Logo
আজঃ শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3
শিরোনাম

ইসমে আজমের গুরুত্ব ও অলৌকিকতা

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | ৫৬জন দেখেছেন

Image

ইসলামিক ডেস্ক : ‘ইসম’ শব্দের অর্থ হলো নাম। আর ‘আজম’ শব্দের অর্থ হলো মহান বা শ্রেষ্ঠ। যেসব নাম দিয়ে আল্লাহর বড়ত্ব বা শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশিত হয় সেগুলোই ইসমে আজম।

আল্লাহর অসংখ্য গুণবাচক নাম আছে।
এগুলোকে একত্রে ‘আল আসমাউল হুসনা’ বলা হয়। পবিত্র কোরআনের চারটি আয়াতে আল আসমাউল হুসনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। হাদিসে আল্লাহর ৯৯টি নামের কথা বলা হয়েছে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তাআলার ৯৯টি নাম আছে।

যে ব্যক্তি এ নামগুলো মুখস্থ করবে, সে জান্নাতে যাবে। (বুখারি, হাদিস : ২৭৩৬, ৭৩৯২; মুসলিম, হাদিস : ২৬৭৭)

ইসমে আজমের মাধ্যমে দোয়া করলে আল্লাহ তাআলা কবুল করেন, বান্দার যেকোনো চাওয়া আল্লাহ তাআলা পূরণ করেন এবং যেকোনো বিপদাপদ দূরীভূত করেন।

আল্লাহ তাআলার উক্ত নামগুলোর মধ্যে কোনটি ইসমে আজম সে সম্পর্কে কয়েকটি হাদিসে ভিন্ন ভিন্ন বর্ণনা আছে। ইমাম জালালুদ্দিন সুয়ুতি (রহ.)-কে ইসমে আজম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি ‌‘আদ-দুররুল মুনাজ্জাম ফিল ইসমিল আজম’ নামক গ্রন্থ রচনা করেন।

এ গ্রন্থে তিনি ইসমে আজমের ব্যাপারে ২০টি মতামত উল্লেখ করেছেন। কেউ কেউ ইসমে আজম ৪০ প্রকারের হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন। কাসিম (রহ.) বলেন, আল্লাহর ইসমে আজম হলো যার মাধ্যমে দোয়া করলে তা কবুল হয়, তা তিনটি সুরায় আছে। সুরা বাকারাহ, সুরা আলে ইমরান ও সুরা ত্ব-হা। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৩৮৫৬)

অন্য বর্ণনায় আছে, ইসমে আজম উক্ত তিন সুরার নিম্নোক্ত তিনটি আয়াতে আছে।

তা হলো :
১. সুরা বাকারাহর ২৫৫ নম্বর আয়াত তথা আয়াতুল কুরসিতে। ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ, তিনি ছাড়া সত্যিকার মাবুদ নেই। তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী।’
২. সুরা আলে ইমরানের প্রথম দুই আয়াতে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আলিফ, লাম, মীম। আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো সত্যিকার মাবুদ নেই। তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী।’
৩. সুরা ত্ব-হার ১১১ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘চিরঞ্জীব চিরস্থায়ীর সম্মুখে সবাই হবে অধোমুখী।’ (আল মুসতাদরাক আলাস সহীহায়ন, ১/৫০৬)

ইসমে আজমের ফজিলত
আল্লাহর গুণবাচক নামগুলোর মাধ্যমে তাঁর পরিচয় ও ক্ষমতার প্রকাশ ঘটে। মানুষ আল্লাহর নানা গুণাবলি সম্পর্কে জানতে পারে। তা মানুষকে উত্তম চরিত্রবান হতে অনুপ্রাণিত করে। প্রিয় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবায়ে কেরাম আল্লাহর বড়ত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব জ্ঞাপক নামগুলোর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলাকে ডাকতেন। সুলাইমান (আ.)-এর দরবারে একজন আসমানি কিতাবের জ্ঞানী আসেফ বিন বরখিয়া রানি বিলকিসের সিংহাসন চোখের পলক ফেলার আগেই নিয়ে এসেছিলেন। মুফাসসিররা বলেন, তিনি ইসমে আজম জানতেন।

ইমাম আবু জাফর তাবারি (রহ.) ও আবুল হাসান আশআরি (রহ.) বলেন, আল্লাহ তাআলার প্রতিটি গুণবাচক নামই ইসমে আজমের অন্তর্ভুক্ত। একবার প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন ব্যক্তির কাছ দিয়ে গেলেন। সে বলছিল, ‘ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম’ অর্থাৎ হে মহিমাময় ও মহানুভব। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, এসব শব্দ দিয়ে দোয়া করার দরুন তোমার জন্য আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্যতার দরজা খুলে গেছে। এখন তুমি যা ইচ্ছা তার কাছে চেয়ে নাও। (কানযুল উম্মাল, পৃষ্ঠা ১/২৯২)

ইসমে আজম সম্পর্কে হাদিসে বিভিন্ন বর্ণনা আছে। যেমন :
এক হাদিসে এসেছে, আনাস ইবনে মালিক (রা.) বলেন, আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে বসা ছিলাম, তখন এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছিল। যখন সে রুকু, সিজদা ও তাশাহুদ পড়ে দোয়া করতে শুরু করল তখন সে তার দোয়ায় বলল, ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিআন্না লাকাল হামদ, লা ইলাহা ইল্লা আনতাল মান্নানু বাদিউস সামাওয়াতি ওয়াল আরদি, ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম, ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়্যুম ইন্নি আসআলুকা।’

অর্থ : হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি এই অসিলায় যেসব প্রশংসা তোমারই, তুমি ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই। তুমি পরম অনুগ্রহদাতা, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা। হে মহিমাময় এবং মহানুভব, হে চিরঞ্জীব অবিনশ্বর! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি। (নাসাঈ, হাদিস : ১৩০০; তিরমিজি, হাদিস : ৩৫৪৪)

আবদুল্লাহ ইবন বুরায়দা (রহ.) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, একবার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক ব্যক্তিকে এরূপ দোয়া করতে শোনেন, ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিআন্নি আশহাদু আন্নাকা আনতাল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লা আনতাল আহাদুস সামাদুল্লাজি লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ।’

অর্থ : হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি এবং আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি যে তুমিই আল্লাহ এবং তুমি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। তুমি একক এবং অমুখাপেক্ষী, যাঁর কোনো সন্তান নেই এবং যিনি কারো সন্তান নন, যাঁর সমকক্ষ কেউই নেই।

তখন তিনি বলেন, তুমিই আল্লাহর কাছে তাঁর নাম ধরে প্রার্থনা করেছ, এভাবে কেউ চাইলে তখন আল্লাহ তা প্রদান করেন এবং এভাবে দোয়া করলে তিনি তা কবুল করে থাকেন। (আবু দাউদ, হাদিস : ১৪৯৩)

হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানি (রহ.) বলেন, (ইসমে আজমের) যতগুলো বর্ণিত হাদিস আছে তার মধ্যে এটি সবচেয়ে বিশুদ্ধ। আসমা বিনতে ইয়াজিদ (রা.) সূত্রে বর্ণিত, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ইসমে আজম এ দুটি আয়াতে আছে : এক. তোমাদের ইলাহ একমাত্র ইলাহ, তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি অতি দয়ালু ও মেহেরবান। (সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ১৬৩)

দুই. সুরা আলে ইমরানের প্রথমাংশ, আলিফ-লাম-মীম, তিনিই সেই আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী। (আবু দাউদ, হাদিস : ১৪৯৬)

ইমাম মুহাম্মদ (রহ.) বলেন, আমি ইমাম আবু হানিফা (রহ.) থেকে শুনেছি, আল্লাহ তাআলার ইসমে আজম হলো ‘আল্লাহ’ (জাল্লাজালালুহু)। কেননা এটি তাঁর সত্তাগত নাম। কোরআন মজিদে এই নামটিই দুই হাজার ৬৯৭ বার এসেছে। আসমাউল হুসনার মধ্যে তাঁর অন্য কোনো নাম এত বেশি উল্লেখ করা হয়নি।

আবদুল কাদের জিলানি (রহ.) বলেন, ইসমে আজম হলো ‘আল্লাহ’ শব্দ। তবে শর্ত হলো তা পূর্ণ একাগ্রতা ও ইখলাসের সঙ্গে বলতে হবে। (মিরকাতুল মাফাতিহ, ১/৬)


আরও খবর



কত টাকা পেল চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া, ভারতের পকেটে গেল কত?

প্রকাশিত:সোমবার ২০ নভেম্বর ২০23 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | ২৮জন দেখেছেন

Image

স্পোর্টস ডেস্ক : গত ৫ অক্টোবর ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে পর্দা উঠেছিল ত্রয়োদশ ওয়ানডে বিশ্বকাপের। দেড় মাসের ক্রিকেটযজ্ঞ শেষে সেই আহমেদাবাদেই গতকাল (রোববার) পর্দা নামল টুর্নামেন্টটির। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ স্টেডিয়ামে এক লাখ ত্রিশ হাজারের বেশি দর্শকের সামনে স্বাগতিক ভারতের হৃদয় ভেঙে রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো শিরোপা জিতে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

শিরোপার হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার ধারেকাছেও নেই কেউ। অজি বাহিনীর যেখানে ট্রফি ৬টি, আর কোনো দলের নেই তিনটি শিরোপাও। টানা দুই হারে বিশ্বকাপ শুরু করা অস্ট্রেলিয়া দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে টানা নবম জয়ে ২০১৫ সালের পর সোনালী শিরোপা ফের পুনরুদ্ধার করল। সেই সঙ্গে বড় অঙ্কের অর্থ পুরস্কারও পেয়েছে চ্যাম্পিয়নরা। 

সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপ আসরের জন্য মোট ১০ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১১০ কোটি টাকা প্রাইজমানি বরাদ্দ রাখে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা-আইসিসি। এখান থেকে বিশ্বকাপ জেতার জন্য ৪০ লাখ ডলার (প্রায় ৪৪ কোটি টাকা) পুরস্কার পাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। বিশ্বকাপজুড়ে ঘরের মাঠে দাপট দেখিয়েছে ভারত। রাউন্ড রবিন লিগে টানা নয় ম্যাচে জয়ের পর সেমিফাইনালেও জয়রথ ধরে রাখে স্বাগতিকরা। একমাত্র ব্যর্থ হয় ফাইনালে এসেও। রানার্সআপ ভারতের পকেটে ঢুকেছে ২০ লাখ ডলার (প্রায় ২২ কোটি টাকা)। 

সেমিফাইনালে পরাজিত দু’দল নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা সমান অঙ্কের টাকা পাচ্ছে। দুই দলকে দেওয়া হচ্ছে আট লাখ ডলার (প্রায় ৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা) করে। এ ছাড়া শেষ চারের আগেই বিদায় নেওয়া বাংলাদেশসহ প্রতিটি দল পাবে এক লাখ ডলার বা প্রায় এক কোটি ১০ লাখ টাকা। 

এ ছাড়া প্রতিটি ম্যাচের জন্যও বরাদ্দ ছিল প্রাইজমানি। প্রতিটিতে জয়ের জন্য ৪০ হাজার ডলার করে পেয়েছে দলগুলো। সে হিসেবে অস্ট্রেলিয়া, ভারতসহ দলগুলোর টাকার অঙ্ক আরও বাড়ছে।


আরও খবর

৩১৭ রানে অলআউট নিউজিল্যান্ড

বৃহস্পতিবার ৩০ নভেম্বর ২০২৩




ইসরায়েলি হামলায় নিখোঁজ হামাসের হাতে আটক ৬০ বন্দি

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩ | ৫৫জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে হামাসের হাতে আটক ৬০ জনেরও বেশি বন্দি নিখোঁজ হয়ে গেছেন। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর বিমান হামলার কারণে নিখোঁজ হয়েছেন তারা। হামাসের সশস্ত্র শাখা একথা জানিয়েছে।

গত মাসে ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলার পর দুই শতাধিক মানুষকে বন্দি করে গাজায় নিয়ে যায় হামাস। রোববার (৫ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় ৬০ জনেরও বেশি বন্দি নিখোঁজ হয়েছেন বলে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সশস্ত্র শাখা শনিবার জানিয়েছে। এর আগে গত মাসের শেষের দিকে হামাস বলেছিল, গাজায় ইসরায়েলি হামলায় তাদের হাতে বন্দিদের মধ্যে আনুমানিক ৫০ জন নিহত হয়েছেন।

ইজ এল-দ্বীন আল-কাসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু উবাইদা হামাসের টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে বলেছেন, নিখোঁজ ৬০ জন ইসরায়েলি বন্দির মধ্যে ২৩ জনের মৃতদেহ ধ্বংস স্তূপের নিচে আটকা পড়েছে। তিনি বলেন, গাজার বিরুদ্ধে ইসরায়েলের ক্রমাগত নৃশংস আগ্রাসনের কারণে আমরা কখনোই তাদের কাছে পৌঁছাতে পারব না বলে মনে হচ্ছে।

রয়টার্স তাৎক্ষণিকভাবে হামাসের এই বিবৃতিটি যাচাই করতে পারেনি। এছাড়া ইসরায়েলি সেনাবাহিনীও এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। এদিকে হামাসের হাতে আটক বন্দিদের খোঁজে যুক্তরাষ্ট্র গাজার ওপর নজরদারি ড্রোন ওড়াচ্ছে বলে গত বৃহস্পতিবার দুই মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, মুসলিমদের তৃতীয় পবিত্র ধর্মীয় স্থান আল-আকসা মসজিদের পবিত্রতা লঙ্ঘন এবং অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের অত্যাচারের জবাব দিতে গত ৭ অক্টোবর ‘অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড’ নামে একটি অভিযান চালায় ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস।

হামাসের এই হামলায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৪০০ ইসরায়েলি। নিহতদের মধ্যে ২৮৬ জন সেনাসদস্য রয়েছে বলে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। হামাসের হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৪ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি ইসরায়েলি। এছাড়া সেনা কর্মকর্তা ও সৈনিকসহ আরও ২৩৯ জনকে বন্দি করে গাজায় নিয়ে যায় হামাস।

হামাসের হাতে আটক বিপুল এসব বন্দির মধ্যে ইসরায়েলি-আমেরিকান দ্বৈত নাগরিকও রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু নিজেও ইতোমধ্যেই গাজায় আটক সব বন্দির নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছেন।

যদিও কাতারের মধ্যস্ততায় এখন পর্যন্ত চারজন বেসামরিক নাগরিককে মুক্তি দিয়েছে হামাস।


আরও খবর



পুঁজিবাজারে দরপতন

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩ | ৪৬জন দেখেছেন

Image

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার ( ৮নভেম্বর) দেশের পুঁজিবাজারে দরপতন হয়েছে। দিনভর সূচক ওঠানামা শেষে এদিন দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচক কমেছে ২ দশমিক ৮৬ পয়েন্ট। অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সূচক কমেছে ১১ পয়েন্ট।

সূচকের পাশাপাশি কমেছে লেনদেন ও অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম। ফলে সোম, মঙ্গল ও বুধবার টানা তিনদিন নেতিবাচক ধারায় পুঁজিবাজারে লেনদেন হলো।

ডিএসইর তথ্য মতে, আজ ডিএসইতে ৩০২টি প্রতিষ্ঠানের ১২ কোটি ৩ লাখ ৫১ হাজার ৮৪৪টি শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড ও বন্ডের হাতবদল হয়েছে। তাতে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫১৬ কোটি ২ লাখ ৯৬ হাজার টাকা। এর আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৫৪৫ কোটি ৭৫ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। অর্থাৎ দিনের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে।

ডিএসইতে ৪৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বৃদ্ধির বিপরীতে কমেছে ১০২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ২ দশমিক ৮৮ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ২৭৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। প্রধান সূচকের পাশাপাশি অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইএস শরীয়াহ সূচক দশমিক ৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৬১ পয়েন্টে এবং ডিএস ৩০ সূচক ১ দশমিক ৪৪পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১২৯ পয়েন্টে।

ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে ছিল ফুয়াং ফুডের শেয়ার। দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল এপেক্স ফুটওয়ারের শেয়ার। তৃতীয় অবস্থানে ছিল বিচ হ্যাচারি লিমিটেডের শেয়ার।

এরপরের তালিকায় রয়েছে খুলনা পাওয়ার প্যাকেজিং অ্যান্ড প্রিন্টিং, এমারেল অয়েল, সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল, আরডি ফুড, মনোস্পল পেপার, ক্যাপিটেক গ্রামীণ ব্যাংক গ্রোথ মিউচুয়াল ফান্ড এবং খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ার।

সিএসইর প্রধান সূচক সিএএসপিআই ১১ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৫৮৮ পয়েন্টে। সিএসইতে ১৪৯টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৩টির, কমেছে ৬০টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে৫৬টির।

দিন শেষে সিএসইতে ৫ কোটি৫৪ লাখ ৯ হাজার ৮৩৩টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ১০ কোটি ৮০ লাখ ৪ হাজার ৯৩৭ টাকার শেয়ার।


আরও খবর

আবারও বাড়লো সোনার দাম

বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩




আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন তানজিন তিশা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ নভেম্বর ২০২৩ | ৪৫জন দেখেছেন

Image

বিনোদন ডেস্ক : জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা গতকাল ১৫ নভেম্বর রাতে ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন ।

সংবাদমাধ্যম অনুযায়ী, তানজিন তিশার ঘনিষ্ঠজনরা জানিয়েছেন, গতকাল বুধবার অভিনেত্রীর রাজারবাগের বাসায় ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়।

জানা যায়, অভিনেতা মুশফিক আর ফারহানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে তিশার। তবে কিছুদিন ধরে ঝামেলা চলছিল তাদের মধ্যে। বুধবার রাতে তিশা নিজের রাজারবাগের বাসা থেকে ফারহানের উত্তরার বাসায় যান। সেখান থেকে ফিরেই ঘুমের ওষুধ সেবন করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

তবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ সূত্র সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে, রাতে তিশাকে গুরুতর অবস্থায় সেখানে নেওয়া হয়েছিল। আপাতত অভিনেত্রী বিপদমুক্ত।

তিশার ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন, ঢাকা মেডিকেল থেকে রাজধানীর পান্থপথের একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে তিশাকে। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন আছেন তিনি। তবে এ বিষয়ে মুশফিক ফারহানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।


আরও খবর



আজ শেষ হচ্ছে স্কুল ভর্তির আবেদন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ নভেম্বর ২০২৩ | ৩৫জন দেখেছেন

Image

প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুল ভর্তির জন্য আবেদনপত্র নেওয়া শেষ হচ্ছে মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর)। দেশের সব সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির আবেদন বিকেল ৫টায় শেষ হচ্ছে। গত ২৪ অক্টোবর অনলাইনে আবেদন শুরু হয়। এ বছর আবেদন ফি ১১০ টাকা। ভর্তিচ্ছুরা সর্বোচ্চ পাঁচটি বিদ্যালয় পছন্দক্রমে রাখতে পারছে।

এর আগে টেকনিক্যাল কারণে এক দফায় আবেদনের সময় দুইদিন বাড়ানো হলেও এ সময় আর বাড়ছে না বলে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ‌

মাউশি জানিয়েছে, দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণি ও আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। কোনো শ্রেণির কোনো শাখাতে ৫৫ জনের বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে না।

‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০’ অনুযায়ী প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীর বয়স ৬ বছরের বেশি হতে হবে। পরবর্তী শ্রেণিতে বয়স নির্ধারণের বিষয়টি প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ধারাবাহিকভাবে প্রযোজ্য হবে।

শিক্ষার্থীর বয়স নির্ধারণের জন্য ভর্তির আবেদন ফরমের সঙ্গে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের বয়স নির্ধারণে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া যাবে।

শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য অনলাইন আবেদন ও লটারির তারিখ নির্ধারণ করবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর কারিগরি সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান আবেদন ও ডিজিটাল লটারির যাবতীয় তথ্য ঢাকা মহানগরের ভর্তি কমিটির কাছে জমা দেবে। এরপর মাউশির তত্ত্বাবধানে ঢাকা মহানগরের ভর্তি কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে লটারির কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

সারাদেশের ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অনলাইনে প্রাপ্ত আবেদনের ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ নীতিমালা অনুযায়ী শ্রেণিভিত্তিক শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত প্রথম লটারির সমসংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে প্রথম অপেক্ষমাণ তালিকা নির্বাচন করতে হবে। পরে প্রয়োজন হলে লটারির মাধ্যমে দ্বিতীয় অপেক্ষমাণ তালিকা প্রস্তুত করতে হবে।


আরও খবর