Logo
আজঃ রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২
শিরোনাম

যাবতীয় কল্যাণ একমাত্র আল্লাহর হাতে

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৭৯জন দেখেছেন
Image

মহান আল্লাহ আমাদের সৃষ্টিকর্তা ও রিজিকদাতা। যাবতীয় কল্যাণ একমাত্র তাঁরই হাতে। তাই দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ লাভে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের বিকল্প নেই। প্রশান্ত জীবন লাভে তাঁর আদেশ-নিষেধ মেনে চলার বিকল্প নেই। 

যারা তাঁর নির্দেশিত পথ থেকে সরে যাবে, তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। হতাশার পাহাড়গুলো তার মাথার ওপর চেপে বসবে। হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মহাপবিত্র আল্লাহ বলেন, হে আদম সন্তান, আমার ইবাদতে মগ্ন হও। আমি তোমার অন্তরকে ঐশ্বর্যমণ্ডিত করব এবং তোমার দারিদ্র্য দূর করব। তুমি যদি তা না করো, তাহলে আমি তোমার অন্তর হতাশা দিয়ে পূর্ণ করব এবং তোমার দরিদ্রতা দূর করব না। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৪১০৭)

অন্য বর্ণনায় আছে, হাদিসে কুদসিতে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে আদম সন্তান, তুমি আমার ইবাদতের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করো, আমি তোমার অন্তর ঐশ্বর্যে পূর্ণ করে দেব এবং তোমার অভাব দূর করে দেব। তুমি তা না করলে আমি তোমার দুই হাত কর্মব্যস্ততায় পরিপূর্ণ করে দেব এবং তোমার অভাব-অনটন রহিত করব না। ’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৪৬৬)

কারণ যারা মহান আল্লাহর আদেশ অমান্য করে দুনিয়াকে প্রাধান্য দেয়, মহান আল্লাহ তাদের প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন না। ফলে তাদের আত্মিক শান্তি উধাও হয়ে যায়। তারা যেদিকে তাকায় শুধু হতাশা-ব্যর্থতা দেখতে পায়। দুশ্চিন্তা তাদের চেপে ধরে। এর বিপরীতে যাদের চিন্তা আখিরাতকেন্দ্রিক হয়, তাদের দুনিয়ার চিন্তার জন্যও মহান আল্লাহ যথেষ্ট হয়ে যান। ফলে তারা দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ লাভ করে। তাদের ইহকাল ও পরকাল শান্তিময় হয়। আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রা.) বলেন, আমি তোমাদের নবী (সা.)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি তার সমস্ত চিন্তাকে একই চিন্তায় অর্থাৎ আখিরাতের চিন্তায় কেন্দ্রীভূত করেছে, আল্লাহ তার দুনিয়ার চিন্তার জন্য যথেষ্ট। অপরদিকে যে ব্যক্তি যাবতীয় পার্থিব চিন্তায় নিমগ্ন থাকবে সে যেকোনো উন্মুক্ত মাঠে ধ্বংস হোক, তাতে আল্লাহর কিছু আসে যায় না। ’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ২৫৭)

অন্য হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তির একমাত্র চিন্তার বিষয় হবে পরকাল, আল্লাহ সেই ব্যক্তির অন্তরকে অভাবমুক্ত করে দেবেন এবং তার যাবতীয় বিচ্ছিন্ন কাজ একত্র করে সুসংযত করে দেবেন, তখন তার কাছে দুনিয়াটা নগণ্য হয়ে দেখা দেবে। আর যে ব্যক্তির একমাত্র চিন্তার বিষয় হবে দুনিয়া, আল্লাহ তাআলা সেই ব্যক্তির গরিবি ও অভাব-অনটন দুই চোখের সামনে লাগিয়ে রাখবেন এবং তার কাজগুলো এলোমেলো ও ছিন্নভিন্ন করে দেবেন। তার জন্য যা নির্দিষ্ট রয়েছে, দুনিয়াতে সে এর চেয়ে বেশি পাবে না। (তিরমিজি, হাদিস : ২৪৬৫)

তাই আমাদের উচিত, ইহকাল ও পরকালের কল্যাণ লাভের চেষ্টা করা। আল্লাহর কাছে অকল্যাণ থেকে আশ্রয় চাওয়া। সব কিছুতে মহান আল্লাহর আদেশ-নিষেধকে প্রাধান্য দেওয়া। ইনশাআল্লাহ, মহান আল্লাহ আমাদের দুনিয়া-আখিরাতের কল্যাণ ও নিরাপত্তা দান করবেন।


আরও খবর

শিরক থেকে দূরে থাকতে হবে

বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৬৪জন দেখেছেন
Image

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরশীলতাসহ পরিবেশ দূষণ কমবে। 

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (বুয়েট) এবং জেনেক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচারের মধ্যে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

বুয়েট মিলনায়তনে বুয়েটের উপাচার্য সত্য প্রসাদ মজুমদার এবং জেনেক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর তানজিদুল আলম এই সমঝোতা চুক্তি সই করেন। এই সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।  

চুক্তি অনুযায়ী বুয়েটের ২৪টি বিল্ডিংয়ের ৩ লাখ স্কয়ার ফিট ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন করবে জেনেক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার। এই প্যানেলগুলো থেকে বছরে ৪ হাজার ৩৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। এই বিদ্যুৎ ন্যাশনাল গ্রীডে সরবরাহ করা হবে। বুয়েট বিদ্যুৎ পাবে সাশ্রয়ী রেটে। এতে বুয়েটের বছরে ৬০ লাখ টাকা সাশ্রয় হবে।


আরও খবর

এসএসসির প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষ হলো

বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিবেদিতপ্রাণরাই মুমিন

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৭৩জন দেখেছেন
Image

আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনকে যারা নিজেদের কর্তব্য বলে ভাবেন তারাই মুমিন। তাকেই মুমিন বলে যে ব্যক্তি মহান আল্লাহর একাত্মবাদ ও রসুল (সা.)-এর রিসালাত পূর্ণ আন্তরিকতার সঙ্গে বিশ্বাস করে এবং তাঁর প্রতিটি হুকুম-আহকাম মেনে চলে। 

মহান আল্লাহ, তাঁর প্রেরিত সব নবী-রসুল, ফেরেশতা, আসমানি কিতাব, পরকাল ও তাকদিরের ওপর  বিশ্বাস স্থাপন করে আর ইমান গ্রহণের পর যে ব্যক্তি ইমান থেকে বিন্দুমাত্র বিচ্যুত হননি তিনিই প্রকৃত মুমিন। আল কোরআন ও হাদিসে মুমিনের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সুনির্দিষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। 

কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘ওইসব মুমিনই সফলকাম হয়েছে যারা নিজেদের নামাজে বিনয়-নম্র, যারা অনর্থক কথাবার্তায় নির্লিপ্ত ও বিতৃষ্ণ, যারা জাকাতদানে তৎপর, যারা নিজেদের যৌনাঙ্গ সংযত রাখে, তবে তাদের স্ত্রী ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে সংযত না রাখলে তারা তিরস্কৃত হবে না, তারপর কেউ এদের ছাড়া অন্যকে কামনা করলে তারা সীমা লঙ্ঘনকারী হবে এবং যারা আমানত ও অঙ্গীকার সম্পর্কে হুঁশিয়ার থাকে এবং যারা তাদের নামাজসমূহের হেফাজত করে তারাই উত্তরাধিকার লাভ করবে, তারা ছায়াময় সুশীতল উদ্যানের উত্তরাধিকার লাভ করবে, তারা তাতে চিরকাল থাকবে।’ সুরা মুমিনুন আয়াত ১-১১।

কোরআন মাজিদে ইরশাদ হয়েছে, ‘প্রকৃত ইমানদার তো তারাই আল্লাহর জিকির হলে যাদের অন্তর কেঁপে ওঠে। আর আল্লাহর আয়াত যখন তাদের সামনে পড়া হয় তাদের ইমান বেড়ে যায়।’ সুরা আনফাল আয়াত ২। একজন মুমিন আল্লাহর ওপর ইমান আনার পর আর কখনো এ বিষয়ে আস্থার সংকটে ভোগে না। সে পূর্ণভাবে আল্লাহর ওপর আস্থাশীল হয়। 
যেমন আল্লাহতায়ালা নিজেই বলেছেন, ‘মুমিন তারাই যারা আল্লাহ ও তাঁর রসুল (সা.)-এর প্রতি ইমান আনার পর আর সন্দেহে পড়ে না।’ সুরা হুজুরাত আয়াত ১৫। ‘তারা আল্লাহ ছাড়া আর কোনো প্রভুকে ডাকে না।’ সুরা ফুরকান আয়াত ৬৮। 

কোরআনে আল্লাহ মুমিনদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বলেন, ‘যারা মুমিন আল্লাহর স্মরণে তাদের অন্তর প্রশান্তি লাভ করে। প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর স্মরণ দ্বারাই অন্তরে প্রশান্তি এসে থাকে। জেনে রেখ, আল্লাহর স্মরণ আসলে তা যার দ্বারা দিল পরম শান্তি ও স্বস্তি লাভ করে।’ সুরা রাদ আয়াত ২৮।

মুমিনরা সত্যনিষ্ঠ হয়। কোনো তথ্য পেলে তারা তা যাচাই করে গ্রহণ করে। কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা! যদি কোনো পাপাচারী তোমাদের কাছে কোনো সংবাদ নিয়ে আসে তবে তোমরা তা পরীক্ষা করে দেখবে, যাতে অজ্ঞতাবশত তোমরা কোনো সম্প্রদায়ের ক্ষতিসাধনে প্রবৃত্ত না হও। এরপর নিজেদের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত না হও।’ সুরা হুজুরাত আয়াত ৬। 

মুমিনদের বৈশিষ্ট্য প্রসঙ্গে রসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা মুমিনদের পারস্পরিক দয়া, ভালোবাসা ও হৃদ্যতা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে একটি দেহের মতো দেখতে পাবে। দেহের কোনো অঙ্গ যদি পীড়িত হয়ে পড়ে তাহলে অন্য অঙ্গগুলোও জ্বর, নিদ্রাহীনতাসহ তার ডাকে সাড়া দেয়।’ বুখারি।

আল কোরআনে মুমিন পুরুষ ও নারী সম্পর্কে বলা হয়েছে, ‘আর ইমানদার পুরুষ ও ইমানদার নারী একে অন্যের সহায়ক। তারা সৎ কাজের আদেশ দেয় এবং মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে। নামাজ প্রতিষ্ঠা করে, জাকাত আদায় করে এবং আল্লাহ ও তাঁর রসুলের নির্দেশ অনুযায়ী জীবনযাপন করে। এদের ওপর আল্লাহ দয়া করবেন।’ সুরা তওবা আয়াত ৭১।

মুমিনকে মহব্বত ও দয়ার প্রতীক বলা হয়। আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন, ‘নিশ্চয়ই সৎকর্মশীল মুমিনদের জন্য দয়াময় আল্লাহ তাদের জন্য (মানুষের অন্তরেও) মহব্বত পয়দা করে দেন।’ সুরা মরিয়ম আয়াত ৯৬। 

রসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘মুমিন মহব্বত ও দয়ার প্রতীক। ওই ব্যক্তির মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই যে কারও সঙ্গে মহব্বত রাখে না এবং মহব্বতপ্রাপ্ত হয় না।’ মুসনাদে আহমাদ। 
অন্য হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, ‘ওই ব্যক্তি তার ইমানকে দৃঢ় করল যে কাউকে ভালোবাসল আল্লাহর জন্য, কাউকে ঘৃণা করল আল্লাহর জন্য। কাউকে কোনো কিছু দিল আল্লাহর জন্য আর কাউকে কোনো কিছু দেওয়া থেকে বিরত থাকল কেবল আল্লাহর জন্য।’ তিরমিজি। 
আল কোরআনে বলা হয়েছে, ‘হে মুমিনরা! তোমরা আল্লাহ, তাঁর রসুল ও তোমাদের ওপর ন্যস্ত আমানতের খিয়ানত কোর না। অথচ তোমরা এর গুরুত্ব খুব ভালো করেই জান।’ সুরা আনফাল আয়াত ২৭। আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুল (সা.) বলেছেন, ‘যদি তোমার মধ্যে চারটি জিনিস থাকে তবে পার্থিব কোনো জিনিস হাতছাড়া হয়ে গেলেও তোমার ক্ষতি হবে না- ১. আমানতের হিফাজত ২. সত্যভাষণ ৩. উত্তম চরিত্র ৪. পবিত্র রিজিক।’ মুসনাদে আহমাদ। 

অন্য হাদিসে বলা হয়েছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি রসুল (সা.) থেকে বর্ণনা করেন, ‘যে ব্যক্তি তোমার কাছে আমানত রেখেছে তার আমানত তাকে ফেরত দাও। যে ব্যক্তি তোমার আমানত আত্মসাৎ করে তুমি তার আমানত আত্মসাৎ কোর না।’ তিরমিজি, আবুদাউদ। 

কোরআন ও হাদিসের নিরিখে মুমিন হবেন আমানতের রক্ষণাবেক্ষণকারী। মুমিন কখনো খিয়ানতকারী হতে পারে না। এটা মুমিনের চরিত্রের বিপরীত কাজ। নিজেদের মুমিন হিসেবে আল্লাহর দরবারে উপস্থাপন করতে হলে এসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। আল্লাহ আমাদের মুমিনের বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলি রপ্ত করা এবং মুমিন হিসেবে তাঁর দরবারে হাজির হওয়ার তৌফিক দিন।


আরও খবর

শিরক থেকে দূরে থাকতে হবে

বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




হরিপুরে জমি নিয়ে বিরোধে কুলসুম নামে একজন মর্মান্তিকভাবে জখম

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ১৩১জন দেখেছেন
Image

জয়নাল আবেদিন: হরিপুরে জমি নিয়ে বিরোধে কুলসুম নামে একজনকে হাসুয়া এবং কোদাল দিয়ে গলায় এবং কানে আঘাত করে মর্মান্তিকভাবে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা । গলা এবং কানে তাতে কিছু অংশ কেটে  গিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরন হয়ে হরিপুর হাসপাতালে ভর্তি হয়।

তাদের বাড়ি হরিপুর উপজেলার ১নং গেদুরা ইউনিয়নের পঁচাঘুড়িয়া গ্রামের শেখার মোরে।

জানা গেছে দুর্বৃত্ত সলিম,সাহেদ গোলজান দেশিয় অস্থ নিয়ে কুলসুম সহতার পরিবারের লোকজনের উপর আক্রমণ করে এলোপাথারি ভাবে মারপিট করে এবং হাসুয়া দিয়ে কোপ দেয়।পরে স্থানিয় লোকজন এসে তাদের রক্ষা করে।

এই ব্যাপারে হরিপুর থানায় একটি এজহার করা হয় বলে হরিপুর থানার অসি মোঃ তাজুল ইসলাম  বিষয়টি নিশ্চিত  করেন।


আরও খবর



অসামান্য সেবা পদকে ভুষিত হলেন পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৩২জন দেখেছেন
Image

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: দেশের তৃতীয় বৃহত্তর গভীর সমুদ্র পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মাদ সোহায়েল অসামান্য সেবা পদকে ভ‚ষিত হলেন।

নৌবাহিনীতে চাকরিরত অবস্থায় নৌবাহিনী ও দেশের উন্নতিকল্পে প্রশংসনীয় অবদান ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার জন্য গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০২১ সালের জন্য তাকে এ অসামান্য সেবা পদকে ভ‚ষিত করা হয়েছে। ২১ নভেম্বর সোমবার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০২২ উপলক্ষে নৌসদর “সাগরিকা” হল রুমে এ পদক দেয়া হয়।

বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে নৌবাহিনী প্রধান তাকে এ পদক পরিধান করিয়ে দেন। এসময় নৌবাহিনী প্রধানের সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন রিয়ার এডমিরল মোহাম্মদ মোজ্জাম্মেল হক, সহকারী প্রধান (পার্সোনাল) রিয়াল এডমিরল খন্দকার মিসবা-উল-আজিম, কমান্ডার ঢাকা নৌ-অঞ্চল এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগন।

জানা যায়, রিয়াল এডমিরল মোহাম্মদ সোহায়েল ইতিপূর্বে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কৃতিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর নির্মাণ কাজের প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এসময় বাংলাদেশের নৌশক্তির অতীত ইতিহাসের নিপুণ গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌশক্তির পাঁচ হাজার বছরের গৌরবময় ইতিহাস অত্যন্ত সুনিপণভাবে জাদুঘরে তুলে ধরেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস, ঐতিহ্য, সাফল্য সংক্রান্ত নিদর্শন জাদুঘরে তুলে ধরেন। তিনি মেরিটাইম বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের অসাধারণ হলোগ্রাফী তৈরী করে দেশে-বিদেশে আলোড়ন সৃষ্টি করেন।

এছাড়াও অসামান্য সেবা পদক প্রাপ্ত রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মাদ সোহায়েল নৌবাহিনীর অপারেশন ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে অসামান্য অবদান রেখেছেন। তিনি সাবমেরিন সংরক্ষন এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সার্বিক উন্নতি ও নিরাপত্তা বিধানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

তিনি নেভাল স্কুল অব ইন্টেলিজেন্স প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন ও উন্নয়নে অনবদ্য ভ‚মিকা পালন করেন। এসকল কারণে বাংলাদেশ সরকার তাকে এ পদকে ভ‚ষিত করেন। বর্তমানে তিনি পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।






আরও খবর



ঝালকাঠির রাজাপুরে প্রতারণার মাধ্যমে জমি বিক্রি, প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৭৪জন দেখেছেন
Image

কঞ্জন কান্তি চক্রবর্তী,ঝালকাঠি  প্রতিনিধি:  ঝালকাঠির রাজাপুরে প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া কাগজ তৈরি করে জমি বিক্রি’র প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী জমির প্রকৃত মালিকগন।

মঙ্গলবার সকালে রাজাপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সদস্য’রা সংবাদ সম্মেলনে শহিদুল ইসলাম বলেন, রাজাপুর ৪৭ নং মৌজার বিভিন্ন দাগে আমাদের ৬৭ শতাংশ সম্পত্তি রয়েছে। এই সম্পত্তির সাড়ে ২৭শতাংশে মালিক ছিলো মৃত আতাহার আলী খাঁনের স্ত্রী মৃত রোকেয়া খাতুন। তিনি তার সম্পত্তির চেয়েও বেশী আনুমানিক ৪০ বছর আগে বিক্রি করেছে।

বর্তমানে আমি সহ আমাদের নিকট আত্মীয় মৃত মোঃ মানিক খাঁন, মোঃ গোল ফুক্কুর খাঁন,রিজিয়া বেগম ,মোঃ আবু কালাম খাঁন দলিল ও ওয়ারিশ মূলে সম্পত্তির বর্তমানে প্রকৃত মালিক।

বর্তমানে তার ছেলে মোঃ ইউনুস খাঁন প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে দুই খানা দলিলের (যার নং-২৩৯০,২৩৯১) মাধ্যেমে ১৮.৮৩ শতাংশ সম্পত্তি রাজাপুর উপজেলা সদরের ২ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোঃ আল আমিন খাঁনে’র কাছে বিক্রি করেছেন। আল আমিন খাঁন উপজেলা সদরের ২ নং ওয়ার্ড জালিয়াপাড়া এলাকার মৃত আলতাফ হোসেন খাঁনের ছেলে।

মোঃ ইউনুস খাঁন যে ১৮.৮৩ শতাংশ সম্পত্তি ভুয়া কাগজ পত্রের মাধ্যমে বিক্রি করেছেন সেই সম্পত্তির কিছু অংশের ওয়ারিশ সুত্রে এবং কিছু অংশরে ত্রুয় সূত্রে বর্তমান মালিক আমরা। আমার বাগান বাড়ীতে (ঐ সম্পত্তিতে) কৃষিকাজে ব্যবহৃতযন্ত্রপাতি,সার ও কিটনাশক রাখার জন্য একটি টিনসেট ঘর ছিলো যে ঘরটি বর্তমানে ইউপি সদস্য আল আমিন খাঁন লোকজন নিযে রাতের আধারে দখলে নেয়। তাতে আমরা বাঁধা দিলে আমাদের প্রাণ নাশের হুকমি দেয়।

অবশেষে নিরুপায় হইয়া আমরা বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করি। বিষয়টি আমলে নিয়ে মহামান্য আদালত ঐ সম্পত্তির উপর নোটিশ জারি করে। কিন্তু আল আমিন খাঁন আদালতের নির্দেশ অমান্য করে অবৈধ ভাবে তার জোরপূর্বক দখলকৃত সম্পত্তিতে লোকজন নিয়ে বসবাস করতেছেন।

ডি.পি ১৮৬৯ নং খতিয়ানে মোট সম্পত্তির পরিমান ৫ শতাংশ যাহার প্রকৃত মালিক, মোঃ গোলফুক্কর খাঁন, মোঃ মনিক খাঁন, মোঃ হারুন হাওলাদার। কিন্তু মোঃ ইউনুস খাঁন আমাদের ডি.পি নম্বর দিয়ে আমাদের সকলের এস.এ ও বি.এস দাগ বসিয়ে টাকার বিনিময়ে ভুয়া বি.এস পর্চা তৈরি করে এবং দাখিলা কেটে সম্পত্তি আল আমিনের কাছে বিক্রি করেন।

ভুয়া কাগজে দিয়ে আমাদের সম্পত্তি যাহাতে তাদের নামে না করে নিতে পারে সে জন্য আপনাদের লেখুনির মাধ্যমে মহামন্য আদালত,বরিশাল জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস এবং উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিস কতৃপক্ষ সহ সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃস্টি কামনা করছি।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা এবং রাজাপুর প্রেস ক্লাব সভাপতি সহ জেলা ও উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর