Logo
আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

সর্বোত্তম সদকা সম্পর্কে মহানবী (সা.) যা বলেছেন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ৮৮জন দেখেছেন

Image

ইসলাসিক ডেস্ক : সৃষ্টিগতভাবে মানুষ ধনী-গরিব দুটি শ্রেণিতে বিভক্ত। ধনীদের ব্যাপারে আল্লাহ বলেছেন, ‘তাদের ধন-সম্পদে প্রার্থী ও বঞ্চিতদের হক রয়েছে।’ (সুরা : জারিআত, আয়াত : ১৯)

সুতরাং ব্যক্তি যত সম্পদশালীই হোক না, সম্পদ তার একার নয়; তার সম্পদে অসহায় মানুষেরও অংশ আছে।

সদকা কাকে বলে?

আরবি সদকাহ শব্দের অর্থ দান-খয়রাত ও জাকাত।

আর পরিভাষায় সদকা বলা হয় ‘প্রয়োজনের অতিরিক্ত যে সম্পদ আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে অসহায় ও দীন-দুঃখীদের জন্য ব্যয় করা হয় তাকে সদকা ও খয়রাত বলে। (সংক্ষিপ্ত মাআরেফুল কোরআন, পৃষ্ঠা ১৪২)

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তুমি (আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে) যা কিছু ব্যয় করো তা-ই সদকা। এমনকি তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে যে নলাটি তুলে দাও সেটাও। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৩৫৪)

কোরআন-হাদিসে সদকা

কোরআনের বহু স্থানে আল্লাহ তাআলা সদকার নির্দেশ দিয়েছেন।

যেমন আল্লাহ বলেন, ‘হে মুমিনরা! আমি তোমাদের যে রিজিক দিয়েছি তা থেকে ব্যয় করো। সেদিনের পূর্বে, যে দিন থাকবে না ক্রয়-বিক্রয়, বন্ধুবান্ধব এবং কোনো সুপারিশ। (সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ২৫৪)

রাসুল (সা.) বলেন, তোমরা জাহান্নাম থেকে বাঁচো। একটি খেজুর সদকা করে হলেও। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৪১৭)

উত্তম সদকা কোনটি

রাসুল (সা.)-কে সাহাবিরা জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! আমরা কী সদকা করব? জবাবে আল্লাহ আয়াত নাজিল করলেন, ‘হে নবী! বলে দিন, যা (তোমাদের প্রয়োজনের) অতিরিক্ত থাকে।’ (সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ২১৯)

হাকিম ইবনে হিজাম (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.) বলেছেন, সর্বোত্তম সদকা হলো, যা নিজের সচ্ছলতা বজায় রেখে করা হয়। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১০৩৪)

তবে দান করার সময় অবশ্যই উত্তম বস্তু গুলোকে প্রাধান্য দিতে হবে। কেননা আল্লাহ বলেছেন, ‘হে মুমিনরা! তোমরা স্বীয় উপার্জন থেকে এবং আমি তোমাদের জন্য ভূমি থেকে উৎপন্ন করি, তা থেকে উৎকৃষ্ট বস্তু ব্যয় করো। নিকৃষ্ট বস্তু ব্যয়ের ইচ্ছা কোরো না।

কেননা তোমরা তা কখনোই গ্রহণ করবে না। তবে যদি তোমরা চোখ বন্ধ করে নাও; তাহলে জেনে রেখো–আল্লাহ অভাবমুক্ত, প্রশংসিত।’ (সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ২৬৭)

এ আয়াত থেকে বোঝা যায়, সদকা করতে হবে উৎকৃষ্ট ও সেরা বস্তু। নিকৃষ্ট বস্তু সদকা করা যথাবিধি নয়।

উত্তম দানে সাহাবিদের প্রতিযোগিতা

পবিত্র কোরআনে উত্তম বস্তু দান করার নির্দেশ দিলে সাহাবিদের মধ্যে নিজের সর্বোত্তম সম্পদ দানের প্রতিযোগিতা তৈরি হয়। আনাস বিন মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, সে সময়ে মদিনার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ছিলেন আবু তালহা (রা.)। মসজিদ-ই-নববীর কাছে তাঁর একটি বাগান ছিল। নাম ‘বারিহা’। স্বীয় বিষয়-সম্পত্তির মধ্যে এ বাগানটি ছিল তাঁর সবচেয়ে প্রিয়। রাসুল (সা.) প্রায়ই যেতেন সে বাগানে। বাগানে অবস্থিত কূপ থেকে মিষ্টি পানি পান করতেন। কোরআনে উত্তম বস্তু দানের নির্দেশ দিলে তিনি নবীজি (সা.)-এর দরবারে এসে বললেন, আল্লাহর রাসুল! আমি আমার সবচেয়ে প্রিয় সম্পদ বাহিরা আল্লাহর পথে সদকা করে দিলাম। নবীজি তাঁকে বাহ! বাহ! দিলেন। এবং বললেন, তোমার এই বাগান তুমি তোমার স্বজনদের মধ্যে বণ্টন করে দাও। রাসুলের নির্দেশানুযায়ী তিনি সে বাগান আত্মীয়-স্বজন ও তাঁর চাচাতো ভাইদের মধ্যে বণ্টন করে দিলেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৪৬১)

মাআরেফুল কোরআনে আরেকটি ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লিখিত নির্দেশ আসার পর জায়েদ বিন হারেসা (রা.) দেখলেন, বাহনের ঘোড়া তাঁর সবচেয়ে প্রিয় সম্পদ। তিনি তা নিয়েই উপস্থিত হলেন নবীজির দরবারে। নবীজি খুশি মনে তা গ্রহণ করলেন এবং ঘোড়াটি জায়েদ (রা.)-এর ছেলে উসামাকে দিয়ে দিলেন। নিজের সম্পদ নিজের ঘরে ফিরে যেতে দেখে তিনি মনঃক্ষুণ্ণ।

নবীজি (সা.) তাঁকে কাছে ডেকে সান্ত্বনা দিয়ে বললেন, মনঃক্ষুণ্ণ হয়ো না জায়েদ! তোমার সদকা কবুল হয়েছে। (সংক্ষিপ্ত মাআরেফুল কোরআন, পৃষ্ঠা ১৮৬)


আরও খবর

যে আমলে আল্লাহর সাহায্য আসে

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পুণ্যময় জীবন গঠন

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল : উভয় সংকটে নুসরাত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ৩১জন দেখেছেন

Image

প্রায়ই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন নুসরাত জাহান। টলিউডের অভিনেত্রী। তার মাও অভিনেত্রী ছিলেন। একইসঙ্গে বিতর্কিত ও দর্শকপ্রিয়। অনেকটা কঙ্গোনা রানাউতের মতো। যারা নানা সময় প্রচারে থাকতে বিতর্ককেই উসকে দেন। এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয় নেটদুনিয়ায়।

সম্প্রতি একটি ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে বসিরহাটের এই সংসদ সদস্য নুসরাতকে তুলোধোনা করেছেন নেটিজেনরা। কী এমন করেছেন নুসরাত, যে তার ভিডিও নিয়ে হচ্ছে এত হইচই! যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে নুসরাতের এক লিপলকের অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। অনেকেরই প্রশ্ন, ব্যক্তিগত ভিডিও কেন সামাজিক মাধ্যমে। অনেকেই আবার টেনে এনেছেন নায়িকার রাজনৈতিক পরিচয়ও।

নুসরাত বসিরহাটের সংসদ সদস্য, একজন জনপ্রতিনিধি। তার অন্তরঙ্গ ভিডিও যে অনেকেই ভালোভাবে নেবেন না, সে কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন কেউ কেউ। তবে প্রশ্ন হলো, নুসরাতের ভিডিও ভাইরাল কারা করেছেন।

কোথা থেকেই বা সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ল। জানা গেছে, নুসরাত ও যশের একটি পার্টির ভিডিও ছিল সেটি। গেল বছরকে বিদায় জানাতে এক পার্টিতে মেতে উঠেছিলেন তারা। ভালোবেসে হঠাৎই নুসরাতকে চুমু খেয়ে বসেন যশ। নুসরাতও দেন সাড়া। এই ছবি শেয়ার করা হয়েছে এক ফ্যান ক্লাবের পক্ষ থেকে। যা আবার শেয়ার করেছেন নুসরাত নিজেই। কটাক্ষকে পাত্তা দিতে নারাজ নুসরাত। সাহসী ছবিই হোক বা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা রটনা ট্রলিং যে তার জীবনে খুব একটা প্রভাব ফেলে না সে কথা স্পষ্টভাবে আগেও জানিয়েছেন তিনি।

এমন কাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। ব্যক্তিজীবন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার না করার অনুরোধ জানিয়েছেন অনেকেই। নুসরাতের প্রথম অভিনীত চলচ্চিত্র রাজ চক্রবর্তীর পরিচালনায় ‘শত্রু।’ এই চলচ্চিত্রে তিনি জিতের বিপরীতে অভিনয় করেন। অভিষেক সেই সিনেমার মতোই এরপর তার ব্যক্তিগত জীবন, চলচ্চিত্র এবং রাজনৈতিক জীবন প্রতিটি ক্ষেত্রেই এই ‘শত্রু’-‘শত্রু’ খেলায় কেটে যাচ্ছে একের পর এক। ইতোমধ্যে চলচ্চিত্রের ক্যারিয়ারও তার পেরিয়ে গেছে এক যুগেরও বেশি। অতঃপর প্রেম আর রাজনীতি এই নিয়েই রসাতলে গেল তার চলচ্চিত্রের ক্যারিয়ার। ফ্ল্যাট বিক্রির নামে প্রতারণায়ও জড়িয়ে পড়ে নিজের তারকা ইমেজকে আরও বেশি রসাতলে নামিয়ে আনেন এই পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য।

তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ হয়েও যে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য খুব ভালো ইমেজ তৈরি করতে পেরেছেন এমনও নয়। বরং তিনি একের পর এক যেসব বিতর্কিত কাজ করে চলেছেন তাতে করে বরং মমতা ব্যানার্জীর দলটিই ইমেজের সংকটে পতিত এখন।

এরই মধ্যে গেল বছরের ১২ সেপ্টেম্বর ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিলেন। সেদিন কলকাতার ইডি দপ্তরে হাজিরও হন নুসরাত। ইডির গোয়েন্দারা তাকে একটানা ৬ ঘণ্টা জেরা করেন। সে সময় নুসরাত জাহান ফ্ল্যাট বেচাকেনার দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে যেসব নথি ইডির হাতে তুলে দেন, তাতে সন্তুষ্ট হতে পারেননি গোয়েন্দারা। তাই অভিনেত্রীর কাছে আরও নথি চেয়েছেন ইডি। তখন ইডি বলেছে, কীভাবে তিনি তার নিজের সংস্থার পরিচালকের পদে থেকে ঋণ পেয়েছিলেন, সে সংক্রান্ত নথি ইডিকে দেখাতে হবে।

তারই ধারাবাহিকতায় এবার অনেক জল ঘোলা করে অবশেষে শনিবার কলকাতার চাঞ্চল্যকর ফ্ল্যাট প্রতারণাকাণ্ডে আলিপুর আদালতে হাজির হলেন অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য নুসরাত জাহান।

এজন্য বিজেপি নেতা শাঙ্কুদেব পাণ্ডার নেতৃত্বে তারা সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়ে ইডি দপ্তরে তারকা সাংসদের বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ জানান। এর মধ্যে নুসরাত পাম অ্যাভিনিউয়ে একটি ফ্ল্যাট কেনেন। ব্যাংককর্মীরা গড়িয়াহাট থানায় নুসরাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, আদালত কক্ষে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদকে। ফ্ল্যাট প্রতারণা মামলায় অবশেষে প্রকাশ্যে তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান। আলিপুর জাজেস কোর্টে চারদিনের মধ্যে হাজিরা দেন তিনি। যদিও ওইদিন তার হাজিরার দিন ছিল না। কিন্তু ওইদিনই তিনি চলে এসেছিলেন আদালতে।

বিজেপি এ ঘটনার পর দাবি তুলেছে, অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে তাকে গ্রেপ্তার করা হোক। তার সংসদ সদস্য পদও বাতিল চেয়েছে বিজেপি। তারা মনে করেন, এমন প্রতারক চরিত্রের কোনো সংসদ সদস্য রাজনীতিতে না থাকাই বরং ভালো। তারা বলেন, চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির বাজে দৃষ্টান্তগুলো এ সাংসদ সংসদের মতো পবিত্র জায়গাকে দূষিত করতেই বেশি ভূমিকা রাখছেন।

ফলে রাজনীতির পথ যে তার জন্য কাঁটা বিছানো এটা বুঝে গেছেন ইতোমধ্যেই নুসরাত। তাই ভোটের সময় যত ঘনিয়ে আসছে ততই উত্তেজনার পারদ চড়ছে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশী নেতাদের মনে। কিন্তু নুসরাতই যেন ব্যতিক্রম। এবারের লোকসভা নির্বাচনের আগেই সংসদের শেষ দিনে তাকে একটি বিশেষ পোস্ট করতে দেখা যায়। পোস্ট করা এই ভিডিওতে তাকে বাংলার মানুষের হয়ে কথা বলতে শোনা যায়। তিনি এদিন ১০০ দিনের মনরোগা স্কিমের আওতায় কাজ করা কর্মীদের বকেয়া টাকা নিয়েও কথা বলেন। সেই মুহূর্তের ক্লিপ পোস্ট করে একটি আবেগঘন বার্তা লেখেন নুসরাত।

নুসরাত লেখেন, সংসদে আমার শেষ দিন। ঈশ্বর এবং আমাদের সম্মানীয় দিদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আমি কৃতজ্ঞ বাংলার মানুষের জন্য, তাদের হয়ে কথা বলতে সুযোগ পাওয়ার জন্য। বিশেষ করে বসিরহাট নির্বাচনী এলাকার মানুষের হয়ে কথা বলতে পারার জন্য। সবাইকে ধন্যবাদ ভালোবাসা ও সমর্থন দেওয়ার জন্য। আর তার এমন পোস্টেই ফুটে ওঠে তিনি রাজনীতি থেকে বিদায় নিচ্ছেন। এখন কি তবে নুসরাত পুরোপুরি মনোযোগ দিতে চান টলিউডেই।


আরও খবর



যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শত্রুতা করে রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্ব চায় না বাংলাদেশ: সেতুমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ৯০জন দেখেছেন

Image

সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শত্রুতা করে বা সম্পর্ক নষ্ট করে রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চায় না বাংলাদেশ। ভিন্ন কৌশলে রূপপুরের জন্য বেশ কিছু জিনিস আনা হয়েছে, যাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শত্রুতা না হয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, কথা বেশি না বলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে রাতারাতি বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। বিশ্ব পরিস্থিতির ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে। সেতুমন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি কখন কি হয় বলা যায় না। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে কী হবে সেটি বোঝা যাচ্ছে না। সবকিছু মিলে ২০২৪ সালে কী রেজাল্ট হচ্ছে তা বলা যাচ্ছে না।

মেট্রোরেলের চাহিদা ও ভিড় বেড়েছে— এ বিষয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, মেট্রো তো বাংলাদেশ রেলওয়ে না যে যখন-তখন বগি বাড়াবে। এটা তো একটা প্রযুক্তিগত বিষয়। পৃথিবীর কোথাও ৫ থেকে ৬টির বেশি বগি মেট্রোরেলে নেই। তবে চাহিদা যেহেতু বেড়েছে ১০ মিনিট থেকে ৮ মিনিট পর পর মেট্রো দেওয়া যায় কিনা পরিকল্পনা চলছে।

বিএনপির ১৩ নেতা জেলে মারা গেছে, এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, সেটি জানা নেই। কে কখন মারা গেছে, সেই তথ্য কোথাও তার প্রমাণ দাবি করেন।  বিএনপিকে পাত্তা দিচ্ছি না এমন না। কার অবস্থা কখন কি হয় বলা যায় না।


আরও খবর



ইসলামিক বিশ্বে রমজানের চাঁদ দেখার প্রস্তুতি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ২৬জন দেখেছেন

Image

গত ১১ ফেব্রুয়ারি শাবান মাস শুরু হয়েছিল এমন বেশিরভাগ ইসলামি দেশে আগামী ১০ মার্চ পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ইসলামি ক্যালেন্ডারের নবম মাস রমজান। হিজরি ক্যালেন্ডারের অন্যান্য সব মাসের মতো রমজান মাস শুরু হয় চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে। ইসলামি ক্যালেন্ডারের প্রত্যেক মাসের শুরুর তারিখ চাঁদ দেখাসাপেক্ষে নির্ধারিত হয়।

জ্যোতির্বিজ্ঞান-সংক্রান্ত সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সেন্টারের (আইএসি) তথ্য অনুযায়ী, ইসলামি বিশ্বের প্রায় সব অঞ্চলজুড়ে আগামী ১০ মার্চ শাবান মাসের চাঁদ সূর্যাস্তের পর অস্ত যাবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এর ফলে অনেক দেশে ১১ মার্চ (সোমবার) থেকে রমজান মাস শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বর্ণিত নতুন চাঁদের দৃশ্যমানতার বিভিন্ন মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলেছেন, ১০ মার্চ (রোববার) রমজান মাসের নতুন চাঁদ দেখা অসম্ভব বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অনেক গবেষক ওইদিন আরব ও ইসলামি বিশ্বের কোথাও খালি চোখে কিংবা টেলিস্কোপ ব্যবহার করেও রমজান মাসের নতুন চাঁদ দেখা যাবে না বলে জানিয়েছেন। তবে টেলিস্কোপ ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু অংশ থেকে বিশেষ করে, পশ্চিমাঞ্চলে নতুন চাঁদ দেখা যেতে পারে। ইসলামি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আগামী ১২ মার্চ (মঙ্গলবার) রমজান মাস শুরু হতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

যদিও পবিত্র রমজান মাস কবে শুরু হবে, গত ডিসেম্বরই সম্ভাব্য সেই তারিখ ঘোষণা করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাক্টিভিটিস ডিপার্টমেন্টের (আইএসিএডি) ওয়েবসাইটে ১২ ডিসেম্বর বলা হয়, আগামী ১২ মার্চ সংযুক্ত আরব আমিরাতে রমজান মাস শুরু হতে পারে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষ রমজান মাস শুরুর বিষয়ে প্রত্যেক বছর আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে থাকে। জ্যোতির্বিজ্ঞানের গণনায় কেবল ইসলামি ক্যালেন্ডারের প্রত্যেক মাসের শুরুর সম্ভাব্য তারিখের পূর্বাভাস দেওয়া হয়। 

আইএসিএডির ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে রমজান মাস ২৯ দিন হতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী, আমিরাতে রমজানের শেষ দিন হবে ৯ এপ্রিল।


আরও খবর

যে আমলে আল্লাহর সাহায্য আসে

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পুণ্যময় জীবন গঠন

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ইসরাইলি সেনারা ফিলিস্তিনি নারীদের ধর্ষণ করছে : জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ৬৫জন দেখেছেন

Image

গাজা উপত্যকা এবং পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি নারী ও মেয়েদের বিরুদ্ধে 'জঘন্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগ' প্রশ্নে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসঙ্ঘ বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, ফিলিস্তিনি নারীদের নির্বিচারে হত্যা, আটক, ধর্ষণ বা যৌন সহিংসতার হুমকি দেয়া হচ্ছে। তারা আরো বলেন, 'এসব অভিযোগ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও মানবিক আইরে মারাত্মক লঙ্ঘন' এবং আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আইনের আওতায জঘন্য অপরাধ-তুল্য' বিবেচিত হতে পারে, যা রোম চুক্তির অধীনে বিচারযোগ্য।

বিশেষজ্ঞরা অপরাধীদের জবাবদিহির আওতায় আনার জন্য এবং ঘটনার শিকার পরিবারগুলোর 'পূর্ণ প্রতিকার ও ন্যায়বিচার' পাওয়া নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।বিশেষজ্ঞরা গাজায় ফিলিস্তিনি নারী ও মেয়েদের নির্বিচারে হত্যার উদাহরণ উল্লেখ করে বলেন, অনেক সময় তাদের সন্তানসহ পরিবার সদস্যদের সাথে হত্যা করা হয়ে থাকে।

তারা বলেন, 'ফিলিস্তিনি নারী ও শিশুরা যখন আশ্রয় গ্রহণ করতে চায় কিংবা পালাতে থাকে, তখনো তাদেরকে টার্গেট করা বিচার-বহির্ভূতভাবে হত্যা করার খবরে আমরা শোকাভিভূত।' তিনি বলেন, 'কয়েকটি ক্ষেত্রে দেখা গেছে যে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর বা সহযোগী বাহিনী যখন তাদেরকে হত্যা করে, তখন তাদের হাতে সাদা কাপড়ের টুকরা ছিল।'

নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞদের মধ্যে রয়েছেন রিম আলসালেম। তিনি নারী ও মেয়েদের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপ নারী ও মেয়েদের বিরুদ্ধে সহিংসতাবিষয়ক স্পেশাল র‌্যাপোটিয়ার। এছাড়া আছেন ফ্রানসেসকা আলবানিস। তিনি ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে মানবাধিকার পরিস্থিতিবিষয়ক স্পেশাল র‌্যাপোটিয়ার। তারা ৭ অক্টোবর থেকে গাজা ও পশ্চিম তীরে মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক, মানবিক সহায়তাকর্মীসহ শত শত ফিলিস্তিনি নারী ও মেয়েকে নির্বিচারে আটকেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাদের সাথে 'অমানবিক ও অমর্যাদাপূর্ণ আচরণ করা হয়, মেনস্ট্রয়েশন প্যাড, খাবার ও ওষুধ দেয়া হয় না, ভয়াবহভাবে প্রহার করা হয়।' তারা একটি উদাহরণ উল্লেখ করে বলেন যে নারী বন্দীদের খাঁচায় আটকে রেখে বৃষ্টি ও ঠান্ডার মধ্যে খাবারবিহীন ফেলে রাখা হয়েছিল।

জাতিসঙ্ঘ বিশেষজ্ঞরা নগ্ন করে প্রহার করা, পুরুষ ইসরাইলি সৈন্য দিয়ে দেহ তল্লাসী চালানোসহ ফিলিস্তিনি নারী বন্দীদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের যৌন আক্রমণের খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, 'অন্তত দুই নারী ফিলিস্তিনি বন্দীকে ধর্ষণ করার খবর পাওয়া গেছে এবং অন্যদেরকে ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার হুমকি দেয়া হয়েছে।' তারা বলেন, ইসরাইলি সৈন্যরা 'অমর্যাদাজনক পরিস্থিতিতে' নারী বন্দীদের ছবি তুলে তা অনলাইনে আপলোড করে।

তারা আরো উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন যে গাজায় ইসরাইলি সেনাবাহিনীর সংস্পর্শে আশার পর 'অজ্ঞাত সংখ্যক ফিলিস্তিনি নারী ও শিশু ও মেয়ে' নিখোঁজ হয়ে গেছে। তারা বলেন, 'এমন উদ্বেগজনক খবরও আছে যে অন্তত একটি ক্ষেত্রে এক সদ্যজাত মেয়ে শিশুকে ইসরাইলি সেনাবাহিনী ইসরাইলে সরিয়ে নিয়েছিল, এবং শিশুদেরকে তাদের মা-বাবার কাছ থেকে সরিয়ে নেয়ার পর তাদের অবস্থান এখনো অজ্ঞাত রয়ে গেছে।'

বিশেষজ্ঞরা বলেন, 'ফিলিস্তিন নারী ও মেয়েদের জীবন, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও মর্যাদা সমুন্নত রাখা এবং যৌন নির্যাতনসহ সহিংসতা, নির্যাতন, অসদাচরণ বা অমর্যাদাজনক আচরণের শিকার যাতে কেউ না হয় সে ব্যাপারে ইসরাইলি সরকারের বাধ্যবাধকতার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি।' বিশেষজ্ঞরা এসব অভিযোগের ব্যাপারে স্বতন্ত্র, নিরপেক্ষ, তাৎক্ষণিক, পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর তদন্ত করার এবং ইসরাইলকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।


আরও খবর



কানাডায় ‘প্রবাসে মাতৃভাষার চর্চা ও গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ৭৫জন দেখেছেন

Image

কানাডার ক্যালগেরিতে ‘প্রবাসে মাতৃভাষার চর্চা ও গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার স্থানীয় সময় ক্যালগেরিতে নর্থ ইস্টের ৩২ নম্বর এভিনিউতে আলবার্টার প্রথম বাংলা অনলাইন পোর্টাল ‘প্রবাস বাংলা ভয়েস’- এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

বাংলা ভয়েসের প্রধান সম্পাদক আহসান রাজীব বুলবুলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালগেরি’র অধ্যাপক কাজী খালিদ হাসান, প্রধান বক্তা ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রকৌশলী সুফল বৈরাগী, সাইফুল ইসলাম রিপন ও আব্দুল্লা রফিক। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী জেরিন তাজ ও রম্য লেখক বায়াজিদ গালিব। আলোচনায় অংশ নেন শুকরুজ্জামান তুহিন, রুপক দত্ত, কিরণ বনিক শংকর, এ্যনথনি জ্যাকব, মো. মাহমুদ হাসান, মৌ ইসলাম, ফারজানা হক, জাকিয়া বেগম ও সৌভিক সাদমান।

বক্তারা বলেন, প্রবাসে মাতৃভাষা চর্চাকে আরও সূদৃঢ় করতে এবং মাতৃভূমির সঙ্গে পরবর্তী প্রজন্মের সেতুবন্ধন তৈরি করতে ভাষা শিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও প্রবাসে বাংলা ভাষার প্রসারে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। মাতৃভাষা আর বাংলা সংস্কৃতির অবমাননা কিভাবে জাতীয় প্রগতির অন্তরায় হতে পারে, সে বিষয়েও বিশদ আলোচনা হয়। এছাড়াও সর্বস্তরে বিশুদ্ধ বাংলা চর্চার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। 

দেশের সঙ্গে প্রবাসে বাংলা ভাষা চর্চার গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তারা বলেন, মাতৃভূমির সঙ্গে পরবর্তী প্রজন্মের সেতুবন্ধন তৈরিতে আমাদের কাজ করে যেতে হবে। বিদেশে আরও বেশি বাংলা গণমাধ্যমের বিস্তৃতি ঘটাতে হবে। যাতে পরবর্তী প্রজন্ম এসব গণমাধ্যমের পৃষ্ঠপোষকতায় এগিয়ে আসতে পারেন। সে ব্যাপারে এখন থেকেই সবার সচেষ্ট হওয়া উচিত। একুশের চেতনা, ইতিহাস আর সংস্কৃতিকে সযত্নে লালন করে কিভাবে একটি সুন্দর ভবিষ্যত প্রজন্ম গড়ে উঠতে পারে সে বিষয়েও জ্ঞানগর্ভ অভিমত দেন বক্তারা। 

বক্তারা আরও বলেন, ভাষার দাবির মধ্যেই নিহিত ছিল গণতন্ত্র, সাংস্কৃতিক স্বাধীকার জাতিসত্তা সম্পর্কে চেতনার উন্মেষ এবং জাতীয় আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনের সংগ্রামের বীজ। প্রবাসে শুধু শহীদ মিনার নির্মাণ করলেই হবে না, একুশের চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে তুলে ধরতে হবে। আলোচনা শেষে ‘প্রবাস বাংলা ভয়েস’ এর পঞ্চম বর্ষপূর্তির প্রকাশনা বই উন্মোচন করা হয়।


আরও খবর

ভাষা শহীদদের প্রতি মালয়েশিয়ায় শ্রদ্ধা

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪