Logo
আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

মালয়েশিয়ায় পুলিশ স্টেশনে হামলা, নিহত ৩

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১৪১জন দেখেছেন

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যের একটি পুলিশ স্টেশনে শুক্রবার সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় সন্দেহভাজন হামলাকারী এবং দুই কনস্টেবল নিহত হয়েছেন। এছাড়াও অন্য একজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।


সূত্রের বরাতে স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্দেহভাজন হামলাকারী রাত আড়াইটার দিকে জোহর রাজ্যের উলু তিরাম থানায় আসেন। এ সময় দায়িত্বরত এক কনস্টেবলকে গুলি করা হলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।



গুলির শব্দ শুনে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন আরেক কনস্টেবল। এরপর প্রথমে গুলিবিদ্ধ কনস্টেবলের বন্দুক দিয়ে তাকেও গুলি করে হত্যা করা হয়।


জোহরের পুলিশ প্রধান এম কুমার বলেন, সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে ঘটনাস্থলেই গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।


 

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জোহরের পুলিশ প্রধান এম কুমার। ছবি: বের্নামা নিউজ এজেন্সি

পুলিশের মহাপরিদর্শক রাজারুদ্দিন হোসেন বলেন, ওই ব্যক্তিকে জেমা ইসলামিয়া (জেআই) চরমপন্থী গোষ্ঠীর সদস্য বলে ধারণা করা হচ্ছে। 


জেআই সদস্য সন্দেহে দুই ছাত্র ও ৬২ বছর বয়সী একজনসহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজন সন্দেহভাজন ব্যক্তির পরিবারের সদস্য। ৬২ বছর বয়সী লোকটি তার বাবা।


জেমা ইসলামিয়া মূলত ইন্দোনেশিয়া ভিত্তিক একটি জঙ্গী গোষ্ঠী। তারা দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় ইসলামিক স্টেট প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।


রাজারুদিন আরও বলেন, ‘আমি আমাদের স্পেশাল ব্রাঞ্চকে নির্দেশ দিয়েছি জোহরের সকল জেআই সদস্যকে গ্রেপ্তার করে তদন্ত করতে। জোহরে জেআইয়ের প্রায় ২০ জন চিহ্নিত সদস্য রয়েছে।


মালয়েশিয়ার পুলিশ জানিয়েছে, হামলায় নিহত পুলিশরা দুই বছরের কম সময় ধরে চাকরি করছেন। তারা উলু তিরাম স্টেশনের অপরাধ প্রতিরোধ টহল ইউনিটে দায়িত্বরত ছিল।


মালয়েশিয়ার রাজা সুলতান ইব্রাহিম ইস্কান্দার নিহত পুলিশদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।


আরও খবর



ভারতে মোদির মন্ত্রিসভায় মুসলিম এমপি নেই

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ৮৪জন দেখেছেন

Image

23 ডেস্ক :

ভারতে টানা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি তার মন্ত্রীসভায় কোনো মুসলিমকে স্থান দেননি। এমনকি তার যে জোট সে জোটে কোনো মুসলিম এমপিও নেই। ভারতের প্রায় ২৫ কোটি মুসলিমের বসবাস।

ভারতে এমন কিছু রাজ্য আছে যেখানে মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। তবুও নতুন সরকারের মন্ত্রী সভায় কোনো মুসলিম স্থান পায়নি। এ নিয়ে ভারতে মুসলিমদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, ভারতের ১৮তম লোকসভা নির্বাচনের আগে শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদাররা প্রায়ই দাবি করতেন, সংখ্যালঘু মুসলমানদের একাংশও নাকি এখন তাদের ভোট দিচ্ছেন। আবার অনেকেই এই দাবিকে ‘ফাঁকা আওয়াজ’ হিসেবে অবিহিত করেন। তবে শুভেন্দুদের দাবি যদি সত্য বলে ধরে নেওয়া হয় তাহলে তার প্রতিফলন কোথায়? সরকারি হিসেব অনুযায়ী, মোট ভোটারের ১৪ শতাংশ ভোটার মুসলিম। তবুও মোদির নবগঠিত মন্ত্রিসভায় নেই কোনো সংখ্যালঘু প্রতিনিধি। রোববার (৯ জুন) রাষ্ট্রপতি ভবনে নরেন্দ্র মোদিসহ ৭২ জন শপথগ্রহণ করেন। এই ৭২ জনের মধ্যে কোনো মুসলিম নেই। এমনকি শরিক দল তেলেগু দেশম বা জনতা দল ইউনাইটেডও কোনো মুসলিম প্রার্থীকে মন্ত্রী করেনি।গতকাল মন্ত্রীসভা গঠনের পর বিস্ময় প্রকাশ করেছেন পর্যবেক্ষকরা। টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসা বর্তমান সরকারে ধারাবাহিকভাবে কোনো মুসলিম প্রতিনিধি নেই। এক্ষেত্রে কেউ বলছেন, ‘নো ভোট-নো পোস্ট।’ অর্থাৎ সংখ্যালঘুরা বিজেপি বা তাদের শরিকদের ভোট দেয়নি, তাই তারা মন্ত্রিসভায় নেই।সংখ্যালঘুদের মধ্যে বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার যে প্রবণতা তা নতুন নয়। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর থেকেই সেই প্রবণতা তৈরি হয়েছে। গোধরা কাণ্ডের পর তা আরও তীব্র হয়েছে। ভারেতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা অটল বিহারী বাজপেয়ীও তা বুঝতেন। তিনিও জানতেন যে, মুসলিমদের আস্থা অর্জন করা বিজেপির জন্য কঠিন। তবু বাজপেয়ীর সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় সংখ্যালঘু প্রতিনিধি ছিল। মোখতার আব্বাস নকভিকে ১৯৯৮ সালে মন্ত্রী করেছিলেন বাজপেয়ী। তিনি প্রথমে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন। পরে সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। বাজপেয়ী যুগের অবসানের পর বিজেপির রাজনীতিতে লালকৃষ্ণ আদভানি বিজেপির সভাপতি হন। তার লক্ষ্য ছিল ২০০৯ সালের লোকসভা ভোটে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হয়ে ওঠা। সম্ভবত ভারতে সংখ্যালঘুদের বার্তা দিতে পাকিস্তান সফরে গিয়ে ‘কায়েদ এ আজম’ মহম্মদ আলি জিন্নাহর প্রশংসা করেছিলেন আদভানি। তিনি বলেছিলেন, জিন্নাহ ধর্মনিরপেক্ষ ছিলেন। সেই মন্তব্যের জন্য দলের সভাপতির পদ ছাড়তে হয় আদভানিকে। তবু প্রথাগত ভাবে হলেও বিজেপিতে সংখ্যালঘুদের প্রতিনিধিত্ব ছিল। ২০১৪ সালেও মোদি মন্ত্রিসভায় দুইজন সংখ্যালঘু ছিল। নাজমা হেপতুল্লাহ ও মোখতার আব্বাস নাকভি। কিন্তু মোদির দ্বিতীয় মেয়াদ থেকে মন্ত্রিসভায় আর ঠাঁই মেলেনি সংখ্যালঘু প্রতিনিধিদের। এবারও পুনরানৃত্তি ঘটাল মোদি

১৪০ কোটি মানুষের দেশ ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ২৫ কোটি। দেশটির হিন্দু জনসংখ্যার তুলনায় তা অনেক কম হলেও সংখ্যাটি অল্প নয়! পৃথিবীর অনেক দেশের মোট জনসংখ্যাই ২৫ কোটির কম। এত বিপুল সংখ্যক মানুষের কোনো প্রতিনিধি এবারও কেন্দ্রীয় সরকারে না থাকায় ভারত ছাড়িয়ে এই আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে মুসলিম বিশ্বে।


আরও খবর



ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১৬৮জন দেখেছেন

Image

 নিজস্ব প্রতিবেদক 

প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিদর্শনে যাবেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে আসলেই ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন যাবেন প্রধানমন্ত্রী। এখন তিনি সার্বক্ষণিক রেমালের পরিস্থিতি তদারকি করছেন। ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে জনপ্রতিনিধিসহ দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।সোমবার দলটির সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।ওবায়দুল কাদের বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকবে আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিটি। দলীয় সভাপতির পক্ষ থেকে তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদেরও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।এসময় বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দুর্যোগে মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে সহযোগিতার নামে ফটোসেশন করে বিএনপি। তারা মানবিক কোনো কাজ করে না। বিএনপির সঙ্গে নীতিগত অনেক পার্থক্য রয়েছে আওয়ামী লীগের।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ


আরও খবর



টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ : শ্বাসরুদ্ধকর দুর্দান্ত ম্যাচে শেষ হাসি ভারতের

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ৮১জন দেখেছেন

Image

23 ডেস্ক:

              টার্গেট ছিল মাত্র ১২০ রানের। তাই অনেকে মনে করেছিল অনায়াসেই জয় পাবে পাকিস্তান। তবে ভারতীয় বোলারদের আঁটসাঁট বোলিংয়ে এই অল্প রানের মধ্যে পাকিস্তানকে আটকে দিয়েছে রোহিত শর্মার দল।

দুর্দান্ত এক ম্যাচে পাকিস্তানকে ৬ রানে হারিয়ে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে ভারত।

রোববার (৯ জুন) নিউ ইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠান পাক অধিনায়ক বাবর আজম। ব্যাট করতে নেমে পাক পেসারদের বোলিং তোপে ১৯ ওভারে মাত্র ১১৯ রানে গুটিয়ে যায় ভারত।

দলের পক্ষে রিশভ পন্থ করেন সর্বোচ্চ ৩১ বলে ৪২ রান। এছাড়া অক্ষর প্যাটেল করেন ১৮ বলে ২০ রান। পাকিস্তানের পক্ষে নাসিম শাহ ও হ্যারিস রউফ নেন ৩টি করে উইকেট। এছাড়া আমির নিয়েছেন ২টি উইকেট।

১২০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে সাবধানী শুরু করেন দুই পাক ওপেনার। বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। তবে দলীয় ২৬ রানে ১০ বলে ১৩ রান করে আউট হন বাবর।

পাক অধিনায়কের বিদায়ের পর ক্রিজে আসা উসমানকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাট করতে থাকেন। ধীরগতিতে রানের চাকা সচল রাখে এই দুই ব্যাটার। তবে দলীয় ৫৭ রানে উসমানকে আউট করে ভারতকে ম্যাচে ফেরার স্বপ্ন দেখান অক্ষর প্যাটেল। ১৫ বলে ১৩ রান করে সাজঘরে ফিরে যান উসমান।

এরপর ২৯ রানের মধ্যে পাকিস্তানের তিন উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে ফেরে ভারত। ফকর জামান ৮ বলে ১৩, রিজওয়ান ৪৪ বলে ৩১ ও শাদাব খান ৭ বলে ৪ রান করে আউট হন।

এরপর ইফতিখার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই চলিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন ইমাদ ওয়াসিম। তবে দলীয় ১০২ রানে ৯ বলে ৫ রান করে আউট হন ইফতিখার।

শেষ দিকে ভারতীয় বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১১৩ রান করতে সক্ষম হয় পাকিস্তান। ৬ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ভারত। ভারতের পক্ষে জসপ্রীত বুমরাহ ৩টি ও হার্দিক পান্ডিয়া নেন ২টি উইকেট।


আরও খবর



শ্রীপুরে ওলামা দলের সভাপতি বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ১০৭জন দেখেছেন

Image

আবু কালাম স্টাফ রিপোর্টার : 

    গাজীপুর শ্রীপুরে গোসিংগা ইউনিয়ন ওলামা দলের সভাপতি জাকির মোড়ল (৪১)বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় গোসিংগা ইউনিয়নের খোঁজেখানী গ্রামের মৃত হোসেন আলী ছেলে হান্নান মোড়ল বাদী হয়ে জাকির মোড়ল (৪১), পিতা- মৃত হাজী আফতাব উদ্দিন মোড়ল, সাং- খোঁজেখানী, ইউপিঃ গোসিংগা, থানা- শ্রীপুর, সহ অজ্ঞাতনামা ১৫/২০ জন বিবাদীদের বিরুদ্ধে শ্রীপুর থানায় লিখত অভিযোগ দায়ের করেন।

  ভুক্তভোগী হান্নান মোড়ল তার অভিযোগে উল্লেখ করেন বিবাদী বেশ কিছুদিন যাবৎ আমি সহ আমার পরিবারের লোকজনের সহিত আমাদের পৈত্রিক সূত্রে মালিকানাধীন জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়াদী নিয়া বিরোধ সৃষ্টি করিয়া আমাদের জান-মালের ক্ষতি করার জন্য বিভিন্ন ধরনের অপচেষ্টা করিয়া আসিতেছে।  শুক্রবার  (৩১ মে) সকাল অনুমান ১১.০০ টার সময় উক্ত বিবাদী পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে অজ্ঞাতনামা ১৫/২০ জন সন্ত্রাসী প্রকৃতির বিবাদীদের সাথে নিয়া ও দা, লাঠি, লোহার রড ইত্যাদি দেশীয় অস্ত্রে-সস্ত্রে সজ্জিত হইয়া পরস্পর যোগসাজশে আমাদের বাড়ির উত্তর পাশে অবস্থিত আমাদের পৈত্রিক সূত্রে মালিকানাধীন জমিতে আসিয়া জমিতে বাঁশের খুটি স্থাপন করিয়া বেদখলে চেষ্টা করে ও জমিতে আমাদের রোপনকৃত বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা কাটিয়া এবং ২টি রেগুনি বাঁশের ঝাড় কাটিয়া অনুমান ১,১০,০০০/- টাকার ক্ষতি সাধন করে। তখন আমি ও আমার পরিবারের লোকজন ঘটনা দেখিয়া বিবাদীদের অন্যায় কাজের প্রতিবাদ করিলে, বিবাদীরা আমাদেরকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ সহ এলোপাথারি কিল, ঘুষি মারিয়া ও লাঠি দিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করিয়া নীলাফুলা জখম করে। ঐ সময় আমাদের ডাকচিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে আগাইয়া আসিতে থাকিলে, বিবাদীরা জমি দখল করিতে না পারিয়া আমাদেরকে পরবর্তীতে সুযোগমত পাইলে খুন জখম করিবে বলিয়া প্রকাশ্যে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়া চলিয়া যায়।


 শ্রীপুর মডেল থানার (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা মো. আকবর আলী খান জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



ফুলবাড়ীতে বাঁশে মাচায় রং বে রং এর তরমুজ চাষে সফল কৃষক।

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১৫৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক 

আদিকাল থেকে মাটিতে তরজমুজ চাষ হয়ে আসছে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে। এবারেই প্রথম উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের সহায়তায় উপজেলার ৮জন কৃষক বাঁশের মাচায় বিভিন্ন রংঙের তরমুজ চাষে সফলতা হয়েছেন।
উপজেলার ভিমলপুর গ্রামের আব্দুল হামিদসহ ৮ জন কৃষকের বাঁশের মাচায় হলুদ, কালো ও  সবুজ রঙের তরমুজ, চাষ করে দৃষ্টি কেড়েছে উপজলার অন্যন্য কৃষকদের।  
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, দিনাজপুর অঞ্চলে টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় খরিফ-১ মৌসুমে প্রথমবার এবছর উপজেলায় ১ দশমিক ৬ একর জমিতে মাচা পদ্ধতিতে তৃপ্তি, অনুভব ও করি দেশী জাতের তরমুজ চাষ প্রদর্শনী করা হয়েছে। উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন এবং পৌর এলাকার ৮জন কৃষক, ২০ শতক করে জমিতে এই প্রদর্শনী করেছেন। এ চাষে কৃষকদের বীজ, জৈব সার, জৈব বালাই নাশকসহ সার্বিক পরামর্শ প্রদান করছেন কৃষি অধিদপ্তর।
এছাড়াও ফসল পরিচর্যার জন্য প্রতিটি কৃষককে ৩ হাজার করে টাকা দেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তারা। প্রদর্শনী ছাড়াও নিজ উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় এক একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন অনেক কৃষক।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রুম্মান আক্তার জানান, দিনাজপুর অঞ্চলে টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় খরিফ-১ মৌসুমে প্রথমবার এবছর উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন এবং পৌর এলাকায় ১ দশমিক ৬ একর জমিতে মাচা পদ্ধতিতে তৃপ্তি, অনুভব ও করি দেশী জাতের তরমুজ চাষ  প্রদর্শনী করা হয়েছে। কৃষকদের বীজ, জৈব সার, জৈব বালাই নাশকসহ সার্বক্ষণিক পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।
এদিকে গতকাল বিকেলে ভিমলপুর মাঠে তরমুজ প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন দিনাজপুর অঞ্চলে টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের জেলা প্রশিক্ষক জাফর ইকবাল, প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক রাকিবুজ্জামান, মনিটরিং ও ইভালুয়েশন কর্মকর্তা মশিউর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ রুম্মান আক্তার, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা শাহানুর রহমান।


আরও খবর