Logo
আজঃ সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

সন্দ্বীপে মাদক বিরোধী পথসভা ও লিফলেট বিতরন।

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ২৩৩জন দেখেছেন

Image

সন্দ্বীপ প্রতিনিধি 

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে ২৪ জুন (সোমবার) মাদকের ভয়াবহতা নিয়ে পথসভা ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।  স্বাধীন বাংলা  মাদক বিরোধী কল্যাণ সোসাইটি ও সন্দ্বীপ অধিকার আন্দোলন   যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

 উপজেলা পরিষদের ভিতরে পথসভা শেষে কমপ্লেক্স এলাকায় ব্যবসায়ী ও সর্বস্তরের  জনগণের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়।  লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি উদ্ভোধন করেন সন্দ্বীপ উপজেলার সহকারী ভূমি কমিশনার তাসফিক সিপাত উল্যা

পথসভায় বক্তব্য রাখেন সন্দ্বীপ অধিকার আন্দোলন এর সভাপতি  মোঃ হাসানুজ্জামান সন্দ্বীপি, স্বাধীন বাংলা মাদক বিরোধী কল্যাণ সোসাইটির সন্দ্বীপ কমিটির  সভাপতি মোঃ রুবেল, সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ সাকিল খান প্রমুখ।

এ সময় সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে উপস্তিত ছিলেন মোঃ জাফর ইসলাম, এমদাদ হোসেন, জয়দেব কাহার,মেহেদী হাসান,আরমান হোসেন তাইমুল হোসেন, আব্দুর রহমান, সাব্বির মাহমুদ, মোঃ রাফি, আব্দুল করিম সহ  স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ , 

বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ সন্দ্বীপ উপজেলাকে মাদকমুক্ত করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করে বলেন ,সন্দ্বীপের প্রতিটি  ইউনিয়ন পাড়া মহল্লাও স্কুল -কলেজে  মাদক বিরোধী জন সচেতনতামূলক লিফলেট ও অন্যান্য কর্মসূচি চলমান থাকবে


আরও খবর



ডিসি বদল হচ্ছে ১৫ জেলায়,চলতি মাসেই প্রজ্ঞাপন : জনপ্রশাসনমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ৩৬জন দেখেছেন

Image



 নিউজ ডেস্ক:



মাঠ প্রশাসনের জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। চলতি মাসেই যে কোনো সময় নতুন ডিসি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। 



কমপক্ষে ১৫ জেলায় ডিসি পরিবর্তন হবে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। ডিসি পরিবর্তনের পরপরই শুরু হবে বিসিএস ২৮ ব্যাচের ডিসি হওয়ার ফিট লিস্টের কার্যক্রম।



এ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ। জানা গেছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নিয়মিত বদলির কার্যক্রম হিসেবেই নতুন ডিসি নিয়োগ করতে যাচ্ছে সরকার।



 ইতোমধ্যে গত মাসে পুলিশের উচ্চ পর্যায়ে বড় রদবদল করা হয়েছে। যদিও কয়েক মাস ধরেই ডিসি পদে রদবদলের আলোচনা চলছিল।


তবে উপজেলা নির্বাচন আর জুনের বার্ষিক হিসাব সমাপ্তির জন্য বিষয়টি আটকে ছিল।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মাঠ প্রশাসনের ডিসি পদে বর্তমানে তিনটি ব্যাচের কর্মকর্তারা কাজ করছেন। 



৬৪ জেলার মধ্যে ২৪ ব্যাচের ২৩ জন, ২৫ ব্যাচের ১৯ জন এবং ২৭ ব্যাচের ২২ জন কর্মকর্তা রয়েছেন। সাধারণত ডিসি পদে দুই বছর মাঠে রাখা হয়।


তবে কারও কাজ সন্তোষজনক না হলে নির্ধারিত সময়ের আগেও পরিবর্তন করা হয়। ইতোমধ্যে ২৪ ব্যাচের বেশির ভাগ কর্মকর্তাকে মাঠ প্রশাসন থেকে সরিয়ে অন্যত্র দায়িত্ব দেওয়ার সময় হয়েছে। তবে একাধিক সূত্র জানিয়েছেন, ২৪ ব্যাচের সবাইকে বদলি করা হবে না। 



২৫ ব্যাচেরও কয়েকজন ডিসিকে বদলি করা হতে পারে বলে জানা গেছে। ডিসি নিয়োগের ক্ষেত্রে খুবই গোপনীয়তা রক্ষা করে সার্বিক কার্যক্রম এগিয়ে রেখেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।



নতুন ডিসি হিসেবে কাদের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে সে তালিকা অনেকটাই প্রস্তুত করেছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একাধিক সূত্র জানান, নতুন তালিকায় ২৭ ব্যাচের কর্মকর্তাদের নাম বেশি রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, সরকার মাঠ প্রশাসনে সৎ, দক্ষ কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে চায়। 



পাশপাশি অনেক কর্মকর্তা নানা কারণে বঞ্চিত হয়েছেন কিংবা জাতীয় নির্বাচনের আগে ইসির নির্দেশনায় মাঠ থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এমন কর্মকর্তাদের নামও নতুন তালিকায় রয়েছে।



 ডিসি পরিবর্তন বিষয়ে জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘মাঠে দুই বছর হয়ে গেলে ডিসি পদে আমরা পরিবর্তন করি। সিনিয়রদের পর্যায়ক্রমে বদলি করা হয়। একই সঙ্গে যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে না পারলে, কোনো বড় অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়া হয়। 



’ তিনি বলেন, এখন ডিসি হিসেবে যারা আছেন তাদের মধ্যে ২৪ ব্যাচের প্রমোশন হবে। চলতি মাসেই কয়েকটি জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।


একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বাংলাদেশ প্রতিদিনকে নিশ্চিত করেছেন, ডিসি পরিবর্তন আসছে ১৫ জেলায়। এখন পর্যন্ত সেভাবেই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। শেষ মুহূর্তে প্রয়োজনে আরও এক বা দুটি জেলা বাড়তেও পারে। 



ডিসি রদবদলের পর ২৮ ব্যাচের ডিসি হওয়ার ফিট লিস্টের কার্যক্রম শুরু করবে মন্ত্রণালয়। সূত্রগুলো জানান, ডিসি নিয়োগের ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় খুবই গোপনীয়তা রক্ষা করে। 



প্রজ্ঞাপন জারির আগ পর্যন্ত এ-সংক্রান্ত নিয়োগ তালিকা সময়ে সময়ে বদলেও যায়। আবার প্রজ্ঞাপন জারির পরও বাদ পড়েন কোনো কোনো কর্মকর্তা।


মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একাধিক সূত্র জানান, নতুন নিয়োগের পাশাপাশি ২৫ ও ২৭ ব্যাচের দায়িত্ব পালন করা ডিসিদের কিছু জেলাও পরিবর্তন আসতে পারে। অনেক কর্মকর্তাকে পরিবর্তন করে গুরুত্বপূর্ণ বা বড় জেলায় দায়িত্ব দিতে পারে সরকার। 



যেসব কর্মকর্তা ইতোমধ্যে দক্ষতা দেখিয়েছেন তাদের আরও উৎসাহিত করতে চায় সরকার। কয়েক দিন ধরেই কর্মকর্তাদের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনা রয়েছে। বিশেষ করে ২৭ ও ২৮ ব্যাচের কর্মকর্তারা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে খোঁজখবর রাখার চেষ্টা করছেন।



 ২৭ ব্যাচের কর্মকর্তারা আশায় আছেন কে হচ্ছেন ডিসি আর ২৮ ব্যাচ আশায় আছেন ফিট লিস্টের।



আরও খবর



ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেন

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | জন দেখেছেন

Image



চ্যানেল 23 রিপোর্ট:


অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়ে ফাইনালে ওঠেছিল স্পেন। শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে সেই ধারা অব্যাহত রেখে শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে স্প্যানিশরা।


 ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ১২ ইউরোপ সেরার মুকুট নিজেদের করে নিলো স্পেন।



রোববার (১৪ জুলাই) অলিম্পিয়াস্টাডিয়ন বার্লিন স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় মাঠে নামে দু'দল। ম্যাচের ১২ মিনিটে বাম দিক থেকে আক্রমণে ওঠে স্পেন। ডি বক্সের ভেতর থেকে উইলিয়ামসের নেওয়া শট রুখে দেন ইংলিশ ডিফেন্ডার।


এরপরও আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকপ স্পেন। অন্যদিকে নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে আক্রমণে যায় ইংল্যান্ড। তবে তাদের আক্রমণ আটকে যায় অ্যাটাকিং থার্ডে। শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য সমতায় থেকে বিরতিতে যায় দু'দল।


বিরতি থেকে ফিরেই গোলের দেখা স্পেন। ম্যাচের ৪৭ মিনিটে ডেড লক ভাঙ্গেন উইলিয়ামস। তার গোলে ম্যাচে লিড নেয় স্প্যানিশরা। পিছিয়ে পড়ে গোল শোধে মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে ইংল্যান্ড। একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে তারা।



ম্যাচের ৭৩ মিনিটে সমতায় ফেরে ইংল্যান্ড। ডি বক্সের বাইরে থেকে জোড়ালো শটে বল জালে জড়ান বদলি নামা পালমার। তার গোলে ম্যাচে ফিরে ইংল্যান্ড। 


এরপর ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকে যাচ্ছিলো তখন আবারও গোলেট দেখা পায় স্পেন। চমৎকার ফিনিশিংয়ে বল জালে জড়ান মাইকেল ওয়ারজাবাল। তার গোলে ফের লিড পায় স্পেন। 


এরপর আক্রমণ করেও গোল করতে ব্যর্থ হয় ইংল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয়ে শিরোপা উৎসবে মাতে স্পেন।


আরও খবর



মধ্যরাতে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ছিল স্লোগানে উত্তাল, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | জন দেখেছেন

Image

সদরুল আইনঃ

চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। 



রবিবার দিবাগত রাত পৌনে ১১টার দিকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে সাড়া দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হল ছেড়ে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন। হল ছেড়ে বেরিয়ে ছাত্রীরাও 'আমি কে তুমি কে? রাজাকার, রাজাকার', 'চাইলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার' স্লোগানে দিতে থাকেন। 



কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের প্ল্যাটফর্ম 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন'-এর ডাকে একে একে দেশের অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও এমন বিক্ষোভ শুরু হয় বলে জানা গেছে।


বিক্ষোভে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী বলেছেন, অন্যায্য কোটাব্যবস্থার বিরুদ্ধে কথা বলায় তাদের অপমান ও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অপমান করার অধিকার কারও নেই। তারা এই অবমাননার প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় নেমেছেন।



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

এর আগে রবিবার সন্ধ্যায় গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রসঙ্গে বলেন,  'মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিরা না পেলে, তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে? আমার প্রশ্ন দেশবাসীর কাছে। রাজাকারের নাতি-পুতিরা চাকরি পাবে, মুক্তিযোদ্ধারা পাবে না? নিজের জীবন বাজি রেখে বিজয় এনে দিয়েছিল বলে সবাই উচ্চপদে আসীন। না হলে পাকিস্তানিদের বুটের লাথি খেয়ে চলতে হতো।'



প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যে কোটাব্যবস্থা সংস্কার চেয়ে যারা আন্দোলন করছেন তাদের অবমাননা করা হয়েছে দাবি করে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছেন। মধ্যরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিক্ষোভ চলাকালেই অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ও উত্তাল হয়ে ওঠে।



জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

ইত্তেফাকের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা মাহমুদুর রহমান নাজিদ জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রতিবাদে রবিবার রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। 



মিছিলটি পরে শাখারিবাজার হয়ে তাতিবাজারে যায়। ছাত্রী হলে তালা দিয়ে মেয়েদের আন্দোলনে যেতে নিরুৎসাহিত করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে ছাত্রীরাও গেটের তালা ভেঙে বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণ করেন।


রোকসানা তৃষ্ণা নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, কোটা সংস্কারের আন্দোলনকারীদের নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানাই। দেশের অভিভাবকের কাছে এমন বক্তব্য কখনোই আশা করা যায় না।


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ঃ


 ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া 'তুমি কে, আমি কে— রাজাকার, রাজাকার' স্লোগানে উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজেদের হলে এমন স্লোগান দেয়ার পরিকল্পনা করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা৷ এর প্রেক্ষিতে ৪৯তম ব্যাচের ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের মো. সাঈফ খান মেসেজ দেন। পরে হলের ১২৪ নম্বর কক্ষ থেকে স্লোগান পুরো হলে ছড়িয়ে পড়ে৷ 



এ সময় শিক্ষার্থীরা সমস্বরে স্লোগান দিতে শুরু করলে পলিটিকাল ব্লক থেকে ৪৮তম ব্যাচের সিনিয়ররা এসে তাদের সবাইকে ডেকে হলের ডাইনিংয়ে নিয়ে যান। 


এরপর শিক্ষার্থীদের কাছে 'রাজাকার' স্লোগান দেওয়ার কারণ জিজ্ঞেস করা হয়। এ সময় 'শিবির সন্দেহে' শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন তল্লাশি করা হয়৷ এরই মধ্যে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক নাজমুল হাসান তালুকদারকে ডেকে নিয়ে আসেন ছাত্রলীগ নেতারা৷



 পরে হল প্রাধ্যক্ষের উপস্থিতিতে ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ক্ষমা চাইতে বলা হয়। ক্ষমা চাইলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে পুরো ক্যাম্পাস আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।


পরে রাত ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন' ব্যানারে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি সড়ক ঘুরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা।



শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ঃ


 রাত সোয়া ১২টার দিকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন হল থেকে বের হয়ে আসেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা স্লোগান দিতে থাকেন। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বলেন, একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী কখনো সে দেশের ছাত্রজনতাকে রাজাকারের বাচ্চা বলতে পারেন না। তার এমন উক্তির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা এতো রাতেও রাস্তায় নেমেছেন।


অন্যদিকে ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকেন্ড গেটে জড়ো হতে থাকেন এবং 'বঙ্গবন্ধুর বাংলায় রাজাকারের ঠাই নাই', 'একটা একটা রাজাকার ধর, ধরে ধরে জবাই কর', ধরি ধরি ধরি না, ধরলে মোরা ছাড়ি না' স্লোগান দিতে থাকেন। এসময় তারা লুৎফর হলের ভেতরে ঢুকে স্লোগান দিলে হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা 'ভুয়া', 'ভুয়া' বলতে থাকেন।


শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে ছাত্র পরামর্শক  অধ্যাপক ড. ফরহাদ হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে এধরনের বিশৃঙ্খলা হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ঃ



এদিকে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা মোস্তাফিজুর রহমান রাকিব জানান, মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড়ে সমবেত হয়ে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যুরালের পাদদেশে এসে মিলিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল এবং পাশ্ববর্তী মেস থেকে শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।


এসময় শিক্ষার্থীরা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন আমাদের অধিকারের জন্য লড়াই করেছেন তখন পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী তাকে ভারতের দালাল আখ্যা দিয়েছে। কিন্তু তিনি সেদিকে কর্ণপাত না করে অধিকার আদায়ের সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। আমরা আজ শান্তিপূর্ণ ভাবে স্মারকলিপি জমা দিয়েছি। 



কিন্তু এই পরিস্থিতিতে সরকার প্রধানের বক্তব্য আমাদের হতাশ করেছে। আমাদের দাবিগুলো আমলে নিয়ে পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করছি।



গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ঃ


, রবিবার রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা দিবস হল থেকে আবাসিক শিক্ষার্থীরা প্রথমে বিক্ষোভ করেন। পরে সাড়ে ১১টার দিকে লিপুস ক্যান্টিন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হল ঘুরে, বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণ করে মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। পরে প্রধান ফটকের সামনে জড় হয়ে একই স্লোগান দিতে থাকেন তারা। যা সোয়া ১২টা পর্যন্ত চলে।



কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ঃ



রাত ১১টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, কাজী নজরুল ইসলাম হল,শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল এবং শেখ হাসিনা হলের  আবাসিক শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় স্লোগান দিতে দেখা যায়। পরে সাড়ে ১১টার দিকে  বঙ্গবন্ধু ও নজরুল হল থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে জড়ো হোন।


মিছিলে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য প্রদানকালে মুক্তিযোদ্ধা বাদে সবাইকে রাজাকারের সন্তান ও নাতি বলেছেন। যেটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।


গত ১ জুলাই থেকে টানা আন্দোলনে আছেন কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবি জানানো শিক্ষার্থীরা। ২০১৮ সালের কোটা বাতিলের পরিপত্র পুনর্বহালসহ চার দফা দাবিকে সামনে রেখে আন্দোলন শুরু হয়েছিল। কিন্তু গত ৭ জুলাই থেকে তারা এক দফা দাবির কথা বলছেন। 



দাবিটি হচ্ছে সরকারি চাকরিতে সব গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে সংবিধানে উল্লিখিত অনগ্রসর গোষ্ঠীর জন্য কোটাকে ন্যূনতম মাত্রায় এনে সংসদে আইন পাস করা। সব গ্রেডে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ কোটা রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন তাঁরা। 



আজ বঙ্গভবন অভিমুখে গণপদযাত্রা করে আন্দোলনকারীদের মধ্য থেকে ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে।


আরও খবর



গুলির পর কেমন আছেন ট্রাম্প, জানাল সিক্রেট সার্ভিস

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ২৮জন দেখেছেন

Image


 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:


যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমাবেশে গুলির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় হামলাকারীসহ দুইজন নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যে এই ঘটনা ঘটে।  


যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার (সিক্রেট সার্ভিস) যোগাযোগ বিভাগের প্রধান অ্যান্থনি গুগলিয়েলমি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ট্রাম্প নিরাপদে আছেন।


তিনি বলেন, ‘শনিবার সন্ধ্যায় পেনসিলভানিয়ায় ট্রাম্পের সমাবেশে এ ঘটনা ঘটে। সিক্রেট সার্ভিস প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করেছে এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট নিরাপদে আছেন। তদন্ত শুরু হয়েছে। আরও তথ্য পাওয়া গেলে প্রকাশ করা হবে।



প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে ঘটনা অবহিত করা হয়েছে। তিনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ট্রাম্প নিরাপদ আছেন এবং ভালো আছেন জেনে আমি কৃতজ্ঞ। 


আমি তার জন্য, তার পরিবারসহ সমাবেশে উপস্থিত সকলের জন্য প্রার্থনা করছি। আমরা আরও তথ্যের জন্য অপেক্ষা করছি।


আরও খবর



ভিকারুননিসার ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের আদেশ আপিল বিভাগে বহাল

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ২৯জন দেখেছেন

Image



সদরুল আইনঃ


রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের স্কুল শাখায় বয়সসীমা লঙ্ঘিত হওয়ায় প্রথম শ্রেণিতে ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিল খারিজ করেছেন আপিল বিভাগ।



 রোববার (১৪ জুলাই) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।



জানা গেছে, ভিকারুননিসায় ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা (নিজেদের নির্ধারিত) অনুসরণ না করে ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণিতে বিধিবহির্ভূতভাবে ভর্তি হওয়া ২০১৫ সালে জন্মগ্রহণকারী ১০ জন এবং ২০১৬ সালে জন্মগ্রহণকারী ১৫৯ জনসহ মোট ১৬৯ জন শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল চেয়ে আবেদন করেন একজন অভিভাবক।



 স্কুল কর্তৃপক্ষ সাড়া না দেয়ায় তিনি হাইকোর্টে রিট করেন। গত ২৩ জানুয়ারি হাইকোর্ট ১০ দিনের মধ্যে বিষয়টি নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।



এরপর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ভিকারুননিসা স্কুল কর্তৃপক্ষকে এই ১৬৯ জনের ভর্তি বাতিল করতে স্কুল কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। 


এরই পরিপ্রেক্ষিতে ওই ছাত্রীদের ভর্তি বাতিল করে কর্তৃপক্ষ।


আরও খবর