Logo
আজঃ রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২
শিরোনাম

মধুমতি ও তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১০ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ১১৫জন দেখেছেন
Image

নড়াইলে দেশের প্রথম ছয় লেনের মধুমতি সেতু এবং নারায়ণগঞ্জে তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সোমবার দুপুরে নিজ কার্যালয় থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই সেতু দুটি উদ্বোধন করেন তিনি।  

জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) অর্থায়নে ৯৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে মধুমতি নদীর ওপর ৬৯০ মিটার দীর্ঘ মধুমতি সেতু নির্মিত হয়েছে, যা স্থানীয়ভাবে কালনা সেতু নামে পরিচিত। এটি নড়াইল, গোপালগঞ্জ, খুলনা, মাগুরা, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, যশোর এবং ঝিনাইদহ জেলাকে সংযুক্ত করেছে।

প্রকল্প কর্মকর্তাদের মতে, সেতুটি চালু হওয়ার মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের মানুষ দ্রুত সড়ক যোগাযোগ সুবিধা পাবে। কারণ, সেতুটি কালনাঘাট থেকে রাজধানী ঢাকা পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্ব কমিয়ে দেবে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্তত ১০টি জেলার মানুষ কম সময়ে বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করতে পারবে। এটি দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল, যশোর থেকে ঢাকা পর্যন্ত ভ্রমণের সময়ও কমিয়ে  দেবে, কারণ, এতে ঢাকা থেকে দূরত্ব হবে মাত্র ১৩০ কিলোমিটার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলা এবং নড়াইল জেলার অন্তর্গত লোহাগড়া উপজেলার মধ্যে মধুমতি সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এ অঞ্চলের মানুষ এখন পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট হয়ে ঢাকা-যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক ব্যবহার করে যার অর্থ তারা যশোর থেকে ঢাকায় পৌঁছাতে আরও ১০০ কিলোমিটার বেশি ভ্রমণ করে।

প্রকল্পের কর্মকর্তাদের মতে, সেতুটি এশিয়ান হাইওয়ের একটি অংশ যা রাজধানীকে দেশের বৃহত্তম বেনাপোল স্থলবন্দরসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত করবে।
২৭.১ মিটার চওড়া সেতুটিতে চারটি উচ্চ গতির লেন ৪.৩০ কিলোমিটার অ্যাপ্রোচ রোড এবং দুটি সার্ভিস লেনসহ ছয়টি লেন রয়েছে। 

তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু, যা বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম নাসিম ওসমানের নামে নামকরণ করা হয়েছে, এটি নারায়ণগঞ্জ শহরকে বন্দর উপজেলার সাথে সংযুক্ত করবে, অর্থনীতি চাঙ্গা করবে, পদ্মা সেতুর মাধ্যমে চট্টগ্রাম ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলার মধ্যে যোগাযোগ সহজতর করবে।


আরও খবর

এক দিনের সফরে যশোরে প্রধানমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার ২৪ নভেম্বর ২০২২




সিরাজগঞ্জে শিল্প পার্কে লাখো মানুষের কর্মসংস্থান হবে

প্রকাশিত:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ১০জন দেখেছেন
Image

বদরুল আলম দুলাল,সিরাজগঞ্জ :  শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, সিরাজগঞ্জে ৪০০ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত বিসিক শিল্প পার্কে সর্বমোট ৮২৯টি কারখানা স্থাপন হবে।

দেশের নামীদামি প্রতিষ্ঠান এখানে আসবে। এতে প্রায় এক লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।শুক্রবার (২৫ নভেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্প পার্কের নির্মাণকাজ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, যেকোনো কারণেই হোক প্রকল্পটি দেরি হয়ে গেছে। আশা করছি আগামী জুনের মধ্যে কাজ শেষ হলে প্রধানমন্ত্রী এর উদ্বোধন করবেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান এখানে জমির প্লট নিতে প্রস্তুত। তারা আসলে আরও বৃহৎ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এ সময় শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না, শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা, জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহাম্মদ, পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মন্ডল, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) চেয়ারম্যান মুহা. মাহবুবুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট কেএম হোসেন আলী হাসানসহ প্রকল্পের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 



আরও খবর



নেত্রকোনার বারহাট্টায় আমন ধানের নমুনা শস্য কর্তন

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image
সোহেল খান দূর্জয় : নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় আমন ধানের নমুনা শস্য কর্তন করা হয়েছে।  সোমবার (১৪ নভেম্বর) সকালে নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার ইউনিয়নে নমুনা শস্য কর্তন করা হয়।

উপজেলা কৃষি অফিসের তত্ত্বাবধানে বারহাট্টা সদর ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের আড়াই বিঘা জমিতে ব্রিধান ৭৫ জাতের ধান চাষ করেন। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ নিয়মিতভাবে তদারকি ও পরামর্শ দিয়ে কৃষককে সহযোগিতা করেন। স্বল্প সময়ে এই ধান পেকে থাকে। ধানের ফলন কেমন হয়েছে তা দেখার জন্য সোমবার নমুনা ফসল কর্তন করা হয়। এতে দেখা যায় হেক্টর প্রতি ৪.৫৫ মে. টন ধান (শুকনো) ফলেছে। 

নমুনা ফসল কর্তনের সময় উপজেলা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাকিবুল হাসান, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার উচ্ছাস পাল সহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। 

পাশের কৃষকরা উপস্থিত থেকে তাদের ভিন্ন জাতের ধানের তুলনায় ব্রিধান ৭৫ ভাল ফলন ও অগ্রিম ফসল উঠায় আগামীতে তারাও এই জাতের ধান চাষ করবে বলে জানান। 

উল্লেখ্য জীবনকাল কম হওয়ায় অগ্রিম ফসল কাটার সুবাধে একই জমিতে কৃষক এই জাতের ধান চাষ করবে বলে জানান।

আরও খবর



নেত্রকোনার খালিয়াজুরীতে ধনু নদীর তীরে ঐতিহ্যবাহী কাঠের বাজার

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ১৪জন দেখেছেন
Image

নেত্রকোনা প্রতিনিধিঃ  চির সবুজের নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক অপরুপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি নেত্রকোনা,এ জেলার মাঝে অভিরাম বয়ে চলেছে অনেক সুন্দর সুন্দর নদী। জেলার ধনু নদীর তীর ঘেঁষা খালিয়াজুরী উপজেলার চাকুয়া ইউনিয়নের একটি গ্রাম আর এই গ্রামেই রয়েছে জেলার ঐতিহ্যবাহী কাঠের বাজার লেপসিয়া। বহু প্রাচীন এ বাজারে নদীর পাড়েই নেত্রকোনা জেলার সবচেয়ে বড় কাঠের মোকাম। ধনু নদীর পূর্ব পাড়ে লেপসিয়া গ্রামের মোহনায় বিশাল এলাকা জুড়ে চলে কাঠের এ বাণিজ্য।

এক সময়ে সুন্দরীকাঠের বিশাল বাজার হিসাবে পরিচিত নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুরী উপজেলার চাকুয়া ইউনিয়নের লেপসিয়া এখন দেশীয় গ্রামীণ কাঠের সর্ববৃহৎ ভাসমান বাজার।গোল কাঠ বিক্রির জন্য নিয়ে নেত্রকোনা জেলাসহ বিভিন্ন উপজেলার ছোট ও মাঝারি কাঠ ব্যাবসায়ীরা আসেন এই বাজারে আর সেই কাঠ স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে নৌ-যোগে এবং ট্রাকের মাধ্যমে চলে যায় রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। ভাসমান এ কাঠ বাজারে প্রতি শনিবার প্রায় কোটি টাকার কাঠ বেচাকেনা হয়।কালের বিবর্তনে দেশীয় কাঠের ব্যবসা শুরু করে এখানকার ব্যবসায়ীরা। যা ধীরে ধীরে রূপ নেয় নেত্রকোনার সর্ববৃহৎ ভাসমান কাঠের বাজারে।

লেপসিয়া ধনু নদীর পাশেই রয়েছে শালদীঘা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও মুক্তিযোদ্ধাচরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে একটি ব্যবসায়িক বলয়। ময়মনসিংহ বিভাগের নেত্রকোনা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় হাজার হাজার ব্যবসায়ী কাঠ বিক্রি করেন ওই বাজারে। লেপসিয়া বাজারে কেনা কাঠ চেরাই করে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন উপজেলার হাটবাজারে নিয়ে বিক্রি করা হয়।

ব্যবসা-বাণিজ্য সমৃদ্ধ খালিয়াজুরী উপজেলাটি গোটা দেশে ব্যাপক পরিচিতি পেলেও কিছু অসাধু ব্যাক্তির পদচারণায় বর্তমানে ব্যবসায়ীদের দুর্দিন যাচ্ছে।

ধনু নদীর পশ্চিম পারে ও আরেকটি বাজার রয়েছে আদর্শ নগর। এখানেও চলে কাঠের জমজমাট ব্যবসা। ধনু নদীর মধ্যে বড় বড় নৌকা বোঝাই কাঠ আর কাঠ। কখনও কখনও নানান রকম গাছ পানিতে ভাসিয়েও রাখা হয়। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে কাঠ ব্যবসায়ীরা এখানে আসেন কাঠ কিনতে। বড় বড় কার্গো জাহাজ বোঝাই করে সেসব কাঠ পাঠিয়ে দেওয়া হয় দেশের বিভিন্ন স্থানে।

দেশের সর্ববৃহৎ কাঠের বাজার লেপসিয়াতে একটি ট্রাক লোড পয়েন্ট নির্মাণ করা হলে বাড়বে ব্যবসার প্রসার, কমবে কাঠের মূল্য ও পরিবহন খরচ, বাঁচবে সময়। তাই সরকারের কাছে একটি ট্রাক লোড পয়েন্টের দাবী লেপসিয়া বাজার কাঠ ব্যবসায়ীদের।

এবিষয়ে জানতে চাইলে চাকুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন,লেপসিয়া বাজারটি জেলার ভিতরে কাঠের জন্য বিখ্যাত, এই বাজারে প্রতি শনিবার দেশের দূর দূরান্ত থেকে শত শত কাঠ ব্যবসায়ী এই বাজারে কাঠ বেচাকেনা করে,প্রতি শনিবার এই বাজারে কোটি কোটি টাকার কাঠ বেচাকেনা হয়।


আরও খবর



মিথ্যা মামলার ছোবল থেকে রেহাই পেতে দিলরুবা বেগমের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | ৯২জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাড়ির পানি নিষ্কাশনের ঘটনা নিয়ে মিথ্যা মামলা নিয়ে জেলহাজতে বাস করছেন রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার ডিঙ্গাডোবা ঘোষমহাল এলাকার সোনা আমিন বাবু।

৮ ডিসেম্বর দুপুরে রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে দিলরুবা বেগম অভিযোগ করে বলেন  তার প্রতিবেশি পুলিশের অবসর প্রাপ্ত উপ পরিদর্শক (এস আই) আকতার জোরপুর্বক তাদের বাড়ির পানি নিষ্কাশনের পাইপটি ভেঙ্গে ফেলেন। এই ঘটনায় আকতারকে বাধা দিতে গেলে আকতার রাজপাড়া থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক ( এস আই ) মাহাফুজকে নিয়ে এসে হুমকি ধামকি প্রদান করেন।

দিলরুবা বেগম বলেন এমন ঘটনা নিয়ে দিলরুবা বেগম রাজপাড়া থানায় মামলা করতে গেলে রাজপাড়া থানা পুলিশ তার মামলা গ্রহণ করে নাই। আকতার বাদি হয়ে  দিলরুবা বেগমের স্বামী সোনা আমিন বাবু তার শ্বশুর ৭৫ বছরের বৃদ্ধ বনি আমিন,দিলরুবা বেগম সহ কয়েকজনকে আসামি করে একটি নাটকীয়  চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় দিলরুবা বেগম আদালত থেকে জামিনে বেরিয়ে আসলেও তার স্বামী সোনা আমিন বাবু রয়েছেন জেলহাজতে।

তিনি বলেন সংসারের একমাত্র উপার্জনের ব্যক্তি মিথ্যা মামলায় জেলহাজতে থাকার কারনে আমরা মানবেতর জীবন যাপন করছি। অপর দিকে প্রভাবশালী আকতার বিভিন্ন ভাবে আমাদের আবার হুমকি ধামকি প্রদান করছেন।

৭৫ বছরের বৃদ্ধা বনি আমিন সংবাদ সম্মেলনে বলেন এই বয়সে আমি নড়াচড়া করতে  রিতিমত হিমশিম খাই, আর আমার নামে মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা করে আমাকে  কোর্টে নিয়েছেন এর জন্য আল্লাহকে বিচার দিয়েছি।

দিলরুবা বেগমের মেয়ে বলেন আকতার পুলিশের চাকরি থেকে অবসরে যেয়েও তার ভেতর থেকে পুলিশের ভাব যায়নি। তিনি বলেন ডিঙ্গাডোবা ঘোষ মহাল এলাকায় তার আচরনে সাধারণ মানুষ অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। এমন ষড়যন্ত্র মুলক মিথ্যা মামলার সঠিক তদন্ত দাবি করেন তিনি। একজন অবসর প্রাপ্ত পুলিশ সদস্য থানা পুলিশের  সাথে আতাত করে কোন  নিরহ মানুষকে  যেন মিথ্যা ষড়যন্ত্র মুলক মামলায় ফাঁসাতে না পারেন সেই বিষয়ে পুলিশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন নির্যাতিতার মেয়ে।

অপর দিকে রাজপাড়া থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক (এস আই ) মাহফুজ তাদের বাড়িতে জোরপুর্বক প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করা সহ সরাসরি আকতারের পক্ষে (এস আই) মাহফুজ  কাজ করার বিষয় নিয়ে শংকিত রয়েছে দিলরুবার পরিবার। তাদের ধারণা যে কোন সময় তাদের আবারো কোন নাটকীয় মামলায় হয়রানি করা হবে।

জানতে চেয়ে রাজপাড়া থানার উপ পরিদর্শক ( এস আই ) মাহফুজকে মুঠো ফোনে ফোন করলে তিনি বলেন আকতার রহমানের করা মামলায় আমি তদন্তে গুয়েছি এটি সত্য। তবে হুমকি ধামকির কোন ঘটনা ঘটেনি।


আরও খবর



টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া

উপজেলা আওয়ামী লীগের ব্যবস্থ্যাপনায় নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
Image

মহাসিন শেখ,টুংগিপাড়া প্রতিনিধিঃ এমপি শেখ সারহান নাসের তন্ময়ের উদ্যোগে টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ব্যবস্থ্যাপনায় অনুষ্ঠিত নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন আহমদ। 

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শেখ হেলাল উদ্দীন এমপি, শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল এমপি, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস.এম কামাল হোসেন, জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় সভাপতিত্ব করেন টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আবুল বাসার খায়ের। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করেন অতিথিগন।



আরও খবর