Logo
আজঃ সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২
শিরোনাম

মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান, ক্রিকেট মাঠে মহাযুদ্ধ আজ

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৯৬জন দেখেছেন
Image

এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ১৫তম আসরের সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচে আজ রবিবার মুখোমুখি হচ্ছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। এ দুই দেশের লড়াইটা বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে মর্যাদাকর হিসেবেই পরিচিতি লাভ করেছে। এই মর্যাদার লড়াইয়ে জিততে মুখিয়ে থাকে দু’দলই। তাই প্রতিবারই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে থাকে বাড়তি উন্মাদনা। এবারো এর ব্যতিক্রম নয়। টুর্নামেন্টে এ’ গ্রুপে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় মুখোমুখি হবে ভারত ও পাকিস্তান।

দুই দলের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বন্ধ হওয়ার পর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের আবেদন যেন আরও বেড়েছে। বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, এশিয়া কাপের মতো আসরে তাই ভারত ও পাকিস্তানের ম্যাচ মানেই গোটা ক্রিকেট বিশ্বে বাড়তি রোমাঞ্চ। দুই দলের এবারের লড়াই দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। এই ভেন্যুতে ব্যাটার ও বোলারদের ভারসাম্য থাকে প্রতিটি ম্যাচেই। বাউন্ডারি ছোট বলে ব্যাটাররা দ্রুত রান তোলার কথা ভাববেন, এটাই স্বাভাবিক। তবে ছেড়ে কথা বলবেন না বোলাররাও। নতুন বলে পেসাররা গতি ও বাউন্স দিয়ে নাভিশ্বাস তুলতে পারেন ব্যাটারদের। আবার স্পিনাররা মাঝখানের ওভারগুলোতে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারেন যেকোনো দলের বিপক্ষে।

একাদশ সাজাতে তাই রোহিত শর্মা ও বাবর আজমের দলকে বেশ মুন্সিয়ানার পরিচয় দিতে হবে। সেক্ষেত্রে দলের সেরা খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতি ভোগাবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীকেই। চোটের কারণে ভারত এই ম্যাচে পাচ্ছে না পেসার জাসপ্রিত বুমরাহকে। একইভাবে পাকিস্তান পাচ্ছে না তাদের সেরা পেসার শাহীন শাহ আফ্রিদিকে। দুই মূল হাতিয়ার ছাড়া কেমন হতে পারে দুই দলের একাদশ, তা নিয়ে চলছে জল্পনাকল্পনা।

দুবাইয়ে ইতোমধ্যে মুহূর্তের অনুশীলন করেছেন ভারত ও পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা। অনুশীলনের ফাঁকে পরস্পরের সঙ্গে করমর্দন করছেন দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের ক্রিকেটাররা। ইনজুরিতে শেষ মুহূর্তে এশিয়া কাপ থেকে সরে দাঁড়ান বাঁহাতি পেসার শাহীন আফ্রিদি। বাঁহাতি পেসার না থাকায় পাকিস্তানের পেস অ্যাটাকের শক্তি কমেছে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু দলকে উৎসাহ দিতে দুবাইয়ে হাজির হয়েছেন তিনি। অনুশীলন শেষে আফ্রিদি করমর্দনে শুভকামনা জানিয়েছেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে। শুধু আফ্রিদি নন, পাকিস্তানে অধিনায়ক বাবর আজম, লেগ স্পিনার শাদাব খানরাও শুভকামনা জানিয়েছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটারকে।

তবে ভারত-পাকিস্তান লড়াইকে শুধুমাত্র একটি ‘ম্যাচ’ বলেই মনে করেন দুই দলের বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটাররা। তাদের মতে, এটি অন্যান্য ম্যাচের মতই। তবে চাপ অনুভব করেন দলে থাকা ক্রিকেটাররা। বাড়তি চাপ থাকায়, মর্যাদার লড়াইয়ে জিততে মরিয়া ভারত ও পাকিস্তান। ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মা বলেন, সকলেই এই ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকে। খুব চাপের ম্যাচ এটি, তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। তবে দলের পরিবেশ হালকা পরিবেশ রাখতে চাই। এই ম্যাচ নিয়ে খুব ভেবে নিজেদের চাপে ফেলতে চাই না। যারা কোনো দিন পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলেনি বা মাত্র একটি-দুটি ম্যাচে খেলেছে, তাদের ভালো করে এই ম্যাচের গুরুত্ব বোঝাতে চাই। আমরা পাকিস্তানকে অন্য যে কোনো সাধারণ বিপক্ষের মতোই দেখছি। তবে ম্যাচ জিতেই মাঠ ছাড়ার লক্ষ্য আমাদের।

রোহিতের সুরে কথা বলেন পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজমও। তিনি বলেন, অন্যান্য ম্যাচের মত হলেও, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে বাড়তি চাপ এমনতিতেই চলে আসে। এই চাপকে সামলেই লড়াই করতে হয় ক্রিকেটারদের। কারণ সকলেই জানে, এমন ম্যাচের গুরুত্ব কত বেশি। তাই জয়ের জন্য মুখিয়ে থাকে ক্রিকেটাররা। এবারো আমরা জয়ের জন্য মাঠে নামবো।

এদিকে, দুই ক্রিকেট পরাশক্তির টি-২০ ম্যাচ নিয়ে উন্মাদনার সৃষ্টি হয়েছে দুবাইসহ গোটা বিশ্বের ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে। এই ম্যাচ দিয়ে এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের মিশন শুরু হবে রোহিত শর্মার ভারত ও বাবর আজমের পাকিস্তানের। দুবাইয়ে দুই দল সর্বশেষ টি-২০ ম্যাচ খেলেছিল গত অক্টোবরে। টি-২০ বিশ্বকাপের ওই ম্যাচে ভারতকে ১০ উইকেটের আকাশসমান ব্যবধানে হারিয়েছিল পাকিস্তান। সেই ম্যাচে শাহীন শাহ আফ্রিদির বিধ্বংসী বোলিংয়ে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫১ রান করেছিল ভারত। মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৭৯ ও বাবরের ৬৩ রানে ভর করে পাকিস্তান ম্যাচটি জিতেছিল ১৩ বল হাতে রেখে। 

অবশ্য দুই দেশের পরিসংখ্যানের বিচারে এগিয়ে রোহিত শর্মার ভারত। ৯ ম্যাচের ৬টিতে জিতেছেন রোহিতরা এবং বাবরের পাকিস্তানের জয় ২টি। ২০০৭ সালে প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপে দুই দল প্রথম খেলেছিল টি-২০ ম্যাচ। ‘টাই’ ম্যাচটি ‘বোল আউট’ পদ্ধতিতে জিতেছিল ভারত। এশিয়া কাপে দুই দল একবার খেলেছে পরস্পরের বিপক্ষে। ২০১৬ সালে মিরপুর স্টেডিয়ামে ম্যাচটি ভারত জিতেছিল ৫ উইকেটে।

অন্যদিকে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে আড়াল করে সব আলো কেড়ে নিয়েছেন কোহলি। ছন্দহীন ভারতীয় ড্যাসিং ক্রিকেটার যেন রানে ফিরেন ক্রিকেটপ্রেমীদের মতো পাকিস্তানের ক্রিকেটাররাও চাইছেন। আফ্রিদি করমর্দন শেষে বলেন, ‘আপনি আবার রানে ফিরুন। এটাই প্রার্থনা করছি।’ পাকিস্তানের লেগ স্পিনার শাদাব খান বলেন, ‘বিরাট কোহলি সেঞ্চুরি করুন। তবে নিশ্চিত করে সেটা আমাদের বিপক্ষে নয়। অন্য দলের বিপক্ষে।’ 

আদিকে, আজ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে যদি আজ নামেন ভারতীয় সাবেক এই অধিনায়ক, তাহলে নতুন একটি মাইলফলক গড়বেন। অধিনায়ক রোহিতের পর দ্বিতীয় ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে টি-২০ ক্রিকেটে ১০০ ম্যাচ খেলার মাইলফলক গড়বেন তিনি। ১৩২ ম্যাচের ১২৪ ইনিংসে রোহিতের রান ৪ সেঞ্চুরি ও ২৭ হাফসেঞ্চুরিতে ৩৪৮৭ রান। কোহলি ৯৯ ম্যাচের ৯১ ইনিংসে ৩০ হাফসেঞ্চুরিতে রান করেছেন ৩৩০৮।   

প্রসঙ্গত, আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কা ম্যাচ দিয়ে শনিবার (২৭ আগস্ট) শুরু হয়েছে এশিয়া কাপ। অক্টোবর-নভেম্বর টি-২০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এবারের এশিয়া কাপের খেলাগুলো হচ্ছে টি-২০ ফরম্যাটে। 


আরও খবর

এশিয়া কাপ শেষে দেশে ফিরলো টাইগাররা

শনিবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২




এশিয়া কাপ ২০২২

পাকিস্তানকে হারিয়ে শুভ সূচনা ভারতের

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৮২জন দেখেছেন
Image

দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ ২০২২ এর দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানকে ০৫ উইকেটে হারিয়ে শুভ সূচনা করলো ভারত। রবিবার (২৮ আগস্ট) দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে পাকিস্তানকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠায় রোহিত শর্মা। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে সব উইকেট হারিয়ে ১৪৭ রান সংগ্রহ করে বাবর আজমের পাকিস্তান। 

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ০২ বল বাকি থাকতে নিদৃষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে যায় কোহলিরা। দলের হয়ে ২৯ বলে সর্বচ্চো ৩৫ রান করেন রাবিন্দ্র জাদেজা। অন্যদিকে ১৭ বলে ৩৩ রান করে অপরাজিত থাকেন হার্দিক পান্ডিয়া। 

১৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় ভারত। অভিষিক্ত নাসিম শাহর করা দ্বিতীয় বলে বোল্ড হন লোকেশ রাহুল। কাট করতে গিয়ে বল উইকেটে টেনে আনেন রাহুল (১ বলে ০)। এরপর বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা বেশ কয়েকবার পরাস্ত হলেও ভাগ্যগুণে আউট হওয়া থেকে বেঁচে যান দুজনই। তবে সে ধারাবাহিকতা বেশিক্ষন ধরে রাখতে পারেননি তারা। মোহাম্মদ নেওয়াজের বলে ধরাশায়ী হোন দুজনই। আউট হওয়ার আগে ১৮ বলে ১২ রান করেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। অন্যদিকে ৩৪ বলে ৩৫ রান করে সাজ ঘরে ফেরেন ভিরাট কোহলি। তার আউটের পর মাঠে নামেন সূর্যকুমার যাদব। ১৮ বলে ১৮ রান করে নাসিম শাহর বলে আউট হন তিনি। সূর্যকুমারের আগে ব্যাট করতে নামা জাদেজার করা ২৯ বলে ৩৫ রান ও হার্দীক পান্ডিয়ার করা ১৭ বলে ৩৩ রানের উপর ভর করে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত।

পাকিস্তানের পক্ষে ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন মোহাম্মদ নেওয়াজ। ২৭ রানে ২ উইকেট নেন নাসিম শাহ।

এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই ভুবনেশ্বরের তোপ টের পায় পাকিস্তানি দুই ওপেনার। ওই ওভারে মোহাম্মদ রিজওয়ানকে দেখতে হয় দুবার রিভিউ। ভুবনেশ্বরের করা তৃতীয় ওভারের চতুর্থ বলে বাবর আজম বিদায় নেন ১০ (৯) রান করে। ফখর জামানকে বিদায় করেন আভেষ খান। ইফতিখার আহমেদকে ২ রানে ফেরান হার্দিক পান্ডিয়া। একপাশ আগলে রাখা মোহাম্মদ রিজওয়ান ৪৩ (৪২) রানে বিদায় করেন পান্ডিয়া। এরপর পাকিস্তানের ব্যাটাররা পেরে উঠতে পারেনি ভারতীয় বোলারদের সামনে। শেষ দিকে শাহনেওয়াজ দাহানির ৬ বলে ১৬ এবং হারিস রউফের ৭ বলে ১৩ রানে লড়াইয়ের পুঁজি পায়।

ভারতের পক্ষে ২৬ রানে ৪ উইকেট নেন ভুবনেশ্বর। ৩ উইকেট নেন হার্দিক পান্ডিয়া। ২টি উইকেট নেন অর্শদিপ সিং ও ১ উইকেট নেন আভেষ খান।



আরও খবর

এশিয়া কাপ শেষে দেশে ফিরলো টাইগাররা

শনিবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২




বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন

কোটালিপাড়া শাখা কমিটি অনুমোদন কাজী অমিত মাহমুদ সভাপতি মাহবুব সুলতান সাধারণ সম্পাদক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৫০২জন দেখেছেন
Image

 কোটালিপাড়া, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

গোপালগঞ্জের  কোটালীপাড়ায়  মানবাধিকার কমিশন কোটালিপাড়া শাখার কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গত বুধবার বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের পরিচালক এ্যাডভোকেট ফারাহ দিবা জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মুরাদুল ইসলামের মাধ্যমে সাক্ষরিত কমিটির অনুমোদন পত্র কোটালিপাড়া শাখা কমিটির কাছে হস্তান্তর করেছেন।

কোটালিপাড়া উপজেলা শাখায়২৬ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটির মধ্যে মানবতাবাদী কাজী অমিত মাহমুদ কে সভাপতি ও সাংবাদিক এফ এম মাহাবুব সুলতান কে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন  নির্বাহী সভাপতি সাংবাদিক সুবল চক্রবর্তী সহ সভাপতি মনিন্দ্র মাস্টার,সহসভাপতি প্রমথ সরকার  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কমল দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক জেমস বাড়ৈ প্রচার সম্পাদক রনি আহমেদ ক্রীড়া সম্পাদক প্রভাষক  চয়ন ,বিশ্বাস, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক রেবুয়াল হোসেন, মহিলা বিযয়ক সম্পাদীকা রওশন জাহান,নির্বাহী সদস্য সাবীর বিন সুলতান প্রমুখ


আরও খবর



বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একধাপ এগিয়ে যেতে চান সাইদুর রহমান চৌধুরী

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৯৫জন দেখেছেন
Image

নেত্রকোনা প্রতিনিধিঃ প্রকৃতি ও অপরূপ সৌন্দর্যের নীলাভূমি বারহাট্টা উপজেলার চিরাম ইউনিয়ন, একটি মনোমুগ্ধকর ইউনিয়ন, এই ইউনিয়নের হয়েছে ছোট বড় কয়েকটি দৃশ্যমান বিল যা দেখলে যে কেউ প্রকৃতির প্রেমে পাগল হয়ে যায়, সেজন্যই প্রতি নিহতই এই এলাকায় ঘুরতে আসে অনেক পর্যটক। এই ইউনিয়নের একজন আদর্শবান চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান চৌধুরী চিরাম ইউনিয়ন বাসীর সেবা করার উদ্দেশ্যেই যিনি জনগণের দ্বারে দ্বারে কাজ করে যাচ্ছেন। সেই ধারাবাহিকতায় তিনি গত ইউপি নির্বাচনে নৌকা মার্কা নিয়ে অংশগ্রহণ করে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর থেকে বিপুল ভোট পেয়ে চিরাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এছাড়া আজ অবধি তিনি কোনো অন্যায় অবিচারের সঙ্গে আপোষ করেননি। দৃঢ় অবস্থানের কারণে নিজ নির্বাচিত এলাকায় দিনের পর দিন তার জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। বর্তমানে যার বিকল্প হিসেবে অন্য কাউকে দেখছে না ইউনিয়নবাসী। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সেই মেধাবী ও পরিশ্রমী মানুষটি নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার চিরাম ইউনিয়ন পরিষদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান চৌধুরী।

বারহাট্টা উপজেলার চিরাম ইউনিয়ন এক সময়ের অবহেলিত এই অঞ্চলটির সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য তেমন কোনো পাকা কিংবা আরসিসি ঢালাইয়ের রাস্তা ছিল না। ফলে চলাচলের সময় নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতেন তারা। জনসাধারণের এই দুর্দশা আর দুর্বস্থা দেখে জনগণের সেবা করার উদ্যেশে ইউপি নির্বাচনে অংশগ্রহন করেন। ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ইতোমধ্যে এই ইউনিয়নের রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ দৃশ্যমান হচ্ছে।পাল্টে দিচ্ছেন সম্পূর্ণ ইউনিয়নের সামগ্রিক চিত্র।

চিরাম ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় আরসিসি ঢালাইয়ের রাস্তা এবং সঙ্গে ড্রেনেজ ব্যবস্থার কাজ চলমান রয়েছে, দেখে আপনার মনে হতে পারে আপনি কোনো মডেল টাউনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। তাই এই ইউনিয়নকে একটা মডেল ইউনিয়ন বলা যেতেই পারে। উন্নয়ন কাজের পাশাপাশি মহামারি করোনাকালীন পরিস্থিতির শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত এই ইউনিয়নের কর্মহীন ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে ব্যক্তিগত উদ্যোগে খাদ্য এবং স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী দেওয়াসহ বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ডের কারণেই তিনি আজ জননন্দিত। অন্যদিকে তিনি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের পর থেকে এলাকায় মাদক এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো-টলারেন্স নীতি অবলম্বনে কাজ করে চলেছেন।

এলাকার কয়েকজন সাধারণ মানুষের সাথে কথা হলে তারা বলেন , চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান চৌধুরী চিরাম ইউনিয়নের উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। ইউনিয়নবাসী বলেন সাইদুর রহমান চৌধুরী চেয়ারম্যানের বিকল্প হিসেবে অন্য কাউকে ভাবতে চাই না।

চিরাম ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সাইদুর রহমান চৌধুরী চেয়ারম্যান এর বিকল্প কোন চেয়ারম্যান তারা চায়না। তারা শুধুই বলে বিগত ৫০ বছরেও সেই রকম কোনো উন্নয়ন হয় নাই। যা সাইদুর রহমান চৌধুরী চেয়ারম্যান করে দেখাচ্ছেন, আমরা উনার মত চেয়ারম্যানকে বারবার চেয়ারম্যান হিসেবে চিরাম ইউনিয়নে দেখতে চাই।

চিরাম ইউনিয়ন পরিষদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান নৌকার মাঝি সাইদুর রহমান চৌধুরী জানান, আমি ইউনিয়ন বাসীর ভালোবাসা নিয়েই কাজ করতে চাই তাদের সাথে নিয়েই অনেক দূর এগিয়ে যেতে চাই। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার স্বপ্ন পূরণ করতে চাই। জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী, আমি আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কার একজন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে আমি আমার লক্ষ্যে পৌঁছাতে চাই আমার ইউনিয়ন বাসীর সহযোগিতায়।


আরও খবর



নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকা হতে

বিদেশী পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্রসহ ০১ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৮৯জন দেখেছেন
Image

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩০ আগস্ট ২০২২ র‌্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানাধীন মদনপুর আন্দিরপাড় হেদায়েত পাড়া এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ ০১ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম মোঃ সোহেল (২৮) বলে জানা যায়। এসময় তার নিকট থেকে ০১টি অবৈধ বিদেশী পিস্তল, ০১টি ম্যাগাজিন, ০৩টি কার্তুজ, ০৫টি দেশীয় অস্ত্র ছুরি, ০১টি চাপাতি ও ০১টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি একজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী। এছাড়া তার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় ০১টি ধর্ষণ মামলা ও রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় ০১টি মাদক মামলা রয়েছে বলে জানা যায়।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি অস্ত্র মামলা রুজু করা হয়েছে।


আরও খবর



রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামান: শেখ হাসিনা

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ২৪জন দেখেছেন
Image

বৈশ্বিক শান্তির জন্য ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে গোটা মানবজাতিকে কষ্ট থেকে মুক্তি দিতে সব ধরনের অস্ত্র প্রতিযোগিতা, যুদ্ধ-সংঘাত এবং নিষেধাজ্ঞা বন্ধ করারও আহ্বান জানান তিনি।

শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় বিকেলে (বাংলাদেশ সময় শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। বরাবরের মতো এবারও তিনি বাংলায় ভাষণ দেন। এটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে শেখ হাসিনার ১৯তম ভাষণ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ইউক্রেন ও রাশিয়ার সংঘাতের অবসান চাই। নিষেধাজ্ঞা, পাল্টা-নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে একটি দেশকে শাস্তি দিতে গিয়ে নারী, শিশুসহ ও গোটা মানবজাতিকেই শাস্তি দেওয়া হয়। এর প্রভাব কেবল একটি দেশেই সীমাবদ্ধ থাকে না বরং সকল মানুষের জীবন-জীবিকা মহাসঙ্কটে পতিত হয়। মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়। খাদ্য, বাসস্থান, চিকিৎসা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়। বিশেষ করে, শিশুরাই বেশি কষ্ট ভোগ করে। তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে হারিয়ে যায়। বিশ্ব বিবেকের কাছে আমার আবেদন, অস্ত্র প্রতিযোগিতা, যুদ্ধ, স্যাংশন বন্ধ করুন। শিশুকে খাদ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তা দিন। শান্তি প্রতিষ্ঠা করুন।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা দেখতে চাই, একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব- যেখানে থাকবে বর্ধিত সহযোগিতা, সংহতি, পারস্পরিক সমৃদ্ধি এবং ঐকবদ্ধ প্রচেষ্টা। আমাদের একটি মাত্র পৃথিবী এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এই গ্রহকে আরও সুন্দর করে রেখে যাওয়া আমাদের দায়িত্ব।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকদের হাতে সপরিবারে বাবা-মাকে হারানোর কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কাজেই যুদ্ধের ভয়াবহতা, হত্যা-ক্যু-সংঘাতে মানুষের যে কষ্ট-দুঃখ-দুর্দশা হয়, ভুক্তভোগী হিসেবে আমি তা উপলদ্ধি করতে পারি। তাই যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই, মানবকল্যাণ চাই। মানুষের অর্থনৈতিক উন্নতি চাই।

শেখ হাসিনা বলেন, আগামী প্রজন্মের জন্য শান্তিময় বিশ্ব, উন্নত-সমৃদ্ধ জীবন নিশ্চিত করতে চাই। আমার আকুল আবেদন, যুদ্ধ, অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করুন। সমুন্নত হোক মানবিক মূল্যবোধ। আসুন, সবাইকে এক সঙ্গে নিয়ে হাতে হাত মিলিয়ে আমরা একটি উত্তম ভবিষ্যৎ তৈরির পথে এগিয়ে যাই।

আলাপ আলোচনাই বিরোধ-সংঘাত মেটানোর সর্বোত্তম উপায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ বা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, পাল্টা-নিষেধাজ্ঞার মত বৈরীপন্থা কখনও কোন জাতির মঙ্গল বয়ে আনতে পারে না। পারস্পরিক আলাপ-আলোচনাই সঙ্কট ও বিরোধ নিষ্পত্তির সর্বোত্তম উপায়।

সংকট উত্তরণে ‘গ্লোবাল ক্রাইসিস রেসপন্স গ্রুপ’ গঠন করায় জাতিসংঘের মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এই গ্রুপের একজন চ্যাম্পিয়ন হিসেবে, আমি বর্তমান পরিস্থিতির গুরুত্ব ও সঙ্কটের গভীরতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি বৈশ্বিক সমাধান নিরূপণ করতে অন্যান্য বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি।

সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বাংলাদেশের এই নীতির কথা তুলে ধরে সরকার প্রধান বলেন, বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রণীত পররাষ্ট্রনীতির মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে- "সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বৈরীতা নয়"। বাংলাদেশ জন্মলগ্ন থেকেই এই প্রতিপাদ্য-উদ্ভূত জোটনিরপেক্ষ নীতি অনুসরণ করে আসছে।

এ বছরের সাধারণ বিতর্কের প্রতিপাদ্য-"একটি সঙ্কটপূর্ণ সন্ধিক্ষণ: আন্তঃসংযুক্ত প্রতিকূলতাসমূহের রূপান্তরমূলক সমাধান"।

শেখ হাসিনা বলেন, এবারের প্রতিপাদ্যটি এ সকল প্রতিকূলতা মোকাবিলায় এবং আমাদের অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করে শান্তিপূর্ণ ও টেকসই পৃথিবী গড়ে তোলার উপায় খুঁজে বের করার জন্য সকলের ঐক্যবদ্ধ আকাক্সক্ষার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। আর এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমাদের এখনই সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে হবে।


আরও খবর

২২ দিন ইলিশ ধরা-বিক্রি নিষিদ্ধ

বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এসএসসির প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষ হলো

বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২