Logo
আজঃ রবিবার ১৯ মে ২০২৪
শিরোনাম

চকরিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে কিশোরীর মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | ২৩৮জন দেখেছেন

Image

কক্সবাজারের চকরিয়ায় ট্রেন দেখতে গিয়ে কাটা পড়ে জান্নাতুল ফেরদৌসি (১৬) নামে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে।  বুধবার সকাল ৭টার দিকে দোহাজারী-কক্সবাজার রেল সড়কের চকরিয়ার খুটাখালী নলবনিয়াপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত জান্নাতুল ফেরদৌসি খুটাখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ মেধাকচ্ছপিয়া  ৩ নম্বর ওয়ার্ড দূর্বারমাট এলাকার মো. শহীদুল্লাহর মেয়ে।

তার স্বজন স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুল আওয়াল বলেন, সেহেরি খেয়ে মায়ের সাথে নামাজ পড়ে ফেরদৌসি। পরে মা ঘুমিয়ে পড়লে সে ঘর থেকে বের হয়ে রেল দেখতে খুটাখালী নলবনিয়া এলাকায় যায়। এ সময় ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী কক্সবাজার এক্সপ্রেসের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। 

পরে খবর পেয়ে কক্সবাজার রেলওয়ে থানার এসআই জাফর আলম ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদরহাসপাতালে প্রেরণ করেন।


আরও খবর



ভারতের দয়ায় নয়, নিজেদের শক্তিতে টিকে আছি: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | ৪১জন দেখেছেন

Image

সদরুল আইন:

ভারত আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে পারবে না বলে সম্প্রতি মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

তার এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমাদের ভারতকে খুশি করার দরকার নেই। আমরা নিজেদের শক্তিতে টিকে আছি, ভারতের দয়ায় নয়।

শুক্রবার (১০ মে) বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তিনি এ কথা বলেন।


ওবায়দুল কাদের বলেন, ভারত আমাদের বন্ধু, পরীক্ষিত বন্ধু। নির্বাচনের সময় যুক্তরাষ্ট্র যে ভূমিকা নিয়েছিল, তখন ভারত একটা কথাও বলেনি, কোনো ভূমিকা রাখেনি। নিজের দেশকে এভাবে ছোট করা গয়েশ্বরদেরই মানায়।

বিএনপির ঘরে গণতন্ত্র নেই, বাইরেও গণতন্ত্র নেই দাবি করে তিনি বলেন, বিএনপি ভোটারদের ভয় পায় বলে নির্বাচনে অংশ নেয় না। যারা বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে রাজনীতি করতে পারে তারা দেশের বিরুদ্ধে অনেক কিছুই করতে পারে।

বিএনপির সমাবেশ মানেই অগ্নিসন্ত্রাস ও রক্তপাত। কাজেই গোটা রাজধানীকে যদি তাদের ওপর ছেড়ে দেই তাহলে জনগণের জানমাল সুরক্ষায় সমস্যা হয়। সেজন্য আমাদের মাঠে থাকতে হয়। কোনো পাল্টাপাল্টি নয়, জনগণের সুরক্ষার জন্যই আওয়ামী লীগকে মাঠে থাকতে হয়।

সমাবেশ থেকে সন্ত্রাস, নৈরাজ্যটাই বিএনপির রাজনীতি। তাই আমাদের সজাগ থাকতে হবে। বিএনপি সুযোগ পেলেই ফনা তুলে রাষ্ট্র ও জানমালের ক্ষতি করবে।


শেখ হাসিনা নির্বাচন কমিশনকে শান্তিপূর্ণ রেখেছেন উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রথম ধাপের উপজেলা নির্বাচনে ধান কাটার মৌসুম। আবার অনেক এলাকায় ঝড় তুফান হয়েছে। তাই ভোট কিছুটা কম পড়েছে। আমার প্রশ্ন, বিএনপির আমলে কোনো নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে?

ভুল আর ব্যর্থতার চোরাবালিতে আটকে বিএনপি কিছুই আদায় করতে পারবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপির ভোট বর্জনের আহ্বানকে দলের নেতাকর্মীরা বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে। দলটি যাদের বহিষ্কার করেছে তাদের মধ্যে অনেকেই নির্বাচিত হয়েছে।

কারণ তাদের কোনো নেতাকর্মী দলের সিদ্ধান্ত মানে না। যতদিন তারা সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরবে না, ততদিন তারা জনবিচ্ছিন্ন হবেই বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

আবার নৈরাজ্য করলে বিএনপি ডাবল শিক্ষা পাবে মন্তব্য করে কাদের বলেন, নৈরাজ্য করে বিএনপি নেতারা ‘একটা শিক্ষা’ পেয়েছে। আবার নৈরাজ্য, সন্ত্রাস ও অরাজকতা করলে এবার ডাবল শিক্ষা পাবে। আমরা বসে নেই, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সর্বশক্তি দিয়ে লড়বো।

ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের আগ্রাসনের ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যে যুদ্ধ চলছে। আমরা কয়েকবার বলেছি, দুষ্ট ছেলে ইসরায়েল এখন যুক্তরাষ্ট্রকেও মানে না। হিটলারের হলোকাস্টের মতো আজ নেতানিয়াহু গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র অস্ত্র না দিলেও তারা একা যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এটি সারা বিশ্বের জন্য আতঙ্কের বিষয়। সারা বিশ্ব এ নিয়ে সোচ্চার। যুক্তরাষ্ট্র-ইউরোপে গাজার প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে কর্মসূচি করছে মানুষ।

বিএনপি এ ব্যাপারে কোনও কথা বলছে না। ছাত্রলীগ বড় সমাবেশ করায় তাদের ধন্যবাদ জানাই।


আরও খবর



নিষ্ক্রিয়তার বৃত্তে বিএনপি'র সরোব নেতারা

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | ৮৬জন দেখেছেন

Image



সদরুল আইনঃ


বিএনপির আন্দোলন এখন হতাশার চাদরে ঢাকা পড়ে গেছে। নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা। আর এই হতাশা এখন সংক্রমিত হয়েছে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারক সংস্থা স্থায়ী কমিটিতে।


 স্থায়ী কমিটির নেতারা এখন নিজেদেরকে গুটিয়ে নিয়েছেন এবং হতাশায় তারা আস্তে আস্তে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন:


মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর:


 বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সৌদি আরবে যাচ্ছেন ওমরাহ পালন করতেন। তিনি দুদিন আগেই পয়লা মে জনসভায় সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র গণআন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছিলেন মে দিবসের জনসভায়। 


আর সেই ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিনি সৌদি আরবে চলে গেলেন। দলের মূল চালিকাশক্তি যখন বিদেশে চলে যান তখন দলে এক ধরনের অনিশ্চয়তা এবং হতাশা তৈরি হয় এটাই স্বাভাবিক। 



বিএনপির বিভিন্ন নেতার সঙ্গে কথা বলে দেখা গেছে, তারা স্বীকার করেছেন যে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এখন মানসিক ভাবে দলের নেতৃত্ব এগিয়ে নিতে প্রস্তুত নন। তিনি বারবার নেতাকর্মীদের কাছে বলছেন, আমি থাকতে চাচ্ছি না। 


আমাকে জোর করে রাখা হচ্ছে। অনীহা সত্ত্বেও বিকল্প কোন মহাসচিব না করার কারণেই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে এখনও রাখা হয়েছে। আর তিনি দলে যতটা না সময় দিচ্ছেন তার চেয়ে বেশি সময় দিচ্ছেন নিজের ব্যক্তিগত বিষয়ে।


বিএনপির বিভিন্ন নেতা মনে করেন যে, আন্দোলনের ব্যর্থতা এবং ভুল নেতৃত্ব, তারেক জিয়ার বাড়াবাড়ি ইত্যাদি কারণে মির্জা ফখরুল ইসলাম হতাশ এবং এ কারণেই তিনি আস্তে আস্তে নিজেকে গুটিয়ে নিচ্ছেন। নির্বাচনের আগেও ২৮ অক্টোবর আগ পর্যন্ত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে যেভাবে সরব এবং সক্রিয় দেখা গিয়েছিল এখন তার ছিঁটেফোঁটাও দেখা যাচ্ছে না এবং এটি বিএনপির মধ্যে একটি বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। 


আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী: 


        কারাগার থেকে বের হওয়ার পরে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে অনেকটা নিষ্ক্রিয় দেখা গেছে। বিভিন্ন দূতাবাসের অনুষ্ঠানে যোগদান ছাড়া আনুষ্ঠানিক বিভিন্ন কর্মসূচি ছাড়া তাকে খুব একটা দেখা যায়নি। তবে সম্প্রতি তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে চলে গেছেন। 


বিভিন্ন সূত্র বলছে যে, তিনি দলের কার্যক্রমে বিরক্ত হতাশ। এ কারণে তিনি তার সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন। তিনি কারাগার থেকে বেরোনোর পর খুব একটা সক্রিয় ছিলেন না। 


নজরুল ইসলাম খান: 


  নজরুল ইসলাম খান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং একজন ত্যাগী নেতা হিসেবে পরিচিত। কিন্তু এই সময় নজরুল ইসলাম খানকেও খুব একটা পাদপ্রদীপে দেখা যাচ্ছে না। বিভিন্ন কর্মসূচিতেও তিনি থাকছেন না। নজরুল ইসলাম খান অবশ্য বলছেন, শারীরিকভাবে তিনি অসুস্থ। 


যতটুকু তার পক্ষে সম্ভব ততটুকু চেষ্টা করছেন। কিন্তু বিএনপির নেতারাই বলছেন, নজরুল ইসলাম খানকে তারা যে অবস্থায় দেখেছেন অতীতে তার ধারেকাছেও এখন তিনি নেই। 


মির্জা আব্বাস: 


       মির্জা আব্বাস বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ একজন নেতা এবং ঢাকা মহানগরীর অন্যতম চালিকাশক্তি মনে করা হয় মির্জা আব্বাসকে। কিন্তু মির্জা আব্বাসও এখন নিষ্ক্রিয়। কারাগার থেকে বেরোনোর পর তার কর্মসূচি তিনি সীমিত করেছেন। এখন দলের কার্যক্রমে তাকে উদ্যোগী দেখা যায় না। উদ্যোগ নিয়ে তিনি কোন কিছু করেনও না। দলের যে সমস্ত কর্মসূচি গুলো ঘোষিত হয় সেখানে রুটিন উপস্থিতির মাধ্যমে তিনি তার দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।



গয়েশ্বর চন্দ্র রায়: 


   গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক জন সদস্য। কিছু দিন আগ পর্যন্ত তাকে অত্যন্ত সরব দেখা গিয়েছিল। কিন্তু এখন তিনি আস্তে আস্তে যেন পর্দার আড়ালে চলে যাচ্ছেন। 


তাকে কোন আগ বাড়িয়ে কর্মসূচি পালনের জন্য দেখা যাচ্ছে না। কোন বিবৃতি দিতেও তিনি আগ্রহী নন। এক ধরনের হতাশা থেকে তিনি আস্তে আস্তে নিজেকে গুটিয়ে নিচ্ছেন।


স্থায়ী কমিটির পাঁচ জন সদস্য অনুপস্থিতি। আর পাঁচ জনের অবস্থা এ রকম। কয়েকজন একেবারেই অসুস্থ। এই অবস্থায় বিএনপি এখন স্থায়ী কমিটি শূন্য হয়ে পড়ছে। 


আরও খবর



তাপদাহ থেকে সুরক্ষায় জাতীয় নির্দেশনা প্রকাশ

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | ৬২জন দেখেছেন

Image


স্টাফ রিপোর্টার


তাপদাহ থেকে সুরক্ষার জন্য কী কী করতে হবে, তা জানিয়ে প্রথমবারের মতো জাতীয় গাইডলাইন বা নির্দেশনা প্রকাশ করেছে সরকার। 


আজ রোববার (৫ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। 



ইউনিসেফের সহযোগিতায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এটি প্রকাশ করে। এতে ১৭টি অধ্যায়ের মাধ্যমে গরম থেকে কীভাবে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে হবে, কেউ গরমজনিত অসুস্থতার শিকার হলে প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে কী করতে হবে, সে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


 অসুস্থ হয়ে কেউ হাসপাতালে ভর্তি হলে স্বাস্থ্যকর্মীরা কী ধরনের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নেবেন, সেটাও তুলে ধরা হয়েছে।  


স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন | ছবি: সংগৃহীত

অনুষ্ঠানে জাতীয় গাইডলাইনের মোড়ক উন্মোচন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, এই গরমের মধ্যে রোগী ব্যবস্থাপনায় হাসপাতালগুলো ফাঁকা রাখতে হবে। 


ভবিষ্যতে এ ধরনের তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। তাই গরমে কী করা যাবে, তা নিয়ে চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।  


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইউনিসেফ বাংলাদেশের উপপ্রতিনিধি এম্মা ব্রিগহাম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের সাড়ে ৩ কোটির বেশি শিশু তীব্র তাপপ্রবাহের সম্মুখীন হবে। ২০২০ সালে ২৬ লাখ শিশু এই ঝুঁকির সম্মুখীন হয়েছিল।


অনুষ্ঠানে গাইডলাইনটির বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। তিনি বলেন, তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে শরীর অনেক সময় পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারে না। 


ফলে বিভিন্ন অসুস্থতা দেখা দেয়। দিনের যে সময়ে তাপমাত্রা বেশি থাকে, সে সময়ে বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।  



আরও খবর

ফের অস্থির ডিমের বাজার

শনিবার ১৮ মে ২০২৪




পাকিস্তানে ফের মেয়েদের স্কুল উড়িয়ে দিলো সন্ত্রাসীরা

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | ১৪জন দেখেছেন

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক

পাকিস্তানে ফের মেয়েদের স্কুলে বোমা হামলা করেছে জঙ্গিরা। শুক্রবার দেশটির খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানের একটি মেয়েদের স্কুলের বোমা হামলা করেছে জঙ্গিরা। এর আগেও গত ৯ মে একটি মেয়েদের স্কুলে বোমা হামলা করা হয়েছিল।


জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের মাঝামাঝি সময় থেকেই পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ব্যাপক সন্ত্রাসী হামলার কবলে রয়েছে। বিশেষ করে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বিভিন্ন জেলার মেয়েদের স্কুল এই ধরনের হামলার অন্যতম লক্ষ্যবস্তু।



শুক্রবার হামলার শিকার স্কুলটি ওয়ানা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত। এটি সোফিয়া নূর স্কুল নামে পরিচিত।


৯ মে উত্তর ওয়াজিরিস্তানের শেভা শহরে ইসলামিয়া গার্লস স্কুলে বোমা হামলা করা হয়। তবে বোমা হামলায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।


পরপর দুটি স্কুলে বিস্ফোরণের পর আতঙ্কে রয়েছেন প্রদেশের বাসিন্দারা। অতীতেও তারা বহুবার এ ধরনের হামলা দেখেছে।


পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম দ্য নিউজ অনুসারে, স্কুলের কয়েকটি ব্লকে নির্মাণকাজ চলছিল। খবর অনুযায়ী, ভোর ৩টার দিকে বিস্ফোরণে ভবনটির একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।


তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, স্কুলের প্রশাসন চাঁদাবাজির চিঠি পেয়েছিল। কিন্তু স্থানীয়রা তা অস্বীকার করেছেন।


ওয়ানা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘যারা স্কুলে হামলা করেছে তারা ওয়াজিরিস্তানের জনগণকে শিক্ষা ও উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত রাখতে চায়। তবে এতে আমারা দমে যাব না। আমরা নতুন প্রজন্মকে শিক্ষিত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখব।’


তিনি বলেন, তাদের সংগঠন প্রায় এক মাস আগে একটি জঙ্গি গোষ্ঠীর কাছ থেকে চাঁদাবাজির চিঠি পেয়েছিল।


অ্যাসোসিয়েশনের একজন সিনিয়র সদস্য এএফপিকে বলেন, ‘এর কিছুদিন পর আমাদের অফিসে আরেকটি চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে ১ কোটি রুপি দিতে বলা হয়। এর পরে আমাদের কাছে আফগান নম্বর থেকে হুমকিমূলক কল আসতে শুরু করে। তারা কলে টাকা দাবি করতো।’


সদস্যদের অভিযোগ, স্থানীয় তালেবান গোষ্ঠীর থেকে চাঁদা দাবি করা হতো বলে স্কুল প্রশাসনকে বলা হয়েছিল। স্থানীয়ভাবে এই জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তা ব্যর্থ।


নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক একজন জেলা সরকারি কর্মকর্তা এএফপিকে বলেছেন, তালেবান দলগুলো ওই এলাকায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করে। 


যারা টাকা দিতে রাজি না হয় তাদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়, তাদের বাড়িঘরে হামলা বা তাদের নিজেদেকেই হত্যা করা হয়। গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীকে অপহরণ ও হত্যা করা হয়েছে।




আরও খবর



পাবনায় ২৩ লাখ টাকাসহ উপজেলা চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | ৫৪জন দেখেছেন

Image



পাবনা প্রতিনিধিঃ


ভোটের একদিন আগে গভীর রাতে প্রায় ২৩ লাখ টাকাসহ পাবনার সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহিনুজ্জামান শাহীনসহ ১১ জনকে আটক করেছে র‌্যাব। 


পাশাপাশি উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিনুজ্জামান শাহীনের নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত একটি গাড়িও জব্দ করা হয়।


সোমবার (৬ মে) রাত সাড়ে ১২টার দিকে সুজানগরের চর ভবানীপুরের নির্বাচনী এলাকা থেকে তাকে আটক করেন র‌্যাব-১২ ক্যাম্পের সদস্যরা।


শাহিনুজ্জামান শাহীন এবারের উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী (আনারস প্রতীক)। তিনি সুজানগর উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান। 


এ ছাড়াও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। বাকি আটককৃতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিক জানা যায়নি। তবে আটককৃতদের মধ্যে সুজানগর পৌরসভার ৪ ও ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরও রয়েছেন।


এ বিষয়ে র‌্যাবের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মো. এহতেশামুল হক খান বলেন, আগামী ৮ মে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদের প্রথমধাপের সুজানগর উপজেলা নির্বাচন উপলক্ষে আমাদের নিয়মিত টহল দল সুজানগরের চর ভবানীপুর এলাকায় টহল দিচ্ছিল।


 এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহীনুজ্জামান শাহীনকে দুই ব্যাগভর্তি ২২ লাখ ৮২ হাজার ৭শ টাকা ও দশ সহযোগীসহ আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, টাকাগুলো অসৎ উদ্দেশ্যে বিতরণের জন্য রাখা হয়েছিল। 


ভোটারদের নানাভাবে প্রভাবিত করার জন্য। আমরা রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানিয়েছি তিনি এসে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।


পাবনা জেলা নির্বাচন অফিসার ও নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানান, বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। বিধি মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



আরও খবর