Logo
আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

ঈদুল আজহা ১৭ জুন, চাঁদ দেখা গেছে

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৬৯জন দেখেছেন

Image

 23 ডেস্ক :

হিজরি ১৪৪৫ সনের পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। তাই আগামী ১৭ জুন সোমবার পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার (৭ জুন) ইসলামিক ফাউন্ডেশনে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় একথা জানানো হয়।মুসলমানদের দ্বিতীয় প্রধান ধর্মীয় উৎসব                                           

 ঈদুল আজহা বা কোরবারি ঈদ। ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর এই ঈদে মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করে থাকেন।


আরও খবর



ফুলবাড়ীতে বাঁশে মাচায় রং বে রং এর তরমুজ চাষে সফল কৃষক।

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১৫৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক 

আদিকাল থেকে মাটিতে তরজমুজ চাষ হয়ে আসছে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে। এবারেই প্রথম উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের সহায়তায় উপজেলার ৮জন কৃষক বাঁশের মাচায় বিভিন্ন রংঙের তরমুজ চাষে সফলতা হয়েছেন।
উপজেলার ভিমলপুর গ্রামের আব্দুল হামিদসহ ৮ জন কৃষকের বাঁশের মাচায় হলুদ, কালো ও  সবুজ রঙের তরমুজ, চাষ করে দৃষ্টি কেড়েছে উপজলার অন্যন্য কৃষকদের।  
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, দিনাজপুর অঞ্চলে টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় খরিফ-১ মৌসুমে প্রথমবার এবছর উপজেলায় ১ দশমিক ৬ একর জমিতে মাচা পদ্ধতিতে তৃপ্তি, অনুভব ও করি দেশী জাতের তরমুজ চাষ প্রদর্শনী করা হয়েছে। উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন এবং পৌর এলাকার ৮জন কৃষক, ২০ শতক করে জমিতে এই প্রদর্শনী করেছেন। এ চাষে কৃষকদের বীজ, জৈব সার, জৈব বালাই নাশকসহ সার্বিক পরামর্শ প্রদান করছেন কৃষি অধিদপ্তর।
এছাড়াও ফসল পরিচর্যার জন্য প্রতিটি কৃষককে ৩ হাজার করে টাকা দেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তারা। প্রদর্শনী ছাড়াও নিজ উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় এক একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন অনেক কৃষক।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রুম্মান আক্তার জানান, দিনাজপুর অঞ্চলে টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় খরিফ-১ মৌসুমে প্রথমবার এবছর উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন এবং পৌর এলাকায় ১ দশমিক ৬ একর জমিতে মাচা পদ্ধতিতে তৃপ্তি, অনুভব ও করি দেশী জাতের তরমুজ চাষ  প্রদর্শনী করা হয়েছে। কৃষকদের বীজ, জৈব সার, জৈব বালাই নাশকসহ সার্বক্ষণিক পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।
এদিকে গতকাল বিকেলে ভিমলপুর মাঠে তরমুজ প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন দিনাজপুর অঞ্চলে টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের জেলা প্রশিক্ষক জাফর ইকবাল, প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক রাকিবুজ্জামান, মনিটরিং ও ইভালুয়েশন কর্মকর্তা মশিউর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ রুম্মান আক্তার, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা শাহানুর রহমান।


আরও খবর



অবৈধভাবে চাঁদা উত্তোলনকালে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৯৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক 
এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল ০৩ জুন ২০২৪ খ্রিঃ তারিখ আনুমানিক দুপুর ১২:৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানাধীন কদমতলী সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে আন্তঃজেলা ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, লরী ও সিএনজিসহ বিভিন্ন পরিবহন হতে অবৈধভাবে চাঁদা উত্তোলনকালে চাঁদাবাজ  চক্রের অন্যতম মূলহোতা ১। মোঃ ইমরান @ মাইকেল (৪৪), পিতা-মৃত আমির হামজা @ বাদল, সাং-বাগডাসা লেন, নয়াবাজার, থানা-বংশাল, ডিএমপি, ঢাকা সহ মোট ০৪ জন পরিবহন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত অন্যান্য ব্যক্তিদের নাম ২। মোঃ অনিক হাসান @ রানা (৩২), পিতা-মোঃ জামাল উদ্দিন, সাং-চুনকুটিয়া,থানা-দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ, জেলা-ঢাকা, ৩। মোঃ সুমন মিয়া (৪২), পিতা-মৃত গেদা মিয়া, সাং-কদমতলী, তালগাছতলা, থানা-দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ, জেলা-ঢাকা, ৪। মোঃ আবুল খায়ের (৪২), পিতা-মৃত আব্দুল বাতেন,সাং-রঘুনাথপুর, থানা-চাঁদপুর সদর, জেলা-চাঁদপুর বলে জানা যায়। এসময় তাদের নিকট থেকে আদায়কৃত চাঁদা নগদ- ৩,৩৮০/- (তিন হাজার তিনশত আশি) টাকা ও ০১ টি প্লাস্টিকের পাইপ এবং ০৩ টি লাঠি উদ্ধার করা হয়।  

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা বেশ কিছুদিন যাবৎ রাজধানীর দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ, কোতয়ালী, ও যাত্রাবাড়ীসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় আন্তঃজেলা ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, লরী ও সিএনজিসহ বিভিন্ন পরিবহনের ড্রাইভার ও হেলপারদের সাথে অশোভন আচরনের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে অবৈধভাবে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করে আসছিল।গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আরও খবর



অবৈধভাবে চাঁদা উত্তোলনকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা হতে ০৬ জন পরিবহন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০।

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১৩৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক 

            গতকাল ২৫ মে  রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে আন্তঃজেলা ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, লরী ও সিএনজিসহ বিভিন্ন পরিবহন হতে অবৈধভাবে চাঁদা উত্তোলনকালে ০৬ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের নাম ১। মোঃ আব্দুর রশিদ (৬৬), পিতা-মৃত ফালু বেপারী, সাং-খিলপাড়া, থানা-টংগীবাড়ী, জেলা-মুন্সিগঞ্জ, ২। মোঃ বাবুল হোসেন (৫৬), পিতা-মৃত তোজাম্মেল হোসেন, সাং-গোলাপবাগ, থানা-যাত্রাবাড়ী, ডিএমপি, ঢাকা, ৩। মোঃ শহিদুল ইসলাম (৪৫), পিতা-মৃত আসলাম, মাতা-মোছাঃ রেজিয়া বেগম, সাং-দরবেশপুর, থানা-রামগঞ্জ, জেলা-লহ্মীপুর, ৪। মোঃ আরমান (৪২), পিতা-মৃত গাদু মিয়া, সাং-মাতুয়াইল, থানা-যাত্রাবাড়ী, ডিএমপি, ঢাকা, ৫। মোঃ ফয়সাল হোসেন (৩৫), পিতা-মোঃ আঃ সালাম, সাং-মেদেনী, থানা-লৌহজং, জেলা-মুন্সিগঞ্জ ও ৬। মোঃ রাসেল খান রনি (৩০), পিতা-নূর মোহাম্মদ, সাং-মদনপুর আন্দিরপাড়, থানা-বন্দর, জেলা-নারায়ণগঞ্জ বলে জানা যায়। এ সময় তাদের নিকট থেকে চাঁদাবাজির কাজে ব্যবহৃত ০৬টি লাঠি, ০৬টি মোবাইল ফোন ও আদায়কৃত চাঁদা নগদ-১৯,২৪০/- (ঊনিশ হাজার দুইশত চল্লিশ) টাকা উদ্ধার করা হয়।  


 প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা বেশ কিছুদিন যাবৎ রাজধানীর কোতয়ালী, যাত্রাবাড়ী, ডেমরা ও দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় আন্তঃজেলা ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, লরী ও সিএনজিসহ বিভিন্ন পরিবহনের ড্রাইভার ও হেলপারদের সাথে অশোভন আচরনের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে অবৈধভাবে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করে আসছিল।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করতঃ সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে


আরও খবর



শ্রীপুরে ওলামা দলের সভাপতি বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ১০৭জন দেখেছেন

Image

আবু কালাম স্টাফ রিপোর্টার : 

    গাজীপুর শ্রীপুরে গোসিংগা ইউনিয়ন ওলামা দলের সভাপতি জাকির মোড়ল (৪১)বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় গোসিংগা ইউনিয়নের খোঁজেখানী গ্রামের মৃত হোসেন আলী ছেলে হান্নান মোড়ল বাদী হয়ে জাকির মোড়ল (৪১), পিতা- মৃত হাজী আফতাব উদ্দিন মোড়ল, সাং- খোঁজেখানী, ইউপিঃ গোসিংগা, থানা- শ্রীপুর, সহ অজ্ঞাতনামা ১৫/২০ জন বিবাদীদের বিরুদ্ধে শ্রীপুর থানায় লিখত অভিযোগ দায়ের করেন।

  ভুক্তভোগী হান্নান মোড়ল তার অভিযোগে উল্লেখ করেন বিবাদী বেশ কিছুদিন যাবৎ আমি সহ আমার পরিবারের লোকজনের সহিত আমাদের পৈত্রিক সূত্রে মালিকানাধীন জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়াদী নিয়া বিরোধ সৃষ্টি করিয়া আমাদের জান-মালের ক্ষতি করার জন্য বিভিন্ন ধরনের অপচেষ্টা করিয়া আসিতেছে।  শুক্রবার  (৩১ মে) সকাল অনুমান ১১.০০ টার সময় উক্ত বিবাদী পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে অজ্ঞাতনামা ১৫/২০ জন সন্ত্রাসী প্রকৃতির বিবাদীদের সাথে নিয়া ও দা, লাঠি, লোহার রড ইত্যাদি দেশীয় অস্ত্রে-সস্ত্রে সজ্জিত হইয়া পরস্পর যোগসাজশে আমাদের বাড়ির উত্তর পাশে অবস্থিত আমাদের পৈত্রিক সূত্রে মালিকানাধীন জমিতে আসিয়া জমিতে বাঁশের খুটি স্থাপন করিয়া বেদখলে চেষ্টা করে ও জমিতে আমাদের রোপনকৃত বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা কাটিয়া এবং ২টি রেগুনি বাঁশের ঝাড় কাটিয়া অনুমান ১,১০,০০০/- টাকার ক্ষতি সাধন করে। তখন আমি ও আমার পরিবারের লোকজন ঘটনা দেখিয়া বিবাদীদের অন্যায় কাজের প্রতিবাদ করিলে, বিবাদীরা আমাদেরকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ সহ এলোপাথারি কিল, ঘুষি মারিয়া ও লাঠি দিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করিয়া নীলাফুলা জখম করে। ঐ সময় আমাদের ডাকচিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে আগাইয়া আসিতে থাকিলে, বিবাদীরা জমি দখল করিতে না পারিয়া আমাদেরকে পরবর্তীতে সুযোগমত পাইলে খুন জখম করিবে বলিয়া প্রকাশ্যে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়া চলিয়া যায়।


 শ্রীপুর মডেল থানার (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা মো. আকবর আলী খান জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



ভারতে মোদির মন্ত্রিসভায় মুসলিম এমপি নেই

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ৮৪জন দেখেছেন

Image

23 ডেস্ক :

ভারতে টানা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি তার মন্ত্রীসভায় কোনো মুসলিমকে স্থান দেননি। এমনকি তার যে জোট সে জোটে কোনো মুসলিম এমপিও নেই। ভারতের প্রায় ২৫ কোটি মুসলিমের বসবাস।

ভারতে এমন কিছু রাজ্য আছে যেখানে মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। তবুও নতুন সরকারের মন্ত্রী সভায় কোনো মুসলিম স্থান পায়নি। এ নিয়ে ভারতে মুসলিমদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, ভারতের ১৮তম লোকসভা নির্বাচনের আগে শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদাররা প্রায়ই দাবি করতেন, সংখ্যালঘু মুসলমানদের একাংশও নাকি এখন তাদের ভোট দিচ্ছেন। আবার অনেকেই এই দাবিকে ‘ফাঁকা আওয়াজ’ হিসেবে অবিহিত করেন। তবে শুভেন্দুদের দাবি যদি সত্য বলে ধরে নেওয়া হয় তাহলে তার প্রতিফলন কোথায়? সরকারি হিসেব অনুযায়ী, মোট ভোটারের ১৪ শতাংশ ভোটার মুসলিম। তবুও মোদির নবগঠিত মন্ত্রিসভায় নেই কোনো সংখ্যালঘু প্রতিনিধি। রোববার (৯ জুন) রাষ্ট্রপতি ভবনে নরেন্দ্র মোদিসহ ৭২ জন শপথগ্রহণ করেন। এই ৭২ জনের মধ্যে কোনো মুসলিম নেই। এমনকি শরিক দল তেলেগু দেশম বা জনতা দল ইউনাইটেডও কোনো মুসলিম প্রার্থীকে মন্ত্রী করেনি।গতকাল মন্ত্রীসভা গঠনের পর বিস্ময় প্রকাশ করেছেন পর্যবেক্ষকরা। টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসা বর্তমান সরকারে ধারাবাহিকভাবে কোনো মুসলিম প্রতিনিধি নেই। এক্ষেত্রে কেউ বলছেন, ‘নো ভোট-নো পোস্ট।’ অর্থাৎ সংখ্যালঘুরা বিজেপি বা তাদের শরিকদের ভোট দেয়নি, তাই তারা মন্ত্রিসভায় নেই।সংখ্যালঘুদের মধ্যে বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার যে প্রবণতা তা নতুন নয়। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর থেকেই সেই প্রবণতা তৈরি হয়েছে। গোধরা কাণ্ডের পর তা আরও তীব্র হয়েছে। ভারেতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা অটল বিহারী বাজপেয়ীও তা বুঝতেন। তিনিও জানতেন যে, মুসলিমদের আস্থা অর্জন করা বিজেপির জন্য কঠিন। তবু বাজপেয়ীর সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় সংখ্যালঘু প্রতিনিধি ছিল। মোখতার আব্বাস নকভিকে ১৯৯৮ সালে মন্ত্রী করেছিলেন বাজপেয়ী। তিনি প্রথমে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন। পরে সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। বাজপেয়ী যুগের অবসানের পর বিজেপির রাজনীতিতে লালকৃষ্ণ আদভানি বিজেপির সভাপতি হন। তার লক্ষ্য ছিল ২০০৯ সালের লোকসভা ভোটে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হয়ে ওঠা। সম্ভবত ভারতে সংখ্যালঘুদের বার্তা দিতে পাকিস্তান সফরে গিয়ে ‘কায়েদ এ আজম’ মহম্মদ আলি জিন্নাহর প্রশংসা করেছিলেন আদভানি। তিনি বলেছিলেন, জিন্নাহ ধর্মনিরপেক্ষ ছিলেন। সেই মন্তব্যের জন্য দলের সভাপতির পদ ছাড়তে হয় আদভানিকে। তবু প্রথাগত ভাবে হলেও বিজেপিতে সংখ্যালঘুদের প্রতিনিধিত্ব ছিল। ২০১৪ সালেও মোদি মন্ত্রিসভায় দুইজন সংখ্যালঘু ছিল। নাজমা হেপতুল্লাহ ও মোখতার আব্বাস নাকভি। কিন্তু মোদির দ্বিতীয় মেয়াদ থেকে মন্ত্রিসভায় আর ঠাঁই মেলেনি সংখ্যালঘু প্রতিনিধিদের। এবারও পুনরানৃত্তি ঘটাল মোদি

১৪০ কোটি মানুষের দেশ ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ২৫ কোটি। দেশটির হিন্দু জনসংখ্যার তুলনায় তা অনেক কম হলেও সংখ্যাটি অল্প নয়! পৃথিবীর অনেক দেশের মোট জনসংখ্যাই ২৫ কোটির কম। এত বিপুল সংখ্যক মানুষের কোনো প্রতিনিধি এবারও কেন্দ্রীয় সরকারে না থাকায় ভারত ছাড়িয়ে এই আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে মুসলিম বিশ্বে।


আরও খবর