Logo
আজঃ রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২
শিরোনাম
সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচন,

সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ড-২ এ এগিয়ে মোছা : কামরুন্নাহার আলো

প্রকাশিত:রবিবার ০২ অক্টোবর 2০২2 | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ১০৫জন দেখেছেন
Image

বদরুল আলম দুলাল: জমে উঠেছে সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থীদের প্রচার প্রচারনা। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী প্রার্থীরা  নিজ কর্মি-সমর্থকদের সাথে নিয়ে ছুটছেন ভোটার জনপ্রতিনিধিদের কাছে। সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ড-২ এ প্রচার প্রচারনা এগিয়ে রয়েছেন মোছা: কামরুন্নাহার আলো। নারী সংগঠক ও নারীনেত্রী হিসেবে দীর্ঘদিন যাবৎ কাজ করা ঐতিহ্যবাহি রাজনৈতিক পরিবারের এই সদস্যের স্বচ্ছ ভাবমুর্তি, অভিঙ্গতা ও পরিচিতি প্রতিদ্বন্দি প্রার্থীদের চেয়ে অনেকটাই বেশি। ভোটার ও সংশ্লিদের অভিমত ফুটবল প্রতিকে মোছা: কামরুন্নাহার আলোর বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি।

জানা যায়, সিরাজগঞ্জের উল্পালাড়া উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী মোছা: কামরুন্নাহার আলো। বিগত জেলা পরিষদের উপনির্বাচনে বিজয়ী হয়ে স্বল্প সময় দায়িত্ব পালন করেছেন সংরক্ষিত নারী সদস্য হিসেবে।

সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া-সলঙ্গা) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য তানভীর ইমামের দিকনির্দেশনায় জেলা পরিষদ সদস্য হিসেবে এই সময়ে তিনি তার নির্বাচনী এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দিরসহ সার্বিক উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখেছেন।

উপজেলাটির ঐতিহ্যবাহি রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য কামরুন্নাহার আলোর স্বামী বর্ষিয়ান আওয়ামীলীগ নেতা প্রয়াত মীর শহিদুল ইসলাম পুন্নু। ছাত্রলীগের রাজনীতির মাধ্যমে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়া প্রয়াত মীর শহিদুল ইসলাম পুন্নু বৈরি সময়ে উল্লাপাড়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে উপজেলা আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন।

উল্লাপাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সভাপতি হিসেবে দুই যুগ দায়িত্ব পালন করা এই নেতা উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক থাকাবস্থায় মারা যান। এছাড়াও তিনি উল্লাপাড়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। 

কামরুন্নাহার আলো ও প্রয়াত মীর শহিদুল ইসলাম পুন্নুর সন্তানেরাও জড়িয়ে আছেন আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে। বড়ছেলে মীর আরিফুল ইসলাম উজ্জল উল্লাপাড়া সরকারি কলেজের ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন, ছিলেন ছাত্রলীগ নেতা। এরপর উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে একাধারে উল্লাপাড়া উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন মীর আরিফুল ইসলাম উজ্জল। ছোট ছেলে মীর অপু’ও জড়িত আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে। 

উল্লাপাড়া উপজেলাসহ পাশ্ববর্তি এলাকাগুলোতে রয়েছে কামরুন্নাহার আলো ও তার পরিবারের ব্যাপক পরিচিতি ও স্বচ্ছ ভাবমুর্তি। যা তার নির্বাচিত হওয়াকে অনেকটাই সহজ করে তুলেছে। 

উল্লাপাড়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান পান্না বলেন, উল্লাপাড়া উপজেলা পরিষদ, উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন, পৌরসভাসহ রায়গঞ্জ ও তাড়াশ উপজেলা জেলা পরিষদের সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ড-২ এর আওতাভুক্ত। এই ওয়ার্ডে সদস্য পদে কামরুন্নাহার আলো ছাড়াও আরো দুইজন প্রতিদ্বন্দি রয়েছেন। কিন্তু পারিবারিক ঐতিহ্য, স্বচ্ছ ভাবমুর্তি, পরিচিত ও অভিঙ্গতায় কামরুন্নাহার আলো এগিয়ে। জেলা পরিষদের এই ওয়ার্ডের জন্য কামরুন্নাহার আলো সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থী।

মনিরুজ্জামান পান্না আরো বলেন, আমি নিজে একজন ভোটার, আমি কামরুন্নাহার আলোর জন্য কাজ করছি, ভোটার জনপ্রতিনিধিদের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। অন্যান্য ভোটারদের আহ্বান জানাবো এই ওয়ার্ডের উন্নয়নের স্বার্থে কামরুন্নাহার আলোকে বিজয়ী করার বিকল্প নেই।

এ বিষয়ে মোছা: কামরুন্নাহার আলো বলেন, আমি রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য, একজন রাজনৈতিক কর্মি। পারিবারিকভাবেই মানুষের সেবা করার শিক্ষা পেয়েছি। মহান স্বাধীনতাযুদ্ধকালিন সময়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের খাবার রান্না করে দিয়েছি। আমি আশাবাদি সন্মানিত ভোটারেরা সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন, আমাকেই ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন।

কামরুন্নাহার আলো আরো বলেন, জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন উন্নয়নে অবদান রাখার সুযোগ রয়েছে। সকলের সহযোগিতা ও ভালোবাসায় আমি নির্বাচিত হতে পারলে আমার নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবো।


আরও খবর



পাংশায় দিনব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | ৮৬জন দেখেছেন
Image

সৈকত শতদল ,রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি: পাংশা উপজেলা পরিষদ চত্তরে দিনব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৯ই নভেম্বর বুধবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ আলীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পাংশা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদ হাসান ওদুদ,পাংশা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ মাসুদুর রহমান রুবেল, পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ তদন্ত ইততেখার আলম প্রধান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ জালাল উদ্দির বিশ্বাস, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রোকেয়া বেগম, কৃষি কর্মকর্তা রতন কুমার ঘোষ। অনুষ্ঠান সজ্ঞালনা করেন পাংশা উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শ্যামল কুমার বিশ্বাস। 

বক্তাগণ বলেন ডিজিটাল সেবার সুফল এখন মানুষ ঘরে বসে পাচ্ছে। প্রযুক্তির মাধ্যে সেবার মান বৃদ্ধিতে কাজ করছে বর্তমান সরকার। উদাহরণ হিসেবে জরুরী সেবা ৯৯৯ এর কথা উল্লেখ করেন,এছারাও তথ্য সেবা ৩৩৩ কল সেন্টার, কৃষি সেবা কল সেন্টার ১৬১২৩, ভূমি সেবা ১৬১১২। 

এ মেলায় প্রদর্শনী ষ্টল সমূহকে  ৪টি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা হয়েছে প্যাভিলিয়ন ১ এ রয়েছে উদ্ভাবনী ও স্টার্টআপ, প্যাভিলিয়ন ২ এর রয়েছে ডিজিটাল সেবা, প্যাভিলিয়ন ৩ এর রয়েছে হাতের মুঠোয় সেবা, প্যাভিলিয়ন ৪ এ রয়েছে শিক্ষা দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান। 

মেলায় ব্যাংক ও অর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যাংক এশিয়া পাংশা শাখা অংশগ্রহন করে,এছারাও ডিজিটাল ভূমি সেবা, ই নথি কার্যক্রম ,স্ব্যাস্থ্য সেবা ,কৃষি সেবা সম্পের্কে জনসাধারণের মধ্যে প্রচারণা করা হয়।  কুইজ প্রতিয়োগীতা ও পুরষ্কার বিতরনের মধ্যে দিয়ে বিকেলে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা শেষ হয়।    


আরও খবর



ঝালকাঠির রাজাপুরে প্রতারণার মাধ্যমে জমি বিক্রি, প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৭৪জন দেখেছেন
Image

কঞ্জন কান্তি চক্রবর্তী,ঝালকাঠি  প্রতিনিধি:  ঝালকাঠির রাজাপুরে প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া কাগজ তৈরি করে জমি বিক্রি’র প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী জমির প্রকৃত মালিকগন।

মঙ্গলবার সকালে রাজাপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সদস্য’রা সংবাদ সম্মেলনে শহিদুল ইসলাম বলেন, রাজাপুর ৪৭ নং মৌজার বিভিন্ন দাগে আমাদের ৬৭ শতাংশ সম্পত্তি রয়েছে। এই সম্পত্তির সাড়ে ২৭শতাংশে মালিক ছিলো মৃত আতাহার আলী খাঁনের স্ত্রী মৃত রোকেয়া খাতুন। তিনি তার সম্পত্তির চেয়েও বেশী আনুমানিক ৪০ বছর আগে বিক্রি করেছে।

বর্তমানে আমি সহ আমাদের নিকট আত্মীয় মৃত মোঃ মানিক খাঁন, মোঃ গোল ফুক্কুর খাঁন,রিজিয়া বেগম ,মোঃ আবু কালাম খাঁন দলিল ও ওয়ারিশ মূলে সম্পত্তির বর্তমানে প্রকৃত মালিক।

বর্তমানে তার ছেলে মোঃ ইউনুস খাঁন প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে দুই খানা দলিলের (যার নং-২৩৯০,২৩৯১) মাধ্যেমে ১৮.৮৩ শতাংশ সম্পত্তি রাজাপুর উপজেলা সদরের ২ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোঃ আল আমিন খাঁনে’র কাছে বিক্রি করেছেন। আল আমিন খাঁন উপজেলা সদরের ২ নং ওয়ার্ড জালিয়াপাড়া এলাকার মৃত আলতাফ হোসেন খাঁনের ছেলে।

মোঃ ইউনুস খাঁন যে ১৮.৮৩ শতাংশ সম্পত্তি ভুয়া কাগজ পত্রের মাধ্যমে বিক্রি করেছেন সেই সম্পত্তির কিছু অংশের ওয়ারিশ সুত্রে এবং কিছু অংশরে ত্রুয় সূত্রে বর্তমান মালিক আমরা। আমার বাগান বাড়ীতে (ঐ সম্পত্তিতে) কৃষিকাজে ব্যবহৃতযন্ত্রপাতি,সার ও কিটনাশক রাখার জন্য একটি টিনসেট ঘর ছিলো যে ঘরটি বর্তমানে ইউপি সদস্য আল আমিন খাঁন লোকজন নিযে রাতের আধারে দখলে নেয়। তাতে আমরা বাঁধা দিলে আমাদের প্রাণ নাশের হুকমি দেয়।

অবশেষে নিরুপায় হইয়া আমরা বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করি। বিষয়টি আমলে নিয়ে মহামান্য আদালত ঐ সম্পত্তির উপর নোটিশ জারি করে। কিন্তু আল আমিন খাঁন আদালতের নির্দেশ অমান্য করে অবৈধ ভাবে তার জোরপূর্বক দখলকৃত সম্পত্তিতে লোকজন নিয়ে বসবাস করতেছেন।

ডি.পি ১৮৬৯ নং খতিয়ানে মোট সম্পত্তির পরিমান ৫ শতাংশ যাহার প্রকৃত মালিক, মোঃ গোলফুক্কর খাঁন, মোঃ মনিক খাঁন, মোঃ হারুন হাওলাদার। কিন্তু মোঃ ইউনুস খাঁন আমাদের ডি.পি নম্বর দিয়ে আমাদের সকলের এস.এ ও বি.এস দাগ বসিয়ে টাকার বিনিময়ে ভুয়া বি.এস পর্চা তৈরি করে এবং দাখিলা কেটে সম্পত্তি আল আমিনের কাছে বিক্রি করেন।

ভুয়া কাগজে দিয়ে আমাদের সম্পত্তি যাহাতে তাদের নামে না করে নিতে পারে সে জন্য আপনাদের লেখুনির মাধ্যমে মহামন্য আদালত,বরিশাল জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস এবং উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিস কতৃপক্ষ সহ সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃস্টি কামনা করছি।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা এবং রাজাপুর প্রেস ক্লাব সভাপতি সহ জেলা ও উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



নেত্রকোনার বারহাট্টায় আমন ধানের নমুনা শস্য কর্তন

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image
সোহেল খান দূর্জয় : নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় আমন ধানের নমুনা শস্য কর্তন করা হয়েছে।  সোমবার (১৪ নভেম্বর) সকালে নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার ইউনিয়নে নমুনা শস্য কর্তন করা হয়।

উপজেলা কৃষি অফিসের তত্ত্বাবধানে বারহাট্টা সদর ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের আড়াই বিঘা জমিতে ব্রিধান ৭৫ জাতের ধান চাষ করেন। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ নিয়মিতভাবে তদারকি ও পরামর্শ দিয়ে কৃষককে সহযোগিতা করেন। স্বল্প সময়ে এই ধান পেকে থাকে। ধানের ফলন কেমন হয়েছে তা দেখার জন্য সোমবার নমুনা ফসল কর্তন করা হয়। এতে দেখা যায় হেক্টর প্রতি ৪.৫৫ মে. টন ধান (শুকনো) ফলেছে। 

নমুনা ফসল কর্তনের সময় উপজেলা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাকিবুল হাসান, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার উচ্ছাস পাল সহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। 

পাশের কৃষকরা উপস্থিত থেকে তাদের ভিন্ন জাতের ধানের তুলনায় ব্রিধান ৭৫ ভাল ফলন ও অগ্রিম ফসল উঠায় আগামীতে তারাও এই জাতের ধান চাষ করবে বলে জানান। 

উল্লেখ্য জীবনকাল কম হওয়ায় অগ্রিম ফসল কাটার সুবাধে একই জমিতে কৃষক এই জাতের ধান চাষ করবে বলে জানান।

আরও খবর



বারহাট্টায় মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে যেতে শীতকালেও নৌকার প্রয়োজন

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৩০জন দেখেছেন
Image

সোহেল খান দূর্জয় : যাদের হাত ধরে এদেশে স্বাধীনতা এসেছে তাদেরই একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা জজ মিয়া খান। শহরে থেকেও যেন তিনি ভাটি অঞ্চলে বসবাস করছেন।যেখানে অগ্রহায়ণ মাসের ফসল উৎপাদন করে ঘরে তোলা হচ্ছে। সফলী জমি গুলো সরিষা চাষ করার উপযোগী হয়ে খড়খড়া হয়ে গেছে, সেই সময় নেত্রকোনা বারহাট্টা উপজেলা আসমা ইউনিয়নের আসমা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জজ মিয়া খানের বাড়িতে যেতে নৌকা ব্যবহার করতে হচ্ছে। 

হেমন্তকাল বেদ করে শীত কাল এসে গেছে, এখনও জজ মিয়ার বাড়ির সামনে পানি থইথই করছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জজ মিয়া খানের  বড় সন্তান নূরুল আমিন খান সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগ এর সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা এই বছরের বন্যার পর থেকে খুব কষ্টে আছি। অল্প জায়গার জন্য একটি রাস্তা করতে পারছি না।  এক সাইটের জমি আমার আপন খালু শাহজাহান খান এর , আরেক সাইটের জমি আমার চাচা জানু মিয়ার । আমার ভাই পুলিশে চাকরি করে। সে রাস্তার জন্য  বর্তমান বাজার মূল্য থেকে এই জমির দাম বেশি দিতে চেয়েছে। কিন্তু তাতেও কোন লাভ হচ্ছে না। এখন এই নৌকাটিই আমাদের প্রধান বাহন। এটি ছাড়া এক মুহূর্ত চলতে পারি না। আমার বাবা কয়েকদিন যাবৎ খুব অসুস্থ,ঘর থেকে ধরে ধরে বের করতে হয়। 

এই ব্যপারে কোন অভিযোগ হয়েছে কি-না জানতে চাইলে নূরুল আমিন খান বলেন গত মাস দুয়েক আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু কোন ফল হয়নি। 

স্হানীয় সূত্রে জানা যায় জজ মিয়া খানের বাড়িতে যেতে সামনে যে জমিটুকু আছে সেই জমির মালিক তার আত্মীয়। জজ মিয়া সরলসোজা মানুষ। অন্য কোন মুক্তিযোদ্ধা হলে এত দিনে রাস্তা হয়ে যেত।

জমির মালিক শাহজাহান খান বলেন, এই জমির পশ্চিম পাশে একটি রাস্তা রয়েছে। ইচ্ছে করলে  ঐ রাস্তা দিয়ে তারা যাতায়াত করতে পারে। আমার দুই ছেলে। এই জায়গা টি বাসা করার জন্য কিনেছি। রাস্তার জন্য কিছু জমি বিক্রি করলে আমার জায়গা কমে যাবে। 

আসমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম খান চন্দু বলেন, আমি রাস্তা দিতে চাই। কিন্তু রাস্তার দেওয়ার আগেই বাঁধা পড়লে তো তা সম্ভব হয়ে উঠে না। বিষয়টি আসলেই দুঃখ জনক আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করবো, যেন তাড়াতাড়ি এই রাস্তাটি হয়। 

সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শাহ মোহাঃ আবদুল কাদের বলেন, বারহাট্টা শহরের পাশে মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জজ মিয়া খানের বাড়ি। এখানে সারাবছর পানি লেগে থাকে, সে অসুস্থ, তাকে দেখতে গেলে কাঁদা পানির উপর দিয়ে যেতে হয়। এটা আসলেই লজ্জা জনক। আমি চাই দ্রুত যেন এই মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি যাওয়ার রাস্তাটি হয়ে যায়। 

বারহাট্টা উপজেলায় নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মাজহারুল ইসলাম বলেন, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জজ মিয়া খানের বাড়িতে যাওয়ার জন্য নিজস্ব কোন ভূমি না থাকায় রাস্তা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। জমির মালিক পক্ষ টাকা দিয়েও জমি বিক্রয় করতে রাজি না হওয়ায় রাস্তাটি হচ্ছে না। এর পরও চেষ্টা করবো যেন রাস্তাটি করা যায়।


আরও খবর



মিথ্যা মামলার ছোবল থেকে রেহাই পেতে দিলরুবা বেগমের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | ৯২জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাড়ির পানি নিষ্কাশনের ঘটনা নিয়ে মিথ্যা মামলা নিয়ে জেলহাজতে বাস করছেন রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার ডিঙ্গাডোবা ঘোষমহাল এলাকার সোনা আমিন বাবু।

৮ ডিসেম্বর দুপুরে রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে দিলরুবা বেগম অভিযোগ করে বলেন  তার প্রতিবেশি পুলিশের অবসর প্রাপ্ত উপ পরিদর্শক (এস আই) আকতার জোরপুর্বক তাদের বাড়ির পানি নিষ্কাশনের পাইপটি ভেঙ্গে ফেলেন। এই ঘটনায় আকতারকে বাধা দিতে গেলে আকতার রাজপাড়া থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক ( এস আই ) মাহাফুজকে নিয়ে এসে হুমকি ধামকি প্রদান করেন।

দিলরুবা বেগম বলেন এমন ঘটনা নিয়ে দিলরুবা বেগম রাজপাড়া থানায় মামলা করতে গেলে রাজপাড়া থানা পুলিশ তার মামলা গ্রহণ করে নাই। আকতার বাদি হয়ে  দিলরুবা বেগমের স্বামী সোনা আমিন বাবু তার শ্বশুর ৭৫ বছরের বৃদ্ধ বনি আমিন,দিলরুবা বেগম সহ কয়েকজনকে আসামি করে একটি নাটকীয়  চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় দিলরুবা বেগম আদালত থেকে জামিনে বেরিয়ে আসলেও তার স্বামী সোনা আমিন বাবু রয়েছেন জেলহাজতে।

তিনি বলেন সংসারের একমাত্র উপার্জনের ব্যক্তি মিথ্যা মামলায় জেলহাজতে থাকার কারনে আমরা মানবেতর জীবন যাপন করছি। অপর দিকে প্রভাবশালী আকতার বিভিন্ন ভাবে আমাদের আবার হুমকি ধামকি প্রদান করছেন।

৭৫ বছরের বৃদ্ধা বনি আমিন সংবাদ সম্মেলনে বলেন এই বয়সে আমি নড়াচড়া করতে  রিতিমত হিমশিম খাই, আর আমার নামে মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা করে আমাকে  কোর্টে নিয়েছেন এর জন্য আল্লাহকে বিচার দিয়েছি।

দিলরুবা বেগমের মেয়ে বলেন আকতার পুলিশের চাকরি থেকে অবসরে যেয়েও তার ভেতর থেকে পুলিশের ভাব যায়নি। তিনি বলেন ডিঙ্গাডোবা ঘোষ মহাল এলাকায় তার আচরনে সাধারণ মানুষ অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। এমন ষড়যন্ত্র মুলক মিথ্যা মামলার সঠিক তদন্ত দাবি করেন তিনি। একজন অবসর প্রাপ্ত পুলিশ সদস্য থানা পুলিশের  সাথে আতাত করে কোন  নিরহ মানুষকে  যেন মিথ্যা ষড়যন্ত্র মুলক মামলায় ফাঁসাতে না পারেন সেই বিষয়ে পুলিশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন নির্যাতিতার মেয়ে।

অপর দিকে রাজপাড়া থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক (এস আই ) মাহফুজ তাদের বাড়িতে জোরপুর্বক প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করা সহ সরাসরি আকতারের পক্ষে (এস আই) মাহফুজ  কাজ করার বিষয় নিয়ে শংকিত রয়েছে দিলরুবার পরিবার। তাদের ধারণা যে কোন সময় তাদের আবারো কোন নাটকীয় মামলায় হয়রানি করা হবে।

জানতে চেয়ে রাজপাড়া থানার উপ পরিদর্শক ( এস আই ) মাহফুজকে মুঠো ফোনে ফোন করলে তিনি বলেন আকতার রহমানের করা মামলায় আমি তদন্তে গুয়েছি এটি সত্য। তবে হুমকি ধামকির কোন ঘটনা ঘটেনি।


আরও খবর