Logo
আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

সাগরে নিম্নচাপ, সুমদ্র বন্দরে সতর্ক সংকেত

প্রকাশিত:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ৮৫জন দেখেছেন

Image

বঙ্গোপসাগরে থাকা সুস্পষ্ট লঘুচাপটি শুক্রবার নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আজ গভীর নিম্নচাপ এবং পরে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। 

নিম্নচাপের কারণে সাগর উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর এবং কক্সবাজারকে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, ‘নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে তা বাংলাদেশের দিকে আসার আশঙ্কা কম।

এটি ভারতের দক্ষিণ অন্ধ্র উপকূল দিয়ে অতিক্রম করতে পারে। এরপর তা অনেকটাই দুর্বল হয়ে বৃষ্টি আকারে বাংলাদেশে আসতে পারে। এর ফলে ৬ ডিসেম্বরের পর ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কোনো কোনো জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে।’

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শনিবার শেষরাত থেকে আগামীকাল রবিবার সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। অস্থায়ী ভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলে বাড়তে পারে রাতের তাপমাত্রা। গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে ৩২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ১৪.৭ ডিগ্রি।


আরও খবর

১০ দেশের রাষ্ট্রদূতকে দেশে ফেরার নির্দেশ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিদের শপথ বিকালে

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




কফি খাওয়া ঠিক নয় যাদের

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১১জন দেখেছেন

Image

সকালের নাশতার পর এক কাপ কফি খাওয়ার অভ্যাস অনেকেরই আছে। কেউ কেউ দিনে কয়েক কাপ পর্যন্ত কফি খান। শরীরের ক্লান্তি কাটাতে, তাৎক্ষণিক শক্তি জোগাতে কফির তুলনা নেই। কিন্তু কফির মতো একটি অতি উপকারী পানীয়ও কিন্তু সকলের জন্য ভালো নয়। কারণ এতে থাকা ক্যাফিন সবার সহ্য হয় না। এজন্য কিছু ব্যক্তিকে কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। যেমন-

​আইবিএস থাকলে : ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমের মতো অসুখ থাকলে কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে । কারণ কফিতে থাকা ক্যাফিন এই রোগে ভুক্তভোগীদের অন্ত্রের স্বাস্থ্যের অবস্থা খারাপ করতে পারে। একবার কোলোনের অবস্থা খারাপ হলে গ্যাস, অ্যাসিডিটি, ডায়ারিয়ার মতো জটিল অসুখে ভোগার আশঙ্কা বাড়ে। তাই এই রোগে ভুক্তভোগীরা কফি খাওয়া এড়িয়ে চলুন।

ওভার অ্যাকটিভ ব্লাডার ​: যারা এই রোগে ভোগেন তারা দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখতে পারেন না। তাই এই সমস্যায় ভুক্তভোগীদের কিছু পানীয় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। আর সেই তালিকায় কফিও রয়েছে। কারণ এই পানীয়ে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা কিনা এই রোগে ভুক্তভোগীদের বারবার প্রস্রাবে যেতে বাধ্য করে। তাই ওভার অ্যাকটিভ ব্লাডারের সমস্যা থাকলে কফি না খাওয়াই ভালো।

অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন : অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন সমস্যার আরেক নাম অ্যারিথমিয়া। যারা এ সমস্যায় ভোগেন তারা কফি খাওয়া এড়িয়ে চলুন। কারণ এই পানীয়ে উপস্থিত ক্যাফিন হঠাৎ করে রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। তবে শুধু অ্যারিথমিয়া নয়, যে কোনও ধরনের হৃদরোগ থাকলেই কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। 

অনিদ্রার সমস্যা : যাদের অনিদ্রার সমস্যা আছে তাদেরও কফি খাওয়া ঠিক নয়। এই পানীয়তে উপস্থিত কিছু উপাদান সরাসরি ঘুমের বিঘ্ন ঘটায়। এমনকী অত্যাধিক পরিমাণে কফি খেলে ঘুমের সাইকেলও ব্যাহত হতে পারে। এ কারণে বিশেষজ্ঞরা ইনসোমনিয়ায় ভুক্তভোগীদের কফি খেতে বারণ করেন।

উৎকণ্ঠায় ভুগলে: আমাদের মধ্যে অনেকেই সব বিষয়ে টেনশন করেন। আর এই ধরনের মানুষের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে কফি। তাই উৎকণ্ঠায় ভুক্তভোগীদের কফি এড়িয়ে যাওয়া ভালো। এছাড়া গর্ভাবস্থা এবং স্তন্যদানকারী মায়েদেরও কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। 


আরও খবর

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে যা খাবেন

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪

সঙ্গীকে বলা ঠিক নয় যেসব কথা

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




শেরপুরের গারো পাহাড়ে বন্যহাতির তান্ডবে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন পাহাড়ি গ্রাম বাসীরা

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৭জন দেখেছেন

Image

হারুন অর রশিদ উপজেলা প্রতিনিধি : শেরপুরের গারো পাহাড়ে বন্য হাতির তান্ডবে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন পাহাড়ি গ্রাম বাসীরা। বর্তমানে ও বন্য হাতির তান্ডব অব্যাহত রয়েছে। উপুর্যপুরি বন্য হাতির তান্ডবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে পাহাড়ি গ্রামবাসীরা।

জানা গেছে, সীমান্তেরপ্রায় ৪০ কিলোমিটার এলাকার বনাঞ্চলে অবস্থান করছে বন্য হাতির দল।হাতিকবলিত ৬টি ইউনিয়নের প্রায় ৫০টি পাহাড়ি গ্রাম গুলোতে গারো,হাজং, কোচ,বানাই,হিন্দু মুসলমানসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর প্রায় ৫০ হাজার লোকের বসবাস। ১৯৯৫ সালে এসব পাহাড়ি গ্রাম গুলোতে শুরু হয় বন্যহাতির পদচারণা। হাতির দল দিনে গভীর অরণ্যে আশ্রয় নিচ্ছে। আর সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে খাদ্যের সন্ধানে নেমে আসছে লোকালয়ে।

ঘর-বাড়ী, ক্ষেতের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে চলেছে। ক্ষেতের ফসলরক্ষার্থে পাহাড়ি গ্রাম বাসীরা রাত জেগে পাহাড়া দিচ্ছে। ঢাকঢোল ও পটকা ফুটিয়ে,মশাল জ্বালিয়ে হাতি তাড়ানোর চেষ্টা চলছে। কিন্ত যতই হাতি তাড়ানোর চেষ্টা চলছে ততই হাতির দল তেড়ে আসছে লোকালয়ে। হাতির কবল থেকে রক্ষা পেতে ঘর-বাড়ী ফেলে রেখে অনেকেই চলে আসছেন লোকালয়ে। হাতি চলেযাবার পর বাড়ি ফিরছেন তারা। এতে যেনপাল্লা দিয়েই বাড়ছে মানুষ-হাতির দ্বন্দ্ব। নির্ঘুম রাত কাটছে পাহাড়ি গ্রাম বাসীদের।

হাতিকবলিত এলাকা গুলোতে নেই ন্যাচারাল বন। একসময় ২০ হাজার একর বনের জমিতে শালগজারী বনছিল। ৯০ দশকের পর থেকে এসব বন পরিস্কার করে সৃজন করা হয় সামাজিক বন। শত শত একর জমিতে চাষাবাদ হচ্ছে। গড়ে উঠেছে জনবসতি। এতেগড়ে উঠছে নাহাতির খাদ্য। বনের জমি বেদখল হওয়ায় সংকুচিত হয়ে পরেছে হাতির আবাস্থল। জানা গেছে, বন বিভাগের পক্ষ থেকে গারো পাহাড়ে হাতির ২টি খাদ্য ভান্ডার গড়ে তুলার জন্য সরকারি অর্থ বরাদ্দ হয়। কিন্তু ওই খাদ্য ভান্ডার আর আলোর মুখ দেখেনি।

নাওকুচি গ্রামের ইউপি সদস্য গোলাপ হোসেন সহ গ্রাম বাসীরা জানান,বন্যহাতির তান্ডবে পাহাড়ি এলাকার জমি গুলো চাষাবাদ করা সম্ভব হয় না। অনেকেই জীবিকার তাগিদে হাতির আক্রমনের ভয় উপেক্ষা করে চাষা বাদ করছেন।এছাড়া পাহাড়ি গ্রাম গুলোতে নাই কোন কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা। ফলে অতি কষ্টে দিনাতিপাত করছেন তারা। গজনী গ্রামের অবিওসাংমা বলেন, পেটে খাবার না থাকলে ও প্রতিরাতেই হাতি তাড়াতে মশাল ব্যবহারের জন্য কমপক্ষে ২ লিটার কেরোসিন তেল ঘরে রাখতে হয়। অনেকের পক্ষে তা সম্ভব হয়না। হাতির আক্রমন শুরুর দিকে প্রশাসন বাজন প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে পাহাড়ি গ্রাম বাসীদের মশাল ব্যবহারের জন্য কেরোসিন তেল বিতরন করা হতো। কিন্তু এখন আর তা করা হয় না।

হাতির কবল থেকে পাহাড়ি গ্রাম বাসীদের রক্ষার্থে বন মন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকে সোলার ফেন্সিং স্থাপন করা হয়। কিন্তু ঠিকাদার নিম্নমানের কাজ করা কোনই কাজে আসছেনা। অকেজো হয়ে পড়ে আছে সোলার ফেন্সিং। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ১৯৯৫ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত হাতির আক্রমণে ৬০ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আহত শতাধিক। আর হাতির মৃত্যু হয়েছে ৩৩টি। ৩টি হাতি হত্যার বিষয়ে মামলা হয়েছে। এসব হাতির বেশির ভাগই মৃত্যু হয়েছে বৈদ্যুতিক ফাঁদে, নয়তো ধারালো অস্ত্রের আঘাতে।

হাতির সাথে যুদ্ধ করে বিপর্যস্থ গ্রাম বাসীদের খাদ্য সহায়তা ও হাতি তাড়াতে কেরোসিন তেল বিতরন ব্যবস্থা চালু রাখার দাবি উঠেছে জন প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে। শ্রীবরদী উপজেলার বালিজুরি রেঞ্জ কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, হাতি কবলিত এলাকায় বসবাস কারিদের সরিয়ে নেয়া ও খাদ্য ভান্ডার গড়ে তোলা হলে মানুষ- হাতি দ্বন্দ্ব কমিয়ে আনা যাবে। ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আ.ন.ম আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, হাতির আক্রমনে নিহতদের পারিবার ও ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের ক্ষতিপূরণ বাবদ ২০২৪ সালপর্যন্ত ১ কোটি টাকা বিতরন করা হয়েছে।

শেরপুরের জেলাপ্রশাসক আব্দুল্লাহ আল খায়রুম বলেন, সীমান্তের গারো পাহাড়ে হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে জনগনকে সচেতনতার লক্ষে বনবিভাগের পক্ষ থেকে রেসপন্স টিম কাজ করছে। এছাড়া সীমান্ত এলাকায় সোলারফ্যানসিং স্থাপনএবং অভয়ারণ্য গড়ে তোলাসহ টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পাহাড়ে হাতিসহ প্রাণ বৈচিত্র্য রক্ষায় চেষ্টা ও করা হচ্ছে।


আরও খবর



টি-টোয়েন্টি থেকে কবে অবসর নেবেন, জানালেন ওয়ার্নার

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯১জন দেখেছেন

Image

ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর একদিনের ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। এরপর ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে গত জানুয়ারিতে টেস্ট সিরিজ দিয়ে এই সংস্করণে ক্যারিয়ারের ইতি টানেন তিনি।

এবার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটকেও বিদায় জানালেন এই ব্যাটার। আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাবেন তিনি।

পার্থে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে গতকাল সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ৩৭ রানে হেরেছে অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ওয়ার্নারের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর তিনি অবসর নেবেন কি না? এর উত্তরে অস্ট্রেলিয়ার ৩৭ বছর বয়সী বাঁহাতি এই ওপেনার বলেন, ‘হ্যাঁ, আমার ওখানেই শেষ।’ এখন তরুণদের মেলে ধরার সময়। অস্ট্রেলিয়ার প্রচুর প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছে বলেও জানান তিনি।

আরেকটু নিশ্চিত হতে তাকে প্রশ্ন করা হয়, তাহলে আমরা কি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে শেষবারের মতো ডেভিড ওয়ার্নারকে দেখে ফেললাম?’ ওয়ার্নারের উত্তর, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই।’


আরও খবর

এক ম্যাচ নিষিদ্ধ রোনালদো

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

রিয়ালকে নতুন কী ‘শর্ত’ দিলেন এমবাপ্পে?

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




আর্থিক অন্তর্ভূক্তি ও রেমিট্যান্স সেবায় গুরুত্বারোপ

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬৬জন দেখেছেন

Image

 ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির চট্টগ্রাম দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম উত্তর জোনের এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন-২০২৪ এবং মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) হোটেল সৈকত, চট্টগ্রাম-এ অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর জে. কিউ. এম. হাবিবুল্লাহ, এফসিএস ও ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মিফতাহ উদ্দীন। 


সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ডেভেলপমেন্ট উইং প্রধান মোঃ মাকসুদুর রহমান অনুষ্ঠানে  সভাপতিত্ব করেন। স্বাগত বক্তব্য দেন এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও এজেন্ট ব্যাংকিং ডিভিশন প্রধান এ কে এম মাহবুব মোরশেদ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মিয়া মোহা: বরকত উল্লাহ ও মুহাম্মদ নুরুল হোসাইন কাওসার। প্রধান কার্যালয়ের নির্বাহী ও কর্মকর্তাগণ, জোনের অধীন শাখাপ্রধান ও এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের স্বত্বাধিকারীগণ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।


ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন সারাদেশে বর্তমানে ইসলামী ব্যাংকের ২৭৭১ টি এজেন্ট আউটলে রয়েছে যার বর্তমান আমানতের পরিমাণ ১৪ হাজার ৩০৫ কোটি টাকা। ২০২৩ সালে এজেন্ট আউটলেটগুলো নতুন করে ৩২৫৫ কোটি টাকা আমানত সংগ্রহ করেছে। 


তিনি আরো বলেন,ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকা প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগোষ্ঠীকে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে গতিশীলতা আনয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র বিমোচন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের ক্ষেত্রে এজেন্ট ব্যাংকিং কাজ করে যাচ্ছে। প্রবাসীদের উন্নততর সেবা দানের মাধ্যমে এজেন্ট আউটলেটগুলো ব্যাংকিং চ্যানেলে বৈদেশিক রেমিট্যান্স আহরণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। ২০২৩ সালে দেশের এজেন্ট আউটলেটের মাধ্যমে আহরিত রেমিট্যান্সের মধ্যে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট আউটলেট ৫২% অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছে।


আরও খবর

চাঁদাবাজি বন্ধ না করলে নিত্যপণ্যের দাম কমবে না

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বাড়ল গ্যাসের দাম, ও বিদ্যুতের দাম

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রহনপুর রাবেয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় 

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৪৭জন দেখেছেন

Image
চাঁপাই নবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর  রহনপুর  রাবেয়া বালিকা  উচ্চ বিদ্যালয়ের এস এস সি পরিক্ষার্থীদের বিদায় ও ৬ ষষ্ঠ শ্রেনির ছাত্রীদের নবীনবরনও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
 
শনিবার সকাল দশ টায় স্কুলে প্রাঙ্গণে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন রহনপুর  রাবেয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাওসার আলি। প্রধান অতিথি ছিলেন  চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২ আসনের সংসদ সদস্য ও বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মুঃ  জিয়াউর রহমান।  তার অনুপস্থিতিতে উপস্থিত ছিলেন রহনপুর পৌর মেয়র মতিউর রহমান খান।
 
বক্তব্য রাখেন  অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শৈশব আলি,  ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সেরাজুল ইসলাম টাইগার , রহনপুর  শিল্প বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি  আফতাব হোসেন লালন, গোমস্তাপুর সোলেমান মিয়া  ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাকিব,  প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা হাবিবুর রহমান,  বিদায়ী  শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন  ছাত্রী নাফিসা নুর, ইসরাক জাহান প্রমি ও ইয়াসমিন হোসেন প্রমুখ আলোচনা শেষে  মনোজ্ঞ  সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  এছাড়া রহনপুরে
 
 ভিশন স্কুলের বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শনিবার রহনপুর পুরাতন  বাজারস্থ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক তরিকুল ইসলাম বকুলের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রহনপুর পৌরসভার মেয়র মতিউর রহমান খাঁন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল ফেরদৌস।
 
অন্য অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য দেন রহনপুর শিল্প ও বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি আফতাব উদ্দিন লালান, ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ গোলাম নবী মাসুম, নারী কাউন্সিলর জাহানারা পারভীনসহ অন্যরা। আলোচনা শেষে বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতার বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আরও খবর