Logo
আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

পাকিস্তানে ফের মেয়েদের স্কুল উড়িয়ে দিলো সন্ত্রাসীরা

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১৭৬জন দেখেছেন

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক

পাকিস্তানে ফের মেয়েদের স্কুলে বোমা হামলা করেছে জঙ্গিরা। শুক্রবার দেশটির খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানের একটি মেয়েদের স্কুলের বোমা হামলা করেছে জঙ্গিরা। এর আগেও গত ৯ মে একটি মেয়েদের স্কুলে বোমা হামলা করা হয়েছিল।


জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের মাঝামাঝি সময় থেকেই পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ব্যাপক সন্ত্রাসী হামলার কবলে রয়েছে। বিশেষ করে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বিভিন্ন জেলার মেয়েদের স্কুল এই ধরনের হামলার অন্যতম লক্ষ্যবস্তু।



শুক্রবার হামলার শিকার স্কুলটি ওয়ানা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত। এটি সোফিয়া নূর স্কুল নামে পরিচিত।


৯ মে উত্তর ওয়াজিরিস্তানের শেভা শহরে ইসলামিয়া গার্লস স্কুলে বোমা হামলা করা হয়। তবে বোমা হামলায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।


পরপর দুটি স্কুলে বিস্ফোরণের পর আতঙ্কে রয়েছেন প্রদেশের বাসিন্দারা। অতীতেও তারা বহুবার এ ধরনের হামলা দেখেছে।


পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম দ্য নিউজ অনুসারে, স্কুলের কয়েকটি ব্লকে নির্মাণকাজ চলছিল। খবর অনুযায়ী, ভোর ৩টার দিকে বিস্ফোরণে ভবনটির একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।


তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, স্কুলের প্রশাসন চাঁদাবাজির চিঠি পেয়েছিল। কিন্তু স্থানীয়রা তা অস্বীকার করেছেন।


ওয়ানা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘যারা স্কুলে হামলা করেছে তারা ওয়াজিরিস্তানের জনগণকে শিক্ষা ও উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত রাখতে চায়। তবে এতে আমারা দমে যাব না। আমরা নতুন প্রজন্মকে শিক্ষিত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখব।’


তিনি বলেন, তাদের সংগঠন প্রায় এক মাস আগে একটি জঙ্গি গোষ্ঠীর কাছ থেকে চাঁদাবাজির চিঠি পেয়েছিল।


অ্যাসোসিয়েশনের একজন সিনিয়র সদস্য এএফপিকে বলেন, ‘এর কিছুদিন পর আমাদের অফিসে আরেকটি চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে ১ কোটি রুপি দিতে বলা হয়। এর পরে আমাদের কাছে আফগান নম্বর থেকে হুমকিমূলক কল আসতে শুরু করে। তারা কলে টাকা দাবি করতো।’


সদস্যদের অভিযোগ, স্থানীয় তালেবান গোষ্ঠীর থেকে চাঁদা দাবি করা হতো বলে স্কুল প্রশাসনকে বলা হয়েছিল। স্থানীয়ভাবে এই জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তা ব্যর্থ।


নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক একজন জেলা সরকারি কর্মকর্তা এএফপিকে বলেছেন, তালেবান দলগুলো ওই এলাকায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করে। 


যারা টাকা দিতে রাজি না হয় তাদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়, তাদের বাড়িঘরে হামলা বা তাদের নিজেদেকেই হত্যা করা হয়। গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীকে অপহরণ ও হত্যা করা হয়েছে।




আরও খবর



কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১১২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক 

কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এবার ঢাকার মধ‍্যে কোরবানি গরুর চামড়ার দাম ধরা হয়েছে প্রতি বর্গফুট ৫৫-৬০ টাকা।

আর ঢাকার বাইরে প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০-৫৫ টাকা।

সোমবার সচিবালয়ে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কাঁচা চামড়ার মূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত এক বৈঠক শেষে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুর উপস্থিতিতে নতুন মূল্য ঘোষণা করেন বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. নাছির উদ্দিন মজুমদার।

গতবারের চেয়ে এবার প্রতি বর্গফুট চামড়ার দাম ৫ টাকা বাড়ানো হলো। সেই সঙ্গে প্রতি পিস চামড়ার সর্বনিম্ন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ঢাকায় প্রতি পিস গরুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ১ হাজার টাকা।

বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জানান, এবারের ঈদে খাসির চামড়ার ক্রয়মূল্য প্রতি বর্গফুট ২০-২৫ টাকা এবং বকরির চামড়ার ক্রয়মূল্য ১৮-২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত বছর ঢাকার মধ‍্যে কোরবানি গরুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করা হয় প্রতি বর্গফুট ৫০-৫৫ টাকা এবং ঢাকার বাইরে প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৪৫-৪৮ টাকা।

আর খাসির চামড়ার ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয় প্রতি বর্গফুট ১৮-২০ টাকা এবং বকরির চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয় প্রতি বর্গফুট ১২-১৪ টাকা।


আরও খবর



ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১৬৮জন দেখেছেন

Image

 নিজস্ব প্রতিবেদক 

প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিদর্শনে যাবেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে আসলেই ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন যাবেন প্রধানমন্ত্রী। এখন তিনি সার্বক্ষণিক রেমালের পরিস্থিতি তদারকি করছেন। ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে জনপ্রতিনিধিসহ দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।সোমবার দলটির সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।ওবায়দুল কাদের বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকবে আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিটি। দলীয় সভাপতির পক্ষ থেকে তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদেরও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।এসময় বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দুর্যোগে মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে সহযোগিতার নামে ফটোসেশন করে বিএনপি। তারা মানবিক কোনো কাজ করে না। বিএনপির সঙ্গে নীতিগত অনেক পার্থক্য রয়েছে আওয়ামী লীগের।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ


আরও খবর



লালপুরে কৃষি জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে পুকুর কাটা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৭৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক 

   নাটোরের লালপুরে কৃষি জমির শ্রেণী পরিবর্তন ও অবৈধ ভাবে পুকুর কাটা বন্ধের  দাবিতে মানববন্ধন , বিক্ষোভ করেছে ভুমিহীনরা।
ভুমিহীন সংগঠনের আয়োজনে সোমবার ( ১০ জুন ) লালপুরের আড়বাব ইউনিয়ন পরিষদের সামনে লালপুর ভূমিহীন আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সদস্য রায়হান কবিরের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন লালপুর ভূমিহীন আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক আমিনউদ্দিন ,প্রচার সম্পাদক তুহিন আলি , বাগাতিপাড়া ভূমিহীন আঞ্চলিক কমিটির ইসমাইল হোসেন, লালপুর ভূমিহীন জেন্ডার সহিংসতা মনিটরিং কমিটির আহ্বায়ক জামেনা বেগম , নিজেরা করি বাগাতিপাড়া অঞ্চল সমন্বয়ক জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ ।
জামেনা বেগম বলেন, মাছে ভাতে বাঙালি , ভাত যদি না থাকে মাছ দিয়ে কি হবে। জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে অবৈধভাবে পুকুর কাটা হচ্ছে। এদিকে যেমন আবাদি জমি নষ্ট হচ্ছে আবার আমরা রাতে ঘুমাতে পারছি না ,গাড়ির শব্দের কারণে ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার অসুবিধা হচ্ছে।রাতের অন্ধকারে পুকুর কাটা বন্ধ করতে প্রশাসন ও সর্বসাধারণের কামনা করেন।

আরও খবর



রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তিনজন রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে।

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৬৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসীদের গুলিতে তিনজন রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে। এসময় আহত হয়েছে আরও তিনজন। তাদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (১০ জুন) ভোরে জেলার উখিয়া উপজেলার চার নম্বর (এক্সটেনশন) রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এফ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, ওই ক্যাম্পের এফ ব্লকের জাফর আহম্মদের ছেলে মো. ইলিয়াছ (৩১), মৃত আব্দুর রকিমের ছেলে মো. ইছহাক (৫৪) ও ক্যাম্প-৩-এর ই ব্লকের মো. ইসমাইলের ছেলে ফিরোজ খান (১৮)।

আহতরা হলেন- ক্যাম্পের এফ ব্লকের হাছানের ছেলে আব্দুল হক (৩২), নজির আহাম্মদের ছেলে আব্দুস শুক্কুর (৫৫) ও মৃত ওমর মিয়ার ছেলে আব্দুল মোনাফ (৬০)।

সূত্র জানিয়েছে, ভোর পৌনে চারটার দিকে রোহিঙ্গা মো. ইলিয়াছকে মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী সংগঠন রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) সদস্যরা গুলি করে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হাতে, পায়ে, তলপেটে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে। পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়ে ঘটনাস্থলে সে মারা যায়।

এরপরে, ভোর সোয়া চারটার দিকে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আরএসও সমর্থক মো. ইছহাক, ফিরোজ খান, আব্দুল হক, আব্দুস শুক্কুর ও আব্দুল মোনাফকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলি করে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে।

ঘটনার সূত্রপাত সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, প্রথমে নিহত রোহিঙ্গা ইলিয়াছ আরসার সোর্স হিসেবে কাজ করতো। আরসা সম্পর্কে তথ্য দিতে রাজি না হওয়ায় আরএসও সদস্যরা প্রথমে তাকে হত্যা করে। পরে ঘটনার খবর পেয়ে আরসা সদস্যরা এসে কয়েকজন আরএসও সমর্থকের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়।

ঘটনার পরে আহত রোহিঙ্গাদের চিকিৎসার জন্য উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. ইছহাক ও ফিরোজ খানকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকিদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শামীম হোসেন জানান, নিহতদের মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মো. ইকবাল বলেন, একজন ঘটনাস্থলে মারা যায়। দুজন আহত অবস্থায় হাসপাতালে মারা যায়। বর্তমানে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।


আরও খবর



গাইবান্ধার ভূমিহীন আরও ৬৩০ পরিবারের মাঝে পাকাঘর হস্তান্তর করা হবে

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৮৫জন দেখেছেন

Image

গাইবান্ধা প্রতিনিধ 

আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় গাইবান্ধার গৃহ-ভূমিহীন আরও ৬৩০ পরিবারের মাঝে পাকাঘর হস্তান্তর করা হবে। ২ শতক জমিসহ এই সেমিপাকা ঘর পাবেন সুবিধাভোগিরা। এর আগেও ৭ হাজার ৭৮৪ পরিবারকে এই প্রকল্পে পূণর্বাসন করা হয়েছে।

শনিবার (৮ জুন) গাইবান্ধা জেলা প্রশাকের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

এসময় গাইবান্ধা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জাহিদ হাসান সিদ্দিকী বলেন, আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের ৫ম পর্যায়ের ২য় ধাপে জেলার চার উপজেলায় ৪০৫ টি ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় জরাজীর্ণ ব্যারাক প্রতিস্থাপন করে একক গৃহ নির্মাণের মাধ্যমে ২২৫টিসহ মোট ৬৩০টি পরিবারকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে জমিসহ পাকা ঘর হস্তান্তর করা হবে। একইদিনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলাকে ‘ক’ শ্রেণির ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত উপজেলা ঘোষণা করবেন।

জাহিদ হাসান সিদ্দিকী আরও বলেন, ইতোমধ্যে গোবিন্দগঞ্জ ও সাদুল্লাপুর, পলাশবাড়ী, গাইবান্ধ সদর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলাকে ‘ক’ শ্রেণির ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তবে প্রাকৃতিক বা অন্য কোন বিশেষ কারণে অন্য কোন ব্যক্তি ভূমিহীন বা গৃহহীন হলে তাদেরকে দ্রুততার সাথে পুনর্বাসনের আওতায় আনা হবে।

সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী গাইবান্ধা জেলার ‘ক’ শ্রেণির ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার সংখ্যা ৮ হাজার ১৮৯টি। এর মধ্যে ১ম পর্যায়ে ৮৪৬টি, ২য় পর্যায়ে ১ হাজার ৪৩০টি, ৩য় পর্যায়ের ২ হাজার ৪১৬টি, ৪র্থ পর্যায়ে ১ হাজার ৮৭২টি ও ৫ম পর্যায়ে (১ম ধাপ) ১৫৪টিসহ সর্বমোট ৬ হাজার ৭১৮টি একক গৃহে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। এছাড়াও অন্য উপায়ে ব্যারাক ও গুচ্ছগ্রামে ১ হাজার ৬৬টি ‘ক’ শ্রেণির পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়।


আরও খবর