Logo
আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

নিয়ামতপুরে রোপা আমন ধান রোপণে ব্যস্ত চাষিরা

প্রকাশিত:সোমবার ০১ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ৮৯৭জন দেখেছেন

Image
নিয়ামতপুর(নওগাঁ)প্রতিনিধিঃ খাদ্য উৎপাদনে উদ্বৃত্ত কৃষি সমৃদ্ধ নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলায় চলতি মৌসুমে ২ হাজার ৯ শত ৯০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এবার বোরোতে বাম্পার ফলনের পর উপজেলার কৃষকেরা এখন রোপা আমন ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানা যায়, উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নে চলতি মৌসুমে উচ্চ ফলনশীল জাতের হাইব্রিড ও স্থানীয় জাতের সহ মোট ২ হাজার ৯ শত ৯০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উপজেলায় এবার আষাঢ় মাস এবং শ্রাবণ মাসের প্রথম সপ্তাহে তুলনামূলক কম বৃষ্টি হওয়ায় সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে অনেক কৃষকগণ আমনের চারা রোপন করেছে। তবে গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে সব জমিতে পানি জমে থাকায় কৃষকেরা হাল চাষ করে, এখন আমনের চারা রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছে।

ইতোমধ্যে চারা রোপণ সম্পন্ন  হয়েছে যা প্রায় ৮৫ ভাগ। চলতি সপ্তাহের মধ্যে উপজেলায় রোপা আমন ধানের চারা রোপন শেষ হবে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মাঠ ঘুরে কয়েকজন কৃষকের সাথে এই প্রতিবেদকের কথা হলে তারা বলেন, বৃষ্টির পানিতে জমি তৈরির পর আমরা রোপা আমন ধানের চারা রোপণ করছি। বৃষ্টির পানিতে রোপণকৃত চারাও ভালো হয়।

এতে তেমন কোনো ঝামেলা পোহাতে হয়নি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমীর আব্দুল্লাহ ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, চলতি মৌসুমে উপজেলায় বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় অনেক কৃষকেরা সেচ পাম্পের মাধ্যমে সেচ দিয়ে চারা রোপন করেছে। তবে এখন বৃষ্টিপাত বেশি হচ্ছে, তাই সেচ পাম্পের মাধ্যমে জমিতে আর সেচ দিতে হচ্ছে না। চলতি মৌসুমে ধানের দাম বেশি পাওয়ায় আমন চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা। তাই কৃষকদের রোপা আমন ধান রোপণে উৎসাহিত করা হচ্ছে। তবে উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি আমন রোপণ হবে বলে জানান তিনি।

আরও খবর



জয়পুরহাটে হত্যা মামলায় ১৭ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৪জন দেখেছেন

Image

জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে জয়পুরহাটের পাঁচবিবির সালেহ মোহাম্মদ হত্যা মামলায় ১৭ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়।

বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক আব্বাস উদ্দীন এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের বাড়ি জেলার পাঁচবিবি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। এদের মধ্যে ২ জন পলাতক রয়েছেন। এছাড়া এ মামলা থেকে ৫ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আদালত ও মামলার বিবরণে জানা গেছে, জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আয়মারসুলপুর চকপাড়া গ্রামের মৃত আলতাফের ছেলে সালেহ মোহাম্মদের সাথে আসামীদের দীর্ঘদিন থেকে জমি-জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ সংক্রান্ত একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন ছিল। এরই জের ধরে ২০০৯ সালের ২ মে সকালে সালেহ মোহাম্মদ তার নিজ শ্যালো মেশিন ঘর থেকে বাড়ি ফেরার পথে আসামি মোহাম্মদ আলীর বাড়ির সামনে ওৎ পেতে থাকা সকল আসামিরা তাকে ধরে নিয়ে গিয়ে আমগাছের সাথে হাত-পা বেঁধে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে।

এসময় সালেহ মোহাম্মদ পানি খেতে চাইলে আসামিরা পানির বদলে মরিচ গুলানো পানি জোড়পূর্বক পান করালে সে ছটফট করতে করতে নিস্তেজ হয়ে পড়ে। এরপর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে সে মারা যায়। এ ঘটনায় একই তারিখে পাঁচবিবি থানায় ২২ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের ভাই আজিজুল হক। এ মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ১৭ আসামিরা হলেন- হাদিউজ্জামান প্রাং, আরিফুল, আবু নাছের প্রাং, শাহজাহান আলী, আশরাফ আলী প্রাং, লাল মোহাম্মদ, মোহাম্মদ আলী প্রাং, জহির প্রাং, শাসছুল আলম প্রাং, সায়েম উদ্দিন প্রাং, ওবাইদুল প্রাং, সইম প্রাং, রহিম প্রাং, আবু সাঈদ প্রাং, আবু বক্কর প্রাং, রানু বেগম ও সাহেরা বেগম।

এছাড়া খালাসপ্রাপ্ত ৫ আসামি হলেন- অমিছা বেগম, শহিদুল ইসলাম, বেলছি বেগম, হাফেজা ফকির ও সবদুল ফকির।


আরও খবর



ফের বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দিলো ভারত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ৭৭জন দেখেছেন

Image

বাংলাদেশসহ ছয় দেশে সীমিত আকারে পেঁয়াজ রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। বাকী পাঁচ দেশ হলো শ্রীলঙ্কা, মরিশাস, বাহরাইন, নেপাল ও ভুটান।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশে সরকারি পর্যায়ে সীমিতভাবে পেঁয়াজ রপ্তানি করা হবে বলে টাইমস নাও-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ডিসেম্বরে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো, সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না হলেও, দ্বিপক্ষীয় উদ্দেশ্যে সীমিত পরিসরে পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর

চাঁদাবাজি বন্ধ না করলে নিত্যপণ্যের দাম কমবে না

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বাড়ল গ্যাসের দাম, ও বিদ্যুতের দাম

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সৈয়দপুর বিমানবন্দরে আগুনের রহস্য দশ দিনেও উদ্ঘাটন হয়নি

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬৯জন দেখেছেন

Image

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি: সৈয়দপুর বিমানবন্দর রানওয়ের ঘাসবনে রহস্য জনক আগুনে পুড়ে গেছে ৫০ হাজার বর্গমিটার এলাকা। এমনকি আগুন থেকে রক্ষা পায়নি বিদ্যুৎ লাইনের ৩০০ মিটার মূল্যবান ক্যাবল (তার)। গত ১ ফেব্রুয়ারি সকালে এ আগুনের ঘটনা ঘটলেও দশ দিন পেরিয়েও উদ্ঘাটন হয়নি রহস্য, গঠন করা হয়নি কোনো তদন্ত কমিটি। অভিযোগ উঠেছে, ঘটনা ধামাচাপা দিতে চলছে নানা ফন্দিফিকির। 

দেশের ব্যস্ততম অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরে এমন ঘটনায় বিস্মিত হয়েছে সংশ্লিষ্টরা। বিমানবন্দর রানওয়ে এলাকা সংরক্ষিত হওয়ায় সাধারণের নজর এড়িয়ে যায় দুর্ঘটনাস্থল। কিন্তু বিমানবন্দরে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ পাশের মার্কেটের ব্যবসায়ীরাদের আলোচনায় চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে  জানতে পারেন মিডিয়া কর্মীরাও। 

আগুনের ঘটনার বিষয় নিয়ে কথা হয় বিমানবন্দরের একাধিক কর্মচারীর সঙ্গে। তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বিমানবন্দর রানওয়ের ঘাসবনের ঘাস পরিষ্কার করার জন্য ইতোমধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষ ঘাস কাটার জন্য ঠিকাদারও নিযুক্ত করেছে। এ জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১০ লাখ টাকা। 

কিন্তু এ কাজটি সম্পন্ন করার জন্য বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক সুপ্লোব কুমার ঘোষ নিয়ম ভেঙে নিজে সাব কন্টাক্ট নেন। তিনি ঘাস না কেটেই চুক্তির টাকা আত্মসাৎ করতে ঘাসবনে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ঘাস পরিষ্কারের উদ্যোগ নেন। বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক তার বিশ্বস্ত কর্মচারী দিয়ে ঘাসে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেন। 

এতে এক ঘণ্টার ব্যবধানে রানওয়ের ৫০ হাজার বর্গ মিটার এলাকার ঘাস পুড়ে যায়। একইসাথে বিদ্যুতের ৩০০ মিটার মূল্যবান ক্যাবল (তার) আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমন অবস্থায় আগুনের তীব্রতা বৃদ্ধি পেলে বিমানবন্দরে কর্মরত ফায়ার ফাইটাররা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর ফলে বিমানবন্দর চত্বরের অন্যান্য মূল্যবান সম্পদ রক্ষা পায়। 

এদিকে বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক সুপ্লোব কুমার ঘোষ বাগান করার নামেও সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা বরাদ্দ নিয়ে পুরো টাকাটাই পকেটস্থ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রয়েছে কালোবাজারে জ্বালানি তেল বিক্রির অভিযোগ। বিমানবন্দর রানওয়ে সার্বক্ষণিক নজরে রাখার জন্য দুটি গাড়ি আছে। এর মধ্যে একটি গাড়ি সবসময় অচল পড়ে থাকে। কিন্তু ওই ব্যবস্থাপক দুটি গাড়ির বিপরীতে জ্বালানি কিনেন।

অথচ জ্বালানি ব্যবহার হয় একটি গাড়িতে। অন্য গাড়ির নামে বরাদ্দকৃত তেলের পুরোটাই তিনি কালোবাজারে বিক্রি করে টাকা হাতিয়ে নেন। হাতিয়ে নেয়া টাকার পরিমাণ বছরে কমপক্ষে পাঁচ লাখ টাকা বলে দপ্তরের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

দপ্তরে কর্মরত ব্যক্তিদের দেয়া তথ্য মতে, বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক তার অপকর্ম ঢাকতে সব সময় অধস্তনদের সঙ্গে চাকরি বিধি লঙ্ঘন করে দুর্ব্যবহার করেন। তারপরেও কেউ কোনোভাবে তার কথার প্রতিউত্তর করলে তিনি বদলির হুমকি দেন। 

এমন পরিস্থিতিতে বিমানবন্দর ব্যবস্থাপকের অপকর্মের বিরুদ্ধে কেউ টু শব্দটি করার সাহস পায় না। ফলে দিন দিন ব্যবস্থাপকের অনিয়ম- দুর্নীতির মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। অভিযোগ বিষয়ে জানতে মোবাইল ফোনে কথা হয় বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক সুপ্লোব কুমার ঘোষের সঙ্গে।

তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তবে যা কিছু লিখবেন জেনে-বুঝে-শুনে লিখলে সুবিধা হবে। তাঁর কথার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সংবাদকর্মীরা বিমানবন্দর রানওয়ে পরিদর্শন করতে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন। এমতাবস্থায় বিস্তারিত জানতে চাইলে আমি এখন অনেক ব্যস্ত, পরে কথা বলা যাবে বলে এড়িয়ে যান এবং সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।


আরও খবর



অমর ২১শে ফেব্রুয়ারির ইতিহাস

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ১২২জন দেখেছেন

Image

অমর ২১শে ফেব্রুয়ারি, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ। মায়ের ভাষার দাবিতে বাঙালির আত্মত্যাগের মহিমায় ভাস্বর গৌরবময় দিন। বাঙালির আত্মগৌরবের স্মারক অমর একুশের এদিনে জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে মহান ভাষা শহীদদের, যাদের আত্মত্যাগে আমরা পেয়েছি মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার। যাদের ত্যাগে বাংলা বিশ্ব আসনে পেয়েছে গৌরবের সুউচ্চ আসন। একুশের প্রথম প্রহর থেকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হচ্ছে মহান ভাষা শহীদদের। সকালে প্রভাত ফেরির মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হয় ভাষা শহীদদের।

মায়ের ভাষার মর্যাদা রক্ষায় ১৯৫২-এ জীবন দিয়েছিলেন সালাম, বরকত, জব্বার, রফিক, শফিউল্লাহ সহ নাম না জানা অনেকে। তাদের রক্তের বিনিময়েই আজকে মুখে মুখে বাংলা ভাষা। বাংলায় রচিত হচ্ছে হাজারো গান, কবিতা, নাটক, উপন্যাস আর অজস্র কথামালা। আজকের দিনটি শুধু সেই বীর ভাষা সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর, যারা ভাষার জন্য অকাতরে নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়েছিলেন। দিনটি কেবল বাংলাদেশে নয়, বিশ্বের সব প্রান্তে পালিত হচ্ছে বীরের রক্তস্রোত আর মায়ের অশ্রুভেজা অমর একুশে। বাঙালির রক্তস্নাত ভাষা আন্দোলনের স্বীকৃতি দিয়ে জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থা ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। এরপর থেকেই যথাযোগ্য মর্যাদায় সারা বিশ্বে একযোগে পালিত হয়ে আসছে দিনটি। 

একুশের এই দিনে বাংলার সংগ্রামী ছেলেরা যে ত্যাগ ও গৌরবগাঁথা রচনা করেছিলেন, তারই পথ ধরে আমরা মুখোমুখি হই স্বাধীনতা সংগ্রামে। রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। লাভ করি লাল-সবুজের পতাকা। ১৯৫২ সালের এই দিনে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ঘোষিত ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মায়ের ভাষা প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলনরত বাঙালি রাজপথ রক্তে রঞ্জিত করে। উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রতিবাদ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে সামনে রেখে হরতালের প্রস্তুতি চলতে থাকে। সরকার ২০শে ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ছয়টায় একটানা এক মাসের জন্য ঢাকা জেলার সর্বত্র হরতাল, সভা, মিছিলের ওপর ১৪৪ ধারা জারি করে। 

এসব নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ছাত্ররা দলে দলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জমায়েত হয়। ঐতিহাসিক আমতলায় ছাত্রদের সভা থেকে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরিকল্পনা করা হয়, চার জন, চার জন করে মিছিল নিয়ে বের হওয়ার। ছাত্ররা মিছিল শুরু করলে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে ট্রাকে তুলতে থাকে। বিকাল ৩টায় গণপরিষদের অধিবেশনের আগেই শুরু হয়ে যায় ছাত্র-পুলিশ সংঘর্ষ। বিকাল ৪টায় পুলিশ ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে ছাত্রদের ওপর গুলি চালায়। বুলেট কেড়ে নেয় জব্বার ও রফিকের প্রাণ। গুলিবিদ্ধ আবুল বরকত রাত পৌনে আটটায় হাসপাতালে মারা যান। তাদের মৃত্যু সংবাদে বাংলা ভাষার প্রাণের দাবি সারা দেশে স্ফুলিঙ্গের মতো ছড়িয়ে পড়ে। শাসকগোষ্ঠী বাংলা ভাষার দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়। এরপর থেকেই একুশে ফেব্রুয়ারি অমর ভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। শহীদদের স্মরণে সারা দেশে তৈরি হয় অসংখ্য শহীদ মিনার। 


আরও খবর

১০ দেশের রাষ্ট্রদূতকে দেশে ফেরার নির্দেশ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিদের শপথ বিকালে

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বুয়েট শিক্ষার্থী সানির মৃত্যু: তদন্ত প্রতিবেদনের সময় পেছাল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ১১৬জন দেখেছেন

Image

দোহারের মৈনট ঘাটে পদ্মার পানিতে ডুবে বুয়েটের শিক্ষার্থী তারিকুজ্জামান সানির মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ পিছিয়ে আগামী ৭ মার্চ করেছেন আদালত। 

মঙ্গলবার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুতুবপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এসআই (নিরস্ত্র) জহিরুল ইসলাম প্রতিবেদন দিতে পারেননি। এজন্য ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম সাইফুল ইসলামের আদালত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য নতুন এদিন ধার্য করেন। 

দোহার থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক নুরুন্নাহার মনি বিষয়টি জানান। 

এ মামলার আসামিরা হলেন- শরীফুল হোসেন, শাকিল আহম্মেদ, সেজান আহম্মেদ, রুবেল, সজীব, নুরুজ্জামান, নাসির, মারুফ, আশরাফুল আলম, জাহাঙ্গীর হোসেন লিটন, নোমান, জাহিদ, এটিএম শাহরিয়ার মোমিন, মারুফুল হক ও রোকনুজ্জামান ওরফে জিতু। এ মামলার ১৫ আসামি বর্তমানে কারাগারে আছেন। 

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৪ জুলাই একসঙ্গে ১৫-১৬ যুবক পদ্মা নদীতে ঘুরতে যায়। সন্ধ্যার পর সানি নামে ওই বুয়েট শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়। রাতেই স্থানীয়দের দেওয়া খবরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দোহার থানা পুলিশ। এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। 

১৫ জুলাই সকালে সানির লাশ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস ডুবুরি দল। সুরতহাল শেষে ওই বুয়েট শিক্ষার্থীর লাশ তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। 

এ ঘটনায় ওই দিন বিকালে সানির বড় ভাই হাসাদুজ্জামান ১৫ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন।


আরও খবর

চবি ছাত্রলীগে ফের উত্তেজনা

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪