Logo
আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম
সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচন,

সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ড-২ এ এগিয়ে মোছা : কামরুন্নাহার আলো

প্রকাশিত:রবিবার ০২ অক্টোবর 2০২2 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ২৭১জন দেখেছেন

Image

বদরুল আলম দুলাল: জমে উঠেছে সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থীদের প্রচার প্রচারনা। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী প্রার্থীরা  নিজ কর্মি-সমর্থকদের সাথে নিয়ে ছুটছেন ভোটার জনপ্রতিনিধিদের কাছে। সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ড-২ এ প্রচার প্রচারনা এগিয়ে রয়েছেন মোছা: কামরুন্নাহার আলো। নারী সংগঠক ও নারীনেত্রী হিসেবে দীর্ঘদিন যাবৎ কাজ করা ঐতিহ্যবাহি রাজনৈতিক পরিবারের এই সদস্যের স্বচ্ছ ভাবমুর্তি, অভিঙ্গতা ও পরিচিতি প্রতিদ্বন্দি প্রার্থীদের চেয়ে অনেকটাই বেশি। ভোটার ও সংশ্লিদের অভিমত ফুটবল প্রতিকে মোছা: কামরুন্নাহার আলোর বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি।

জানা যায়, সিরাজগঞ্জের উল্পালাড়া উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী মোছা: কামরুন্নাহার আলো। বিগত জেলা পরিষদের উপনির্বাচনে বিজয়ী হয়ে স্বল্প সময় দায়িত্ব পালন করেছেন সংরক্ষিত নারী সদস্য হিসেবে।

সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া-সলঙ্গা) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য তানভীর ইমামের দিকনির্দেশনায় জেলা পরিষদ সদস্য হিসেবে এই সময়ে তিনি তার নির্বাচনী এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দিরসহ সার্বিক উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখেছেন।

উপজেলাটির ঐতিহ্যবাহি রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য কামরুন্নাহার আলোর স্বামী বর্ষিয়ান আওয়ামীলীগ নেতা প্রয়াত মীর শহিদুল ইসলাম পুন্নু। ছাত্রলীগের রাজনীতির মাধ্যমে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়া প্রয়াত মীর শহিদুল ইসলাম পুন্নু বৈরি সময়ে উল্লাপাড়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে উপজেলা আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন।

উল্লাপাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সভাপতি হিসেবে দুই যুগ দায়িত্ব পালন করা এই নেতা উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক থাকাবস্থায় মারা যান। এছাড়াও তিনি উল্লাপাড়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। 

কামরুন্নাহার আলো ও প্রয়াত মীর শহিদুল ইসলাম পুন্নুর সন্তানেরাও জড়িয়ে আছেন আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে। বড়ছেলে মীর আরিফুল ইসলাম উজ্জল উল্লাপাড়া সরকারি কলেজের ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন, ছিলেন ছাত্রলীগ নেতা। এরপর উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে একাধারে উল্লাপাড়া উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন মীর আরিফুল ইসলাম উজ্জল। ছোট ছেলে মীর অপু’ও জড়িত আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে। 

উল্লাপাড়া উপজেলাসহ পাশ্ববর্তি এলাকাগুলোতে রয়েছে কামরুন্নাহার আলো ও তার পরিবারের ব্যাপক পরিচিতি ও স্বচ্ছ ভাবমুর্তি। যা তার নির্বাচিত হওয়াকে অনেকটাই সহজ করে তুলেছে। 

উল্লাপাড়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান পান্না বলেন, উল্লাপাড়া উপজেলা পরিষদ, উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন, পৌরসভাসহ রায়গঞ্জ ও তাড়াশ উপজেলা জেলা পরিষদের সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ড-২ এর আওতাভুক্ত। এই ওয়ার্ডে সদস্য পদে কামরুন্নাহার আলো ছাড়াও আরো দুইজন প্রতিদ্বন্দি রয়েছেন। কিন্তু পারিবারিক ঐতিহ্য, স্বচ্ছ ভাবমুর্তি, পরিচিত ও অভিঙ্গতায় কামরুন্নাহার আলো এগিয়ে। জেলা পরিষদের এই ওয়ার্ডের জন্য কামরুন্নাহার আলো সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থী।

মনিরুজ্জামান পান্না আরো বলেন, আমি নিজে একজন ভোটার, আমি কামরুন্নাহার আলোর জন্য কাজ করছি, ভোটার জনপ্রতিনিধিদের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। অন্যান্য ভোটারদের আহ্বান জানাবো এই ওয়ার্ডের উন্নয়নের স্বার্থে কামরুন্নাহার আলোকে বিজয়ী করার বিকল্প নেই।

এ বিষয়ে মোছা: কামরুন্নাহার আলো বলেন, আমি রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য, একজন রাজনৈতিক কর্মি। পারিবারিকভাবেই মানুষের সেবা করার শিক্ষা পেয়েছি। মহান স্বাধীনতাযুদ্ধকালিন সময়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের খাবার রান্না করে দিয়েছি। আমি আশাবাদি সন্মানিত ভোটারেরা সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন, আমাকেই ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন।

কামরুন্নাহার আলো আরো বলেন, জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন উন্নয়নে অবদান রাখার সুযোগ রয়েছে। সকলের সহযোগিতা ও ভালোবাসায় আমি নির্বাচিত হতে পারলে আমার নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবো।


আরও খবর



রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের উপায় খোঁজার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২৫জন দেখেছেন

Image

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের উপায় খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জার্মানির মিউনিখে সিকিউরিটি কনফারেন্স (এমএসসি) ২০২৪-এর ফাঁকে হোটেল বেয়েরিশার হফে তাদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‌প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় বলেন আমরা সব ধরনের যুদ্ধের বিরুদ্ধে। জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনার সময় কীভাবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করা যায়, সে বিষয়েও তিনি বারবার আলোচনা করেছেন। হাছান মাহমুদ বলেন, বৈঠকে তারা গাজায় নিরপরাধ নারী-পুরুষের ওপর হামলা কীভাবে বন্ধ করা যায়, তা নিয়েও আলোচনা করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেন যে যুদ্ধ কারও জন্য মঙ্গল বয়ে আনতে পারে না। শেখ হাসিনা বলেন, ‘যুদ্ধের মাধ্যমে অন্যরা উপকৃত হতে পারে। কিন্তু যুদ্ধ লিপ্ত দেশগুলোর জন্য তা কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না এবং তাদের জনগণকে যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়।’ এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের মানুষের দুর্ভোগ এবং তিনি নিজেও যে দুর্ভোগের শিকার হয়েছিলেন তার স্মৃতি স্মরণ করেন। তিনি যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বন্দিদশায় তার অমানবিক কষ্ট এবং তার একমাত্র পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মের কথা স্মরণ করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও জেলেনস্কির মধ্যে আলোচনায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি: ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়’ স্পষ্টভাবে উঠে আসে। এক প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, স্বাধীনতার সময় বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে গড়ে ওঠা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। তিনি বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খুবই চমৎকার। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাশিয়া আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং যুদ্ধের পর বাংলাদেশের পুনর্গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। তারা শুধু যুদ্ধ বন্ধের জন্য আলোচনা করেছেন।

জার্মানিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া এবং প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মো. নূর এলাহী মিনা ব্রিফিংকালে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২৪-এ যোগ দিতে তিনদিনের সরকারি সফরে ১৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় মিউনিখে পৌঁছান। সফর শেষে প্রধানমন্ত্রীর ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় পৌঁছার কথা রয়েছে।


আরও খবর

১০ দেশের রাষ্ট্রদূতকে দেশে ফেরার নির্দেশ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিদের শপথ বিকালে

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




একুশে ফেব্রুয়ারিতে আ’লীগের কর্মসূচি ঘোষণা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ৭০জন দেখেছেন

Image

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (২১ ফেব্রুয়ারি) উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। সোমবার দুপুরে দলের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

ভাষা শহীদদের স্মরণে ও ভাষার প্রতি সম্মান প্রদর্শনে নেওয়া কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে রাত ১২-১মিনিটে একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের পর দলের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন। ভোর সাড়ে ৬টায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং বঙ্গবন্ধু ভবনসহ সারাদেশে সংগঠনের সবগুলো শাখা কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ এবং কালো পতাকা উত্তোলন। সকাল ৭টায় কালো ব্যাজ ধারণ, প্রভাতফেরিসহকারে আজিমপুর কবরস্থানে ভাষা শহীদদের কবরে ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন। নিউ মার্কেটের দক্ষিণ গেট থেকে প্রভাতফেরি শুরু হবে।

পরের দিন বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আলোচনা করবেন দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবী ও জাতীয় নেতারা।

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সবগুলো কর্মসূচি যথাযথভাবে পালনের জন্য আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীসহ সব সহযোগী সংগঠনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।


আরও খবর



সীমানা ছাড়ানো জয়ার জৌলুস

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬২জন দেখেছেন

Image

জয়া আহসান, ‘ব্যাচেলর’ সিনেমা দিয়ে প্রথম পা রাখেন বড়পর্দায়। আলোচিত হয় প্রথম সিনেমাটি দিয়েই। দর্শকের নজরে কাড়েন সেই প্রথম সিনেমাই। এরপর তো শুধুই নতুন নতুন গল্প তার। হয়ে গেলেন দুই বাংলার নন্দিত অভিনেত্রী। দুই দেশের অসংখ্য সিনেমায় কাজ করে এমন বেশ কিছু সাফল্য পেয়েছেন জয়া যা তাকে শীর্ষস্থানে নিয়ে গেছে। সেই সূত্রে কাজ করেছেন বলিউডে। পুরুষদের মধ্যে যেমন ফেরদৌস আহমেদ নারীদের মধ্যে তেমন জয়া আহসান। বাংলাদেশ থেকে এ দুজন অভিনয় শিল্পীই একই সঙ্গে দুই বাংলায় দাপটের সঙ্গে অভিনয় করে গেছেন। জয়া চরিত্রাভিনেত্রী হিসেবে প্রতিটি কাজে পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের ভরসার প্রতিদান দিয়েছেন। তার অভিনয়ে মুগ্ধ হয়ে তাকে নিয়ে নতুন নতুন কাজের পরিকল্পনা করছেন দুই বাংলার নির্মাতারা।

এদিকে ইরানি পরিচালক মুর্তজা অতাশ জমজম পরিচালিত জয়া অভিনীত নতুন সিনেমা ‘ফেরেশতে’ প্রশংসিত হয়েছে। সিনেমাটির কলাকুশলীরা ভারতের গোয়া আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বিশেষ অভ্যর্থনায় ঋদ্ধ হয়েছেন। বর্তমানে ইরানের চলচ্চিত্র উৎসবে তার সিনেমা ‘ফেরশতে’ প্রতিযোগিতা করছে। এই সিনেমাটি ঢাকা চলচ্চিত্র উৎসবেও উদ্বোধনী সিনেমা হিসেবে প্রদর্শিত হয়েছিল।

আর এ দিকে, এই ভালোবাসার মাসেই আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাচ্ছে জয়া অভিনীত সিনেমা ‘পেয়ারার সুবাস’। ওই সিনেমার প্রয়োজক শাহরিয়ার শাকিল জানান, সাত বছর পর জটিলতা কাটিয়ে গত বছরের নভেম্বরে সেন্সর সার্টিফিকেট পেয়েছে ‘পেয়ারর সুবাস’।

শোবিজে লম্বা ইনিংস খেলার প্রত্যয়ে মাঠে নামেন জয়া আহসান। বয়স পঞ্চাশের কোঠায় এলেও বর্তমানে দুই বাংলার সবচেয়ে কাক্সিক্ষত ও নন্দিত অভিনেত্রীতে পরিণত এই তারকা। ধারাবাহিক সাফল্য আর নব নব আনন্দে খবরে ভাসছেন। শুধু একের পর এক কাজ করা নয়, প্রতিটি সিনেমায় বক্স অফিসের সাফল্যকে অনেকটাই সুনিশ্চিত করেছেন। ঢাকা থেকে গিয়ে কলকাতার সিনেমায় এমন ঈর্ষণীয় জায়গা করে নেয়া অভিনেত্রী জয়া। যার সাফল্যের ধারা অব্যাহত রয়েছে তো বটে, বরং আরও প্রবল হচ্ছে। দেশের পাশাপাশি টলিউড সিনেমায় বাণিজ্যিক সাফল্য এবং প্রশংসা উভয়ই নিজের ক্যারিয়ারের প্রাপ্তির ঝুলিতে ভরেছেন। বাণিজ্যিক ধারার বাহিরে এসে অভিনয় মেধায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টায় সফল জয়া। অবশ্য বর্তমান সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিও অনেকটাই ডিজাইনার অ্যাক্টর নির্ভর। সেই চাহিদা এবং প্রত্যাশার ক্ষেত্রে জয়াও যে পরিণত মুখ, সঙ্গে গ্লামার আর ট্যালেন্টের প্যাকেজ। নায়িকা চরিত্রের গড়পড়তা ধারা থেকে বেরিয়ে চরিত্রনির্ভর অভিনয়ে সিদ্ধহস্ত জয়া। চরিত্রের খাতিরে তাই বারবার জয়াকেই বেছে নিচ্ছেন পরিচালকরা। জয়া বলেন, আমি চাইলে সুন্দর সেজে গাছের তলায় দাঁড়িয়ে বহু সিনেমা করতে পারতাম। করিনি। তার জন্য টাকার লোভ, খ্যাতির লোভ সংবরণ করেছি। চেয়েছিলাম ‘আনকনভেনশনাল’ কিছু করতে।

দেশ-বিদেশে নানা স্বীকৃতি ছাপিয়ে মাহমুদ দিদারের ‘বিউটি সার্কাস’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য পঞ্চমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন জয়া। সিনেমায় সার্কাসের বিউটি চরিত্রে তার বাবা হত্যার প্রতিশোধের অদম্য লড়াই চালিয়েছেন। পুরস্কারটি জয়া উৎসর্গ করেছেন, যাত্রাশিল্পীদের প্রতিটি মানুষের প্রতি। নিজ দেশের পাশাপাশি ওপার বাংলাতেও একাধিক সিনেমায় নিজেকে শীর্ষ স্থানে রেখেছেন তিনি। তার সঙ্গে টেক্কা দিয়েও পিছিয়ে ছিল অনেকেই। বিশেষ করে ওপার বাংলার মিমি চক্রবর্তী, নুসরাত জাহান, পাওলী ধাম, শ্রাবন্তী চট্টপ্যাধায়দের পেছনে ফেলে বাংলাদেশের জয়াই ছিলেন সর্বাধিক আলোচনায়। কারণ ওপার বাংলার একাধিক নায়িকার সিনেমা মুক্তি পেলেও একই সময়ে মুক্তি পাওয়া জয়ার সিনেমাই দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। এছাড়া একাধিক সিনেমায় সাফল্যের সূত্রে বলিউডেও কাজ করেছেন তিনি। সেখানেও তিনি তার মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন। ফলে শীর্ষ নির্মাতা এবং প্রযোজকরা জয়াকে নিয়ে নতুন নতুন কাজের পরিকল্পনা করছেন।

অভিনেত্রীদের মধ্যে জয়ার শীর্ষস্থান দখলের সাফল্য ২০১৯ সাল থেকে। ওই বছর মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মাহেন্দ্রক্ষণে ১৯ মার্চ মুক্তি পায় জয়া অভিনীত সিনেমা ‘অলাতচক্র’। আহমদ ছফার উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত সিনেমাটি ঘিরে দর্শকের আগ্রহ ছিল লক্ষ্যণীয়। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে আহমদ ছফার উপন্যাস অবলম্বনে হাবিবুর রহমান পরিচালিত ‘অলাতচক্র’ বাংলা ভাষায় প্রথম থ্রিডি চলচ্চিত্র। উপন্যাসে লেখক আহমদ ছফা দানিয়েলের জবানিতে নিজেকেই তুলে ধরেছেন। নিজের প্রেমিকারূপে সৃষ্টি করেছেন তায়েবা চরিত্রটি। যে চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত হোন জয়া আহসান। অবশ্য এর আগে টলিউড সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে ‘রবিবার’ সিনেমায় অভিন করেন জয়া। সিনেমাটি দর্শক-সমালোচকদের কাছে বেশ প্রশংসিত হয়। পাশাপাশি ২০১৯ সালে রিলিজ হয় ‘দেবী’, ‘বিজয়া’, ‘কণ্ঠ’ নামে আরও তিনটি সিনেমা। তিনটিই সুপারহিট। এরপর কোভিড মহামারি ধাক্কা সামলে আরও একাধিক কাজের মাধ্যমে নিজের ধারাবাহিকতা ঠিকই বজায় রাখেন জয়া। তবে চলতি বছরটি জয়ার জন্য সুবর্ণ সময়। দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০২২ সালের ১৯ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পায় চারটি নতুন সিনেমা। এর মধ্যে সৃজিত মুখার্জি নির্মিত জয়া অভিনীত ‘দশম অবতার’ ছিল মূল আলোচনায়। এ সিনেমায় প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করেন জয়া। আর এই সিনেমাটিই দর্শক আগ্রহের মূলে ছিল। ব্যবসার দিক দিয়েও ছিল এগিয়ে। এ সিনেমায় দর্শকের সাড়ায় আপ্লুত জয়া আহসান বলেন, ‘দশম অবতার’কে এত ভালোবাসা দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। গত বছরের ২ জুন পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পায় জয়া অভিনীত সিনেমা ‘অর্ধাঙ্গিনী’। কৌশিক গাঙ্গুলি নির্মিত সিনেমাটি কয়েক মাস ধরে প্রেক্ষাগৃহে চলে। এমনকি চলতি বছরের অন্যতম সফল সিনেমা হিসেবে সুপারহিট তকমা পায়। ‘অর্ধাঙ্গিনী’ এবং ‘দশম অবতার’ সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতে ফের সাফল্য হাজির জয়ার দুয়ারে।


আরও খবর



পিডিআই কানাডার সম্মেলনে প্রবাসীদের দেশের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ৮১জন দেখেছেন

Image

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দুর্নীতিমুক্ত, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের দাবিতে টরন্টোতে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক উদ্যোগ (পিডিআই) কানাডার প্রথম সম্মেলন।

আজফার সাঈদ ফেরদৌসকে সভাপতি ও সাবেক ছাত্রনেতা মনির জামান রাজুকে সাধারণ সম্পাদক এবং নাট্যকর্মী রোমান চৌধুরীকে কোষাধ্যক্ষ করে ২৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি নির্বাচিত করা হয়েছে।

সম্মেলনের শুরুতে শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন সোলায়মান তালুত রবিন। সম্মেলনের প্রথম পর্বে ছিল কাউন্সিল অধিবেশন ও দ্বিতীয় পর্বে উন্মুক্ত অধিবেশন। কাউন্সিল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন আজিজুল মালিক এবং পরিচালনায় ছিলেন মনির জামান রাজু। উন্মুক্ত অধিবেশন পর্বে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যুৎরঞ্জন দে এবং পরিচালনায় ছিলেন মাহবুব আলম।

সম্মেলনে বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মাশুক মিয়া, ডাকসুর সাবেক এজিএস নাসির উদ দুজা, সাবেক ছাত্রনেতা সৌমেন সাহা, উদীচী কানাডা সংসদের সাধারণ সম্পাদক মিনারা বেগম, লেখিকা ও অনুবাদক ফারহানা আজিম শিউলী, টরন্টো বাঙালি কমিউনিটির সক্রিয় কর্মী শিবু চৌধুরী, টরন্টো ফিল্ম ফোরাম সভাপতি এনায়েত করিম বাবুল, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সফিউদ্দিন আহমেদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল হোসেন মনা।

সম্মেলন শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনা সংগীত হিসেবে গান পরিবেশন করেন বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী শাহজাহান কামাল। বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী কানাডা গণসংগীত পরিবেশন করে। কবিতা আবৃত্তি করেন আবৃত্তিশিল্পী শেখর গোমেজ, রেজা অনিরুদ্ধ ও রওশন জাহান উর্মি।


আরও খবর

ভাষা শহীদদের প্রতি মালয়েশিয়ায় শ্রদ্ধা

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নারী আসনে মনোনয়ন ফরম তুললেন নায়িকারা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ১২৩জন দেখেছেন

Image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে আগ্রহীরা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভিড় করছেন। মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে গুলিস্তানের বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি করছে আওয়ামী লীগ। এদিন মনোনয়ন ফরম তুললেন অপু বিশ্বাস, সোহানা সাবা ও নিপুন আক্তার।

সংবাদমাধ্যম অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় রাজধানীর গুলিস্তানে অবস্থিত আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন অপু বিশ্বাস। এ সময় তিনি বলেন, রাজশাহী বিভাগের বগুড়া জেলা থেকে মনোনয়নপত্র কিনলাম আমি। আমার এলাকার মানুষ আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছেন। দোয়া রাখবেন, আমি যেন এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি। আর আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়নে যেন কাজ করতে পারি।

তিনি আরও বলেন, নিজেকে রাজনীতির সঙ্গে জড়াতে পারা এবং মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে থাকতে পারা আমার জন্য সৌভাগ্য বলে মনে করি। মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলাম। বাকিটা মহান আল্লাহ তাআলার ইচ্ছা। এদিকে সকাল সোয়া ১০টার দিকে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে অবস্থিত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দোতলা থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন চিত্রনায়িকা সোহানা সাবা ।

ফরম সংগ্রহ শেষে সোহানা সাবা বলেন, আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ১৩ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। তিনি শুধু আওয়ামীলীগপন্থিই ছিলেন না, তিনি দেশপ্রেমিক ছিলেন। দেশের কথা ভাবলে আওয়ামী লীগের কথা ভাবতে হবে। 

এটা ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই। আমরা খুবই ভাগ্যবান যে টানা ১৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে, ইনশাল্লাহ আরও পাঁচ বছরও থাকবে। সেজন্য আমি অবশ্যই চাই আওয়ামী লীগ থেকে প্রার্থী হতে।

এর আগে রাজনীতি করেছেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সত্যি বলতে আমি খুব সংক্রিয়ভাবে রাজনীতি করিনি। কিন্তু নানা সময় নির্বাচনী প্রচারণায় আমি ছিলাম। আমি কখনো ভাবিনি যে, রাজনীতি করবো।

আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেত্রীদের বাদ দিয়ে কেন আপনাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমিও কাজ করতে চাই বা করতে পারি। অনেকেই আমার থেকে বয়সে ও কাজে সিনিয়র আছেন। তার মানে এই নয় যে, নতুনরা কাজ করবে না বা এগিয়ে যাবে না। 

নতুনদেরও সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। সব জেনারেশন যদি হাতে হাত রেখে একসঙ্গে কাজ করে, তাহলে দেশের জন্য ভালো কিছুই হবে। মনোনয়ন পেলে কিভাবে মানুষের সেবা করবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা নতুন জেনারেশন দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়াই। আমরা যা দেখি দেশকে ও দেশের মানুষকে সেভাবে দেখতে চাই।

সাধারণ মানুষের মতোই আমি হাঁটা-চলা করি। পাঁচ টাকার জিনিস আমি ফুটপাত থেকে কিনি। সেই অভিজ্ঞতাও আমার আছে। আমি সত্যিকারের খেটেখাওয়া মানুষ। আমি মানুষের জন্যই কাজ করবো। এদিকে সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনেছেন অভিনেত্রী নিপুন আক্তার। তিনি সঙ্গে রিয়াজকেও নিয়ে গিয়েছিলেন সেখানে। 

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় সূত্র বলছে, সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত দেশের ৮টি বিভাগের ১৭১টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম এক ঘণ্টায় সর্বোচ্চ মননের ফর্ম বিক্রি হয়েছে ঢাকা বিভাগে, ৫০টি। প্রথম ঘণ্টায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে, ৩৪টি। এ ছাড়া রাজশাহী বিভাগে ২২টি, খুলনা বিভাগের ১৭টি, ময়মনসিংহ বিভাগের ১৬টি, রংপুর বিভাগের ১৪টি, বরিশাল বিভাগের ১৩টি এবং সিলেট বিভাগে ৫টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে।


আরও খবর