Logo
আজঃ রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২
শিরোনাম

নেত্রকোনার পাড়া-মহল্লা ও রাস্তার পাশে শীতের পিঠার পসরা দেখতে অসাধারন

প্রকাশিত:সোমবার ২১ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৪৪জন দেখেছেন
Image
সোহেল খান দূর্জয় : শীত প্রায় এসেই গেলো। প্রকৃতি অন্তত সেই বার্তাটা জানান দিতে শুরু করেছে। শীত মানেই তো পিঠা-পুলির দিন। পিঠার ঘ্রাণে ম-ম করবে চারদিক। এমন কিছু ভাবনাই তো বাঙালির মানসপটে জায়গা করে নেয়। হালকা শীতল আমেজ নিয়ে আসা বিকেল কিংবা সন্ধ্যায় এখন পিঠা বিক্রির ধুম পড়ে যায়। শীতের আগমনীবার্তা পেয়েই জমে উঠেছে নেত্রকোনার বিভিন্ন রাস্তার পাশে পিঠা বেচাকেনার দোকান গুলো। নেত্রকোনার বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট পিঠার দোকানে পসরা সাজিয়ে বসছে বিক্রেতারা। অনেকে আবার পেশা পরিবর্তন করেও বসছে পিঠা বিক্রির দোকান নিয়ে। বেচাকেনাও বেশ ভালোই।

শীতের আগমনে প্রকৃতিতে এখন হিম হিম গন্ধ। শিশির ভেজা ঘাসের ডগায় মুক্তোর দানা। ভোরের কাঁচা রোদ মৃদু হিমস্পর্শ প্রাণে শিহরণ তুলে বিদায় নিচ্ছে হেমন্তের রাজ কার্তিক। ধীরে ধীরে নেত্রকোনা ঢেকে যাচ্ছে শীতের চাঁদরে। পিঠা ছাড়া ভোজন রসিক বাঙালির শীত যেন পরিপূর্ণ হয় না। শীতে পিঠা খাওয়ার রীতি গ্রাম-বাংলার চিরায়ত সংস্কৃতির অংশ। সেই রীতিতে পিছিয়ে নেই নেত্রকোনাবাসীও।

শীতকে সামনে রেখে নেত্রকোনার পাড়া-মহল্লা ও বিভিন্ন রাস্তার পাশে পিঠার দোকান নিয়ে বসেছেন পিঠা বিক্রেতারা। এছাড়াও নেত্রকোনার মাছুয়া বাজার, রেলক্রসিং বাজর, বুষের বাজার, ইসলামপুর,ও রাজুর বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে হরেক রকমের পিঠার দোকানও বসেছে। তবে মানুষের কাছে চিতই ও ভাপা পিঠার কদর বেশি।

অল্প পুঁজি ও কম পরিশ্রমে ভালো লাভ হওয়ায় অর্ধশতাধিক নারী-পুরুষ পিঠা ব্যবসায় নেমেছেন। দোকানগুলোয় পিঠার পাশাপাশি রয়েছে হরেক রকমের ভর্তাও। এসব পিঠার দোকানে অফিসগামী কিংবা বাড়ি ফেরার পথে অনেককেই দেখা যায় পিঠার স্বাদ নিতে। হাতের নাগালে পছন্দের শীতের পিঠা খেতে পেরে খুশি শহরের মানুষগুলো।

গুড় ও নতুন চালের গুড়ি দিয়ে ভাপা পিঠা বানানো হয়। গরম পানির তাপে (ভাপে) এ পিঠা তৈরি হয় বলে একে ভাপা পিঠা বলা হয়। এ পিঠাকে আরো সুস্বাদু ও মুখরোচক করতে নারকেল ও গুড় ব্যবহার করা হয়। পিঠা তৈরিতে একটি পাতিল ও ঢাকনা ব্যবহার করা হয়। জ্বলন্ত চুলার উপর পাতিলে পানি দিয়ে ঢাকনার মাঝখানটা ছিদ্র করে পাত্রের মুখে দিতে হয়। এ সময় ঢাকনার চারপাশে আটা, চালের গুড়ি ও কাপড় দিয়ে শক্ত করে মুড়ে দেয়া হয়। যাতে করে গরম পানির ভাপ বের হতে না পারে। পরে ছোট একটি গোল পাত্রের মধ্যে চালের গুড়ি, নারকেল ও গুড় মিশিয়ে পাতলা কাপড়ের আবরণে ঢাকনার মুখে রাখা হয়। পানির হালকা গরম তাপে নিমিষেই সিদ্ধ হয়ে যায় নতুন চালের মজাদার ভাপা পিঠা। একটি পিঠা বানাতে ২ থেকে ৩ মিনিট সময় লাগে। পাতিলের মুখ থেকে পিঠা উঠানোর সময় নতুন চাল ও গুড়ের মন মাতানো গন্ধে ভরে যায় চারপাশ। প্রতি পিস পিঠা মানভেদে ৫ থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হয়।

নেত্রকোনার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে পিঠা বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, মৌসুমি এই পিঠা গুলোর প্রতি মানুষের আগ্রহের কমতি নেই। মূলতঃ সকাল ও সন্ধ্যায় পিঠা বিক্রি হলেও সন্ধ্যার বাজারে তুলনামূলক পিঠার চাহিদা বেশি থাকে। নেত্রকোনা মাছুয়া বাজার এলাকার পিঠা বিক্রেতা বাদশা মিয়া এই প্রতিনিধিকে বলেন, চিতই, ভাপা, ডিমচিতই  পিঠার চাহিদা সবচেয়ে বেশি। তবে ভাপা আর চিতই পিঠার কদর এবং বিক্রি বেশি। বন্ধুদের সঙ্গে পিঠা খেতে আসা কবির হোসেন এই প্রতিনিধিকে জানান, এই শীত-শীত সন্ধ্যায় চিতই পিঠার সাথে সরিষার ভর্তা, শুটকি ভর্তা, মরিচের ভর্তা, ধনেপাতা ভর্তা, কাচা মরিচের ভর্তা জিভে জল আসার মত স্বাদের কারণেই আমরা প্রতিদিন এখানে আসি পিঠা খেতে।

আরও খবর



বাবার পর ভারতে ছেলেও প্রধান বিচারপতি, শপথ নিলেন ধনঞ্জয় চন্দ্রচূড়

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৮৩জন দেখেছেন
Image

ভারতের ৫০তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথগ্রহণ করেছেন বিচারপতি ধনঞ্জয় যশবন্ত চন্দ্রচূড়। বুধবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু চন্দ্রচূড়কে শপথবাক্য পাঠ করান। মঙ্গলবারই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন উদয় উমেশ ললিত। শপথ নেওয়ার পরেই চন্দ্রচূড় বলেছেন, “আমার কাজ কথা বলবে”।

১১ অক্টোবর কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি লিখে বিচারপতি ললিত তার উত্তরসূরি হিসেবে চন্দ্রচূড়ের নাম প্রস্তাব করেছিলেন। কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে চন্দ্রচূড়ের নাম রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হলে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মতি জানান। 

চন্দ্রচড়ের বাবা যশবন্ত বিষ্ণু (ওয়াই ভি) চন্দ্রচূড় আট বছর (১৯৭৮-১৯৮৫) ভারতের প্রধান বিচারপতি ছিলেন। এত দীর্ঘ সময় ধরে ভারতে কেউ প্রধান বিচারপতি পদে থাকেননি। পিতা এবং পুত্র দু’জনেই ভারতের প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন, এমন নজিরও আগে দেখা যায়নি। ২০১৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে কাজ শুরু করা চন্দ্রচূড় প্রধান বিচারপতির পদে ২০২৪ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত থাকবেন। 

সূত্র : আনন্দবাজার


আরও খবর



সিরাজগঞ্জে শিল্প পার্কে লাখো মানুষের কর্মসংস্থান হবে

প্রকাশিত:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ১২জন দেখেছেন
Image

বদরুল আলম দুলাল,সিরাজগঞ্জ :  শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, সিরাজগঞ্জে ৪০০ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত বিসিক শিল্প পার্কে সর্বমোট ৮২৯টি কারখানা স্থাপন হবে।

দেশের নামীদামি প্রতিষ্ঠান এখানে আসবে। এতে প্রায় এক লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।শুক্রবার (২৫ নভেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্প পার্কের নির্মাণকাজ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, যেকোনো কারণেই হোক প্রকল্পটি দেরি হয়ে গেছে। আশা করছি আগামী জুনের মধ্যে কাজ শেষ হলে প্রধানমন্ত্রী এর উদ্বোধন করবেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান এখানে জমির প্লট নিতে প্রস্তুত। তারা আসলে আরও বৃহৎ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এ সময় শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না, শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা, জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহাম্মদ, পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মন্ডল, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) চেয়ারম্যান মুহা. মাহবুবুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট কেএম হোসেন আলী হাসানসহ প্রকল্পের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 



আরও খবর



সরকার রিজার্ভের টাকা নিয়ে অলস বসে থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৭০জন দেখেছেন
Image

রিজার্ভ নিয়ে সমালোচকদের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রিজার্ভের টাকা দিয়ে অলস বসে থাকবেন না বরং তা জনগণের কল্যাণে ব্যবহার করবেন। রিজার্ভের টাকা নিয়ে অলস বসে থাকা ঠিক হবে না। আমাদের জনগণের ভোগান্তি কমাতে হবে।’

সোমবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) নবনির্বাচিত ৫৯ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের শপথবাক্য পাঠ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অথিথির ভাষণে এ কথা বলেন এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের মোট ৬২৩ জন সদস্যও শপথ নেন।

প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের তাদের এলাকাকে খাদ্য উৎপাদনে স্বাবলম্বী করতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলেন, যাতে প্রতি ইঞ্চি জমি চাষাবাদের আওতায় আনা যায়।

সারাদেশে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় তিনি জনগণকে সচেতন করার পাশাপাশি নবনির্বাচিত জন প্রতিনিধিদেরকে তাদের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা জনকল্যাণমূলক স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই এবং তার মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন যেন নিশ্চিত হয় সেটাই আমাদের লক্ষ্য। এখানে আপনাদের একটা বিরাট দায়িত্ব রয়েছে। এলাকায় কিধরনের অসুবিধা আছে,মানুষের জন্য কি কল্যাণকর কাজ করা যেতে পারে, উন্নয়নের জন্য কি কাজ করতে পারেন-সেটা আপনাদের ভাবতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের এখানে বহুদলীয় গণতন্ত্র রয়েছে, অনেক দল রয়েছে। কেউ দল থেকে বা কেউ আলাদা ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু একটা কথা মনে রাখতে হবে যখন আপনি ভোটে নির্বাচিত হয়ে এসেছেন তখন আপনার দায়িত্ব সকলের জন্য। 

শেখ হাসিনা নিজের উদাহারণ টেনে বলেন, তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে উন্নয়নের ক্ষেত্রে কে তাকে ভোট দিল আর কোন এলাকার ভোটার সেটা দেখেননি।

তিনি বলেন, ‘আমি সার্বিকভাবে উন্নয়নের ব্যবস্থা নিয়েছি, প্রতিটি মানুষ যাতে উন্নয়নের ছোঁয়া পায় সেই ব্যবস্থাই আমরা নিয়েছি’।

তিনি বলেন, আমরা ৬১টি জেলা পরিষদে ২০২১-২২ অর্থবছরে রাজস্ব খাতের আওতায় প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা এবং এডিপি’র আওতায় ৫৪০ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করেছি।

সূত্র: বাসস।


আরও খবর

এক দিনের সফরে যশোরে প্রধানমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার ২৪ নভেম্বর ২০২২




গুণীর গুনগান না গাইলে দেশে গুণীজন সৃষ্টি হয় না, সেনাপ্রধান এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৭৪জন দেখেছেন
Image
মাহফুজুল ইসলাম মন্নু,লোহাগড়া প্রতিনিধিঃ দেশের শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষকদের পাশাপাশি  অভিভাবকদের এগিয়ে আসতে হবে। শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। মেধাবী শিক্ষার্থীরাই কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রাধান্য পাবে। এলাকার উন্নয়নে রাজনীবিদদের পাশাপাশি শিক্ষিত মানুষদের এগিয়ে আসতে হবে। চাকুরীর প্রত্যাশায় না থেকে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মেধা কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়নে মনোনিবেশ করতে হবে। তবেই দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি ত্বরান্বিত হবে। গুণীর গুনগান না গাইলে দেশে গুণীজন সৃষ্টি হয় না। এজন্য গুণীজনদের যথাযথ সম্মান করতে হবে।
 
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ মঙ্গলবার(৮অক্টোবর) সকাল ১১টায় নড়াইলের লোহগড়া উপজেলার মল্লিকপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবের কার্যক্রম ও বীরমুক্তিযোদ্ধা মরহুম অধ্যাপক এস এম রোকন উদ্দিন আহমেদ এর নামে চারতলা ভবনের উদ্বোধন আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।

বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রবীণ সমাজসেবক আলহাজ¦ এলাহী মোল্যার সভাপতিত্বে ও শিক্ষার্থী কাজী আরিফুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মল্লিকপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মো: মহসিন উদ্দিন, ইউপি সদস্য মো: এমদাদুল হক মল্লিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: সাইফুর রহমান।

 এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন নড়াইলের জেলা প্রশাসক মো: হাবিবুর রহমান, নড়াইল জেলা আ’লীগের  সভাপতি ও নড়াইল জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আজগর আলী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুন্সী আলাউদ্দিন, লোহাগড়া পৌর মেয়র ও উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক সৈয়দ মসিয়ুর রহমান, মল্লিকপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো: শহিদুর রহমান , সাবেক চেয়ারম্যান শিকদার মোস্তফা কামাল, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য সাজ্জাদ হোসেন মুন্না সহ প্রমুখ।

সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ মুক্তিযোদ্ধাদের জাতির শ্রেষ্ট সন্তান আখ্যায়িত করে বলেন, তাঁদের জন্যই দেশ আজ স্বাধীন। জীবন বাজি রেখে তাঁরা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বলেই আজ আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি। তাদের অবদান জাতি কৃতজ্ঞতা চিত্তে স্বরণ করবে।
 
 সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ এলাকার সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়ে আরও বলেন, মধুমতি নদীর ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।  জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক সংস্কার ও নির্মাণ করা হবে। সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ তার পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম অধ্যাপক এস এম রোকন উদ্দিন আহমেদ এর নামে একটি শিক্ষা ট্রাষ্ট চালু করা হবে বলে ঘোষণা দেন। সেই ট্রাষ্ট থেকে অসহায় ও মেধাবীরা প্রতিবছর শিক্ষাবৃত্তি পাবে।

এর আগে সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ও তার স্ত্রী নুরজাহান আহমেদ সড়ক পথে পদ্মা ও মধুমতি সেতু পার হয়ে লোহাগড়ার মধুমতি আর্মি ক্যাম্পে পৌঁছান। এ সময় যশোর ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মো: মাহাবুবুর রহমান, পদ্মা বহুমুখী রেল প্রকল্পের প্রধান সমন্বয়ক মেজর জেনারেল মো: রেজাউল মজিবসহ উদ্ধর্তন সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এরপর এলাকাবাসী সেনাপ্রধানের স্ত্রী নুরজাহান আহমেদকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।

এরপর তিনি মধুমতি নদী পাড়ের পৈত্রিক ভিটায় তার পিতার নামে ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ হাসপাতাল নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন। মধুমতি আর্মি ক্যাম্পে দুপুরের খাবার শেষে তিনি সরকারি লোহাগড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি লোহাগড়া আদর্শ মহাবিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। বিকাল ৪টার দিকে তিনি স্বস্ত্রীক লোহাগড়া ত্যাগ করেন।

আরও খবর

এক দিনের সফরে যশোরে প্রধানমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার ২৪ নভেম্বর ২০২২




যাবতীয় কল্যাণ একমাত্র আল্লাহর হাতে

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৭৮জন দেখেছেন
Image

মহান আল্লাহ আমাদের সৃষ্টিকর্তা ও রিজিকদাতা। যাবতীয় কল্যাণ একমাত্র তাঁরই হাতে। তাই দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ লাভে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের বিকল্প নেই। প্রশান্ত জীবন লাভে তাঁর আদেশ-নিষেধ মেনে চলার বিকল্প নেই। 

যারা তাঁর নির্দেশিত পথ থেকে সরে যাবে, তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। হতাশার পাহাড়গুলো তার মাথার ওপর চেপে বসবে। হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মহাপবিত্র আল্লাহ বলেন, হে আদম সন্তান, আমার ইবাদতে মগ্ন হও। আমি তোমার অন্তরকে ঐশ্বর্যমণ্ডিত করব এবং তোমার দারিদ্র্য দূর করব। তুমি যদি তা না করো, তাহলে আমি তোমার অন্তর হতাশা দিয়ে পূর্ণ করব এবং তোমার দরিদ্রতা দূর করব না। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৪১০৭)

অন্য বর্ণনায় আছে, হাদিসে কুদসিতে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে আদম সন্তান, তুমি আমার ইবাদতের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করো, আমি তোমার অন্তর ঐশ্বর্যে পূর্ণ করে দেব এবং তোমার অভাব দূর করে দেব। তুমি তা না করলে আমি তোমার দুই হাত কর্মব্যস্ততায় পরিপূর্ণ করে দেব এবং তোমার অভাব-অনটন রহিত করব না। ’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৪৬৬)

কারণ যারা মহান আল্লাহর আদেশ অমান্য করে দুনিয়াকে প্রাধান্য দেয়, মহান আল্লাহ তাদের প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন না। ফলে তাদের আত্মিক শান্তি উধাও হয়ে যায়। তারা যেদিকে তাকায় শুধু হতাশা-ব্যর্থতা দেখতে পায়। দুশ্চিন্তা তাদের চেপে ধরে। এর বিপরীতে যাদের চিন্তা আখিরাতকেন্দ্রিক হয়, তাদের দুনিয়ার চিন্তার জন্যও মহান আল্লাহ যথেষ্ট হয়ে যান। ফলে তারা দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ লাভ করে। তাদের ইহকাল ও পরকাল শান্তিময় হয়। আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রা.) বলেন, আমি তোমাদের নবী (সা.)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি তার সমস্ত চিন্তাকে একই চিন্তায় অর্থাৎ আখিরাতের চিন্তায় কেন্দ্রীভূত করেছে, আল্লাহ তার দুনিয়ার চিন্তার জন্য যথেষ্ট। অপরদিকে যে ব্যক্তি যাবতীয় পার্থিব চিন্তায় নিমগ্ন থাকবে সে যেকোনো উন্মুক্ত মাঠে ধ্বংস হোক, তাতে আল্লাহর কিছু আসে যায় না। ’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ২৫৭)

অন্য হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তির একমাত্র চিন্তার বিষয় হবে পরকাল, আল্লাহ সেই ব্যক্তির অন্তরকে অভাবমুক্ত করে দেবেন এবং তার যাবতীয় বিচ্ছিন্ন কাজ একত্র করে সুসংযত করে দেবেন, তখন তার কাছে দুনিয়াটা নগণ্য হয়ে দেখা দেবে। আর যে ব্যক্তির একমাত্র চিন্তার বিষয় হবে দুনিয়া, আল্লাহ তাআলা সেই ব্যক্তির গরিবি ও অভাব-অনটন দুই চোখের সামনে লাগিয়ে রাখবেন এবং তার কাজগুলো এলোমেলো ও ছিন্নভিন্ন করে দেবেন। তার জন্য যা নির্দিষ্ট রয়েছে, দুনিয়াতে সে এর চেয়ে বেশি পাবে না। (তিরমিজি, হাদিস : ২৪৬৫)

তাই আমাদের উচিত, ইহকাল ও পরকালের কল্যাণ লাভের চেষ্টা করা। আল্লাহর কাছে অকল্যাণ থেকে আশ্রয় চাওয়া। সব কিছুতে মহান আল্লাহর আদেশ-নিষেধকে প্রাধান্য দেওয়া। ইনশাআল্লাহ, মহান আল্লাহ আমাদের দুনিয়া-আখিরাতের কল্যাণ ও নিরাপত্তা দান করবেন।


আরও খবর

শিরক থেকে দূরে থাকতে হবে

বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২