Logo
আজঃ রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২
শিরোনাম

খেরসনে যুদ্ধাপরাধ করেছে রাশিয়া: জেলেনস্কি

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৬৩জন দেখেছেন
Image

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছেন, রাশিয়ার সেনারা খেরসনে যুদ্ধাপরাধ করেছে। তিনি জানান, রুশ সেনাদের দখলকৃত খেরসনে প্রায় চার শতাধিক যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হয়েছে। তদন্তকারীদের অনুসন্ধানে এই তথ্য উদঘাটিত হয়েছে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইউক্রেনের বুচা, ইজিয়াম ও মারিউপোলে গণকবর পাওয়া গেছে। এই নৃশংসতার জন্য রাশিয়ান সেনাদের দায়ী করেছে ইউক্রেন। 

তবে এখন পর্যন্ত বিবিসি এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি। অভিযোগ অস্বীকার করে মস্কো জানিয়েছে, মস্কোর সেনারা ইচ্ছাকৃতভাবে কোনও সাধারণ নাগরিককে হত্যা করেনি।

খেরসন স্বাধীন হয়ে গেলেও ইউক্রেন কর্তৃপক্ষ শহরটিতে কারফিউ জারি করেছেন। খেরসনে যাওয়া আসা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এক ভিডিও বার্তায় জেলেনস্কি জানান, রুশ সেনারা দেশের যেসব অঞ্চলে প্রবেশ করেছে সেখানেই নৃশংসতা করেছে। তারা খেরসনেও এই একই কাজ করে গেছে। তারা অবশ্যই এসব হত্যাকাণ্ডের বিচার করবেন।

ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন আগ্রাসনের পর খেরসনই একমাত্র অঞ্চল যা দীর্ঘদিন ধরে রুশ সেনাদের দখলে ছিলো। গত সেপ্টেম্বরে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ক্রেমলিনের একটি অনুষ্ঠানে খেরসনসহ আরও তিনটি অঞ্চলকে রাশিয়ার ভূখণ্ড বলে দাবি করেন। কিন্তু শুক্রবার (১১ নভেম্বর) খেরসনকে ইউক্রেন সেনারা স্বাধীন করেছেন।

প্রায় ৩০ হাজার রাশিয়ান সেনাকে অপসারণ করার পর খেরসনের অফিসিয়াল কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে অনেকের মনে আশঙ্কা রয়েছে, কিছু সংখ্যক রাশিয়ান সেনা এখনো ছদ্মবেশে ইউক্রেনে লুকিয়ে থাকতে পারে।

এ বিষয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট জানান, রাশিয়ার সেনাদের আটক করা হয়েছে। তবে যারা এসব নৃশংসতার পেছনে আছেন তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। ইউক্রেনের সেনারা ইন্টারনেট ও টিভি সংযোগ করার জন্য কাজ করছেন। যতদ্রুত সম্ভব পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে।



আরও খবর



সিরাজগঞ্জে শিল্প পার্কে লাখো মানুষের কর্মসংস্থান হবে

প্রকাশিত:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ১২জন দেখেছেন
Image

বদরুল আলম দুলাল,সিরাজগঞ্জ :  শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, সিরাজগঞ্জে ৪০০ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত বিসিক শিল্প পার্কে সর্বমোট ৮২৯টি কারখানা স্থাপন হবে।

দেশের নামীদামি প্রতিষ্ঠান এখানে আসবে। এতে প্রায় এক লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।শুক্রবার (২৫ নভেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্প পার্কের নির্মাণকাজ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, যেকোনো কারণেই হোক প্রকল্পটি দেরি হয়ে গেছে। আশা করছি আগামী জুনের মধ্যে কাজ শেষ হলে প্রধানমন্ত্রী এর উদ্বোধন করবেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান এখানে জমির প্লট নিতে প্রস্তুত। তারা আসলে আরও বৃহৎ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এ সময় শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না, শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা, জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহাম্মদ, পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মন্ডল, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) চেয়ারম্যান মুহা. মাহবুবুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট কেএম হোসেন আলী হাসানসহ প্রকল্পের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 



আরও খবর



মিথ্যা মামলার ছোবল থেকে রেহাই পেতে দিলরুবা বেগমের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | ৯২জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাড়ির পানি নিষ্কাশনের ঘটনা নিয়ে মিথ্যা মামলা নিয়ে জেলহাজতে বাস করছেন রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার ডিঙ্গাডোবা ঘোষমহাল এলাকার সোনা আমিন বাবু।

৮ ডিসেম্বর দুপুরে রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে দিলরুবা বেগম অভিযোগ করে বলেন  তার প্রতিবেশি পুলিশের অবসর প্রাপ্ত উপ পরিদর্শক (এস আই) আকতার জোরপুর্বক তাদের বাড়ির পানি নিষ্কাশনের পাইপটি ভেঙ্গে ফেলেন। এই ঘটনায় আকতারকে বাধা দিতে গেলে আকতার রাজপাড়া থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক ( এস আই ) মাহাফুজকে নিয়ে এসে হুমকি ধামকি প্রদান করেন।

দিলরুবা বেগম বলেন এমন ঘটনা নিয়ে দিলরুবা বেগম রাজপাড়া থানায় মামলা করতে গেলে রাজপাড়া থানা পুলিশ তার মামলা গ্রহণ করে নাই। আকতার বাদি হয়ে  দিলরুবা বেগমের স্বামী সোনা আমিন বাবু তার শ্বশুর ৭৫ বছরের বৃদ্ধ বনি আমিন,দিলরুবা বেগম সহ কয়েকজনকে আসামি করে একটি নাটকীয়  চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় দিলরুবা বেগম আদালত থেকে জামিনে বেরিয়ে আসলেও তার স্বামী সোনা আমিন বাবু রয়েছেন জেলহাজতে।

তিনি বলেন সংসারের একমাত্র উপার্জনের ব্যক্তি মিথ্যা মামলায় জেলহাজতে থাকার কারনে আমরা মানবেতর জীবন যাপন করছি। অপর দিকে প্রভাবশালী আকতার বিভিন্ন ভাবে আমাদের আবার হুমকি ধামকি প্রদান করছেন।

৭৫ বছরের বৃদ্ধা বনি আমিন সংবাদ সম্মেলনে বলেন এই বয়সে আমি নড়াচড়া করতে  রিতিমত হিমশিম খাই, আর আমার নামে মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা করে আমাকে  কোর্টে নিয়েছেন এর জন্য আল্লাহকে বিচার দিয়েছি।

দিলরুবা বেগমের মেয়ে বলেন আকতার পুলিশের চাকরি থেকে অবসরে যেয়েও তার ভেতর থেকে পুলিশের ভাব যায়নি। তিনি বলেন ডিঙ্গাডোবা ঘোষ মহাল এলাকায় তার আচরনে সাধারণ মানুষ অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। এমন ষড়যন্ত্র মুলক মিথ্যা মামলার সঠিক তদন্ত দাবি করেন তিনি। একজন অবসর প্রাপ্ত পুলিশ সদস্য থানা পুলিশের  সাথে আতাত করে কোন  নিরহ মানুষকে  যেন মিথ্যা ষড়যন্ত্র মুলক মামলায় ফাঁসাতে না পারেন সেই বিষয়ে পুলিশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন নির্যাতিতার মেয়ে।

অপর দিকে রাজপাড়া থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক (এস আই ) মাহফুজ তাদের বাড়িতে জোরপুর্বক প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করা সহ সরাসরি আকতারের পক্ষে (এস আই) মাহফুজ  কাজ করার বিষয় নিয়ে শংকিত রয়েছে দিলরুবার পরিবার। তাদের ধারণা যে কোন সময় তাদের আবারো কোন নাটকীয় মামলায় হয়রানি করা হবে।

জানতে চেয়ে রাজপাড়া থানার উপ পরিদর্শক ( এস আই ) মাহফুজকে মুঠো ফোনে ফোন করলে তিনি বলেন আকতার রহমানের করা মামলায় আমি তদন্তে গুয়েছি এটি সত্য। তবে হুমকি ধামকির কোন ঘটনা ঘটেনি।


আরও খবর



নেত্রকোনার বারহাট্টায় আমন ধানের নমুনা শস্য কর্তন

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image
সোহেল খান দূর্জয় : নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় আমন ধানের নমুনা শস্য কর্তন করা হয়েছে।  সোমবার (১৪ নভেম্বর) সকালে নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার ইউনিয়নে নমুনা শস্য কর্তন করা হয়।

উপজেলা কৃষি অফিসের তত্ত্বাবধানে বারহাট্টা সদর ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের আড়াই বিঘা জমিতে ব্রিধান ৭৫ জাতের ধান চাষ করেন। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ নিয়মিতভাবে তদারকি ও পরামর্শ দিয়ে কৃষককে সহযোগিতা করেন। স্বল্প সময়ে এই ধান পেকে থাকে। ধানের ফলন কেমন হয়েছে তা দেখার জন্য সোমবার নমুনা ফসল কর্তন করা হয়। এতে দেখা যায় হেক্টর প্রতি ৪.৫৫ মে. টন ধান (শুকনো) ফলেছে। 

নমুনা ফসল কর্তনের সময় উপজেলা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাকিবুল হাসান, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার উচ্ছাস পাল সহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। 

পাশের কৃষকরা উপস্থিত থেকে তাদের ভিন্ন জাতের ধানের তুলনায় ব্রিধান ৭৫ ভাল ফলন ও অগ্রিম ফসল উঠায় আগামীতে তারাও এই জাতের ধান চাষ করবে বলে জানান। 

উল্লেখ্য জীবনকাল কম হওয়ায় অগ্রিম ফসল কাটার সুবাধে একই জমিতে কৃষক এই জাতের ধান চাষ করবে বলে জানান।

আরও খবর



বাঁচতে চায় ক্যান্সার আক্রান্ত শিক্ষিকা নাহিদা সুলতানা

প্রকাশিত:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ১৬জন দেখেছেন
Image


কঞ্জন কান্তি চক্রবর্তী,ঝালকাঠি প্রতিনিধি: নাহিদা সুলতানা বয়স ৪৫ বছর। তিনি ও তার স্বামী শিক্ষাকতা পেশায় নিয়োজিত আছে। তাদের ঘরে তিন বছর বয়সের একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তান রয়েছে। আদর স্নেহে মেয়েকে অনেক বড় করার স্বপ্ন ক্যান্সার আক্রান্ত মায়ের। কিন্তু ঘাতক ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সেই স্বপ্ন যেনো দুঃস্বপ্নে পরিনত হয়েছে এই শিক্ষিকার। রোগযন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে তিনি , একমাত্র কন্যার জন্য বাঁচার আকুতি জানিয়ে সকলের সহযোগীতা কামনা করেছেন তিনি ।

নাহিদা সুলতানা বাখেরগঞ্জ উপজেলার ৩ নং দুধল ইউনিয়নের মৃত তৈয়ব আলী খানের মেয়ে। তিনি কর্মসূত্রে বর্তমানে ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলা সদরের টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের সহকারী প্রভাষক পদে কর্মরত রয়েছেন।

তিনি সকলের সহযোগীতা চেয়ে তার ফেসবুক ওয়ালে একটি পোষ্ট দিয়েছেন।

তার সেই আবেগঘন পোস্ট’টি তুলে ধরা হলো,আসসালামু আলাইকুম, প্রিয় ভাই ও বোনেরা আপনাদের সামান্য সহায়তায় বাঁচতে পারে একটি জীবন,একটি সদ্য ফোঁটা গোলাপ,আমি বাঁচতে চাই। দীর্ঘ এক বছরাধিক কাল লড়াই করে যাচ্ছি এক ঘাতক ব্যাধি ক্যান্সারের সাথে। আমি তিন বছরের কন্যা সন্তানের ৪৫ বছর বয়সী এক জননী। “জন্মিলে মরিতে হইবে” এমন চিরন্তর সত্য কথাটি উপলব্ধি করেও আজ আমি আমার সন্তানের জন্য বাঁচতে চাই।

দেশে বিদেশে বিভিন্ন ব্যয়বহুল ডায়াগনোসিস ও চিকিৎসা (ক্যামোথেরাপী) নিতে গিয়ে আমি ও আমার পরিবার আর্থিকভাবে নিঃস্ব প্রায়। আমি ও আমার স্বামী দুইজনই বেসরকারী কলেজ শিক্ষক। প্রথম দফায়ই বিভিন্ন পরীক্ষা নীরিক্ষা, সার্জারী ও উন্নত চিকিৎসা (ক্যামোথেরাপী-৮ টি) নিতে গিয়ে সহায় সম্বলহীন হয়ে পড়েছি। দ্বিতীয় দফায় আবার সেই একই চিকিৎসা শুরু করা হয়েছে, যার প্রতিটা ক্যামোথেরাপীর জন্য টেস্ট,মেডিসিন সহ প্রায় ১ লক্ষ থেকে ১ লক্ষ ২০/২৫ হাজার টাকা খরচ হয়। এ রকম আরো অন্তত  ৫/৬ টি ক্যামোথেরাপী দেয়া প্রয়োজন। প্রথম ধাপেই অনেক টাকা ধার দেনা হওয়ার কারণে কাহারো সাহায্য সহযোগিতা ছাড়া দ্বিতীয় দফায় আবার এরকম ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালানো খুবই অসম্ভব।

তাই আজ আমি লজ্জা সরম ছেড়ে একমাত্র সন্তানের জন্য বাঁচার তাগিদে আত্মীয় স্বজন,বন্ধুবান্ধব,শিক্ষক শিক্ষার্থী,শুভানুধ্যায়ী ও বিত্তশালী সহ সকলের কাছে দোয়া ও চিকিৎসা সহায়তা কামনা করছি।

আমি বাঁচতে চাই। বাঁচতে চাই সদ্য ফোঁটা গোলাপ সম আমার ছোট্র সন্তানটির জন্য।আল্লাহর রহমত ও আপনাদের সকলের সহায়তায়ই বাঁচতে পারে এমন একটি জীবন। মায়ের আদর স্নেহ ভালবাসায় বড় হতে পারে এমন একটি ছোট্র সন্তান,যার চাহনিতে আমার হৃদয় কাড়ে,চোখেরজল ঝড়ে সব সময়। আমি আজ ওর জন্যই বাঁচতে চাই। সম্ভব হলে, সহায়তা করুন বিকাশ নং -০১৭৩১৪৯৬৩৪১.২) ব্যাংক হিসাব নং ২০৫০৩৯৩০২০০০১৫৭১৬. ইসলামী ব্যাংক, বাংলাদেশ লিঃ রাজাপুর শাখা, রাজাপুর,ঝালকাঠি।


আরও খবর



বারহাট্টায় মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে যেতে শীতকালেও নৌকার প্রয়োজন

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

সোহেল খান দূর্জয় : যাদের হাত ধরে এদেশে স্বাধীনতা এসেছে তাদেরই একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা জজ মিয়া খান। শহরে থেকেও যেন তিনি ভাটি অঞ্চলে বসবাস করছেন।যেখানে অগ্রহায়ণ মাসের ফসল উৎপাদন করে ঘরে তোলা হচ্ছে। সফলী জমি গুলো সরিষা চাষ করার উপযোগী হয়ে খড়খড়া হয়ে গেছে, সেই সময় নেত্রকোনা বারহাট্টা উপজেলা আসমা ইউনিয়নের আসমা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জজ মিয়া খানের বাড়িতে যেতে নৌকা ব্যবহার করতে হচ্ছে। 

হেমন্তকাল বেদ করে শীত কাল এসে গেছে, এখনও জজ মিয়ার বাড়ির সামনে পানি থইথই করছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জজ মিয়া খানের  বড় সন্তান নূরুল আমিন খান সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগ এর সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা এই বছরের বন্যার পর থেকে খুব কষ্টে আছি। অল্প জায়গার জন্য একটি রাস্তা করতে পারছি না।  এক সাইটের জমি আমার আপন খালু শাহজাহান খান এর , আরেক সাইটের জমি আমার চাচা জানু মিয়ার । আমার ভাই পুলিশে চাকরি করে। সে রাস্তার জন্য  বর্তমান বাজার মূল্য থেকে এই জমির দাম বেশি দিতে চেয়েছে। কিন্তু তাতেও কোন লাভ হচ্ছে না। এখন এই নৌকাটিই আমাদের প্রধান বাহন। এটি ছাড়া এক মুহূর্ত চলতে পারি না। আমার বাবা কয়েকদিন যাবৎ খুব অসুস্থ,ঘর থেকে ধরে ধরে বের করতে হয়। 

এই ব্যপারে কোন অভিযোগ হয়েছে কি-না জানতে চাইলে নূরুল আমিন খান বলেন গত মাস দুয়েক আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু কোন ফল হয়নি। 

স্হানীয় সূত্রে জানা যায় জজ মিয়া খানের বাড়িতে যেতে সামনে যে জমিটুকু আছে সেই জমির মালিক তার আত্মীয়। জজ মিয়া সরলসোজা মানুষ। অন্য কোন মুক্তিযোদ্ধা হলে এত দিনে রাস্তা হয়ে যেত।

জমির মালিক শাহজাহান খান বলেন, এই জমির পশ্চিম পাশে একটি রাস্তা রয়েছে। ইচ্ছে করলে  ঐ রাস্তা দিয়ে তারা যাতায়াত করতে পারে। আমার দুই ছেলে। এই জায়গা টি বাসা করার জন্য কিনেছি। রাস্তার জন্য কিছু জমি বিক্রি করলে আমার জায়গা কমে যাবে। 

আসমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম খান চন্দু বলেন, আমি রাস্তা দিতে চাই। কিন্তু রাস্তার দেওয়ার আগেই বাঁধা পড়লে তো তা সম্ভব হয়ে উঠে না। বিষয়টি আসলেই দুঃখ জনক আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করবো, যেন তাড়াতাড়ি এই রাস্তাটি হয়। 

সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শাহ মোহাঃ আবদুল কাদের বলেন, বারহাট্টা শহরের পাশে মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জজ মিয়া খানের বাড়ি। এখানে সারাবছর পানি লেগে থাকে, সে অসুস্থ, তাকে দেখতে গেলে কাঁদা পানির উপর দিয়ে যেতে হয়। এটা আসলেই লজ্জা জনক। আমি চাই দ্রুত যেন এই মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি যাওয়ার রাস্তাটি হয়ে যায়। 

বারহাট্টা উপজেলায় নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মাজহারুল ইসলাম বলেন, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জজ মিয়া খানের বাড়িতে যাওয়ার জন্য নিজস্ব কোন ভূমি না থাকায় রাস্তা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। জমির মালিক পক্ষ টাকা দিয়েও জমি বিক্রয় করতে রাজি না হওয়ায় রাস্তাটি হচ্ছে না। এর পরও চেষ্টা করবো যেন রাস্তাটি করা যায়।


আরও খবর