Logo
আজঃ শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3
শিরোনাম

এস.এস.সি ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি আদায় করছে সবুজ বিদ্যাপীঠ স্কুল কতৃপক্ষ

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | ৬৯জন দেখেছেন

Image

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন বিবির বাগিচা ১নং গেইট সবুজ বিদ্যাপীঠ উচ্চ বিদ্যালয়ে এস.এস.সি পরিক্ষা -২০২৪ সালের দুটি নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।

গত ২৬-১০-২৩ ইং তারিখে একটি প্রধান শিক্ষক এর স্বাক্ষর ও সিল সহ যাতে লেখা আছে শুধু মাত্র বোর্ড ফি বিজ্ঞান বিভাগ ২১৪০ টাকা, মানবিক বিভাগ ও ব্যবসায় শিক্ষা ২০২০ টাকা, ছাত্রছাত্রীদের প্রদান করতে বলা হয়েছে। গত ০২-১১-২৩ ইং তারিখে আর একটি শুধু মাত্র অফিসের সিল প্রদান করে সভাপতি নির্দেশে বোর্ড ফি সাথে অতিরিক্ত ৬০০০ টাকা যোগ করে প্রদান করা হয়েছেন।


ফরমের জন্য অতিরিক্ত আরো২০০টাকা আদায় করছে। অতিরিক্ত টাকা না দিলে ফরম পূরণ করতে দেওয়া হবে না বলে অভিভাবকগন জানালেন এবং ছাত্র/ছাত্রীদের কাছ থেকে ফি আদায় করছেন। যা অনেক অভিভাবক দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। অভিভাবকরা আরো বলেন বিগত কালে এই স্কুলে নিয়ম করে ছাত্র/ছাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে আসছেন ।

স্কুল কমিটির দূর্নীতির জন্য দিনে দিনে ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা কমে যাচ্ছে। অনেক পরিবারের অতিরিক্ত ফি এর চিন্তায় সন্তানদের মনের উপর প্রভাব ফেলছে। এই বিষয়ে প্রধান শিক্ষক কে মোবাইলে জানতে চাইলে তিনি অতিরিক্ত ফি আদায়ের বিষয়ে অস্বীকার করেন।

অভিভাবকগন বলেন শিক্ষা মন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করে ৫ম শ্রেনীর ২২০ উপরে ছাত্রছাত্রীর কোচিং ফি ১০০০ টাকা ও ১০ম শ্রেণীর ২০০ উপরে ছাত্র/ছাত্রীর কোচিং ফি ১২০০ টাকা করে আদায় করেন। যা প্রতি মাসে ৪ লক্ষ ২০ টাকা উপরে আদায় করেন সভাপতি যা প্রধান শিক্ষক জানেন না।


এ সমস্ত টাকা আদায় করা হয় কোন রকম রশিদ ছাড়া। আদায়কৃত কোচিং ফি এর এক টাকাও স্কুল ফান্ডে জমা হয় নাই। স্কুল ছাত্র/ছাত্রীর অনুপস্থিতির জরিমানার টাকা ও চলে যায় সভাপতির পকেটে।

একি বিষয় সভাপতি’র কাছে মোবাইলে জানতে চাইলে তিনি বলেন এটি তিন মাসের স্পেশাল ক্লাস ফি নেওয়া হচ্ছে ।কেউ স্পেশাল ক্লাস করতে না চাইলে সে শুধু মাত্র বোর্ড ফি প্রদান করতে পারবে।

স্কুল অভিভাবকদের দাবি শুধু মাত্র বোর্ড ফি এর মাধ্যমে পরিক্ষা দেওয়ার জন্য। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।


আরও খবর



আর্জেন্টিনার নতুন প্রেসিডেন্ট জেভিয়ার মিলে

প্রকাশিত:সোমবার ২০ নভেম্বর ২০23 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩ | ২২জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন দেশটির ডানঘেঁষা গণতন্ত্রপন্থী নেতা ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব জেভিয়ার মিলে (৫৩)। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ও আর্জেন্টিনার সাবেক অর্থমন্ত্রী সের্গিও মেসাকে (৫১) ১২ শতাংশ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

আর্জেন্টিনার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল ভোটের ফলাফল প্রকাশ করেছে দেশটির নির্বাচন কমিশন। সেখানে দেখা গেছে, জেভিয়ার মিলে পেয়েছেন ৫৬ শতাংশ ভোট এবং তার প্রতিদ্বন্দ্বী সের্গিও মেসা পেয়েছেন ৪৪ শতাংশ ভোট।

রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাপক মূল্যস্ফীতি এবং তার জেরে সৃষ্ট অর্থনৈতিক মন্দা এবং বাড়তে থাকা দারিদ্রের চাপে বিপর্যস্ত আর্জেন্টিনায় নির্বাচনের শুরু থেকেই খানিকটা সুবিধাজনক জায়গায় ছিলেন জেভিয়ার। কিন্তু তারপরও তার ৫৬ শতাংশ ভোট অর্জনকে ‘আশার চেয়েও বেশি’ বলে মনে করছেন অনেকেই।

নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর জাতির উদ্দেশে দেওয়া তাৎক্ষণিক এক ভাষণে জেভিয়ার বলেন, ‘আমাদের সামনে পাহাড়প্রমাণ সমস্যা অপেক্ষা করছে। এই সমস্যার উৎস মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব এবং দারিদ্র্য। দেশের পরিস্থিতি বেশ খারাপ এবং সত্যিকার অর্থেই আসলে এখন হাত গুটিয়ে বসে থাকার কোনো সুযোগ নেই।’

‘আমরা পিছু হটব না; সামনে এগিয়ে যাবো এবং এই সংকট পরিস্থিতিকে অতিক্রম করব।’

শনিবার রাতে ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর রাজধানী বুয়েন্স এইরেসে জেভিয়ারের শত শত সমর্থক গাড়ি-মোটরসাইকেলের হর্ন বাজিয়ে, স্লোগান দিয়ে, আতশবাজি ফুটিয়ে, রক মিউজিক বাজিয়ে নিজেদের নেতার বিজয় উদযাপন শুরু করেন।

২১ বছর বয়সী শিক্ষার্থী এফরেইন ভিভেরো তাদের মধ্যে একজন। বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে এই ঐতিহাসিক বিজায় উদযাপন করতে এসেছে। আমি সত্যিই খুব আনন্দিত। (জেভিয়ার) মিলে ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রতীক। মেসা আসলে আমাদেরকে একটি সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে নেতৃত্ব দিতে পারতেন না; এখন আমরা আমাদের নেতাকে পেয়ে গেছি।’

চলতি বছর জাতীয় নির্বচানে জয়ের মধ্যে দিয়ে আর্জেন্টিনার ঘরোয়া রাজনীতিতে পেরোনিস্ট পার্টির গত ৮৩ বছরের আধিপত্যের অবসান ঘটিয়েছেন জেভিয়ার মিলে।

মিলে ব্যাপকভাবে গর্ভপাতবিরোধী, অস্ত্র আইন সহজ করার পক্ষে এবং আর্জেন্টিনার নাগরিক পোপ ফ্রান্সিসের সমালোচক। তার প্রথম দু’টি বৈশিষ্টের সঙ্গে মার্কিন রাজনৈতিক দল কনজারভেটিভ পার্টির মতাদর্শের মিল রয়েছে।

ভোটের পরাজিত প্রার্থী সের্গিও মেসার সমর্থক এবং স্কুলশিক্ষিকা সুসানা মার্টিনেজ বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘জেভিয়ারের নীতির কথা ভাবলে আমরা আতঙ্কিত হয়ে উঠি।’


আরও খবর



রুহানি নামাজের খোঁজে

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | ৫৩জন দেখেছেন

Image

ইসলামিক ডেস্ক : কেয়ামতের আলোচনা প্রসঙ্গে এক হাদিসে হুজুরপাক (সা.) বলেছেন, ‘শেষ জামানায় মসজিদের চাকচিক্য বাড়বে কিন্তু মুসল্লিদের কলবের নূর হারিয়ে যাবে।’ (বুখারি, কিতাবুস সালাত) আরেক হাদিসে রসুল (সা.) বলেছেন, ‘শেষ জামানায় এমন মানুষ দেখবে যাদের বাহ্যিক পোশাক ও ইবাদতের ধরন দেখে তোমরা নিজেদের তুচ্ছ মনে করবে। তোমাদের তেলাওয়াতের চেয়ে তাদের তেলাওয়াত অনেক বেশি মধুর ও হৃদয়গ্রাহী হবে। কিন্তু তাদের তেলাওয়াত কণ্ঠনালি ভেদ করে কলবে পৌঁছবে না। তাদের নামাজ এমন সৌন্দর্যে ভরপুর থাকবে যে, তাদের তুলনায় তোমাদের নামাজ মনে হবে নগণ্য ইবাদত। আফসোস! তাদের নামাজ মাথার ওপরেও উঠবে না।’ (মুসলিম, কিতাবুজ জাকাত)

রসুলের (সা.) এসব ভবিষ্যদ্বাণী জ্বলজ্যান্ত সত্য হয়ে দেখা দিয়েছে আমাদের বাস্তব জীবনে। প্রসঙ্গত বলছি, প্রায়ই একটি প্রশ্নের মুখোমুখি হই। কেন আমাদের এত অধপতন হলো? একটা সময় ছিল আমাদের প্লেটে খাবার ছিল না, গায়ে বাহারি পোশাক ছিল না, ঘরে দামি আসবাব ছিল না; কিন্তু হৃদয়ভরা ইমান ছিল, তাওয়াক্কুল ছিল, ডাক্তারের কাছে কম যেতে হতো, ভাইয়ে ভাইয়ে মিল ছিল, পরিবারে শান্তি ছিল। এখন আমাদের পয়সা হয়েছে, অভাব দূর হয়েছে, খাবার ও পোশাকের ছড়াছড়ি, কিন্তু মনের সে শান্তি নেই কেন?

উন্নতি হয়েছে আমাদের ধর্মীয় অবকাঠামোতেও। আগে ১০ গ্রামে মসজিদ ছিল একটা। এখন প্রায় বাড়িপ্রতিই মসজিদ নির্মাণ হচ্ছে। কার মসজিদ কত দামি টাইলসে হবে সে প্রতিযোগিতা করে হচ্ছে। নামাজির সংখ্যাও মাশাল্লাহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাড়ছে পর্দানশীল নারী-পুরুষের পরিমাণও। কিন্তু কোথায় যেন একটা গন্ডগোল বেধে গেছে। ফলে বাইরের সবকিছু ঠিক আছে কিন্তু রুহানিয়াতটা নষ্ট হয়ে গেছে। অনেকটা হাইব্রিড ফসলের মতো। খাচ্ছি কিন্তু স্বাদ-পুষ্টি কিছুই পাচ্ছি না। উল্টো দিন দিন দুরারোগ্য ব্যাধির দিকেই এগিয়ে চলছি।

সে দিন এক মহব্বতের লোক এসে বলল, একটা কাজের জন্য একজন কর্মকর্তা তার কাছে ঘুষ চেয়ে বসলেন। জোহরের নামাজের ওয়াক্ত হলে ওই ঘুষখোরকে দেখা গেল অফিসের মসজিদের প্রথম কাতারে। আরেকজন বলেছিল হুজুর! আমার থেকে জোরজবরদস্তি করে যে নেতা জমি কেড়ে নিয়েছে, পনেরো দিন পরই ওমরা করতে গিয়ে দেখি সে আমার আগে আগে তাওয়াফ করছে। সামনের কাতারে দাঁড়ানোর জন্য এক ধরনের ব্যস্ততা দেখাচ্ছে। সময় পেলেই কোরআনুল কারিম তেলাওয়াতে বসে পড়ছে। আরও কত কী!

এসব কথা শুনলে মনটা হু হু করে ওঠে। কোনোভাবেই হিসাব মিলাতে পারি না। একদিকে কোরআন বলছে, ‘অবশ্যই নামাজ অশ্লীল কাজ থেকে ফিরিয়ে রাখে।’ আরেক দিকে সমাজে দেখছি উল্টো চিত্র। এর ব্যাখ্যা কী? দীর্ঘদিন বিষয়টি আমাকে অনেক ভাবিয়েছে। জবাব পেয়েছি এক আল্লাহর সুফির কাছে। নিভৃতচারী শব্দটি এতদিন সাহিত্যে পড়েছি। সুফিকে দেখে মনে হলো সত্যিকারের নিভৃতচারী একেই বলে। কথা বলেন খুব অল্প। তবে যা বলেন অন্তর ঠান্ডা করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

সেদিন খুব বৃষ্টি ছিল। ফকিরের হালকায় জিকির চলছে। একমনে বসে জিকির করছি। একটু পরপর দরুদ পড়ছি। এশার নামাজের আগে আগে ঘড়ি ধরে পাঁচ মিনিট নসিহত করলেন সুফি। মনে হলো পাঁচ শ বইয়ের এলম ট্রান্সফার করে দিয়েছেন আমাদের ভিতর। তিনি বললেন, ‘বাবারা! খোদাকে ডাকতে হলে আগে খোদাকে চিনতে হবে। খোদাকে না চিনে যতই ডাক মনে শান্তি পাবে না। এক সময় রাগে ক্ষোভে মনে হবে সব মিথ্যা। হয়তো মুখে মিথ্যা বলবে না কিন্তু তোমার কাজকর্মে প্রমাণ হবে তুমি আল্লাহকে বিশ্বাস কর না। একজন বেইমান-কাফের যা করে তুমিও তাই করবে। সে ঘুষ খায়, তুমি ঘুষ খাবে, সে জুলুম করে, তুমিও জলুম করবে। সে মদ খায়, জেনা করে, পর্দা করে না, এতিমের সম্পদ আত্মসাৎ করে, তুমিও তাই করতে থাকবে। যদিও তুমি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়, বছরে বছরে হজে যাও, কিন্তু ভিতরে ভিতরে তুমি একজন পাক্কা কাফের।’

একটু থেমে সুফি বললেন, ‘পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেছেন, ‘হে বিশ্বাসীরা! নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তোমরা সালাতের কাছেও যেও না। যতক্ষণ তোমরা যা বলছ তা বুঝতে না পার ততক্ষণ সালাত থেকে দূরে থাক।’ (সুরা নিসা, আয়াত ৪৩) দেখ পবিত্র কোরআনের প্রতিটি আয়াতের অন্তত সাতটি করে অর্থ থাকে। এক ধরনের অর্থ মাদরাসায় পড়ায়। আরেক ধরনের অর্থ পড়ায় আমাদের মতো ফকিরের খানকায়। মাদরাসার অর্থ অনুযায়ী আয়াতের অর্থ হলো, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নামাজ পড়া হারাম। আর ফকিরি অর্থ হলো, দুনিয়ার মোহ, টাকার নেশা, সম্পদের মহব্বত অন্তরে থাকা অবস্থায় হাকিকি সালাতের কাছে যেতেই পারবে না। শত চেষ্টা করলেও পারবে না। কেননা, কলবে যদি খোদার নূর না থাকে, তাহলে তুমি সালাতের মর্মার্থই বুঝবে না। জাহেরি সালাতে দাঁড়িয়েও তুমি দুনিয়ার চিন্তায় ডুবে থাকবে। চার রাকাত নামাজে চার দোকানের হিসাব মেলাবে। সত্যি করে বল তো, তোমরা যখন নামাজে দাঁড়াও তখন কি সাহাবিদের হাল তৈরি হয়? তোমাদের মাথায় কি পাখি এসে বসে? নাকি তীরের আঘাতের তীব্র যন্ত্রণা ভুলে যাও? কিংবা নামাজে দাঁড়ালে দুনিয়ার সব দুশ্চিন্তা-দুর্ভাবনা চলে যায়। এগুলো কিছুই হয় না। তোমরা বরং কখন নামাজ শেষ করে টাকার ধান্দায় ছুটবে সে জন্য অস্থির হয়ে থাক। তাই বাহ্যিক নেশার পাশাপাশি অন্তরের এই নেশা থেকে মুক্ত হওয়া জরুরি। এ কারণেই আল্লাহ নামাজে দাঁড়ানোর আগে নেশা থেকে মুক্ত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।’


আরও খবর



শনিবার থেকে মনোনয়ন ফরম বিক্রি করবে আওয়ামী লীগ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | ২২জন দেখেছেন

Image

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে মনোনয়ন পেতে আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য মনোনয়ন ফরম বিক্রি করবে আওয়ামী লীগ। ১৮ নভেম্বর থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত (প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা) দলীয় মনোনয়নের আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

১৬ নভেম্বর দুপুরে দলের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।  

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে আগ্রহী প্রার্থীদের ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রশাসনিক বিভাগ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট বুথ থেকে দলীয় মনোনয়নের জন্য আবেদনপত্র সংগ্রহ এবং জমা দিতে হবে। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং তৃতীয় তলায় রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হবে। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় সব বিভাগের মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া হবে।

আরো বলা হয়, আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের কোনো ধরনের অতিরিক্ত লোকসমাগম ছাড়া প্রার্থী নিজে অথবা প্রার্থীর একজন যোগ্য প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা দিতে হবে। আবেদনপত্র সংগ্রহের সময় অবশ্যই প্রার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে আনতে হবে এবং ফটোকপির ওপর মোবাইল নম্বর ও বর্তমান সাংগঠনিক পরিচয়সহ ৩টি পদ সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। 

আগামী ২১ নভেম্বর বিকেল ৪টার মধ্যে মনোনয়ন ফরম জমা দিতে হবে। এদিকে ১৭ নভেম্বর বিকেলে তেজগাঁও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে ভার্চুয়ালে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রির কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা। 


আরও খবর

হঠাৎ ডিবি কার্যালয়ে শামীম ওসমান

বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩




ইসলামে পবিত্রতার গুরুত্ব

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | ৩০জন দেখেছেন

Image

ইসলামিক ডেস্ক : আল্লাহতায়ালা পবিত্র। তাঁর আসমাউল হুসনা পবিত্রতম নামগুলোর অন্যতম ‘সুব্বুহুন’ তথা পবিত্রতম ‘কুদ্দুসুন’ তথা অতি পবিত্র ও মহা পবিত্রকারী। আল্লাহা চান মানুষের পূতপবিত্র জীবনযাপন। 

তিনি বলেন, ‘হে নবী পরিবার! আল্লাহ তো শুধু চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদের সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।’ (সুরা আহজাব : ৩৩)। আল কোরআনে আরও এসেছে, ‘বরং তিনি তোমাদের পবিত্র করতে চান।’ (সুরা মায়েদা : ৬)।

আল্লাহ পবিত্রতা ভালোবাসেন। পবিত্রতা মানে জীবন-যাপনের পবিত্রতা, বিশ্বাসের পবিত্রতা, কর্মের পবিত্রতা, শারীরিক পবিত্রতা, মানসিক পবিত্রতা, আর্থিক পবিত্রতা, বাহ্যিক পবিত্রতা, অভ্যন্তরীণ পবিত্রতা; ভাষা তথা কথার পবিত্রতা, রুচির পবিত্রতা, দৃষ্টি ও দৃষ্টিভঙ্গির পবিত্রতা, পরিবেশের পবিত্রতা; শ্রবণের পবিত্রতা, দর্শনের পবিত্রতা, চিন্তার পবিত্রতা। পবিত্রতা জীবনযাপনের পূর্বশর্ত। 

নবী (সা.) বলেছেন, ‘পবিত্রতা ইমানের অঙ্গ।’ অন্য বর্ণনায় রয়েছে, ‘পবিত্রতা ইমানের অর্ধেক।’ (মুসলিম, মিশকাত)

পানি দিয়ে অজু, গোসল আর পানি না পেলে পবিত্র মাটি দিয়ে তায়াম্মুমের মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জন করতে হয়।

আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, হে ইমানদারগণ! যখন তোমরা নামাজের জন্য দাঁড়াতে যাবে, তখন তোমাদের মুখমন্ডল ও কনুই পর্যন্ত হাতগুলো ধোও আর তোমাদের মাথা মাসেহ কর আর টাখনু পর্যন্ত (গিঁট বা টাখনুসহ) তোমাদের পাগুলো ধোও। (সুরা মায়েদা : ৬)।

তেমনিভাবে কোরআন-হাদিসে গোসল ও তায়াম্মুম করার কথাও বলা হয়েছে। মোট কথা, ইসলাম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও পবিত্রতার ধর্ম। আমাদের শরীরের পবিত্রতার পাশাপাশি মনের পবিত্রতাও অর্জন করতে হবে। মানুষের প্রাকৃতিক পবিত্রতা অর্জনের ক্ষেত্রে ইসলামের সুস্পষ্ট বিধিবিধান রয়েছে। 

নবী (সা.) বিভিন্ন হাদিসে গোঁফ কর্তন করা, দাড়ি বড় করা, মিসওয়াক করা বা নিজের দাঁতমুখ পরিষ্কার করা, নাকের মধ্যে পানি দিয়ে পরিষ্কার করা, নখ কাটা, দেহের অঙ্গসন্ধিগুলো ধোয়া, বগলের নিচের চুল পরিষ্কার করা, নাভির নিচের চুল মু-ন, পানি ব্যবহার করে শৌচকার্য করা, কুলি করা, খতনা করা ইত্যাদি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতামূলক কাজগুলোকে ফিতরাত তথা ইসলামি জরুরি কাজ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

নরনারী সব মানুষের দেহ, পোশাক, বাড়িঘর, আঙিনা সবকিছু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে ইসলাম নির্দেশনা দিয়েছে। মনের পবিত্রতা তথা কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, পরিত্যাগ করে আল্লাহতায়ালা প্রিয় নবী (সা.)-এর পথে পরিচালিত হওয়াই মানব জীবনের সার্থকতা। দেহ, পোশাক, বাড়িঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখলে অনেক রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। দেহ বা পোশাক অপরিচ্ছন্ন কাউকে দেখলে নবী (সা.) আপত্তি করতেন।

রসুল (সা.) বলেছেন, তোমরা তোমাদের বাড়ির আঙিনা সব দিক পরিচ্ছন্ন রাখবে। (তিরমিজি) পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অন্যতম দিক হলো মলমূত্র ত্যাগ। মলমূত্র ত্যাগের আদব হলো অন্যের দৃষ্টি থেকে সতর আবৃত রাখা। এজন্য স্যানিটারি পায়খানা বা স্বাস্থ্যসম্মতভাবে তৈরি পায়খানার মধ্যে মলমূত্র ত্যাগ করা। পায়খানা-প্রস্রাবের সময় নিজ সতর অন্যকে দেখতে দেওয়া হারাম ও অভিশাপের কারণ। 

নবী (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি মলত্যাগের জন্য গমন করে, সে যেন নিজেকে আড়াল করে (আবু দাউদ)। বর্তমানে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু,  করোনা, চিকুনগুনিয়াসহ আমরা অনেক রোগই প্রতিরোধ করতে পারি পরিষ্কার -পরিচ্ছন্ন জীবনযাপনের মাধ্যমে। আমাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক, পারিবারিক, ব্যবসায়িক সব ক্ষেত্রে আল্লাহ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নসহ সুন্দর জীবনযাপনের তৌফিক দান করুন।


আরও খবর



গাজায় বোমা হামলা বন্ধ না হলে আঞ্চলিক যুদ্ধের হুঁশিয়ারি হিজবুল্লাহর

প্রকাশিত:রবিবার ১২ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩ | ৩৫জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গাজায় ইসরায়েলের আক্রমণে বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা বন্ধ না হলে মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সেকেন্ড ইন কমান্ড শেখ নাঈম কাসেম।

তিনি বিবিসিকে বলেন, 'এই অঞ্চলে অত্যন্ত গুরুতর ও ভীষণ বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে এবং এর পরিণতি কেউ আটকাতে পারবে না।’

গাজায় হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তরফে সম্প্রতি জানানো হয়, সেখানে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এরকম একটা সময়েই বৈরুতে একটি সাক্ষাৎকারে হিজবুল্লাহর উপপ্রধান ওই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

গত ৭ই অক্টোবর হামাসের হামলায় ১,৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়, যাঁদের মধ্যে ১,০০০ বেসামরিক নাগরিক ছিলেন। হামাসের ওই হামলার জবাবেই ইসরায়েলও পাল্টা হামলা চালায়।

হিজবুল্লাহর ওই নেতা বলেন, ‘বিপদটা সত্যিই আসতে চলেছে। কারণ ইসরায়েল বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে আগ্রাসন বাড়াচ্ছে এবং বেশি সংখ্যায় নারী ও শিশুদের হত্যা করছে।’ তার কথায়, ‘এই অঞ্চলে আরও বিপদ ডেকে না এনে কি এই পরিস্থিতি চলতে পারে? আমার মনে হয় না।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইসরায়েলের হামলা বাড়লে এই অঞ্চলের যুদ্ধের ঝুঁকিও বাড়বে।

প্রত্যেক বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর জবাব দেবে হিজবুল্লাহ
গাজায় যুদ্ধের প্রেক্ষিতে এখনও পর্যন্ত হিজবুল্লাহ শুধুমাত্র হুঁশিয়ারির মাত্রাই বাড়িয়েছে আর সতর্কভাবে তাদের প্রতিক্রিয়া দিচ্ছে। রবিবার লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি হামলায় এক নারী ও তিন শিশুর মৃত্যুর পর হেজবুল্লাহ প্রথমবার গ্রাড রকেট ব্যবহার করে যাতে এক ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু হয়।

হিজবুল্লাহর নেতা হাসান নাসরাল্লাহ হুমকি দিয়ে বলেছেন, লেবাননে প্রত্যেক বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর জবাব সীমান্তের ওপারেও দেওয়া হবে। তবে এখনো তিনি ইসরায়েলকে সর্বাত্মক যুদ্ধের হুমকি দেননি। ‘সমস্ত বিকল্প পথই খোলা রয়েছে।’ এ কথায় জোর দিয়ে জঙ্গি গোষ্ঠীটি মূলত সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে আন্তঃসীমান্ত আক্রমণের মধ্যেই নিজেদের প্রতিক্রিয়া সীমাবদ্ধ রেখেছে।

তাদের ৬০ জনেরও বেশি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন, কিন্তু তাদের জায়গা নেওয়ার মতো যুদ্ধের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হিজবুল্লাহ-র আরও বহু সমর্থক আছে। বৈরুতে এমন এক যোদ্ধাকে এই সপ্তাহে কবর দেওয়া হয়েছে, যাঁর পরিবারের সদস্যরা কয়েক প্রজন্ম ধরে হেজবুল্লাহর হয়ে লড়াই করে এসেছে। শুধু তাই নয়, তিনি তাঁর পরিবারের পঞ্চম সদস্য যিনি ওই গোষ্ঠীর হয়ে প্রাণ দিয়েছেন।


আরও খবর