Logo
আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

যাবতীয় কল্যাণ একমাত্র আল্লাহর হাতে

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ২৭০জন দেখেছেন

Image

মহান আল্লাহ আমাদের সৃষ্টিকর্তা ও রিজিকদাতা। যাবতীয় কল্যাণ একমাত্র তাঁরই হাতে। তাই দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ লাভে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের বিকল্প নেই। প্রশান্ত জীবন লাভে তাঁর আদেশ-নিষেধ মেনে চলার বিকল্প নেই। 

যারা তাঁর নির্দেশিত পথ থেকে সরে যাবে, তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। হতাশার পাহাড়গুলো তার মাথার ওপর চেপে বসবে। হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মহাপবিত্র আল্লাহ বলেন, হে আদম সন্তান, আমার ইবাদতে মগ্ন হও। আমি তোমার অন্তরকে ঐশ্বর্যমণ্ডিত করব এবং তোমার দারিদ্র্য দূর করব। তুমি যদি তা না করো, তাহলে আমি তোমার অন্তর হতাশা দিয়ে পূর্ণ করব এবং তোমার দরিদ্রতা দূর করব না। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৪১০৭)

অন্য বর্ণনায় আছে, হাদিসে কুদসিতে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে আদম সন্তান, তুমি আমার ইবাদতের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করো, আমি তোমার অন্তর ঐশ্বর্যে পূর্ণ করে দেব এবং তোমার অভাব দূর করে দেব। তুমি তা না করলে আমি তোমার দুই হাত কর্মব্যস্ততায় পরিপূর্ণ করে দেব এবং তোমার অভাব-অনটন রহিত করব না। ’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৪৬৬)

কারণ যারা মহান আল্লাহর আদেশ অমান্য করে দুনিয়াকে প্রাধান্য দেয়, মহান আল্লাহ তাদের প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন না। ফলে তাদের আত্মিক শান্তি উধাও হয়ে যায়। তারা যেদিকে তাকায় শুধু হতাশা-ব্যর্থতা দেখতে পায়। দুশ্চিন্তা তাদের চেপে ধরে। এর বিপরীতে যাদের চিন্তা আখিরাতকেন্দ্রিক হয়, তাদের দুনিয়ার চিন্তার জন্যও মহান আল্লাহ যথেষ্ট হয়ে যান। ফলে তারা দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ লাভ করে। তাদের ইহকাল ও পরকাল শান্তিময় হয়। আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রা.) বলেন, আমি তোমাদের নবী (সা.)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি তার সমস্ত চিন্তাকে একই চিন্তায় অর্থাৎ আখিরাতের চিন্তায় কেন্দ্রীভূত করেছে, আল্লাহ তার দুনিয়ার চিন্তার জন্য যথেষ্ট। অপরদিকে যে ব্যক্তি যাবতীয় পার্থিব চিন্তায় নিমগ্ন থাকবে সে যেকোনো উন্মুক্ত মাঠে ধ্বংস হোক, তাতে আল্লাহর কিছু আসে যায় না। ’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ২৫৭)

অন্য হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তির একমাত্র চিন্তার বিষয় হবে পরকাল, আল্লাহ সেই ব্যক্তির অন্তরকে অভাবমুক্ত করে দেবেন এবং তার যাবতীয় বিচ্ছিন্ন কাজ একত্র করে সুসংযত করে দেবেন, তখন তার কাছে দুনিয়াটা নগণ্য হয়ে দেখা দেবে। আর যে ব্যক্তির একমাত্র চিন্তার বিষয় হবে দুনিয়া, আল্লাহ তাআলা সেই ব্যক্তির গরিবি ও অভাব-অনটন দুই চোখের সামনে লাগিয়ে রাখবেন এবং তার কাজগুলো এলোমেলো ও ছিন্নভিন্ন করে দেবেন। তার জন্য যা নির্দিষ্ট রয়েছে, দুনিয়াতে সে এর চেয়ে বেশি পাবে না। (তিরমিজি, হাদিস : ২৪৬৫)

তাই আমাদের উচিত, ইহকাল ও পরকালের কল্যাণ লাভের চেষ্টা করা। আল্লাহর কাছে অকল্যাণ থেকে আশ্রয় চাওয়া। সব কিছুতে মহান আল্লাহর আদেশ-নিষেধকে প্রাধান্য দেওয়া। ইনশাআল্লাহ, মহান আল্লাহ আমাদের দুনিয়া-আখিরাতের কল্যাণ ও নিরাপত্তা দান করবেন।


আরও খবর

যে আমলে আল্লাহর সাহায্য আসে

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পুণ্যময় জীবন গঠন

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ২৮,৪৭৩

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ৪৬জন দেখেছেন

Image

গাজায় হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার বলেছে, ফিলিস্তিনি যোদ্ধা এবং ইসরাইলি বাহিনীর মধ্যে চার মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে অবরুদ্ধ এ ভূখন্ডে কমপক্ষে ২৮,৪৭৩ জন নিহত হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় ১৩৩ জন নিহত হওয়ায় এ সংখ্যা বেড়ে মোট ২৮,৪৭৩ জনে দাঁড়ালো।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরো বলা হয়, গত ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গাজায় মোট ৬৮,১৪৬ জন আহত হয়েছে।


আরও খবর



জর্ডানকে হারিয়ে আবারো এশিয়া চ্যাম্পিয়ন কাতার

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ৪০জন দেখেছেন

Image

প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপ ফুটবলের ফাইনালে উঠেছিল জর্ডান। কিন্তু তাদের দৌড় সেখান পর্যন্তই। শেষ ধাপটি আর পার হতে পারল না তারা। স্বাগতিক কাতারের কাছে হেরেছে দলটি। জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে এশিয়া কাপের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট ধরে রাখল বিশ্বকাপ আয়োজনকারী দেশটি।

২০২২ বিশ্বকাপে দোহার লুসাইল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল আর্জেন্টিনা-ফ্রান্স ফাইনাল। সেই মাঠেই ফাইনালে জর্ডানের মুখোমুখি হয় কাতার। এই ম্যাচে কাতারের তিনটি গোলই এসেছে পেনাল্টি থেকে এবং তিনবারই শট নেন আকরাম আফিফ। অর্থাৎ আকরাম আফিফের পেনাল্টি হ্যাটট্রিক হলো এই ম্যাচে।

২০১৯ সালেও এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট জিতেছিল কাতার। সেবারের ফাইনালে হারিয়েছিল এশিয়া কাপের সবচেয়ে সফল দেশ জাপানকে। এবার লুসাইল স্টেডিয়ামে কাতার-জর্ডান ফাইনাল দেখার জন্য হাজির হয়েছিল ৮৬ হাজার ৫০০ জন দর্শক। দর্শকদের মধ্যে হাজির ছিলেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এবং ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো।

ম্যাচের ২২তম মিনিটে প্রথমে পেনাল্টি থেকে গোল করে স্বাগতিকদের এগিয়ে নেন আকরাম আফিফ। ১-০ ব্যবধানে প্রথমার্ধ শেষ হয়। এরপর ৬৭ মিনিটে জর্ডানকে গোলটি শোধ করে দেন ইয়াজান আল নাইমাত।

১-১ গোলে সমতায় আসার পর ম্যাচে চরম নাটকীয়টা অপেক্ষা করছিল; কিন্তু আরও দুটি পেনাল্টি পেয়ে যায় কাতার। যে কারণে জর্ডানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। ৭৩ মিনিটে দ্বিতীয়টি এবং ৯০+৫ মিনিটে তৃতীয় পেনাল্টি থেকে গোল করে কাতারকে শিরোপা নিশ্চিত করে দেন আকরাম আফিফ। সেই সঙ্গে নিজের হ্যাটট্রিকও পূরণ করেন তিনি।

মোট ৮ গোল করে টুর্নামেন্টের গোল্ডেন বল জয় করেন কাতারের এই ফুটবলার। শুধু তাই নয়, টুর্নামেন্টের মোস্ট ভ্যালুয়েবল খেলোয়াড় হিসেবে গোল্ডেন বলও উঠেছে তার হাতে।

ম্যাচের পর কোচ মার্কুয়েজ লোপেজ বলেন, আমি অভিনন্দন জানাতে চাই কাতারি জনগণ এবং খেলোয়াড়দের। অসম্ভব কঠিন এক টুর্নামেন্ট এবং কঠিন এক ফাইনাল জিততে পেরে দারুণ খুশি আমরা। খুবই টেনশনে ছিলাম।


আরও খবর

এক ম্যাচ নিষিদ্ধ রোনালদো

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

রিয়ালকে নতুন কী ‘শর্ত’ দিলেন এমবাপ্পে?

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




কানাডায় ‘প্রবাসে মাতৃভাষার চর্চা ও গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ৭৫জন দেখেছেন

Image

কানাডার ক্যালগেরিতে ‘প্রবাসে মাতৃভাষার চর্চা ও গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার স্থানীয় সময় ক্যালগেরিতে নর্থ ইস্টের ৩২ নম্বর এভিনিউতে আলবার্টার প্রথম বাংলা অনলাইন পোর্টাল ‘প্রবাস বাংলা ভয়েস’- এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

বাংলা ভয়েসের প্রধান সম্পাদক আহসান রাজীব বুলবুলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালগেরি’র অধ্যাপক কাজী খালিদ হাসান, প্রধান বক্তা ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রকৌশলী সুফল বৈরাগী, সাইফুল ইসলাম রিপন ও আব্দুল্লা রফিক। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী জেরিন তাজ ও রম্য লেখক বায়াজিদ গালিব। আলোচনায় অংশ নেন শুকরুজ্জামান তুহিন, রুপক দত্ত, কিরণ বনিক শংকর, এ্যনথনি জ্যাকব, মো. মাহমুদ হাসান, মৌ ইসলাম, ফারজানা হক, জাকিয়া বেগম ও সৌভিক সাদমান।

বক্তারা বলেন, প্রবাসে মাতৃভাষা চর্চাকে আরও সূদৃঢ় করতে এবং মাতৃভূমির সঙ্গে পরবর্তী প্রজন্মের সেতুবন্ধন তৈরি করতে ভাষা শিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও প্রবাসে বাংলা ভাষার প্রসারে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। মাতৃভাষা আর বাংলা সংস্কৃতির অবমাননা কিভাবে জাতীয় প্রগতির অন্তরায় হতে পারে, সে বিষয়েও বিশদ আলোচনা হয়। এছাড়াও সর্বস্তরে বিশুদ্ধ বাংলা চর্চার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। 

দেশের সঙ্গে প্রবাসে বাংলা ভাষা চর্চার গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তারা বলেন, মাতৃভূমির সঙ্গে পরবর্তী প্রজন্মের সেতুবন্ধন তৈরিতে আমাদের কাজ করে যেতে হবে। বিদেশে আরও বেশি বাংলা গণমাধ্যমের বিস্তৃতি ঘটাতে হবে। যাতে পরবর্তী প্রজন্ম এসব গণমাধ্যমের পৃষ্ঠপোষকতায় এগিয়ে আসতে পারেন। সে ব্যাপারে এখন থেকেই সবার সচেষ্ট হওয়া উচিত। একুশের চেতনা, ইতিহাস আর সংস্কৃতিকে সযত্নে লালন করে কিভাবে একটি সুন্দর ভবিষ্যত প্রজন্ম গড়ে উঠতে পারে সে বিষয়েও জ্ঞানগর্ভ অভিমত দেন বক্তারা। 

বক্তারা আরও বলেন, ভাষার দাবির মধ্যেই নিহিত ছিল গণতন্ত্র, সাংস্কৃতিক স্বাধীকার জাতিসত্তা সম্পর্কে চেতনার উন্মেষ এবং জাতীয় আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনের সংগ্রামের বীজ। প্রবাসে শুধু শহীদ মিনার নির্মাণ করলেই হবে না, একুশের চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে তুলে ধরতে হবে। আলোচনা শেষে ‘প্রবাস বাংলা ভয়েস’ এর পঞ্চম বর্ষপূর্তির প্রকাশনা বই উন্মোচন করা হয়।


আরও খবর

ভাষা শহীদদের প্রতি মালয়েশিয়ায় শ্রদ্ধা

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জাবিতে কবিতা আবৃত্তি ও সঙ্গীতের মাধ্যমে ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী সমাবেশ

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ৫৮জন দেখেছেন

Image

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি : কবিতা আবৃত্তি ও সঙ্গীতের মাধ্যমে ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে সমাবেশ করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বরে এ প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক সমাবেশ আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর প্ল্যাটফর্ম ‘জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোট’। সমাবেশে বক্তরা পাঁচটি দাবি জানায়।

দাবিগুলো হলো- চলমান ধর্ষণের ঘটনার সুষ্ঠু সুরাহা এবং জড়িত সকলকে দ্রুত বিচারের আওতায় আনা, যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেল কার্যকর করা ও  পূর্বের সকল অভিযোগ নিষ্পত্তি করা, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা ও দায়িত্ব অবহেলাকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া,  হল থেকে অছাত্রদের বিতাড়িত করে সিট সংকট নিরসন করা ও ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের দৌরাত্ম্য নিরসনে পদক্ষেপ নেওয়া।

সমাবেশে আয়োজকরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান সাংস্কৃতিক সংকট এবং ধর্ষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষকে গর্জে ওঠার আহ্বান জানানোর জন্যই এই আয়োজন করা হয়েছে।

সমাবেশে জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইসলাম মেঘ বলেন, ’ধর্ষণ ও অন্যান্য অপরাধ একদিনে ঘটেনি। তিলে তিলে সব অপরাধ একত্রিত হয়ে ধর্ষণে পরিণত হয়েছে। ধর্ষণের পিছনে দায়ী ক্ষমতাসীন ছাত্রসংগঠনের মদদ। ধর্ষণ ও মাদকমুক্ত ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে হলে ক্ষমতাসীনদের ছাত্রসংগঠনের বিরুদ্ধে আমাদের  দাঁড়াতে হবে। আমাদের আন্দোলন শুধু ধর্ষণের বিরুদ্ধে নয়, আমাদের আন্দোলন অছাত্র, মাদক ও সেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে যারা মাহমুদুর রহমান জনির মতো যৌন নিপীড়কের আশ্রয়দাতা।


আরও খবর



আগামী ১৬ দিন বিকল্প পথে চলতে হবে মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারীদের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৭জন দেখেছেন

Image

সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর পোস্তগোলা সেতুর কার্যক্ষমতা বাড়াতে দুই সপ্তাহের সংস্কার কাজ শুরু করেছে। ফলে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহাকারী যানবাহনগুলোকে আজ বৃহস্পতিবার থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত বিকল্প পথ ব্যবহার করতে বলেছে সওজ। 

এই সময়টাতে মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনগুলোকে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করতে বলেছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদফতর। এরইমধ্যে এ বিষয়ে অধিদফতরের ঢাকা জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. সবুজ উদ্দিন খান সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (এন-৮: ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে) মহাসড়কের তৃতীয় কিলোমিটারে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী বুড়িগঙ্গা সেতু-১ এর (পোস্তগোলা সেতু) দুটি গার্ডারের মেরামত ও রেট্রোফিটিং কাজ করা হবে।

এই মেরামত কাজের জন্য আগে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৬ মার্চ তারিখ নির্ধারণ করা হলেও এসএসসি পরীক্ষার জন্য তা পরিবর্তন করা হয়। নতুন নির্ধারিত ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত সময়ে সেতুটি দিয়ে ট্রাক-পিকআপ ভ্যান, কাভার্ডভ্যান, কনটেইনারবাহী লরিসহ সবধরনের ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। আর ২৪ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি এবং ১, ৪ ও ৮ মার্চ- এই পাঁচ দিন বাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, সিএনজি, অটোরিকশাসহ সবধরনের হালকা যানবাহন চলাচলও বন্ধ থাকবে। এই পাঁচ দিন সবাইকে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের অনুরোধ করা হয়েছে।

ভারী যানবাহন ও বড় বাসের জন্য বিকল্প সড়কের নির্দেশনাও দিয়েছে সওজ। এতে বলা হয়েছে, যাত্রাবাড়ী থেকে ছেড়ে আসা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মহাসড়কগামী যানবাহন ধোলাইপাড় বাসস্ট্যান্ড ও বাবুবাজার সেতু ব্যবহার করে তেঘড়িয়া ইন্টারসেকশন হয়ে মহাসড়কে প্রবেশ করবে। আর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মহাসড়ক হতে যাত্রাবাড়ীগামী যানবাহন তেঘড়িয়া ইন্টারসেকশন-বাবুবাজার সেতু ব্যবহার করে ধোলাইপাড় হয়ে যাত্রাবাড়ী প্রবেশ করবে।


আরও খবর

১০ দেশের রাষ্ট্রদূতকে দেশে ফেরার নির্দেশ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিদের শপথ বিকালে

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪