Logo
আজঃ সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

ক্ষুধা ও খাদ্য গ্রহণ

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ১৫৩জন দেখেছেন

Image

ক্ষুধা একটি জৈবিক তাড়না। মানবদেহে রক্তে খাদ্যকণা (ট্রাইগ্রিসারাইড, গ্লুকোজ, ফ্যাটি অ্যাসিড ইত্যাদি) একটি নির্দিষ্ট মাত্রার নিচে নেমে গেলে মানুষ ক্ষুধা অনুভব করে থাকে, এটাকেই প্রকৃত ক্ষুধা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে এ ছাড়াও অন্য অনেক কারণে মানুষ খাদ্য গ্রহণ করে থাকে, ওইসব কারণকে প্রকৃত ক্ষুধা বলা ঠিক হবে না। যেমন- খাদ্যবস্তু দেখলে, খাদ্যের ঘ্রাণ পেলে, অন্যদের খাদ্য গ্রহণ দেখলে, খাবারের সময় হলে, খাবারের কথা চিন্তা করলে, মানসিকভাবে খাদ্য গ্রহণের প্রস্তুতি থাকলে, প্রকৃত ক্ষুধা না থাকলেও মানুষ খাদ্য গ্রহণ করতে পারে এবং খাদ্য গ্রহণ করে থাকে। এসব অবস্থাকে চোখের ক্ষুধা, নাকের ক্ষুধা ও মনের ক্ষুধা বলে আখ্যায়িত করাই যুক্তিযুক্ত।

মানবদেহে রক্তে গ্লুকোজ, ফ্যাটি অ্যাসিড ও ট্রাইগ্রিসারাইড নামক বস্তু বিদ্যমান থাকে। মানুষ যখন খাদ্য গ্রহণ করে তখন খাদ্যবস্তু হজম হয়ে এসব খাদ্যকণিকা রক্তে প্রবেশ করে এবং এসব খাদ্যকণা রক্তে বেশি পরিমাণে প্রবেশ করলে অতিরিক্ত খাদ্যকণা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে সাময়িকভাবে মজুদ হয়ে থাকে। রক্ত থেকে প্রতি মুহূর্তে খাদ্যকণা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে খাদ্যের জোগান দিয়ে থাকে, এতে ধীরে ধীরে রক্তে খাদ্যকণার পরিমাণ কমতে থাকে এবং প্রতি মুহূর্তে বিভিন্ন অঙ্গে সাময়িক মজুদ থাকা খাদ্যকণা রক্তে প্রবেশ করে রক্তে খাদ্যকণার স্বাভাবিক মাত্রা বা পরিমাণ বজায় রাখে। যার ফলে শরীরের প্রতিটি কোষ রক্ত থেকে প্রয়োজনীয় পরিমাণ খাদ্যকণা গ্রহণ করে তাদের কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারে। তবে একটা সময়ে সাময়িক মজুদ শেষ হয়ে যায় এবং রক্তে খাদ্যকণিকার মাত্রা বেশ কমে যায়, মানুষ তখনই প্রকৃত ক্ষুধা অনুভব করে এবং খাদ্য গ্রহণে সচেষ্ট হয়। খাদ্য গ্রহণ করলে আবার খাদ্য হজম হয়ে খাদ্যকণিকা রক্তে প্রবেশ করে এবং রক্তে খাদ্যকণিকার মাত্রায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। এই চক্র মানব শরীরে অবিরতভাবে চলতে থাকে। ক্ষুধা পেলে মানুষ দুর্বলতা অনুভব করে কর্মক্ষমতা কিছুটা কমে যায়, অনেকের মধ্যে মানসিক অস্থিরতা পরিলক্ষিত হয় এটা সবাই জানে। যদি কেউ এ সময়ে খাদ্য গ্রহণ করতে না পারলে অথবা না খেলে তখন প্রাকৃতিক নিয়মেই দেহের বিভিন্ন অঙ্গে মজুদ থাকা গ্লাইকোজেন এবং চর্বি ভেঙে রক্তে খাদ্যকণার জোগান দিয়ে থাকে। তবে এসব স্থায়ী মজুদ ভেঙে খাদ্যকণিকার জোগানের জন্য দেহে বিভিন্ন হরমোন ও এনজাইমের প্রয়োজন হয় যা একটু সময় সাপেক্ষ বটে। তবে প্রাথমিক অবস্থায়ও কিছু পরিমাণ খাদ্যকণা সরবরাহ করতে পারে। মানুষ যখন ক্রমাগত ভাবে অন্যান্য ক্ষুধায় আক্রান্ত হন, তখনই অধিক খাদ্য গ্রহণের ফলে শারীরিক ওজন বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হয়। বয়স ৩০ বছর হওয়ার আগ পর্যন্ত দৈহিক বৃদ্ধির কারণে, হরমোনাল ভারসাম্যের কারণে, শারীরিক যোগ্যতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিশ্রম করে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন। তারা প্রচুর শক্তি খরচ করতে পারে মানে প্রচুর খাদ্য কণিকা ব্যবহার করে মোটা হওয়ার প্রতিরোধ করতে পারেন। তাই বয়স ৩০ বছর অতিক্রম করলে খাওয়া-দাওয়ার প্রতি নজর রাখা (৩০ বছর বয়সে আপনার শারীরিক ওজনেই আপনার প্রকৃত ওজন)। আপনি প্রকৃত ক্ষুধা ও অন্যান্য ক্ষুধার মধ্যে পার্থক্য অনুধাবন করে কম খাদ্য গ্রহণের চেষ্টা করে ৩০ ঊর্ধ্ব ব্যক্তিরা সুস্থতা বজায় রাখতে পারেন। ৩০-পরবর্তী শুধু ক্ষুধাকে কাজে লাগিয়ে আপনি সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে পারবেন এবং ৩০ বছরপূর্তির ওজন বজায় আছে কি না সেদিকে নজর রেখে আপনি আপনার খাদ্যাভ্যাস সাজিয়ে নিতে পারেন। ওজন বৃদ্ধি পেতে থাকলে আপনি খাবারের পরিমাণের ওপরে নজর রাখুন মানে ওজন বাড়তি হলে খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ কমান বা পরিশ্রমের পরিমাণ বৃদ্ধি করুন। ওজন কম হলে খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ বৃদ্ধি করুন, যাতে আপনার প্রকৃত ওজন ঠিক থাকে। তবে যারা যত শিগগিরই প্রকৃত ক্ষুধা ও অন্যান্য ক্ষুধার মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারবেন, তারা চাইলেই খাদ্যাভ্যাস বজায় রেখেই সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে পারবেন। তাই এসব বিষয়ে অবহেলা না করে সবাইকে আরও যত্নবান হতে হবে।


আরও খবর



গুলির পর কেমন আছেন ট্রাম্প, জানাল সিক্রেট সার্ভিস

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ২৮জন দেখেছেন

Image


 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:


যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমাবেশে গুলির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় হামলাকারীসহ দুইজন নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যে এই ঘটনা ঘটে।  


যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার (সিক্রেট সার্ভিস) যোগাযোগ বিভাগের প্রধান অ্যান্থনি গুগলিয়েলমি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ট্রাম্প নিরাপদে আছেন।


তিনি বলেন, ‘শনিবার সন্ধ্যায় পেনসিলভানিয়ায় ট্রাম্পের সমাবেশে এ ঘটনা ঘটে। সিক্রেট সার্ভিস প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করেছে এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট নিরাপদে আছেন। তদন্ত শুরু হয়েছে। আরও তথ্য পাওয়া গেলে প্রকাশ করা হবে।



প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে ঘটনা অবহিত করা হয়েছে। তিনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ট্রাম্প নিরাপদ আছেন এবং ভালো আছেন জেনে আমি কৃতজ্ঞ। 


আমি তার জন্য, তার পরিবারসহ সমাবেশে উপস্থিত সকলের জন্য প্রার্থনা করছি। আমরা আরও তথ্যের জন্য অপেক্ষা করছি।


আরও খবর



কোটা আন্দোলনকারীদের আল্টিমেটামের জবাবে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ১৭জন দেখেছেন

Image



চ্যানেল ২৩ ডেস্ক:



স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, শিক্ষার্থীরা মামলা তোলার যতই আল্টিমেটাম দিক, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলবে। মেরিট দেখেই মামলা করা হয়েছে।


রোববার (১৪ জুলাই) দুপুরে শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস-২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যে কেউ সংক্ষুব্ধ হলে মামলা করতে পারে। মামলা তদন্তের পর যদি ম্যারিট না থাকে তবে অটোমেটিক বাতিল হয়ে যেতে পারে। সেখানে ২৪ ঘণ্টা কিংবা ২৪ দিনের কোনো প্রশ্ন আসে না। আর যদি মামলার মেরিট থাকে তাহলে তদন্ত শেষে বিচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করব।


পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে আজও শিক্ষার্থীরা সড়কে নেমেছেন। তারা কেন কথা শুনছেন না? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তারা (শিক্ষার্থীরা) যা করছে মনে হয় না বুঝে করছে। 


সুপ্রিম কোর্ট থেকে একটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে আগামী ৮ আগস্ট শুনানি হবে। শুনানিতে তাদেরও (শিক্ষার্থীদের) অংশগ্রহণ করতে বলা হয়েছে। তারা সেগুলো না করে রাস্তা অবরোধ করছে।



তিনি বলেন, এগুলো সবকিছু এখন বিচার বিভাগের কাছে। হাতে কিছু নেই।


‘শিক্ষার্থীদের কারা উসকানি দিচ্ছে?’- প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‌‘আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কারা উসকানি দিয়েছে এবং কারা দায়ী সবগুলো বিষয় তদন্তের পর বলা যাবে।



 যেহেতু একটি ঘটনা ঘটেছে, সেটি তদন্ত হবে। তদন্তের পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব। তদন্তের আগে আমি কিছু বলতে পারছি না।’


আরও খবর



জবি শিক্ষার্থীদের গণপদযাত্রা শুরু

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ২৭জন দেখেছেন

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক


সরকারি চাকরিতে কোটার যৌক্তিক সংস্কারের এক দফা দাবিতে গণপদযাত্রা কর্মসূচি শুরু করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। 



রোববার (১৪ জুলাই) বেলা পৌনে ১১টার সময় ক্যাম্পাস থেকে সহস্রাধিক শিক্ষার্থী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে মিছিল নিয়ে বঙ্গভবন অভিমুখে যাত্রা শুরু করে।



কোটা সংস্কার আন্দোলনের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক মেহেরুন্নেসা হিমু বলেন, আমাদের এ আন্দোলন কোনও রাজনৈতিক আন্দোলন নয়। আমাদের দাবি- দেশে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর কোটা ব্যতীত সব ধরনের অযৌক্তিক কোটা বাতিল করে সংসদে আইন প্রণয়ন মাধ্যমে কোটার বিষয়ে একটি স্থায়ী সমাধান করতে হবে।


এর আগে গতকাল সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন আন্দোলনকারীরা। রাজধানীতে তারা গণপদযাত্রা করে রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি দেবেন। 


এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সাত কলেজসহ রাজধানীর উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীরা অংশ নেবেন।


একই সময় আন্দোলনে থাকা সারা দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও গণপদযাত্রা করে নিজ নিজ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে তার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি দেবেন।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে গতকাল সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ। 



এ সময় তিনি জানান, কোটার যৌক্তিক সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।


আরও খবর



চাকরিতে কোটা নিয়ে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ২২জন দেখেছেন

Image



বর্তমান দেশবাংলা ডেস্ক:


প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাসহ কোটা পদ্ধতি বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট।



রোববার (১৪ জুলাই) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ ২৭ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেন।


গত ৫ জুন প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত হাইকোর্ট অবৈধ ঘোষণা করেন। এরপর ৯ জুন হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করা হয়। ওইদিন এই আবেদন শুনানির জন্য আপিল বিভাগে পাঠিয়ে দেন চেম্বার আদালত।


পরে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে গত ৪ জুলাই ছয় বিচারপতির আপিল বেঞ্চ সরকারি চাকরির প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় আপাতত বহাল রাখার নির্দেশ দেন। এরপর ১০ জুলাই হাইকোর্টের দেওয়া রায়ে চার সপ্তাহের জন্য স্থিতাবস্থা দেওয়া হয়।


উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে সরাসরি নিয়োগে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি তুলে দিয়ে পরিপত্র জারি করা হয়।


আরও খবর



ঢাকা বোর্ডে এইচএসসিতে ভুল প্রশ্ন, সব পরীক্ষার্থী পাবেন ৮ নম্বর

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | জন দেখেছেন

Image

চ্যানেল 23  রিপোর্ট:


ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বোর্ডে এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ইংরেজি ভার্সনের প্রশ্নপত্রে ভুল ছিল।



 আর এই ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। প্রশ্নটি ভুল থাকায় তার সঠিক উত্তর করতে পারেননি কোনো শিক্ষার্থীই।


বিষয়টি নজরে আসার পর ইংরেজি ভার্সনে ঐ বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়া সব শিক্ষার্থীকে ভুল প্রশ্নের নির্ধারিত নম্বর দিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।



 ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক আবুল বাশার বলেন, শিক্ষার্থীদের বঞ্চিত হবার কোনো কারণ নেই। যেসব শিক্ষার্থী ঐ প্রশ্নটি লেখার চেষ্টা করছে তারা সবাই ৮ নম্বর পাবেন।


শিক্ষকরা জানান, গত ১১ জুলাই অনুষ্ঠিত ঢাকা বোর্ডের পদার্থবিজ্ঞান প্রথমপত্র পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে দুটি জায়গায় ভুল ও অসংগতি রয়েছে। প্রশ্নটি সংশোধন না করায় উত্তর মেলাতে না পেরে ইংরেজি ভার্সনের শিক্ষার্থীরা ৮ নম্বর কম পাওয়ার শঙ্কায় ছিল।


প্রশ্নপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলা ভার্সনের ৪ নম্বর প্রশ্নের ‘উদ্দীপক’-এ বলা হয়েছে, ‘বান্দরবানের পাহাড়ি রাস্তার বাঁকে সুমন ২০০ kg ভরের একটি গাড়ি ৬০ kmh (-১) বেগে চালাচ্ছে। রাস্তার বাঁকের ব্যাসার্ধ ১৫০ m। ঐ স্থানে রাস্তাটি ৪ m চওড়া এবং ভেতরের কিনারা থেকে বাইরের কিনারা ০.৫m উঁচু।’



অন্যদিকে ইংরেজি ভার্সনে একই প্রশ্নে ‘উদ্দীপক’-এ বলা হয়েছে, Suman is driving a car of mass 200kg at a speed of 60 kmh (-1) at a bend in the hilly road of Bandarban. The radius of the road bend is 150m. At that point the road is 4m wide and 5m high from the inner edge to the outer edge.


অর্থাৎ, বাংলা ভার্সনে ‘শূন্য দশমিক ৫ মিটার উঁচু’ বলা হলেও ইংরেজি ভার্সনের প্রশ্নে সরাসরি ‘৫ মিটার উঁচু’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে, যা একেবারেই অসম্ভব বলে উল্লেখ করেছেন পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষকরা।


পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষকরা বলছেন, বাংলা ভার্সনের প্রশ্নটি ঠিক আছে। সেখানে ‘শূন্য দশমিক ৫ মিটার’ উল্লেখ করা হয়েছে। এটার উত্তর মিলবে। কিন্তু ইংরেজি ভার্সনে একই প্রশ্নে সরাসরি ‘৫ মিটার’ বলা হয়েছে। এটা দিয়ে উত্তর মেলানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়।


একই প্রশ্নপত্রে সৃজনশীল প্রশ্নের ৭-এর ‘ঘ’-তে বাংলা ভার্সনের প্রশ্নে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, ‘কোন দোলকের শক্তি বেশি’। অথচ ইংরেজি ভার্সনের প্রশ্নে লেখা হয়েছে, ‘Which pendulum is more powerful।


এ প্রশ্নটির ব্যাপারে শিক্ষকরা জানান, বাংলায় বলা হচ্ছে ‘শক্তি’। আর ইংরেজিতে বলা হচ্ছে ‘পাওয়ারফুল’, যার অর্থ দাঁড়ায় ‘ক্ষমতাশালী’। পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় ‘শক্তি’ ও ‘পাওয়ার’ এক জিনিস নয়। ফলে এ প্রশ্নটাও অসংগতিপূর্ণ বলছেন শিক্ষকরা।



আরও খবর