Logo
আজঃ সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২
শিরোনাম

ওজন কমাতে ভরসা রাখুন মশলায়

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৪৫৪জন দেখেছেন
Image

কিছুতেই ওজন বাগে আনতে পারছেন না?  জানেন কি আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করতে পারে রান্নাঘরের কিছু মশলা। রান্নার কাজে ব্যবহৃত মশলা দিয়েই ঝরে যাবে আপনার শরীরের অতিরিক্ত মেদ। চলুন জেনে নেই কি করে:  

দারুচিনি
দারুচিনির ব্যবহার প্রায় সকল প্রকারের তরকারিতে হয়ে থাকে। এটি তরকারির স্বাদ এবং পুষ্টিগুণ বাড়িয়ে দেয়। ওজন কমাতে এই সুস্বাদু দারুচিনি বেশ উপকারী এবং সেই সাথে খুব দ্রুতই ওজন কমাতে সক্ষম। তাই যারা শত চেষ্টা করেও ওজন কমাতে পারছেন না তারা দারুচিনি ফুটানো পানি পান করুন নিয়মিত। ওজন কমবে চোখের পলকেই। এক লিটার পরিমাণ পানি নিয়ে সাথে একটা বড় দারুচিনি নিয়ে অথবা (আপনি চাইলে দারুচিনির গুঁড়া ও ব্যবহার করতে পারেন) গরম করে আধা লিটার করে নিন। পানি ঠাণ্ডা করে ছাকনি দিয়ে ছেকে বোতলে রেখে দিন ফ্রিজ করে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক কাপ করে পান করবেন এই পানি। 

মেথি
মেথি ও সাধারণত ব্যবহার করা হয়ে থাকে কিছু কিছু ক্ষেত্রে রান্নার কাজে। মেথি চুল, ত্বক, শরীর সব কিছুর জন্য অনেক বেশি উপকারী। প্রতিদিন রাতে আধা চা চামচ মেথি এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরদিন সকালে মেথি পানি থেকে আলাদা করে ছেকে নিতে হবে। পরে খাকি পেটে এই মেথির পানি পান করবেন। ওজন কমতে বাধ্য হবে এই মেথি পানি পান করলে।

জিরা
রান্নার কাজে জিরা বেশ উপকারী সেই সাথে শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী এই জিরা।ওজন কমাতে জিরা পানির ব্যবহার অনেক আগে থেকেই হয়ে আসছে। তাই যারা ওজন কমাতে চটজলদি সমাধান চান, তারা পান করুন জিরা পানি। রাতে আধা চা চামচ জিরা নিয়ে এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। পরদিন সকালে পানি ছেকে নিয়ে খালি পেটে খেয়ে ফেলুন এই জিরা পানি।

এই ৩ টি পদ্ধতিই বেশ উপকারী এবং অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে ওজন কমানোর ক্ষেত্রে। তাই যারা চটজলদি ওজন কমিয়ে ফেলতে চাইছেন, তারা চাইলে এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন। 



সূত্রঃ ইত্তেফাক


আরও খবর

যেসব কারণে রক্ত ওঠানামা করে

সোমবার ২৯ আগস্ট ২০২২




রাজবাড়ী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী আরুজের মতমিনিময় সভা

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৩৭জন দেখেছেন
Image

রাজবাড়ী প্রতিনিধিঃ  আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনিত রাজবাড়ী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী এ কে এম শফিকুল মোর্শেদ আরুজ শুত্রবার বিকেলে পাংশা উপজেলার হাবাসপুর বাহাদুরপুর ও যশাই ইউনিয়নে ভোটাদের সাথে আলোচনা ও মতবিনিময় সভা করেছেন।

এসময় তার সফর সঙ্গী ছিলেন পাংশা উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওহাব মন্ডল, কালুখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও কালিকাপুর ইউপি চেয়াম্যান আতিয়ার রহমান নবাব, সহ সভাপতি ও কালুখালী উপজেলা চেয়ারম্যান আলিউজ্জমান চৌধুরী  টিটো,পাংশা উপজেলা আওয়ামীলীগের কোষাদক্ষ্য  পাংশা পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র মোঃ ওয়াজেদ ্অলী , সাধারণ সম্পাদক ও প্যানেল মেয়র ওদুদ সরদার অতুর, হাবাসপুর ইউপি আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আঃ আলিম মন্ডল, পাংশা উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক ও পাংশা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন বিশ্বাস, পাংশা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কামাল আল মামুন, সাবেক সভাপতি শাহিদুল ইসলাম মারুফ ,পাংশা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম জাহাঙ্গীর সহ আওয়ামীলীগ ও সহোযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ । 

হাবাসপুর ইউপি চেয়ারম্যন মামুন খান, বাহাদুর পুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সজিব ও যশাই ইউপি চেয়ারম্যান আবু হোসেন খান বলেন, আরোজ স্যার আমাদের মাটির সন্তান, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্য শেখ হাসিনার মনোনিত প্রার্ধীকে আমরা ভোট প্রদান করে জয়যুক্ত করোব। সভায় স্ব স্ব ইউপির নির্বাচিত সদস্যগণ ভোটার গণ উপস্থিত ছিলেন।  



আরও খবর



ঢাকার নবাবগঞ্জ হতে ৩১৬০ পিস ইয়াবা ও ১৩৫ গ্রাম হেরোইনসহ ০১ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৫০জন দেখেছেন
Image

গতকাল ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ র‌্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানাধীন দিঘীর পাড় এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে আনুমানিক ২২,৯৮,০০০ টাকা মূল্যের ৩,১৬০ পিস ইয়াবা ও ১৩৫ গ্রাম হেরোইনসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ আজাদ (৪৯) বলে জানা যায়। এসময় তার নিকট থেকে ০১টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। সে বেশ কিছুদিন যাবৎ নবাবগঞ্জসহ ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা ও হেরোইনসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সরবরাহ করে আসছিল বলে জানা যায়।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে।


আরও খবর



রাশিয়ার গ্যাসের বিকল্প নেই: জার্মানি

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৭৫জন দেখেছেন
Image

জার্মানির পক্ষ্যে অল্প সময়ের মধ্যে রাশিয়ার গ্যাসের বিকল্প জ্বালানি বের করা বেশ কঠিন বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির চ্যান্সেলর ওলাফ ওলাফ শলৎস।

দেশটির একটি নাগরিক সভায় বৃহস্পতিবার রাতে এ মন্তব্য করেছেন তিনি। খবর আনাদোলুর। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি নিয়ে বেকায়দায় আছে জার্মানিসহ ইউরোপের দেশগুলো।

দেশটির ক্ষমতাসীন স্যোশাল ডেমোক্রেট দলের রাজনৈতিক নেতারা মনে করছেন, গ্যাসকে বার্লিনের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে মস্কো। ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের বিরোধীতা করায় জর্মিানিতে গ্যাস সরবরাহ কন্ধ করে দিয়েছে মস্কো।

ইউরোপে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে উদ্বৃত্ত গ্যাস পুড়িয়ে ফেলছে রাশিয়া। ইউক্রেনে হামলার আগে জার্মানির মোট চাহিদার ৫৫ শতাংশ গ্যাস সরবরাহ করতো রাশিয়া।

ইউক্রেনের হামলার পর রাশিয়া গ্যাস সরবরাহ অর্ধেকের বেশি কমিয়ে দেয়। ২০২৪ সাল নাগাদ জার্মানি গ্যাসের ওপর নির্ভশীলতা ১০ শতাংশে কমিয়ে আনবে বলে জানান ওলাফ শলৎস


আরও খবর



রুপকথার গল্প হতে চলছে পটুয়াখালীতে বাঁশের চাঁই দিয়ে মাছ শিকারের ফলে

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৭৬জন দেখেছেন
Image

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ  পটুযাখালীতে বাঁশের চাঁই দিয়ে মাছ শিকারের ফলে দেশী প্রজাতির মাছ রুপকথার গল্পেরমত হতে চলছে। এতে বিভিন্ন প্রজাতির দেশী মাছের পোনা ও মাছ উৎপাদন কমে যাচ্ছে। গ্রাম-গঞ্চে বাঁশের তৈরী চাঁই জলাশয়ে পেতে মাছের বংশ নষ্ট করছে অসাধু জেলেরা। 

অন্যদিকে বিভিন্ন খালে ও ডোবায় অধিক হারে কীটনাষক ব্যবহারের কারনে মাছের বংশ বিস্তার করতে পারছেনা। এসব অবৈধ চাঁই প্রতিরোধ করতে না পারলে দেশীয় প্রজাতির মাছ উৎপাদন কমে যাবে। তবুও থেমে নেই  মাছ শিকারে অসাধু জেলেরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দশমিনা উপজেলায় বিভিন্ন হাট-বাজারে অবৈধ ভাবে বাঁশের তৈরী চাঁই বিক্রি করে থাকে স্থানীয় ও সুবিধাভোগী ব্যবসায়ীরা। বৈশাখ থেকে ভাদ্র মাসের শেষ পর্যন্ত উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের ধানীজমি ও খাল-বিল, ডোবা-নালাতে বাশেঁর চাঁই পেতে বিভিন্ন প্রজাতির পোনা মাছ ও মাছ শিকার করা হচ্ছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী মাছ শিকারের জন্য ব্যবহারিত  নিয়ম কানুন না মেনে অবৈধ ভাবে চাই পেতে মাছ শিকাওে মেতে উঠেছে অসাধু জেলেরা। 

এসকল অসাধু জেলেরা দুইসুতাঁ পরিমান ফাঁকা রেখে বাশেঁর চাঁই তৈরী করে ব্যবহার  করছে। ফলে দেশীয় প্রজাতির মাছের বংশ নষ্ট করছে। আর দেশীয় মৎস্য প্রজনন কমে যাচ্ছে। অন্য দিকে এ অঞ্চলের মানুষের মাছের আকাল দিন দিন বেড়েই চলছে। এমতাবস্থায় বাঁশের চাঁই ব্যবহার দ্রুত বন্ধ না করলে ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে দেশীয় মাছের রুপকথার গল্পেরমত থেকে যাবে।

চাঁই দিয়ে মাছ শিকারকারী মো. ইউনিুছ খা বলেন, কিস্তি এনে আগে রাস্তায় গাড়ি চালাইতাম যাত্রী কম থাকায় বাধ্য হয়ে বাজার থেকে বাঁশের চাঁই কিনে এনেছি। ৬জনের সংসারের খরচ চালাতে এ পথে নামছি। না খেয়ে কয়দিন থাকতে পারি। খালে-বিলে ও ডোবায় পেতে মাছ শিকার করে বাজারে কিংবা মাছের আড়ৎতে বিক্রি করে কোন রকম সংসার চালাই। এ উপজেলায় এরকম কয়েক শ’ চাঁই দিয়ে মাছ শিকার করে সংসার চালায় ।

এ ব্যাপারে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মাহাবুব আলম তালুকদার বলেন, বাশেঁর চাঁই দিয়ে মাছ শিকারের কারনে এ অঞ্চলের দেশী বিভিন্ন প্রজাতির মাছ উৎপাদন কমে যাচ্ছে। তবে এ বাঁশের চাই গুলো অপসারনের লক্ষে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে এবং খালগুলোতে অভিযান পরিচালনা করা হবে।


আরও খবর

বিষখালীর হঠাৎ ভাঙনে ছয় দোকান বিলীন

মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২




সেনবাগে গ্রাহকের ৪০ লক্ষাধিক টাকা নিয়ে মতিমিয়ারহাট সমিতির দায়িত্বশীলরা উধাও

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৩৪৭জন দেখেছেন
Image

রফিকুল ইসলাম সুমন: নোয়াখালীর সেনবাগে শতাধিক গ্রাহকের সাধারণ সঞ্চয় ও বিভিন্ন মেয়াদী  ডিপিএস এর জমানো প্রায় ৪০ লক্ষাধিক টাকা নিয়ে সমিতির দায়িত্বশীলরা উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সরজমিনে গিয়ে অর্ধশতাধিক  ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, উপজেলার মতিমিয়ার হাট বাজারে অবস্থিত "মতিমিয়ার হাট বহুমুখী সমবায় সমিতি লিঃ ( রেজিঃ নং ঃ নোয়া -১৫৮) নামে একটি সমিতি বিগত ৮ -১০ বছর যাবত ঐ এলাকার মানুষদের আকর্ষণীয় লভ্যাংশ দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাপ্তাহিক ও মাসিক সাধারণ সঞ্চয় এবং বিভিন্ন  মেয়াদী ডিপিএস এর অর্থ আদায় করে আসছিলো। কিন্তু বিগত ২ বছরের ও অধিক সময় যাবত সমিতির অফিস বন্ধ করে দিয়ে গ্রাহকদের নিকট হতে অর্থ আদায় কার্যক্রম স্থগিত করে দিয়েছে সমিতির দায়িত্বশীলরা।

এমন পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়েন প্রায় শতাধিক গরীব ও হতদরিদ্র গ্রাহক।এমন পরিস্থিতিতে সমিতির সদস্যরা, সভাপতি জাকির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, কোষাধ্যক্ষ ডাঃ স্বপন ও আদায়কারী শহিদুল্লাহর নিকট বার বার তাদের জমাকৃত সঞ্চয়ের টাকা উত্তোলন করার আবেদন করে ও অদ্যবধি পর্যন্ত পাননি।

উপরন্তুু আদায়কারী শহিদুল্লাহর অনেকের টাকা ফেরৎ দিবে বলে তাদের হিসাব বই নিয়ে জব্দ করে বর্তমানে গা ঢাকা দিয়েছেন।গ্রাহকদের অভিযোগ প্রায় শতাধিক গ্রাহকের ৪০ লক্ষাধিক টাকা নিয়ে বর্তমানে সমিতির দায়িত্বশীলরা পলাতক রয়েছেন এবং টাকা আত্মসাৎ এর বিষয়ে একে অপরকে দুষছেন।

এবিষয়ে জানতে চাইলে সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনকে ফোন দিলে, তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে বার বার ফোন কেটে দেন এবং একপর্যায়ে মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন।সমিতির আদায়কারী শহিদুল্লাহকে ফোন দিলে তিনি তার স্ত্রী ও মেয়েকে দিয়ে ফোন রিসিভ করান এবং তারা বলেন শহিদুল্লাহ বাড়ীতে নেই। এদিকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য আবু সাঈদ মুঠোফোনে গণমাধ্যমকে জানান, গত ২ বছর ধরে এই এলাকার বিভিন্ন বাড়ীতে গেলেই নারী - পুরুষদের এই অভিযোগ শুনতে হয়। সমিতির দায়িত্বশীলরা এলাকায় থাকেন না। তাই এ ব্যাপারে আমরা কিছুই করার নেই। 

সমিতির ভুক্তভোগী সদস্যরা সাংবাদিকদের জানান,  তাদের কষ্টার্জিত সঞ্চিত টাকা ফেরৎ পেতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছেন এবং এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ করার প্রক্রিয়া চলছে।


আরও খবর