Logo
আজঃ রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২
শিরোনাম

সরকার রিজার্ভের টাকা নিয়ে অলস বসে থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৭০জন দেখেছেন
Image

রিজার্ভ নিয়ে সমালোচকদের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রিজার্ভের টাকা দিয়ে অলস বসে থাকবেন না বরং তা জনগণের কল্যাণে ব্যবহার করবেন। রিজার্ভের টাকা নিয়ে অলস বসে থাকা ঠিক হবে না। আমাদের জনগণের ভোগান্তি কমাতে হবে।’

সোমবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) নবনির্বাচিত ৫৯ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের শপথবাক্য পাঠ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অথিথির ভাষণে এ কথা বলেন এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের মোট ৬২৩ জন সদস্যও শপথ নেন।

প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের তাদের এলাকাকে খাদ্য উৎপাদনে স্বাবলম্বী করতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলেন, যাতে প্রতি ইঞ্চি জমি চাষাবাদের আওতায় আনা যায়।

সারাদেশে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় তিনি জনগণকে সচেতন করার পাশাপাশি নবনির্বাচিত জন প্রতিনিধিদেরকে তাদের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা জনকল্যাণমূলক স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই এবং তার মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন যেন নিশ্চিত হয় সেটাই আমাদের লক্ষ্য। এখানে আপনাদের একটা বিরাট দায়িত্ব রয়েছে। এলাকায় কিধরনের অসুবিধা আছে,মানুষের জন্য কি কল্যাণকর কাজ করা যেতে পারে, উন্নয়নের জন্য কি কাজ করতে পারেন-সেটা আপনাদের ভাবতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের এখানে বহুদলীয় গণতন্ত্র রয়েছে, অনেক দল রয়েছে। কেউ দল থেকে বা কেউ আলাদা ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু একটা কথা মনে রাখতে হবে যখন আপনি ভোটে নির্বাচিত হয়ে এসেছেন তখন আপনার দায়িত্ব সকলের জন্য। 

শেখ হাসিনা নিজের উদাহারণ টেনে বলেন, তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে উন্নয়নের ক্ষেত্রে কে তাকে ভোট দিল আর কোন এলাকার ভোটার সেটা দেখেননি।

তিনি বলেন, ‘আমি সার্বিকভাবে উন্নয়নের ব্যবস্থা নিয়েছি, প্রতিটি মানুষ যাতে উন্নয়নের ছোঁয়া পায় সেই ব্যবস্থাই আমরা নিয়েছি’।

তিনি বলেন, আমরা ৬১টি জেলা পরিষদে ২০২১-২২ অর্থবছরে রাজস্ব খাতের আওতায় প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা এবং এডিপি’র আওতায় ৫৪০ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করেছি।

সূত্র: বাসস।


আরও খবর

এক দিনের সফরে যশোরে প্রধানমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার ২৪ নভেম্বর ২০২২




শীতের পরিচ্ছন্ন থাকুন

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | ৬৯জন দেখেছেন
Image

শীতে আলস্য আরও বেশি কাজ করে। সকালে ঘুম ভাঙতেই আরও কিছুক্ষণ কম্বল মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকতে চাচ্ছেন। ওঠার নামগন্ধও নেই। এই আলস্যের কারণে অনেক সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিও মাথা থেকে হাওয়া হয়ে যায়। বিশেষত ছেলেদের ক্ষেত্রে এমন অভিযোগ আরও গুরুতর। শীতে তারা পরিচ্ছন্ন থাকেন না। শীতকালের কিছু অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। চলুন জেনে নেই সেসব অভ্যাস সম্পর্কে:

গোসল না করা
শীতকালে অনেকেই দু-একদিন গোসল করেন না। ঠিক আছে। এক বা দুইদিন মানা যায়। কিন্তু একটানা কয়েকদিন গোসল না করলে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনের প্রবণতা থাকে। অনেকেই সারাদিন অফিসে দৌড়ঝাঁপ করেন কিংবা ওয়ার্ক আউট করেন। এমন হলে গোসল না করার কারণ নেই। হতে পারে শীতে ঘাম বেশিক্ষণ থাকে না। কিন্তু ঘামের কারণে সৃষ্ট ব্যাকটেরিয়া থেকে যায়। ঘামের দুর্গন্ধ তো আছেই সেই সঙ্গে ব্রণ, ডার্মাটাইটিস, একজিমার মতো ত্বকের নানা সমস্যাও দেখা দিবে।

মোজা না বদলালে
শীতে নিয়মিত মোজা পরা হবেই। অনেকেই ঠাণ্ডা পানির আতঙ্কে মোজা বদলান না। ঘরেই যেহেতু পরছেন সেহেতু ধোয়ার কি প্রয়োজন? এমন করবেন না। রোজই মোজা বদলাবেন। জুতো-মোজা পরলে পা ঘামবেই। শীতে অনেকের পা ফাটার সমস্যা দেয় ফলে পায়ে ফাঙ্গাল ইনফেকশন হতে পারে। তাই নিয়মিত মোজা ভালোমতো কেঁচে শুকিয়ে নিন।

জামা না বদলানো
একই সোয়েটার কিংবা জ্যাকেটের নিচের জামা পরিষ্কার করেন না। নিজের শরীরের ক্ষতিই হবে। ঘাম, ত্বকের তেল, ব্যাকটেরিয়া পোশাকে মিশে দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করবে। তাছাড়া এমন ময়লা ত্বকে বডি অ্যাকনের সমস্যা তৈরি করতে করবে। 


আরও খবর

যেসব কারণে রক্ত ওঠানামা করে

সোমবার ২৯ আগস্ট ২০২২




মোংলায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ মিছিল

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৬০জন দেখেছেন
Image
আলী আজীম: নৌযান শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ ১০ দফা দাবিতে আগামী ২৬ নভেম্বর থেকে সারাদেশে ধর্মঘট ডেকেছে নৌযান শ্রমিকরা। দাবি পূরণ না হলে ওই দিন রাত ১২টা এক মিনিট থেকে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

কর্মবিরতি সফল করতে মোংলা নৌ-যান শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে মোংলায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার (১৯ নভেম্বর) বাদ আছর বিক্ষোভ মিছিলটি মোংলা পৌর শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পৌর মার্কেটের সামনে এসে শেষ হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, গেজেট প্রকাশ করে ২০১৬ সালে শ্রমিকদের বেতন ৭ হাজার ৭০০ টাকা ও মৃত্যুকালীন ক্ষতিপূরণ ২ লাখ টাকা নির্ধারণ করেছিল সরকার। প্রতি ৫ বছর পর পর সরকার শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি করলেও এবার নির্ধারিত সময়ের পর ১৭ মাস অতিবাহিত হয়েছে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিসহ বর্তমান পরিস্থিতিতে এ বেতনে নৌযান শ্রমিকরা পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

এছাড়া নৌপথে চুরি-ডাকাতি বন্ধ, চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ রাখার পোতাশ্রয় নির্মাণ, নৌ প্রশাসন দ্বারা শ্রমিকদের নির্যাতন বন্ধসহ ১০ দফা দাবির কথা তুলে ধরেন তারা।

পৌর মার্কেটের সামনে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, মোংলা নৌ-যান শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক মোঃ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, সদস্য সচীব মাইনুল হোসেন মিন্টু, সদস্য ইলিয়াস মাষ্টার, বাবু হাওলাদার,বাদশা হাওলাদার, আল আমিন হোসেন, আবু তাহের হোসেন, মঞ্জু হাওলাদার।

আরও খবর

বাগেরহাটে বসত ঘরে ঢুকে হামলা, আহত -৩

বৃহস্পতিবার ২০ অক্টোবর ২০22




ঝালকাঠির রাজাপুরে প্রতারণার মাধ্যমে জমি বিক্রি, প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৭৪জন দেখেছেন
Image

কঞ্জন কান্তি চক্রবর্তী,ঝালকাঠি  প্রতিনিধি:  ঝালকাঠির রাজাপুরে প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া কাগজ তৈরি করে জমি বিক্রি’র প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী জমির প্রকৃত মালিকগন।

মঙ্গলবার সকালে রাজাপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সদস্য’রা সংবাদ সম্মেলনে শহিদুল ইসলাম বলেন, রাজাপুর ৪৭ নং মৌজার বিভিন্ন দাগে আমাদের ৬৭ শতাংশ সম্পত্তি রয়েছে। এই সম্পত্তির সাড়ে ২৭শতাংশে মালিক ছিলো মৃত আতাহার আলী খাঁনের স্ত্রী মৃত রোকেয়া খাতুন। তিনি তার সম্পত্তির চেয়েও বেশী আনুমানিক ৪০ বছর আগে বিক্রি করেছে।

বর্তমানে আমি সহ আমাদের নিকট আত্মীয় মৃত মোঃ মানিক খাঁন, মোঃ গোল ফুক্কুর খাঁন,রিজিয়া বেগম ,মোঃ আবু কালাম খাঁন দলিল ও ওয়ারিশ মূলে সম্পত্তির বর্তমানে প্রকৃত মালিক।

বর্তমানে তার ছেলে মোঃ ইউনুস খাঁন প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে দুই খানা দলিলের (যার নং-২৩৯০,২৩৯১) মাধ্যেমে ১৮.৮৩ শতাংশ সম্পত্তি রাজাপুর উপজেলা সদরের ২ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোঃ আল আমিন খাঁনে’র কাছে বিক্রি করেছেন। আল আমিন খাঁন উপজেলা সদরের ২ নং ওয়ার্ড জালিয়াপাড়া এলাকার মৃত আলতাফ হোসেন খাঁনের ছেলে।

মোঃ ইউনুস খাঁন যে ১৮.৮৩ শতাংশ সম্পত্তি ভুয়া কাগজ পত্রের মাধ্যমে বিক্রি করেছেন সেই সম্পত্তির কিছু অংশের ওয়ারিশ সুত্রে এবং কিছু অংশরে ত্রুয় সূত্রে বর্তমান মালিক আমরা। আমার বাগান বাড়ীতে (ঐ সম্পত্তিতে) কৃষিকাজে ব্যবহৃতযন্ত্রপাতি,সার ও কিটনাশক রাখার জন্য একটি টিনসেট ঘর ছিলো যে ঘরটি বর্তমানে ইউপি সদস্য আল আমিন খাঁন লোকজন নিযে রাতের আধারে দখলে নেয়। তাতে আমরা বাঁধা দিলে আমাদের প্রাণ নাশের হুকমি দেয়।

অবশেষে নিরুপায় হইয়া আমরা বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করি। বিষয়টি আমলে নিয়ে মহামান্য আদালত ঐ সম্পত্তির উপর নোটিশ জারি করে। কিন্তু আল আমিন খাঁন আদালতের নির্দেশ অমান্য করে অবৈধ ভাবে তার জোরপূর্বক দখলকৃত সম্পত্তিতে লোকজন নিয়ে বসবাস করতেছেন।

ডি.পি ১৮৬৯ নং খতিয়ানে মোট সম্পত্তির পরিমান ৫ শতাংশ যাহার প্রকৃত মালিক, মোঃ গোলফুক্কর খাঁন, মোঃ মনিক খাঁন, মোঃ হারুন হাওলাদার। কিন্তু মোঃ ইউনুস খাঁন আমাদের ডি.পি নম্বর দিয়ে আমাদের সকলের এস.এ ও বি.এস দাগ বসিয়ে টাকার বিনিময়ে ভুয়া বি.এস পর্চা তৈরি করে এবং দাখিলা কেটে সম্পত্তি আল আমিনের কাছে বিক্রি করেন।

ভুয়া কাগজে দিয়ে আমাদের সম্পত্তি যাহাতে তাদের নামে না করে নিতে পারে সে জন্য আপনাদের লেখুনির মাধ্যমে মহামন্য আদালত,বরিশাল জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস এবং উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিস কতৃপক্ষ সহ সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃস্টি কামনা করছি।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা এবং রাজাপুর প্রেস ক্লাব সভাপতি সহ জেলা ও উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ হবে না : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ১১ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | ৭২জন দেখেছেন
Image

আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বিশ্বব্যাপী দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। বাংলাদেশে ইনশাআল্লাহ কোনো দুর্ভিক্ষ হবে না। তার জন্য আমাদের এখন থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে।’

যুবলীগের ৫০ বছর পূর্তি ও সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি এখনও যথেষ্ট শক্তিশালী। যারা বলেছিল বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা হবে তাদের মুখে ছাই পড়েছে। সেটা হয়নি, ইনশাআল্লাহ হবেও না।’

কিন্তু আমাদের কাজ করতে হবে।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ২০০৯ সালে যখন সরকার গঠন করি। এই ১৪ বছরে আজকের বাংলাদেশ বদলে যাওয়া বাংলাদেশ, উন্নত বাংলাদেশ। এই ‌বাংলাদেশকে এখন আর আন্তর্জাতিকভাবেও কেউ অবহেলার চোখে দেখে না।’ 

‘আজকে রিজার্ভ নিয়ে কথা বলে, ৯৬ সালে আমি যখন ক্ষমতা গ্রহণ করলাম। ঠিক তার আগে বিএনপি ক্ষমতায় ছিল। রিজার্ভ ছিল ২.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। সেখানে আমরা করোনাকালিন সময়ে ৪৮ বিলিয়ন পর্যন্ত উঠিয়েছি। আজকে আমাদের কাজে লাগছে কারণ আমরা করোনার টিকা দিয়েছি।’

 ‘আমাদের বাইরে থেকে সমস্ত খাবার, তেল আনতে হচ্ছে। তার ওপর দুইটা বছর আমাদের কোনো ক্যাপিটালমেশিনাইজ আসেনি। দুই বছর পর যখন সারা বিশ্ব উন্মুক্ত হয়েছে তখন ক্যাপিটালমেশিনাইজ আসছে। আমাদের রিজার্ভতো ব্যবহার করতেই হবে। তার মধ্যে ৮ বিলিয়ন আমরা আলাদা ভাবে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করছি। কারণ, শুধু রিজার্ভ জমিয়ে রাখলেতো হবে না। সেটাকে আমাদের কাজে লাগাতে হবে,’- বলেন প্রধানমন্ত্রী 


আরও খবর

এক দিনের সফরে যশোরে প্রধানমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার ২৪ নভেম্বর ২০২২




মিথ্যা মামলার ছোবল থেকে রেহাই পেতে দিলরুবা বেগমের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | ৯২জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাড়ির পানি নিষ্কাশনের ঘটনা নিয়ে মিথ্যা মামলা নিয়ে জেলহাজতে বাস করছেন রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার ডিঙ্গাডোবা ঘোষমহাল এলাকার সোনা আমিন বাবু।

৮ ডিসেম্বর দুপুরে রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে দিলরুবা বেগম অভিযোগ করে বলেন  তার প্রতিবেশি পুলিশের অবসর প্রাপ্ত উপ পরিদর্শক (এস আই) আকতার জোরপুর্বক তাদের বাড়ির পানি নিষ্কাশনের পাইপটি ভেঙ্গে ফেলেন। এই ঘটনায় আকতারকে বাধা দিতে গেলে আকতার রাজপাড়া থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক ( এস আই ) মাহাফুজকে নিয়ে এসে হুমকি ধামকি প্রদান করেন।

দিলরুবা বেগম বলেন এমন ঘটনা নিয়ে দিলরুবা বেগম রাজপাড়া থানায় মামলা করতে গেলে রাজপাড়া থানা পুলিশ তার মামলা গ্রহণ করে নাই। আকতার বাদি হয়ে  দিলরুবা বেগমের স্বামী সোনা আমিন বাবু তার শ্বশুর ৭৫ বছরের বৃদ্ধ বনি আমিন,দিলরুবা বেগম সহ কয়েকজনকে আসামি করে একটি নাটকীয়  চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় দিলরুবা বেগম আদালত থেকে জামিনে বেরিয়ে আসলেও তার স্বামী সোনা আমিন বাবু রয়েছেন জেলহাজতে।

তিনি বলেন সংসারের একমাত্র উপার্জনের ব্যক্তি মিথ্যা মামলায় জেলহাজতে থাকার কারনে আমরা মানবেতর জীবন যাপন করছি। অপর দিকে প্রভাবশালী আকতার বিভিন্ন ভাবে আমাদের আবার হুমকি ধামকি প্রদান করছেন।

৭৫ বছরের বৃদ্ধা বনি আমিন সংবাদ সম্মেলনে বলেন এই বয়সে আমি নড়াচড়া করতে  রিতিমত হিমশিম খাই, আর আমার নামে মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা করে আমাকে  কোর্টে নিয়েছেন এর জন্য আল্লাহকে বিচার দিয়েছি।

দিলরুবা বেগমের মেয়ে বলেন আকতার পুলিশের চাকরি থেকে অবসরে যেয়েও তার ভেতর থেকে পুলিশের ভাব যায়নি। তিনি বলেন ডিঙ্গাডোবা ঘোষ মহাল এলাকায় তার আচরনে সাধারণ মানুষ অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। এমন ষড়যন্ত্র মুলক মিথ্যা মামলার সঠিক তদন্ত দাবি করেন তিনি। একজন অবসর প্রাপ্ত পুলিশ সদস্য থানা পুলিশের  সাথে আতাত করে কোন  নিরহ মানুষকে  যেন মিথ্যা ষড়যন্ত্র মুলক মামলায় ফাঁসাতে না পারেন সেই বিষয়ে পুলিশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন নির্যাতিতার মেয়ে।

অপর দিকে রাজপাড়া থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক (এস আই ) মাহফুজ তাদের বাড়িতে জোরপুর্বক প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করা সহ সরাসরি আকতারের পক্ষে (এস আই) মাহফুজ  কাজ করার বিষয় নিয়ে শংকিত রয়েছে দিলরুবার পরিবার। তাদের ধারণা যে কোন সময় তাদের আবারো কোন নাটকীয় মামলায় হয়রানি করা হবে।

জানতে চেয়ে রাজপাড়া থানার উপ পরিদর্শক ( এস আই ) মাহফুজকে মুঠো ফোনে ফোন করলে তিনি বলেন আকতার রহমানের করা মামলায় আমি তদন্তে গুয়েছি এটি সত্য। তবে হুমকি ধামকির কোন ঘটনা ঘটেনি।


আরও খবর