Logo
আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

গাজায় বিরতি পরবর্তী ইসরায়েলি অভিযানে নিহত ‍১৭৮

প্রকাশিত:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ৯২জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ৭ দিন যুদ্ধবিরতি শেষে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি স্থল ও বিমান বাহিনী অভিযান শুরুর প্রথম দিনে সেখানে নিহত হয়েছেন মোট ১৭৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। উপত্যকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে এএফপি।

গত দেড় মাসের বেশি সময় ধরে যুদ্ধ চলার পর জিম্মি-বন্দি বিনিময় এবং গাজায় মানবিক ত্রাণ প্রবেশের সুযোগ দিতে ২৫ নভেম্বর সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি করে ইসরায়েল এবং গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণ কারী গোষ্ঠী হামাস। সেই বিরতি শেষ হয় শুক্রবার ভোরে উপত্যকায় ইসরায়েলি বিমান ও স্থলবাহিনীর অভিযান শুরুর মধ্যে দিয়ে।

শুক্রবার ভোরের দিকে ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর হিলোটের বাসিন্দারা সাইরেনের শব্দে জেগে ওঠেন। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, গাজা থেকে রকেট ছোড়া হয়েছিল এবং ক্ষেপণাস্ত্র সুরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সেই রকেট আঘাত হানার আগেই তা ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে।

এই ঘটনার পর এক তাৎক্ষণিক বিবৃতিতে গাজায় ফের অভিযান শুরুর ঘোষণা দেয় আইডিএফ।

গাজার হামাস নেতৃত্বাধীন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উপত্যকার অন্তত ১০০টি স্থানে গোলা বর্ষণ করেছে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী।

গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ কারী গোষ্ঠী হামাসের যোদ্ধারা ইসরায়েলের ভূখণ্ডে অতর্কিত হামলা চালানোর পর ওই দিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী। পরে ১৬ অক্টোবর থেকে অভিযানে যোগ দেয় স্থল বাহিনীও।

ইসরায়েলি বাহিনীর টানা দেড় মাসের অভিযানে কার্যত ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে গাজা উপত্যকা, নিহত হয়েছেন ১৫ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি। নিহত এই ফিলিস্তিনিদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা ১০ হাজারেরও বেশি।

অন্যদিকে, হামাস যোদ্ধাদের হামলায় ইসরায়েলে নিহত হয়েছিলেন ১ হাজার ২০০ জন ইসরায়েলি ও অন্যান্য দেশের নাগরিক।

ইসরায়েলি ভূখণ্ডে হামলার চালানোর দিন এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে শত শত সামরিক-বেসামরিক মানুষকে হত্যার পাশাপাশি ২৪২ জনকে জিম্মি হিসেবে গাজায় নিয়ে গিয়েছিলেন হামাসের যোদ্ধারা। এই জিম্মিদের মধ্যে ইসরায়েলিদের সংখ্যা ১০৪ জন। বাকি ১৩৮ জনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, থাইল্যান্ড, জার্মানি, ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা, রাশিয়া ও ইউক্রেনের নাগরিকরা রয়েছেন।

দেড় মাসেরও বেশি সময় যুদ্ধের পর অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে নতি স্বীকার করে গত ২৫ নভেম্বর অস্থায়ী যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফ এবং হামাস। গত নভেম্বরের মাঝামাঝি যুদ্ধের অন্যতম মধ্য স্থতাকারী দেশ কাতারের মাধ্যমে ইসরায়েলের যুদ্ধ কালীন মন্ত্রিসভা বরাবর একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছিল হামাসের হাইকমান্ড।

সেই প্রস্তাবে গোষ্ঠীটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, ইসরায়েল যদি গাজা উপত্যকায় চার দিনের যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করে, রাফাহ ক্রসিংয়ে অপেক্ষারত ত্রাণ, জ্বালানি ও মানবিক সহায়তা পণ্যবাহী ট্রাক গুলোকে প্রবেশ করতে দেয় এবং ইসরায়েলি কারাগার গুলো থেকে অন্তত ১৫০ জন বন্দিকে মুক্তি দেয়, তাহলে নিজেদের হাতে থাকা জিম্মিদের মধ্যে থেকে ৫০ জনকে ছেড়ে দেবে হামাস।

সেই প্রস্তাব মেনে নিয়ে ২৫ নভেম্বর চার দিনের যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করে ইসরায়েল। পরে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার, মিসর, ইউরোপ ও অন্যান্য মধ্যস্থতাকারীদের তৎপরতায় যুদ্ধ বিরতির মেয়াদ আরও তিন দিন বাড়ানো হয়।

যুদ্ধবিরতির ৬ দিন ২৫-৩০ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ৯৪ জন জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে হামাস। বিপরীতে ইসরায়েলের বিভিন্ন কারাগার থেকে ১৮০ জনকে ছেড়ে দিয়েছে ইসরায়েলও।


আরও খবর



ফের বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দিলো ভারত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ৭৭জন দেখেছেন

Image

বাংলাদেশসহ ছয় দেশে সীমিত আকারে পেঁয়াজ রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। বাকী পাঁচ দেশ হলো শ্রীলঙ্কা, মরিশাস, বাহরাইন, নেপাল ও ভুটান।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশে সরকারি পর্যায়ে সীমিতভাবে পেঁয়াজ রপ্তানি করা হবে বলে টাইমস নাও-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ডিসেম্বরে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো, সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না হলেও, দ্বিপক্ষীয় উদ্দেশ্যে সীমিত পরিসরে পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর

চাঁদাবাজি বন্ধ না করলে নিত্যপণ্যের দাম কমবে না

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বাড়ল গ্যাসের দাম, ও বিদ্যুতের দাম

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বাড়ল গ্যাসের দাম, ও বিদ্যুতের দাম

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ১২জন দেখেছেন

Image

বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের বিদ্যুৎকেন্দ্রের গ্যাসের দাম ৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ বেড়েছে। এ ছাড়া শিল্প কলকারখানার জন্য নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদনে (ক্যাপটিভ) ব্যবহৃত গ্যাসের দাম ২ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়িয়েছে সরকার। গতকাল মঙ্গলবার নির্বাহী আদেশে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে দাম ঘোষণা করে জ্বালানি বিভাগ। নতুন দাম চলতি মাস থেকে কার্যকর হবে। তবে বাসাবাড়ি ও পরিবহনে গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়নি। দাম বৃদ্ধিতে মাসে পেট্রোবাংলার আয় বাড়বে প্রায় ৮৬ কোটি টাকা। 

গ্যাসের দাম বাড়ানোয় বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ বাড়বে। লোকসান কমাতে বিদ্যুতের দামও প্রতি ইউনিট ৩০ থেকে ৭০ পয়সা বাড়াবে সরকার। দুই-এক দিনের মধ্যে এ ঘোষণা আসবে, যা কার্যকর হবে মার্চ মাস থেকে। অর্থাৎ রমজানের আগেই বিদ্যুতের দাম বাড়ছে। চলতি বছর আরও একাধিকবার বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়বে। গ্যাসের দাম বাড়ানোয় কারখানায় উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, এতে রপ্তানি কমবে। 

গত বছর গ্যাসের দাম বাড়ানোয় সব শিল্পকারখানা বড় ধরনের চাপে পড়ে। এদিকে বাড়তি দামেও গ্যাস পাচ্ছে না কারখানাগুলো। সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য প্রতি ইউনিট (এক ঘনমিটার) গ্যাসের বর্তমান দাম ১৪ টাকা। নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ টাকা ৭৫ পয়সা। ক্যাপটিভে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা ৭৫ পয়সা করা হয়েছে। জ্বালানি বিভাগ এই বৃদ্ধিকে মূল্য সমন্বয় দাবি করে জানিয়েছে, এতে চলতি অর্থবছরে ভর্তুকি ৫৭০ কোটি টাকা কমবে।

দেশে গ্যাস ব্যবহারকারীদের ৮টি গ্রাহক শ্রেণি রয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ৩৭ শতাংশ, শিল্পে ২৩ শতাংশ, ক্যাপটিভ বিদ্যুতে ১৮ শতাংশ, গৃহস্থালিতে ১০ শতাংশ, সার উৎপাদনে ৭ শতাংশ, সিএনজিতে ৪ শতাংশ এবং বাণিজ্যিক ও চা শিল্পে ১ শতাংশ গ্যাস ব্যবহৃত হয়। সর্বশেষ গত বছরের ১৮ জানুয়ারি নির্বাহী আদেশ জারি করে গ্যাসের দাম গড়ে ৮২ শতাংশ বাড়ানো হয়। ওই সময় সর্বোচ্চ ১৭৯ শতাংশ বাড়ানো হয় বিদ্যুৎ খাতে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম। সেবারও আবাসিকে গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়নি।  দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রর উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১১ হাজার মেগাওয়াট। ক্যাপটিভ বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় তিন হাজার মেগাওয়াট। 

গত বছর গ্যাসের দাম বৃদ্ধির কারণে টেক্সটাইলসহ সব শিল্পকারখানা বড় ধরনের চাপে পড়ে। বাড়তি দামেও গ্যাস পাচ্ছে না কারখানাগুলো। গ্যাস সংকটে অনেক কারখানার উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে। এর মধ্যে ক্যাপটিভে আরেক দফা দাম বৃদ্ধি টেক্সটাইলসহ অন্য শিল্পকে আরও চাপে ফেলবে বলে মনে করছেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিল অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) পরিচালক খোরশেদ আলম। তিনি বলেন, গত বছরের গ্যাসের দাম বাড়ানোর কারণে তাদের খরচ বেড়েছিল ৮ শতাংশ। তারপরও চাহিদামতো গ্যাস মেলে না। উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। রপ্তানি আদেশ বাতিল হচ্ছে। ক্যাপটিভে গ্যাসের দাম বাড়ানোয় খরচ আরও বেড়ে যাবে। প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়বে। কমে যাবে রপ্তানি। 

শিগগিরই বিদ্যুতের দাম বাড়াবে সরকার। আজকালের মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। এ বিষয়ে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, সরকারের ভর্তুকি গত বছর থেকে লাফিয়ে বাড়ছে। তাই আমরা সময়মতো ধীরে ধীরে এটি সমন্বয় করতে চাই। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, আগামী ৩ বছরে আমরা বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করব। তাই সহনীয় পর্যায়ে যেন বিদ্যুতের দাম সমন্বয় হয়, সেই ব্যবস্থাই নিয়েছি। অল্প অল্প করে দাম বাড়াচ্ছি। তিনি বলেন, যারা কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন এমন শ্রেণির গ্রাহকদের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৩৪ পয়সা বাড়াচ্ছি। বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের প্রতি ইউনিটে মূল্য বাড়তে পারে ৭০ পয়সা। 

নসরুল হামিদ বলেন, লাইফ লাইন গ্রাহক (৫০ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারী) আছেন ১ কোটি ৪০ লাখ, যারা প্রতি ইউনিটে ৪ টাকা বিল দেন। যারা ওপরের দিকে আছেন তারা ৭ টাকা করে দেন। বিপরীতে বিদ্যুতের গড়ে উৎপাদন খরচ পড়ে ১২ টাকা। কাজেই সরকারকে একটি বড় অংশ ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। ভর্তুকির পরিমাণ আরও বেড়েছে ডলারের দামের কারণে। এ বছর বিদ্যুতে সরকারের ভর্তুকি গুনতে হবে প্রায় ৪৩ হাজার কোটি টাকা। দাম কার্যকর বিষয়ে তিনি বলেন, মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে বিদ্যুতের দামের সমন্বয় কার্যকর হবে। পরবর্তী সময়ে আরও ২/৩ বার অল্প অল্প করে বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করা হবে। 

জ্বালানি বিভাগ জানায়, সরকার জনস্বার্থে গ্যাসের সমন্বয় করেছে। প্রাকৃতিক গ্যাসের উৎপাদন, আমদানি, সরবরাহ মূল্যের সঙ্গে বিক্রয়মূল্যের পার্থক্যের কারণে সরকারকে এ খাতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আর্থিক ভর্তুকি দিতে হবে প্রায় ছয় হাজার ৫৭০ কোটি টাকা। এই মূল্য সমন্বয়ের ফলে এলএনজির বর্তমান বাজারমূল্য ও ডলার বিনিময় হার বিবেচনায় বিদ্যমান ভর্তুকি ছয় হাজার কোটি টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা সম্ভব হতে পারে। 


আরও খবর

চাঁদাবাজি বন্ধ না করলে নিত্যপণ্যের দাম কমবে না

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

চালের বাজারে কারসাজি নেপথ্যে কর্মকর্তারা

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ভাষা শহীদদের প্রতি মালয়েশিয়ায় শ্রদ্ধা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ৬৫জন দেখেছেন

Image

ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন মালয়েশিয়া প্রবাসীরা।

বুধবার সকালে কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশন মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করে। অনুষ্ঠানের শুরুতে হাইকমিশন প্রাঙ্গণে প্রভাতফেরির মাধ্যমে হাইকমিশনের অস্থায়ী শহীদ মিনারের বেদীতে হাইকমিশনার মো. শামীম আহসানের নেতৃত্বে হাইকমিশন পরিবারের সদস্যরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। 

পরে স্থানীয় কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংস্থার সদস্যবৃন্দ ও মালয়েশিয়ায় প্রবাসী গণমাধ্যমকর্মীরা পর্যায়ক্রমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। দিবসের মূল অনুষ্ঠানের শুরুতে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত এবং এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।


আরও খবর



যাত্রাবাড়ী থেকে ০৮ জন পরিবহন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ১২৫জন দেখেছেন

Image

বুধবার র‌্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানাধীন যাত্রাবাড়ী আড়ৎ এলাকার নিউ থ্রি-স্টার ফল  মার্কেটের সামনে একটি অভিযান পরিচালনা করে আন্তঃজেলা ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, লরী ও সিএনজিসহ বিভিন্ন পরিবহন হতে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করাকালীন ০৮ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের নাম মোঃ ওমর ফারুক বাবু, মোঃ ফারুক মোঃ শাহিন ,মোঃ ইউসুফ খান, নাহিদ সরকার , মোঃ মিরাজ, মোঃ অনিক মোঃ হাসান,এসময় তাদের নিকট থেকে আদায়কৃত চাঁদা নগদ- ১৭,৭০০ টাকা এবং ০৩ টি কাঠের লাঠি উদ্ধার করা হয়।  

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা বেশ কিছুদিন যাবৎ রাজধানীর যাত্রাবাড়ীসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় আন্তঃজেলা ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, লরী ও সিএনজিসহ বিভিন্ন পরিবহনের ড্রাইভার ও হেলপারদের সাথে অশোভন আচনের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে অবৈধভাবে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করে আসছিল বলে জানা যায়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে।


আরও খবর



ফের অস্থির পেঁয়াজের বাজার

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬৭জন দেখেছেন

Image

কিছুতেই স্বস্তি ফিরছে না দেশের নিত্যপণ্যের বাজারে। যথারীতি এ সপ্তাহেও বাজারে বাড়তির দিকেই রয়েছে বেশিরভাগ পণ্য। নতুন করে অস্থিরতা বাড়ছে পেঁয়াজের বাজারে। এছাড়াও আগের চড়া দামে অপরিবর্তিত রয়েছে মাছ- মাংস, ডিমসহ অতিপ্রয়োজনীয় পণ্যগুলো।

এদিকে রমজানে দাম সহনীয় রাখতে ৪ পণ্যের আমদানি শুল্ক হ্রাসসহ বাজার ব্যবস্থা মনিটরিং আরও জোরালো করার ঘোষণা দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। শিগগিরই এসব পণ্যের দাম নির্ধারণ করা হবে। যদিও এর আগে চিনি ও চালে শুল্কছাড় দেওয়া হলেও বাজারে তার কোনো প্রভাব দেখা যায়নি। অন্যদিকে ভোজ্যতেল ব্যতীত গত এক বছরে কোনো পণ্যেরই নির্ধারিত দাম কার্যকর করা যায়নি। তবে ভোজ্যতেল আমদানিকারকরা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ না মেনে এখন নিজেরাই দাম নির্ধার করে দিচ্ছে। ফলে চাল, চিনি ও তেলসহ অন্যান্য খাদ্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংশয় জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

এদিকে নতুন করে অস্থিরতা বেড়েছে পেঁয়াজের বাজারে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ৩০ টাকা বেড়ে এদিন প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকার উপরে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন হালি পেঁয়াজ বাজারে না আসা পর্যন্ত দাম বাড়তির দিকেই থাকবে। তাদের হিসেবে মার্চের আগে বাজারে হালি পেঁয়াজের সরবরাহ পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। ফলে ফেব্রুয়ারিজুড়েই বাড়তির দিকে থাকতে পারে এই মসলা পণ্যের দাম। যদিও গত ৫ মাস ধরে সংকট চলছে পেঁয়াজের বাজারে। বাজার বিশ্লেষণ করে ৬৫ টাকা দাম নির্ধারণ করা হলেও বাজারে ভোক্তাকে কিনতে হয়েছে ৫ গুণ বেশি দামে। এমনি মুড়িকাটা পেঁয়াজও এবার ৩ গুণ বেশি দামে বিক্রি হয়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, গত দুই সপ্তাহ ধরেই পেঁয়াজের পাইকারি বাজারে সরবরাহ সংকট চলছে ফলে খুচরায় দাম বাড়ছে। শ্যামবাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মাজেদ জানান, ডলারের বাড়তি দামের কারণে অন্য দেশ থেকে আমদানি করলে প্রতি কেজিতে পেঁয়াজের দাম পড়ে যায় ৭০ থেকে ৭৫ টাকা। এর সঙ্গে অন্যান্য খরচ ও মুনাফা হিসাব করলে ১০০ টাকার কাছাকাছি খরচ পড়ে যায়। মার্চে যেহেতু নতুন হালি পেঁয়াজ আসবে তাই আমদানিকারকদের বড় লোকসানের ভয়ে আমদানি কমেছে। তবে ভারত থেকে আমদানির সুযোগ পেলে ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ আনতে আগ্রহী হবে। কিন্তু মার্চ পর্যন্ত আমদানি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়াও বাড়তিই রয়েছে ডিমের দাম। এদিনও প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হয়েছে দেড়শ’ টাকা দরে। অন্যদিকে এ সপ্তাহে সবজির বাজারে দাম কিছু টাকা কমলেও গত বছরের তুলনায় এখনও দ্বিগুণ। সপ্তাহের ব্যবধানে ফুলকপিসহ কিছু সবজির দাম কমলেও বেশিরভাগ সবজি বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা দরে। কিছুটা কমে বেগুন ৮০, দেশি শিম ৬০, টমেটো জাতভেদে ৬০-৮০, শসা ৬০, করোল্লা ৯০, মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

তবে গত সপ্তাহ থেকে বাজারে আলুর দাম কিছুটা কমতে শুরু করেছে। এদিন প্রতি কেজি আলু বিক্রি হয়েছে ৩০ টাকা দরে। অর্থাৎ দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দাম কমেছে প্রায় ৩০ টাকা। এদিকে বাজারে এখনও প্রতি কেজি প্যাকেটজাত চিনি বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৬০ টাকা দরে। একইভাবে গত সপ্তাহের চড়া দামে অপরিবর্তিত রয়েছে মসুর ডাল। প্রতি কেজি ছোট দানার মসুর ডাল বিক্রি হয়েছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়, ভালোমানের মুগ ডালের কেজি বিক্রি হয়েছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা দরে।

এছাড়াও গত সপ্তাহের দামে অপরিবর্তিত রয়েছে মাছের বাজারে। এদিন মাঝারি আকারের রুইয়ের কেজি বিক্রি হয়েছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় কাতল ৪শ’ টাকা, বড় পাঙাশ ২৫০ টাকা, চাষের কই (ছোট) ৩৩০ টাকা, তেলাপিয়া আড়াইশ’ টাকা ও শিং মাছ ৬শ’ টাকা, শোল মাছ ৮শ’ টাকা, পাবদা ৫শ’ থেকে ৬শ’ টাকা, টেংরা মাছের কেজি আকারভেদে ৬শ’ থেকে ৭শ’ টাকা, মলা মাছ ৫শ’ টাকা, বাইলা ১ হাজার টাকা, পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪শ’ টাকা, মাঝারি আকারে বোয়াল ৫শ’ থেকে ৬শ’ টাকা, গুঁড়ামাছ ৩শ’ টাকা, ছোট চিংড়ি ৫শ’ টাকা, গলদা ৭শ’ এবং বাগদা ৮শ’ থেকে ৯শ’ টাকা ও রূপচাঁদা ৯শ’ টাকা দরে।


আরও খবর

চাঁদাবাজি বন্ধ না করলে নিত্যপণ্যের দাম কমবে না

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বাড়ল গ্যাসের দাম, ও বিদ্যুতের দাম

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪