Logo
আজঃ শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3
শিরোনাম

যেভাবে কানের যত্ন নেবেন বর্ষা মৌসুমে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | ৬৪৩জন দেখেছেন

Image

বর্ষাকালে কানের বিশেষ যত্ন নিতে হয়। যখন তখন বৃষ্টিতে ভিজে কানের ভেতর পানি ঢুকে যেতে পারে। এ থেকে কানে ব্যথা ও পর্দা ফাটার ঘটনাও ঘটতে পারে। বর্ষাকালে কানের রোগ ও যত্ন সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন নাক, কান ও গলারোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক জাহীর আল-আমিন। 

কানে ছত্রাক সংক্রমণকে চিকিৎসার পরিভাষায় অটোমাইকোসিস বলে। ফাঙ্গাস ছাড়াও কানে অন্যান্য সংক্রমণের কারণগুলো হলো ঠান্ডা লাগা এবং অ্যালার্জি।

স্ট্রেপটোকক্কাস নিউমোনি এবং হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণেও কানে নানাবিধ সমস্যা দেখা দিতে পারে। ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ সারা বছরই ঘটলেও বর্ষাকালে এ ধরনের সংক্রমণের মাত্রা বেড়ে যায়। এ ছাড়া কানের ময়লা বা ওয়াক্স সঠিকভাবে বের হতে না পারলেও তা ছত্রাক সংক্রমণে ইন্ধন জোগায়। 

পাশাপাশি, কান বন্ধ, কানে অস্বস্তি, কান ফুলে যাওয়া, হালকা চুলকানি, কানে ব্যথা, শ্রবণক্ষমতা কমে যাওয়া, কান থেকে তরল নিঃসৃত হওয়া, কানে তীব্র ব্যথা হওয়া ইত্যাদি কানে সংক্রমণের উপসর্গ। এমনকি জ্বরও হতে পারে সংক্রমণের লক্ষণ।

বর্ষাকালে কানের যত্ন হিসাবে গোসলের পর শুকনো কাপড় দিয়ে কান মুছে নিন। কানের ওয়াক্স এমনিই বের হয়ে আসে। আলাদা করে কটনবাড ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। কোনো কিছু দিয়ে খোঁচাখুঁচিও করতে হয় না। বরং এসব করতে গিয়ে হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। কানে ক্ষত তৈরি হতে পারে। সেখান থেকে হতে পারে সংক্রমণ। আর কানে ওয়াক্স জমে পাথর হয়ে গেলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। সেক্ষেত্রে তিনি কানে দেওয়ার জন্য ড্রপ দেবেন। সেই ড্রপ কয়েকদিন ব্যবহারে কানের ওয়াক্স নরম হয়ে যায়।

এরপর ইএনটি চিকিৎসক সহজেই সেই ওয়াক্স বের করে দেন। খুব বেশি ঠান্ডা জিনিস খাবেন না। বর্ষাকালে ঠান্ডা খাবার থেকে গলায় সংক্রমণ ও সেখান থেকে কানে সংক্রমণ হওয়া নতুন কিছু নয়।


আরও খবর

শুষ্ক ত্বকের যত্নে মধু

বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩

শীতে লালশাক কেন খাবেন?

সোমবার ২৭ নভেম্বর ২০২৩




৭ দিনে রিজার্ভ কমল ১১৮ কোটি ডলার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ ডিসেম্বর ২০২৩ | ৪৪জন দেখেছেন

Image

সংকট মেটাতে বাজারে প্রতিদিনই ডলার বিক্রি করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভ ধারাবাহিকভাবে কমছে।

চলতি নভেম্বর মাসের শুরুতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ২ হাজার ৬৬ কোটি মার্কিন ডলার। ব্যাংকগুলো বেশি দামে রেমিট্যান্স কেনায় মাসের প্রথম সপ্তাহে আকুর পেমেন্ট দেওয়ার পরও রিজার্ভ বেড়ে ২ হাজার ৭৮ কোটি ডলারে ওঠে। কিন্তু ডলার বিক্রি অব্যাহত থাকায় রিজার্ভ আবারও কমতে শুরু করেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ১১৮ কোটি ডলার কমে রিজার্ভ এখন দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৯৬০ কোটি ৩৭ লাখ ডলারে।      

১৬ নভেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদন থেকে রিজার্ভের এ চিত্র পাওয়া গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রোস রিজার্ভ কমে দাঁড়ায় ২ হাজার ৫২৬ কোটি (২৫ দশমিক ২৬ বিলিয়ন) ডলার। তবে  আইএমএফের শর্ত ও আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী বিপিএম-৬ ম্যাথোডের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবের সঙ্গে ৫.৬৬ বিলিয়ন ডলারের পার্থক্য রয়েছে। অর্থাৎ বিপিএম-৬ ম্যানুয়াল অনুযায়ী গ্রস রিজার্ভ এক হাজার ৯৬০ কোটি ৩৭ লাখ ডলার বা ১৯ দশমিক ৬০ বিলিয়ন।

২০২৩-২৪ অর্থবছরের শুরুতে গ্রোস রিজার্ভ ছিল ২৯ দশমকি ৭৩  বিলিয়ন ডলার আর বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ২৩ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলার।

বিশ্বজুড়ে প্রচলিত ও বহুল ব্যবহৃত আইএমএফের ব্যালেন্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম-৬) অনুযায়ী, রিজার্ভ গণনায় বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন তহবিলের পাশাপাশি বিমানকে দেওয়া ঋণ গ্যারান্টি, পায়রাবন্দর কর্তৃপক্ষকে দেওয়া ঋণ, ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকে আমানত এবং নির্দিষ্ট গ্রেডের নিচে থাকা সিকিউরিটিতে বিনিয়োগ রিজার্ভের অন্তর্ভুক্ত নয়। বাংলাদেশ ব্যাংক আগে এগুলোকেও রিজার্ভ হিসেবে দেখিয়ে আসছিল। এসব হিসাব বাদ দেওয়ার কারণে রিজার্ভ থেকে ৫ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার কমে যায়।

তবে বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, যা শুধু আইএমএফকে দেওয়া হয়। প্রকাশ করা হয় না। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সেই হিসাবে দেশের প্রকৃত রিজার্ভ এখন ১৬ বিলিয়ন ডলারের নেমে যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে এখন যে পরিমাণ প্রকৃত রিজার্ভ আছে, তা দিয়ে শুধু তিন মাসের আমদানি খরচ মেটানো যাবে। সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম ৩ মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। সেই মানদণ্ডে বাংলাদেশ এখন শেষ প্রান্তে রয়েছে। একটি দেশের অর্থনীতির অন্যতম সূচক হলো বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সংকটের কারণে রিজার্ভ থেকে বাজারে প্রচুর ডলার বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া এ মাসে আকুর বিলও পরিশোধ হয়েছে। রপ্তানি ও রেমিট্যান্স প্রবাহ কম এসব কারণেই মূলত রিজার্ভ কমছে।

কীভাবে তৈরি হয় রিজার্ভ

রেমিট্যান্স, রপ্তানি আয়, বিদেশি বিনিয়োগ, বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার ঋণ থেকে যে ডলার পাওয়া যায় তা দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ তৈরি হয়। আবার আমদানি ব্যয়, ঋণের সুদ বা কিস্তি পরিশোধ, বিদেশি কর্মীদের বেতন-ভাতা, পর্যটক বা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাসহ বিভিন্ন খাতে যে ব্যয় হয়, তার মাধ্যমে বিদেশি মুদ্রা চলে যায়। এভাবে আয় ও ব্যয়ের পর যে ডলার থেকে যায় সেটাই রিজার্ভে যোগ হয়। আর বেশি খরচ হলে রিজার্ভ কমে যায়।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি ও বিভিন্ন পণ্যের দাম বেশি থাকায় আমদানি ব্যয় কমেনি। এছাড়া করোনার পর বৈশ্বিক বাণিজ্য আগের অবস্থায় ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। পরে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর গত বছরের মার্চ থেকে দেশে ডলার-সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে, যা এখনো অব্যাহত আছে। এ সংকট দিন দিন বাড়ছে। বাজারে ‘স্থিতিশীলতা’ আনতে রিজার্ভ থেকে নিয়মিত ডলার বিক্রি করে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চলতি অর্থ বছরে এখন পর্যন্ত ৫২০ কোটি (৫ বিলিয়ন) ডলার বিক্রি করেছে। ফলে ধারাবাহিক ভাবে কমছে অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এ সূচকটি ধারাবাহিকতা কমছে।

দেশের বিভিন্ন খাতে শর্ত পূরণের লক্ষ্য নির্দিষ্ট করে দিয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বাংলাদেশকে ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন করে চলতি বছরের জানুয়ারির শেষের দিকে। এই ঋণের প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬২ লাখ ৭০ হাজার ডলার গত ফেব্রুয়ারিতে পায় বাংলাদেশ। এই শর্তের মধ্যে অন্যতম ছিল জুনে প্রকৃত রিজার্ভ ২ হাজার ৪৪৬ কোটি ডলার, সেপ্টেম্বরে তা ২ হাজার ৫৩০ ডলার এবং ডিসেম্বরে ২ হাজার ৬৮০ ডলারে রাখার কথা ছিল। কিন্তু পরে এসব শর্ত শিথিল করেছে সংস্থাটি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর থেকে রিজার্ভ কমে এ পর্যায়ে নেমেছে। এর আগে ধারাবাহিক ভাবে যা বাড়ছিল। ১০ বছর আগে ২০১৩ সালের জুন শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল মাত্র ১৫ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার। পাঁচ বছর আগে ছিল ৩৩ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলার। সেখান থেকে বেড়ে ২০২০ সালের ১ সেপ্টেম্বর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৯ বিলিয়ন ডলারের ঘরে পৌঁছায়। ওই বছরের ৮ অক্টোবর ৪০ বিলিয়ন ডলারের নতুন মাইলফলক অতিক্রম করে। এরপর তা বেড়ে ক‌রোনা মহামারির মধ্যেও বাংলাদেশের বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভ রেকর্ড গড়ে ২০২১ সালের ২৪ আগস্ট। ওইদিন রিজার্ভ ৪৮ দশমিক শূন্য ৪ বিলিয়ন ডলার বা চার হাজার ৮০৪ কোটি ডলারে উঠে। এরপর ডলার সংকটে গত বছর থেকে রিজার্ভ ধারাবাহিকভাবে কমছে।

আকু কী

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) হলো একটি আন্তঃদেশীয় লেনদেন নিষ্পত্তি ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার লেনদেনের দায় পরিশোধ করা হয়। ইরানের রাজধানী তেহরানে আকুর সদর দপ্তর। এ ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতি দুই মাস অন্তর আমদানির অর্থ পরিশোধ করে। বাংলাদেশ ব্যাংক সবশেষ গত ৭ নভেম্বর (মঙ্গলবার) চলতি বছরের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের আমদানি বিল বাবদ ১১১ কোটি ডলার পরিশোধ করে।


আরও খবর

আবারও বাড়লো সোনার দাম

বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩




কোরআন-হাদিসে জান্নাতি মানুষের পরিচয়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ ডিসেম্বর ২০২৩ | ৩১জন দেখেছেন

Image

ইসলামিক ডেস্ক : মৃত্যুর পর মানুষ নিজের ভালো-মন্দ কাজের প্রতিদান পাবে। এ সময় মুমিনরা চিরস্থায়ীভাবে জান্নাত লাভ করবে এবং কাফিররা চিরস্থায়ীভাবে জাহান্নামে থাকবে। ঈমান ও নেক আমল ভালো কাজ জান্নাত লাভের প্রধান শর্ত। আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘যে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রাখবে এবং ভালো কাজ করবে তিনি তাকে এমন জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, যার তলদেশে নদ-নদী প্রবাহিত হয়, যেখানে তারা চিরস্থায়ীভাবে থাকবে।’ (সুরা : তালাক, আয়াত : ১১)

পবিত্র কোরআন ও হাদিসে জান্নাতি মানুষের বৈশিষ্ট্য বর্ণিত হয়েছে। নিম্নে তা তুলে ধরা হলো : রাগ সংবরণ ও মানুষকে ক্ষমা করা জান্নাতি মানুষের বৈশিষ্ট্য। মহান আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা রবের ক্ষমার দিকে দৌড়ে যাও এবং জান্নাতের দিকে যার বিস্তৃতি আসমান ও জমিনের সমান, যা মুত্তাকিদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। যারা সচ্ছল ও অসচ্ছল অবস্থায় ব্যয় করে, রাগ সংবরণ করে, মানুষকে ক্ষমা করে এবং আল্লাহ অনুগ্রহ কারীদের ভালোবাসেন। যারা অশ্লীল কাজ করলে বা নিজেদের ওপর অন্যায় করলে আল্লাহকে স্মরণ করে, অতঃপর তাদের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে..।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১৩৩-১৩৫)

কোমল হৃদয় ও ক্ষমতার অধিকারী : হাদিসে ক্ষমতাবান লোকদের মধ্যে যারা সত্যবাদী ও ন্যায়পরায়ণ, তাদের জান্নাতের সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে। ইয়াজ বিন হিমার (রা.) থেকে বর্ণিত, একটি দীর্ঘ হাদিসে জান্নাতি ও জাহান্নামিদের বৈশিষ্ট্য বর্ণিত হয়েছে। তাতে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তিন শ্রেণির মানুষ জান্নাতি।

এক. যারা ক্ষমতাবান, ন্যায়পরায়ণ, সত্যবাদী এবং ভালো কাজের তাওফিক পেয়েছে। দুই. যারা দয়ালু এবং আত্মীয়-স্বজন ও মুসলিমদের প্রতি কোমল হৃদয়ের অধিকারী। তিন. যারা পবিত্র চরিত্রের অধিকারী, ভিক্ষা করে না এবং পরিবার ও সন্তানাদি সম্পন্ন লোক।  আর পাঁচ ধরনের মানুষ জাহান্নামি। এক. দুর্বল লোক, যার জ্ঞান-বুদ্ধি নেই, যারা তোমাদের অনুসরণ করে এবং তাদের পরিবার ও সম্পদের প্রতি আগ্রহ নেই- অর্থাৎ নিজের জ্ঞান-বুদ্ধি ব্যবহার করে হারাম থেকে বাঁচতে বৈধ উপায়ে সম্পদ উপার্জন করে না।

দুই. খিয়ানতকারী, ছোট বিষয়েও যার লোভের কথা কারো অজানা নয়। তিন. ওই ব্যক্তি যে সম্পদ ও পরিবারের বিষয়ে তোমার সঙ্গে সকাল-সন্ধ্যা প্রতারণা করে। অতঃপর তিনি কৃপণতা, মিথ্যা বলা ও গালমন্দ করার কথা উল্লেখ করেন। (মুসলিম, হাদিস : ২৮৬৫)

বিভিন্ন হাদিসে জান্নাতিদের পরিচয় হিসেবে দুর্বল ও অসহায় মানুষের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। হারিস ইবনে ওয়াহাব খুজাঈ (রা.) বলেন, আমি নবী (সা.)-কে বলতে শুনেছি, আমি কি তোমাদের জান্নাতি মানুষের পরিচয় বলব? তারা বলল, অবশ্যই বলুন। তিনি বলেন, প্রত্যেক দুর্বল ও বিনয়ী ব্যক্তি, তারা কোনো ব্যাপারে আল্লাহর নামে শপথ করলে তা পূরণ করে। আমি কি তোমাদের জাহান্নামি মানুষের পরিচয় বলব? তারা রূঢ় স্বভাবের, বেশি মোটা ও অহংকারী। তারাই জাহান্নামি। (বুখারি, হাদিস : ৪৯১৮)

নারী-পুরুষের মধ্যে যারা জান্নাতি : একটি হাদিসে জান্নাতি পুরুষ ও নারীদের কথা এসেছে। ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, আমি কি তোমাদের জান্নাতি পুরুষদের সম্পর্কে জানাব না? (তারা হলো) নবী, সত্যবাদী, আল্লাহর পথে শহীদ, জান্নাতের শিশু যারা ছোটবেলায় মারা গেছে, যে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য শহরের আরেক প্রান্তে অন্য ভাইয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। এবং তোমাদের স্ত্রীরাও জান্নাতি, যারা বেশি প্রেয়সী, সন্তানদাত্রী, যতবার ভুল করে ততবার স্বামীর কাছে ফিরে আসে। তার স্বামী রাগ করলে সে স্বামীর হাতে হাত রেখে বলে, আপনি সন্তুষ্ট না হওয়া পর্যন্ত আমি ঘুমাব না। (নাসায়ি, হাদিস : ৯১৩৯)

মৃত্যুর পর ইতিবাচক সাক্ষ্যদান : জান্নাতি হওয়ার ক্ষেত্রে অন্যদের ইতিবাচক প্রশংসা গুরুত্বপূর্ণ। আবু জুহাইর আল-সাকাফি (রা.) বর্ণনা করেছেন, রাসুল (সা.) নাবাওয়াহ নামক এলাকায় আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। নাবাওয়াহ তায়েফের একটি এলাকার নাম। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘শিগগির তোমরা জান্নাতিদের জাহান্নামিদের থেকে পৃথকভাবে চিনতে পারবে। সবাই বলল, হে আল্লাহর রাসুল, কিভাবে চিনব? তিনি বলেন, ভালো প্রশংসা ও মন্দ প্রশংসার মাধ্যমে। কারণ তোমরা পৃথিবীতে একে অন্যের বিরুদ্ধে আল্লাহর সাক্ষী হবে। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৩৪১৯)

মৃত ব্যক্তির উত্তম প্রশংসা : আনাস (রা.) বলেন, কিছু লোক একটি জানাজার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মৃতলোকের উত্তম প্রশংসা করে। তখন রাসুল (সা.) বলেন, অবধারিত হয়েছে। অতঃপর আরেকটি জানাজা অতিক্রমকালে তার দুর্নাম করে। তখন রাসুল (সা.) বলেন, অবধারিত হয়েছে। ওমর (রা.) বললেন, কী অবধারিত হয়েছে? রাসুল (সা.) বলেন, তোমরা যে ব্যক্তির প্রশংসা করেছ তার জান্নাত অবধারিত। আর যার দুর্নাম করেছ তার জাহান্নাম অবধারিত। তোমরা পৃথিবীতে আল্লাহর সাক্ষী। (বুখারি, হাদিস : ১৩৬৭)


আরও খবর

তাওবার গুরুত্ব

বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩




স্কালোনির সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন মোড়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ নভেম্বর 20২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ ডিসেম্বর ২০২৩ | ২৬জন দেখেছেন

Image

স্পোর্টস ডেস্ক : চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলকে তাদেরই ঘরের মাঠে হারানো। আর্জেন্টাইন ফুটবলের জন্য বুধবারের সবচেয়ে সবচেয়ে বড় খবর হতে পারতো সেটিই। তবে তা আর হয়নি। ম্যাচ শেষের পর আকস্মিকভাবেই নিজের পদত্যাগের ইঙ্গিত দিয়ে বসেন দলের কোচ লিওনেল স্কালোনি। যার কারণে মহাদেশীয় এবং বৈশ্বিক পর্যায়ে আর্জেন্টিনা সাফল্য, সেই কোচের এমন অপ্রত্যাশিত খবর বেশ চমক দিয়েছিল সবাইকে। !

বলা হচ্ছিল, ফুটবল ফেডারেশন সভাপতি ক্লদিও তাপিয়ার সঙ্গে বেশকিছু ইস্যুতে মনোমালিন্য চলছে স্ক্যালোনির। এমনকি এই নিয়ে বেশ বড় আকারের প্রতিবেদনও প্রকাশ করে আর্জন্টাইন ফুটবলের বড় দুই সূত্র টিওয়াইসি স্পোর্টস এবং ওলে। 

তবে স্কালোনির পদত্যাগ ইঙ্গিতের বার্তা আসার কয়েক ঘন্টা পরেই শোনা যেতে থাকে নতুন খবর। আলবিসেলেস্তে ফুটবলের বিশ্বস্ত সাংবাদিক গ্যাস্টন এদুলের দুই টুইট রীতিমতো স্বস্তির সুবাতাস দিতে পারে নীল-সাদা শিবিরে। টিওয়াইসি স্পোর্টসের এই সাংবাদিক জানান, এখনই পদ ছাড়ছেন না স্ক্যালোনি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আরও কিছুটা সময় চান তিনি। 

এদুলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, স্ক্যালোনির এমন সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত মানতে পারেননি দলের কোনো খেলোয়াড়ই। নিকোলাস ওতামেন্ডির মত সিনিয়র খেলোয়াড় থেকে ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো বা অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টাররাও চাইছেন স্ক্যালোনিকে। এতেই নাকি মন গলেছে গুরুর।

ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচের পর স্কালোনি দলের কোচ হিসেবেই আর্জেন্টিনায় ফিরে যাচ্ছেন। সেখানে গিয়ে পরের কিছুদিন নিজের নিজের মত বিশ্রাম নেবেন তিনি। তখনই নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে পুনরায় ভাবনাচিন্তা করবেন। এরপরেই কেবল জানা যাবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। যদিও এসবের আগেই খেলোয়াড়দের অনেকেই তাকে দলের দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধও করেছেন। 

সবমিলিয়ে হয়ত প্রিয় শিষ্যদের অনুরোধেই দলের সঙ্গে থেকে যাবেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। আর সেক্ষেত্রে আর্জেন্টিনাও নিশ্চয়ই পরের দুই বড় আসর নিয়ে স্বপ্ন দেখবে নতুন করে। 

এর আগে গতকাল ব্রাজিলের বিপক্ষে বাছাইপর্বের ম্যাচ শেষে নিজের পদত্যাগের ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছিলেন বিশ্বকাপজয়ী এই কোচ। ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে কোচ স্কালোনি বলেন, আমি কী করতে যাচ্ছি তা নিয়ে আমাকে ভাবতে হবে। এই দল আপনাকে পুরোদমে চায়, আপনার সর্বোচ্চ শক্তি থাকতে হবে। জাতীয় দলের এমন একজন কোচ দরকার যার সমস্ত শক্তি আছে।’ 


আরও খবর

৩১৭ রানে অলআউট নিউজিল্যান্ড

বৃহস্পতিবার ৩০ নভেম্বর ২০২৩




ভারতে স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড পরিষেবা আনছেন ইলন মাস্ক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩ | ৩৫জন দেখেছেন

Image

প্রায় দুই বছর ধরে ‘স্টারলিঙ্ক ইন্টারনেট সার্ভিস’ নেটওয়ার্ক পরিষেবা ভারতে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে আমেরিকান স্পেসক্র্যাফট ম্যানুফ্যাকচারিং সংস্থা স্পেসএক্স। যদিও এতদিন সরকারি অনুমোদন পেতে ব্যর্থ হওয়ায় পরিষেবাটি সেখানে এখনো চালু হয়নি। তবে এখন জানা গেছে, শিগগিরই ভারতে স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন লাইসেন্স পেতে যাচ্ছে স্টারলিঙ্ক।

স্টারলিঙ্ক হলো বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা। এখনো অবধি স্টারলিঙ্ক মহাকাশে ৪ হাজার ৬০০টিরও বেশি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছে, যা বিশ্বের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে সরাসরি ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি দেয়। পরিষেবাটি এই মুহূর্তে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা, ইউরোপ, আফ্রিকা এবং অস্ট্রেলিয়ার নিকটবর্তী কিছু অঞ্চলসহ ৬০টিরও বেশি দেশে চালু হয়েছে। এবার পালা ভারতের।

একটি সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুসারে, স্পেসএক্সের অধীন স্টারলিঙ্ক ভারতে তাদের স্যাটেলাইট-ভিত্তিক পরিষেবা চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছে। পাশাপাশি স্যাটেলাইট পরিষেবা সংক্রান্ত কর্মবিধি পরিচালনা করার জন্য ভারত সরকারের নির্ধারিত মানদণ্ডগুলোও পালন করেছে। ফলে খুব শিগগিরই স্যাটেলাইট স্পেকট্রাম লাইসেন্স হাতে পেয়ে যেতে পারে  সংস্থাটি। তবে তার আগে স্টারলিঙ্ককে একটি সিকিউরিটি টেস্টের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। এই পরীক্ষায় পাস করলে তবেই এদেশের কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে ‘গ্লোবাল মোবাইল পার্সোনাল কমিউনিকেশন বাই স্যাটেলাইট’ লাইসেন্স পাবে সংস্থাটি। যারপর স্টারলিঙ্ক ভারতে আনুষ্ঠানিকভাবে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা অফার করতে পারবে।

প্রসঙ্গত, ‘গ্লোবাল মোবাইল পার্সোনাল কমিউনিকেশন বাই স্যাটেলাইট’ লাইসেন্সপ্রাপ্ত হওয়ার পর ইন্টারনেট পরিষেবা অফারের পাশাপাশি ভয়েস এবং মেসেজিং পরিষেবাও প্রদানে সক্ষম হবে স্টারলিঙ্ক। এক্ষেত্রে স্টারলিঙ্ক বর্তমানে একাধিক দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ডাইরেক্ট-টু-সেল পরিষেবা অফার করছে।

ভারতে এইসব সংস্থা প্রতিদ্বন্দ্বী হবে স্টারলিঙ্কের

ভারতে স্টারলিঙ্কের আগমনের খবরে দেশবাসী স্বাভাবিকভাবেই খুশি হবেন। কিন্তু অ্যামাজন, রিলায়েন্স জিও এবং এয়ারটেল ওয়ানওয়েবের মতো সংস্থাগুলো নিজেদের জায়গা ধরে রাখতে ইলন মাস্কের সংস্থাটিকে পদে-পদে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে।

এয়ারটেল ওয়ানওয়েব ও রিলায়েন্স জিও ইতোমধ্যে ভারতের ‘ডিপার্টমেন্ট অব টেলিকমিউনিকেশনস’ বিভাগের পক্ষ থেকে জিএমপিসিএস লাইসেন্স পেয়ে গেছে। এই মুহূর্তে উভয় সংস্থাই তাদের স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। অ্যামাজন ও জিএমপিসিএস লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছে, যা বর্তমানে বিচার-বিবেচনার অধীনে আছে।


আরও খবর



বিশ্বের দ্রুতগতির ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক চীনে, সেকেন্ডে যাবে ১৫০ সিনেমা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩ | ৩২জন দেখেছেন

Image

চোখের পলকে ১০০০ জিবি ডেটা পাঠানো যাবে। চীন এমন গতির ইন্টারনেট চালুর দাবি করেছে। চীনের দাবি সত্যি হলে এটিই এখনও পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক।  

এখন পর্যন্ত চালু থাকা ইন্টারনেটে সেকেন্ডে বড় জোর ১০০ জিবি তথ্য আদান-প্রদান করা যায়। কিন্তু চীনের এই নতুন ইন্টারনেট পরিষেবা এক সেকেন্ডে দেওয়া নেওয়া করবে অন্তত ১ টেরাবাইট বা এক টিবি তথ্য যা আসলে ১০০০ জিবি বা গিগাবাইটের সমান।

হুয়াওয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই পরিষেবায় অন্তত ১.২ টিবি তথ্য দেওয়া-নেওয়া করা যাবে এক সেকেন্ডে। এর ফলে খুলে যেতে পারে নতুন দরজা। কতটা শক্তিশালী এই ইন্টারনেট তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ওই কর্মকর্তা জানিয়েছে, এই ধরনের ইন্টারনেটের সাহায্যে অন্তত ১৫০টি এইচডি বা হাই ডেফিনেশন সিনেমা এক সেকেন্ডে পাঠিয়ে দেওয়া যাবে যে কোনো জায়গায়।

সেকেন্ডে ৪০০ জিবি তথ্য প্রেরণ করতে পারে এমন শক্তিশালী ইন্টারনেট রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে।


আরও খবর