন্যপদ পূরণের উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি’

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৮১জন দেখেছেন

Image

23 ডেস্ক :

বিএনপি এখন নতুন করে আন্দোলন করার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি সংগঠন গোছানোর জন্য মনোযোগী হচ্ছে। আর এই মনোযোগের প্রধান ক্ষেত্র হচ্ছে স্থায়ী কমিটি।

বিএনপির তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে যে, স্থায়ী কমিটি যদি অকার্যকর হয়, তাহলে কোন আন্দোলনই গড়ে তোলা সম্ভব হবে না। স্থায়ী কমিটির পাঁচটি পদ এখন খালি আছে। আর স্থায়ী কমিটিতে দায়িত্ব পালন করা একাধিক নেতা অসুস্থ। ফলে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী এই কমিটি এখন অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

দলের হাতে গোনা ৩-৪ জন নেতা ছাড়া কেউই কার্যকর নয়। এই অবস্থায় স্থায়ী কমিটিকে আরও সক্রিয় এবং সচল করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বিএনপি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গত দুদিন ধরে লন্ডনে পলাতক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়া ধারাবাহিকভাবে দলের গুরুত্বপূর্ণ এবং সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। এই বৈঠকের প্রধান এজেন্ডা হল স্থায়ী কমিটির শূন্যপদ পূরণ।

বৃহষ্পতিবার এবং শুক্রবার তিনি দলের সাধারণ দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলাম খান এবং গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে বৈঠক করেছেন। আর এই স্থায়ী কমিটির শূন্য পদে কাদেরকে আনা যায় এ ব্যাপারে তাদের মতামত চেয়েছেন।

বিভিন্ন সূত্রগুলো বলছে যে, তারেক জিয়া তার নিজস্ব মতামত দেননি, তিনি শুধুমাত্র তাদের অভিমত জানতে চেয়েছেন।তবে স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য বলেছেন যে, স্থায়ী কমিটিতে নতুন কাদেরকে নিয়োগ দেওয়া যায়, এ ব্যাপারে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তাদের মতামত জানতে চেয়েছেন। তারা এই ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের চূড়ান্ত ক্ষমতা তারেক জিয়ার হাতেই ন্যস্ত করেছেন।

তবে কোন কোন বিষয়গুলো স্থায়ী কমিটির সদস্যপদের জন্য বিবেচনা করা উচিত, এ ব্যাপারে তারা তাদের মতামত দিয়েছেন বলেও জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলছেন, দলে যারা সক্রিয়, বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে যাদেরকে পাওয়া যায়, তাদেরকে স্থায়ী কমিটিতে আনাটা প্রয়োজন। এর ফলে অন্যরাও উৎসাহিত হবে।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, কর্মীদের সঙ্গে যাদের যোগাযোগ রয়েছে এবং যারা ডিগবাজি খাবে না, আদর্শের প্রতি অটল- তাদেরকে স্থায়ী কমিটিতে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। অন্যদিকে মির্জা আব্বাস বলেছেন, যে সমস্ত নেতারা গত ১৭ বছর জুলুম-নির্যাতন সহ্য করেছেন, দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাদেরকে সামনে আনাটা জরুরি। তবে স্থায়ী কমিটির সদস্য কারা হতে পারেন এ ব্যাপারে কোন নাম, বিএনপির কোন নেতাই বলেননি।

তবে বিভিন্ন সূত্রগুলো বলছে যে, যে সমস্ত বৈশিষ্ট্যগুলোর কথা বলা হয়েছে, সেই সমস্ত বৈশিষ্ট্যগুলো যদি পূরণ করা হয়, তাহলে হাতেগোনা কয়েকজন ব্যক্তি আছেন যারা স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন।

দলের সাধারণ কর্মীদের পছন্দ রুহুল কবির রিজভী। তিনি এখন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। দলের ভিতরে তার জনপ্রিয়তা প্রশ্নাতীত। কিন্তু তিনি তারেক জিয়ার পছন্দের ব্যক্তি নন বলেই সকলে জানে। আর এ কারণেই স্থায়ী কমিটিতে তার ঢোকাটা নিশ্চিত নয়।

কোন কোন মহল মনে করছেন যে, আমানউল্লাহ আমান, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব উন নবী খান সোহেলের মতো লড়াকু নেতৃবৃন্দদেরকে স্থায়ী কমিটিতে নিয়ে আসা দরকার। আবার কেউ কেউ মনে করেন যে, স্থায়ী কমিটিতে আনতে গেলে রাজনৈতিকভাবে অভিজ্ঞ এবং প্রাজ্ঞ ব্যক্তিদের দরকার।

সবকিছু মিলিয়ে স্থায়ী কমিটিতে কারা আসবেন, না আসবেন তা নির্ভর করছে তারেক জিয়ার সিদ্ধান্তের উপর। খুব শীঘ্রই স্থায়ী কমিটির শূন্য পদগুলো পূরণ করা হতে পারে বলে দলের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে।


আরও খবর



এবার ঈদে শ্রোতাদের বাংলা ও হিন্দি গান শোনাবেন ড. মাহফুজুর রহমান

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৬৯জন দেখেছেন

Image

23 বিনোদন ডেস্ক

দর্শকদের এবারের ঈদেও একক গান শোনাবেন কণ্ঠশিল্পী ড. মাহফুজুর রহমান। এবারে ২ টি সঙ্গীতানুষ্ঠান নিয়ে আসছেন তিনি। সঙ্গীতের প্রতি তার রয়েছে অসম্ভব ভালোবাসা। আর তাইতো নিজেই যুক্ত হয়েছেন গানের ভুবনে। ২০১৬ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রচার হচ্ছে তার গাওয়া গান নিয়ে একক সঙ্গীতানুষ্ঠান।

এ ধারাবাহিকতায় এবারের ঈদেও তার গাওয়া একগুচ্ছ গান নিয়ে ঈদের দিন রাত ১০.৩০ মিনিটে প্রচার হবে একক সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘আমার চোখের আলো’। অনুষ্ঠানে রয়েছে মোট ১০ টি গান। অ্যালবামের গানগুলোতে সুরারোপ করেছেন মান্নান মোহাম্মদ ও রাজেশ ঘোষ। বাংলা গানের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে থাকছে জনপ্রিয় কয়েকটি হিন্দি গান। অ্যালবামে রয়েছে নীলে নীলে আম্বার, দিল দে দিয়া হ্যায়, হামে অর জিনে কি, জিনা ইয়াহান মারনা ইয়াহান, আমার চোখের আলো, তুমি তো জানো না প্রিয়, তোমার নিঃশ্বাসে বিষ ছিল, চুপ কেন তুমি চুপ কেন এবং প্রথম প্রেম শিরোনামের গান।

এছাড়া ঈদের পরদিন রাত ১০.৩০ মিনিটে প্রচার হবে দ্বৈত গানের সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘ওয়াদা করো’। অনুষ্ঠানে থাকছে কেহেদু তুমছে, তুঝে দেখা তু ইয়ে, মুঝে দিলসে ভুলানা, মেরা দিল ভি কিতনা পাগল, ঢোলনা, তু চিজ বাড়ি হ্যায় মাস্ত মাস্ত, ওয়াদা কারো, সাস মে তেরি, তু তু হ্যায় ওয়াহি দিলনে এবং কিতনি বেচেইন হোকে শিরোনামের গান। ডুয়েট গানগুলোতে ড. মাহফুজুর রহমানের সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন নীলিমা, ভাবনা আহমেদ ও তাহমিনা


আরও খবর



দীপিকা পাডুকোনকে ছেড়েই ক্রুজ পার্টিতে ভালোই ফুর্তিতে ছিলেন রণবীর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৭১জন দেখেছেন

Image

অনন্ত আম্বানি-রাধিকা মার্চেন্টের সেকেন্ড প্রি-ওয়েডিং উপলক্ষে ইতালিতে পাড়ি জমিয়েছিলেন বলিউড অভিনেতা রণবীর সিং।

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী দীপিকা পাডুকোনকে ছেড়েই ক্রুজ পার্টিতে ভালোই ফুর্তিতে ছিলেন রণবীর। তবে ইতালি থেকে ফেরা মাত্রই দীপিকাকে নিয়ে ডিনারে গিয়ে বিদেশে পার্টি করতে যাওয়ার খেসারত দিচ্ছেন অভিনেতা।

এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার রাতে দীপিকাকে নিয়ে ডিনারে গিয়েছিলেন রণবীর সিং। মুম্বাইয়ের একটি রেস্তোরাঁ থেকে বের হওয়ার সময় ফটোসাংবাদিকদের ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন তারা।

এসময় দেখা গেছে, দীপিকার হাত ধরে আগলে রেখেছেন রণবীর সিং। এ সময় অভিনেত্রীর পরনে ছিল স্ট্রাইপড লাল কুর্তা ও পাজামা। রণবীরের পরনে ছিল ছিমছাম টি-শার্ট। দুজনের চোখেই চশমা। এ সময় দীপিকার বেবিবাম্পটাও ঈষৎ দৃশ্যমান হয়েছিল

 

এদিন রণবীরের মা অঞ্জু ভাবনানি ও বাবা জগজিৎ সিং এবং শাশুরিসহ পরিবারের সবাইকে নিয়েই রেস্তোরাঁয় গিয়েছিলেন রণবীর।

কয়েকদিন আগে বেবি বাম্প নিয়েই ‘সিংঘম’ সিনেমায় শ্যুটিং করেছিলেন দীপিকা। এছাড়াও ভারতে চলমান লোকসভা নির্বাচনে বর রণবীরকে নিয়ে অসুস্থ শরীরেই ভোট দিতে গিয়েছিলেন তিনি।

আগামী সেপ্টেম্বরেই তারকা দম্পতি দীপিকা-রণবীরের ঘর আলো করে আসছে তাদের নতুন অতিথি।


আরও খবর



ফুলবাড়ীতে পূর্বশত্রুতার জেরে ২০০টি চারা আমগাছ বিনষ্ট

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১২৯জন দেখেছেন

Image

দিনাজপুর প্রতিনিধ  

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে রেজাউল আলম নামে একজন চিকিৎসকের আম ও আনারস বাগানের প্রায় ২০০টি ফলজ আমের গাছ উপড়ানোসহ আনারস ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পৌরসভার তেতুলিয়া গ্রামে স্বপ্নপুরি রোডে। এই ঘটনার প্রতিবাদে চিকিৎসক রেজাউল আলমের ছোট ভাই মোঃ খাদিমুল ইসলাম ফুলবাড়ী থানায় বাদী হয়ে একটি সাধারণ ডাইরি করেন।
বাদী খাদেমুল ইসলাম জানান, তার ভাই রেজাউল আলম তেতুলিয়া মৌজার জে,এল ৫৪, খতিয়ান নং ২৮৯, ১২৬১ নং দাগের ৩৩ শতক ক্রয়কৃত জমিতে গত কয়েক বছর ধরে বাগান আকারে আম ও আনারসের চাষ করে আসতেছেন। তার ভাই পেশাগত কারনে রংপুরে থাকায় বাগানগুলো কাছে থেকে দেখাশুনা করা সম্ভব হয়না। গত দেড় বছর পূর্বে প্রায় ২০০ টি আমের গাছ সেখানে লাগানো হয়। বর্তমানে প্রতিটি গাছেই থোকায় থোকায় আম ধরেছিল। কিন্তু গতকাল সকাল সাতটায় জমিতে গিয়ে দেখা যায় সব আমের গাছ উপড়ানো ও আনারসের  ক্ষেত লন্ডভন্ড অবস্থায় পড়ে আছে। আম ও আনারসসহ প্রায় আড়াই লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়।
প্রতিবেশী মোঃ খেরাজ উদ্দিনের ছেলে মোঃ রাকিব খান দীর্ঘদিন থেকে এই জমি ও বাগান নিয়ে শত্রুতা করে আসছিল বলে সে এই কাজটি করেছে বলে সন্দেহ পোষণ করছে ভুক্তভোগী। জানা যায়  ক্ষেতের পাশেই রাকিবের গোডাউন ঘর। সে প্রায় আমার ভাইয়ের জমির বেড়ার উপর মাটি দিয়ে আইল সরিয়ে দিত। এর প্রতিবাদে কিছু বলতে গেলে হুমকি দিত। যখন তখন ভয়-ভীতি প্রদর্শন করতো। তাছাড়া ঘটনার আগের দিন রাতে সে তার বন্ধু-বান্ধব নিয়ে সারারাত পিকনিক করে তার গোডাউন ঘরে। খাদিমুল ইসলাম এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানায়।

এ বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোস্তাফিজার রহমানের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, ২০০ টি আম গাছ উপড়ানো ও আনারস ক্ষেতের ক্ষয়ক্ষতি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর