Logo
আজঃ সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২
শিরোনাম

নেত্রকোণায় বিলুপ্তির পথে শীতল পাটি শিল্প

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ১৪৩জন দেখেছেন
Image
সোহেল খান দূর্জয় : নেত্রকোণার শীতল পাটির কদর এক সময় ছিলো দেশসেরা। এই শিল্পকে আবর্তিত করে গড়ে উঠেছিল পল্লী। জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার তেতুলিয়া ইউনিয়নের জৈনপুর গ্রামে। হাজার হাজার মানুষের জীবিকার অবলম্বন হয়ে উঠেছিল শীতল পাটি শিল্প। কালের বিবর্তনে এই শিল্প আজ ধূকছে। কিন্তু ঐতিহ্যের ধারায় আজও শীতল পাটির অবস্থান শীর্ষে।

শীতল পাটি বুননের সঠিক ইতিহাস জানা না গেলেও নেত্রকোণা অঞ্চলের শিল্প সচেতন মানুষের আবিস্কার এই শীতল পাটি এনিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। নেত্রকোণা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার জৈনপুর সহ আরও বেশ কয়েকটি গ্রামের কয়েক হাজার লোক একসময় শীতল পাটি শিল্পের সাথে জড়িত ছিল।

নেত্রকোণা অঞ্চলের অন্যান্য এলাকায় শীতল পাটি তৈরী হলেও জৈনপুরের শীতল পাটি-ই অনন্য। এক সময় এই উপজেলায় তৈরী শীতল পাটি শুধু নেত্রকোনাতেই বাজারজাত হতো না, তা দেশের বিভিন্ন স্থানেও রপ্তানি হতো। দেশের বাহিরে ও শীতল পাটির কদর ছিল ঈর্শনীয়। ভারত বর্ষে আগমনের প্রমাণ হিসাবে ভিনদেশীরা ঢাকার মসলিনের পাশাপাশি জৈনপুরের শীতল পাটি নিয়ে যেতেন স্মৃতি হিসেবে। প্রচলিত আছে, ব্রিটিশ আমলে রাণী ভেক্টোরীয়ার রাজপ্রসাদে স্থান লাভ করেছিল জৈনপুরের শীতল পাটি।

নেত্রকোণায় এই শিল্প গড়ে উঠার মূল কারন শীতলপাটি তৈরীর প্রধান উপকরণ মূর্তা গাছ। নেত্রকোনা অঞ্চলের মাঠি ও আবহাওয়া মূর্তা গাছের জন্য সহায়ক। এই গাছ থেকে আহরিত বেত দিয়ে তৈরী করা হয়ে থাকে শীতল পাটি। বিশেষ ধরণের এই গাছ বনাঞ্চলের স্যাতস্যাতে মাটি ও বাড়ির পাশ্ববর্তী ভেজা নীচু জমিতে হয়ে থাকে। ডুবা অথবা পুকুরের একপাশেও মূর্তা গাছ হয়।

আঞ্চলিকভাবে সহজলভ্যতা এই শিল্পকে করেছে ব্যাপক। তবে আধুনিকতা এই শিল্পের টুটি চেপে ধরেছে। আগে পাটির শীতলতা মানুষকে যেখানে প্রশান্তি দিতো, সেখানে ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীর শীতলতায় এখন স্বস্থি নিচ্ছে মানুষ। মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত প্রায় প্রতিটি পরিবারেই শীতল পাটির কদর ছিলো, আছে। চাহিদার কারনেই শীতল পাটির রয়েছে হরেক রকম নাম। তবে নাম অনেক ক্ষেত্রে দৈর্ঘ্য প্রস্থের উপরও নির্ভর করে।

বেতের প্রস্থের মাপে শীতল পাটির নাম করণ করা হয়ে থাকে সিকি, আধুলি, টাকা, সোনামুড়ি, নয়নতারা, আসমানতারা প্রভৃতি। একেকটি পাটি তৈরী করতে একজন দক্ষ শিল্পীর ৩-৪ মাস পর্যন্ত সময় লেগে যায়। যার ফলে বর্তমানে শীতল পাটির দাম অত্যধিক। এক একটি শীতল পাটি ২ হাজার থেকে ৮হাজার টাকায় বিক্রি হয়ে থাকে। শীতল পাটির বদৌলতে জৈনপুরের শিল্পীরা দেশে ব্যাপক সুনামও অর্জন করেছেন।

১৯০৬ সালে কলকাতায় কারু শিল্প প্রদর্শনীতে জৈনপুরের যাদুরাম দাস শীতল পাটির জন্য স্বর্ণপদক লাভ করেন। ১৯৮২ সালে জাতীয় পর্যায়ে শীতল পাটির জন্য শ্রেষ্ঠ কারুশিল্পী হিসেবে পুরস্কৃত হন জৈনপুরের পবঞ্জয় দাস। ১

৯৯১ সালে ইতালির রোমে অনুষ্ঠিত বিশ্বের কারুশিল্প প্রদর্শনীতে জৈনপুরের মনিন্দ্র নাথ শীতল পাটি নিয়ে প্রতিনিধিত্ব করে পুরস্কার লাভ করেন। এক সময়কার বিখ্যাত এই শীতলপাটি শিল্প আজ বিলুপ্তির পথে। ৯০ দশক পর্যন্ত শীতলপাটি তৈরীর কাচামাল মূর্তাবেত সহজলভ্য ছিল। কিন্তু জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে যে যে জমিতে মূর্তা গাছ হতো তাতে মানুষ গড়ে তুলতে শুরু করে জনবসতি।

ফলে মূর্তা বাগান কমতে থাকে। বর্তমানে জৈনপুর সহ নেত্রকোনা অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে মূর্তা বাগান থাকলেও তা এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখার জন্য যথেষ্ট নয়। ফলে অনেক শিল্পীই নিজেদের আদি পেশা ছেড়ে অন্যান্য পেশার সাথে সম্পৃক্ত হচ্ছেন। আর যারা বাপ-দাদার উত্তরাধিকার হিসেবে এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখার জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের পোহাতে হচ্ছে নানা দুর্ভোগ।

শীতল পাটি শিল্পের পুণজাগরণে প্রয়োজন বানিজ্যিক ভাবে মূর্তার চাষ এবং সংশ্লিষ্টদের জন্য সরকারী সুযোগ সুবিধা, অনুদান। সরকারী পৃষ্টপোষকতাই এই শিল্পকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করতে পারে, অন্যথায় হয়তো যাদুঘর ছাড়া কোথাও খুজে পাওয়া যাবেনা এই ঐতিহ্যবাহী শীতল পাটি।


আরও খবর



লোহাগড়ায় সেনাবহিনীর পক্ষ থেকে

অসহায় দুঃস্থ মানুষের মাঝে সহায়তা প্রদান

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৭৫জন দেখেছেন
Image
মাহফুজুল ইসলাম মন্নু: নড়াইলের লোহাগড়ায় বাংলাদেশ সেনাবহিনীর পক্ষ থেকে অসহায় দুঃস্থ মানুষের মাঝে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে । 

রোববার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেরার করফা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে জিওসি,৫৫ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার ,যশোর এরিয়া এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ৫৫ পদাতিক ডিভিশন এই সহায়তা সামগ্রী বিতরণের কার্যক্রম আয়োজন করে।

এসময় এলাকার ৮০০ পরিবারের মাঝে এই সহায়তা সামগ্রীর প্রদান করা হয়। প্রতিটি প্যাকেটে ছিল চাল,ডাল,চিড়া/মুড়ি তৈল,মসলা এবং পানি। যশোর সেনানীবাসের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ ও স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে এ সহায়তা সামগ্রীর বিতরণ করা হয়।

আরও খবর

কোষ্টগার্ডের অভিযানে গাঁজাসহ আটক-৪

শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২




দল নিয়ে ভাবি, নিজেকে নিয়ে নয়: বেনজেমা

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৮৯জন দেখেছেন
Image

রিয়াল মাদ্রিদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পরেই অবস্থান করিম বেনজেমার। তবে দুজনের মাঝে পার্থক্যটা বিশাল। চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও তাদের গোলের ব্যবধান অনেক। সাম্প্রতিক সময়ে দুর্দান্ত ছন্দে থাকলেও ফরাসি স্ট্রাইকার তাই খুব ভালো করেই জানেন, পর্তুগিজ তারকার রেকর্ড স্পর্শ করা তার পক্ষে অসম্ভব। তাই গোলের সংখ্যায় মনোযোগ না দিয়ে তিনি কেবল দলের জয়ে রেখে যেতে চান অবদান।

আগামী ডিসেম্বরে ৩৫ বছর পূর্ণ হবে বেনজেমার। তবে তার পারফরম্যান্সে নেই তার ছাপ। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি যেন হয়ে উঠছেন অপ্রতিরোধ্য। ২০২১-২২ মৌসুমে রিয়ালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, লা লিগা ও স্প্যানিশ সুপার কাপ জয়ে সবচেয়ে বড় অবদান ছিল বেনজেমার। লা লিগা ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ছিলেন মৌসুমের সর্বোচ্চ গোলদাতা। লা লিগায় ২৭ গোল করে জিতে নেন পিচিচি ট্রফি। আর ইউরোপ সেরার মঞ্চে করেন ১৫টি। মাদ্রিদের দলটির হয়ে গেল মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪৬ ম্যাচে তার গোল ৪৪টি।

ক্লাব ও জাতীয় দলে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ গত বৃহস্পতিবার উয়েফার বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার জেতেন বেনজেমা। পরে ইউরোপিয়ান স্পোর্টস মিডিয়াকে (ইএসএম) বলেন, ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে দল জেতানোর ভাবনা নিয়েই মাঠে নামেন তিনি। 

বেনজেমা বলেন, ৩৪ বছর বয়সে এসে এখন আমি আরও ভালো অনুভব করছি, আগের চেয়ে ভালো খেলছি। এটা সত্যি যে, ব্যক্তিগত দিক থেকে এই মৌসুম আমার ক্যারিয়ারের সেরা। তবে একটা জায়গায় কোনো পরিবর্তন হয়নি। ম্যাচ জিততে আমার কী করণীয়, সেটা ভেবেই আমি মাঠে যাই। দল নিয়ে ভাবি, নিজেকে নিয়ে নয়।

রিয়ালের সবশেষ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের মূল নায়ক ছিলেন বেনজেমা। বারবার দলকে হারের দুয়ার থেকে টেনে আনেন তিনি। শেষ ষোলোয় পিএসজি ও কোয়ার্টার-ফাইনালে চেলসির বিপক্ষে করেন হ্যাটট্রিক, ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষেও সেমি-ফাইনালে দুই লেগ মিলিয়ে করেন তিন গোল। সব মিলিয়ে আসরে তার ১৫ গোলের ১০টিই ছিল নকআউট পর্বে। এনিয়ে পঞ্চম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জিতলেন বেনজেমা। তবে এবারের জয় তার কাছে সবচেয়ে কঠিন ও উপভোগ্য।

তিনি বলেন, যদিও প্রতিটি শিরোপার নিজস্ব ইতিহাস আছে এবং সবগুলোই আলাদা। তবে বলতে পারি যে আমার জেতা পাঁচটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মধ্যে এটাই ছিল সবচেয়ে কঠিন। কোণঠাসা অবস্থা থেকে বারবার আমরা ঘুরে দাঁড়িয়েছি এবং কখনও হাল ছেড়ে দেইনি, এসব কারণে আমার কাছে এবারেরটা সবচেয়ে উপভোগ্যও ছিল।

রিয়ালে রোনালদো থাকাকালীন সেভাবে কখনোই পাদপ্রদীপের আলোয় আসতে পারেননি বেনজেমা। ২০১৮ সালে পর্তুগিজ তারকা চলে যাওয়ার পর নিজেকে নতুনভাবে মেলে ধরেন তিনি। দলের মূল গোলদাতার দায়িত্ব পালন করছেন, সঙ্গে সতীর্থদের দিয়েও করাচ্ছেন গোল।

তবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কিংবা রিয়ালে রোনালদোর গোলের রেকর্ড ছোঁয়া এখনও বহু দূরের পথ বেনজেমার জন্য।

ইউরোপ সেরার প্রতিযোগিতায় সাবেক রিয়াল ফরোয়ার্ডের গোল ১৪০টি। ১২৫ গোল নিয়ে দুই নম্বরে আছেন লিওনেল মেসি। রবের্ত লেভানদোভস্কির সঙ্গে যৌথভাবে তালিকায় তিনে বেনজেমা। দুইজনেরই গোল ৮৬টি করে। আর রিয়ালের ইতহাসে রেকর্ড ৪৫০ গোল রোনালদোর। সেখানে ৩২৫ গোল নিয়ে দুই নম্বরে আছেন বেনজেমা।



আরও খবর

এশিয়া কাপ শেষে দেশে ফিরলো টাইগাররা

শনিবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২




ইউরোপে হাহাকার, প্রতিদিন ৯৫ কোটি টাকার গ্যাস পুড়িয়ে ফেলছে রাশিয়া

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৯০জন দেখেছেন
Image

ইউরোপজুড়ে যখন জ্বালানির দাম আকাশ ছোঁয়া, তখন প্রতিদিন এক কোটি ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯৫ কোটি ৮ লাখেরও বেশি টাকা) সমমূল্যের গ্যাস পুড়িয়ে ফেলছে রাশিয়া।

জ্বালানি গবেষণা প্রতিষ্ঠান রিস্তাদ এনার্জি জানিয়েছে, ফিনল্যান্ড সীমান্তের কাছে রাশিয়ার একটি গ্যাসক্ষেত্রে প্রতিদিন গড়ে এক কোটি ডলার মূল্যের ৪.৩৪ মিলিয়ন ঘন ফুট গ্যাস পোড়ানো হচ্ছে

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ গ্যাস আগে জার্মানিতে রফতানি করা হতো। যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত বলছেন, রাশিয়া এই গ্যাস পুড়িয়ে ফেলছে কারণ, এটি কোথাও বিক্রি করতে পারছে না।

গ্যাস পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসৃত হচ্ছে তাতে জলবায়ু পরিবর্তনের কুপ্রভাব বেড়ে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা।

রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গের উত্তর-পশ্চিমের পরটোভায়া তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) প্ল্যান্ট থেকে এই গ্যাস আসছে।

জার্মানিতে গ্যাস পৌঁছে দেওয়া নর্ডস্টিম-১ পাইপলাইনের একটি কমপ্রেসর স্টেশনের কাছে এ গ্যাসক্ষেত্র অবস্থিত, যেখান থেকে সমুদ্রের নিচ দিয়ে জার্মানিতে গ্যাস সরবরাহ করতো রাশিয়া।

গত জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে রাশিয়া যন্ত্রিক ত্রুটির কথা বলে এই পাইপলাইন দিয়ে গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে।

 সূত্র: বিবিসি, দ্য গার্ডিয়ান


আরও খবর



চারঘাটে সমমানের পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ২৭জন দেখেছেন
Image

চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধি: সারাদেশের ন্যায় রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় এসএসসি,ভোকেশনাল ও দাখিল সমমানের পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে ও নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলার ৯টি কেন্দ্রে এসএসসি ২ হাজার ১২জন, দাখিল ২শ ৪৪ জন, ভোকেশনাল ও দাখিল ৮ শ ১৩ জন বাংলা প্রথমপত্রে মোট ৩ হাজার ৬৯ জন শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেন। 

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহরাব হোসেন প্রতিটিি কেন্দ্রে পরিদর্শন করে জানান, সুষ্ঠু,সুন্দর ও নকলমুক্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 



আরও খবর



রাজবাড়ীতে রাফি হত্যা মামলার ২ আসামী বিদেশী পিস্তল সহ গ্রেফতার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৫২জন দেখেছেন
Image

সৈকত শতদল ( রাজবাড়ী ) প্রতিনিধি: রাজবাড়ীতে দু’টি বিদেশী পিস্তলসহ হত্যা মামলার দুই আসামি গ্রেফতার চাঞ্চল্যকর আরিফুল ইসলাম রকি (২৭) হত্যা মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত

দু’টি বিদেশী পিস্তল, পাঁচটি খালি কার্তুজ ও দুইটি কার্তুজের মাথার অংশ উদ্ধার করা হয়। সোমবার সকালে পুলিশ সুপার সম্মেলকক্ষে রাজবাড়ী জেলা পুলিশ সুপার এম.এম. শাকিলুজ্জামান এ তথ্য জানান।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- রাজবাড়ী সদর উপজেলার চরখানখানাপুর গ্রামের নাজিমদ্দিন শেখের ছেলে রাকিব শেখ (৩৪) ও কুষ্টিয়া সদর উপজেলার দহকুলা গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের ছেলে ইয়ামিন

আলী (২২)। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার এম.এম. শাকিলুজ্জামান জানান, পূর্ব শত্রুতার জেরে গত শনিবার সন্ধ্যায় রাজবাড়ী সদরের খানখানাপুর সুরাজ মোহিনী ইনস্টিটিউটের সামনে আরিফুল ইসলাম রকিকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় রোববার নিহত রকির বাবা রাজ্জাক শেখ ১৬ জনকে আসামি করে রাজবাড়ী সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তিনি আরো জানান, চলতি বছরের গত ৪মার্চ চরখানখানাপুর গ্রামে রাকিব শেখ নামে এক যুবকের হাতের কবজি কেটে বিচ্ছিন্ন করে প্রতিপক্ষ। ওই ঘটনায় রাকিবের বড় ভাই নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে ১৬জনের বিরুদ্ধে রাজবাড়ী সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় প্রধান আসামী ছিলেন আরিফুল ইসলাম রকি। ওই মামলায় গ্রেফতার হয়ে রকি দীর্ঘদিন জেল হাজতে ছিলো। স¤প্রতি সে জামিনে বের হয়।


আরও খবর