Logo
আজঃ রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২
শিরোনাম

নেইমার কী পেলে হতে পারবেন?

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ২২জন দেখেছেন
Image

আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে নেইমারের আর্বিভাব হয়েছিল ঢাকঢোল পিটিয়ে। কেউ কেউ আদর করে তাকে ডাকত ‘নতুন পেলে’ বলে। পেলে হওয়ার মতো অমিয় প্রতিভাও তার ছিল। কিন্তু নেইমার ঈশ্বরপ্রদত্ত প্রতিভার সঠিক ব্যবহার করে এখনো পেলে হয়ে উঠতে পারেননি। কৈশোর-তারুণ্য পেরিয়ে এখন তার বয়স ৩০। এরই মধ্যে তিনি আভাস দিয়েছেন আন্তর্জাতিক ফুটবল ক্যারিয়ারকে ‘না’ বলে দেওয়ার। আসলেই নেইমার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের বিদায়ঘণ্টা বাজাবেন কি না, সেটা বলবে সময়। তবে নেইমার এখনো পর্যন্ত ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ জেতাতে পারেননি।

২০১৪ ও ২০১৮ দুটি বিশ্বকাপেই ব্রাজিলিয়ানরা ‘হেক্সা’র স্বপ্ন সাজিয়েছে নেইমারকে ঘিরে। কিন্তু নেইমার তা পূরণ করতে পারেননি। এতে অবশ্য ভাগ্যেরও দায় আছে। ২০১৪ সালে নিজেদের মাটির বিশ্বকাপে দুর্দান্তই খেলছিলেন নেইমার। কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনালে গুরুতর চোট পেয়ে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়েন। নেইমারবিহীন ব্রাজিল সেমিফাইনালে ১-৭ গোলে বিধ্বস্ত হয় জার্মানির কাছে। ২০১৮ বিশ্বকাপের আগেও চোটে ছিলেন নেইমার। তবে সুস্থ হয়ে বিশ্বকাপে খেললেও কোয়ার্টার ফাইনালেই বেলজিয়ামের কাছে হেরে যায় তাদের ব্রাজিল।

নেইমারের আভাসমতো এটাই তার শেষ বিশ্বকাপ! আর কাতার বিশ্বকাপ ঘিরে নেইমারের আত্মবিশ্বাসের পারদটাও অনেক ওপরে। মজা করে ক্লাব সতীর্থ মেসিকে বলেছেন, তাদের হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবেন। কিংবদন্তি পেলে থেকে শুরু করে ব্রাজিলের ১৯৯৪ বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক রোমারিও, সবাই আশাবাদী এবার ‘হেক্সা’র স্বপ্ন পূরণ হবে। তবে স্বপ্নটাকে সত্য করতে হলে সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিতে হবে নেইমারকে। তা ব্রাজিল তারকা দুর্দান্ত ফর্মেও আছেন। ক্লাব পিএসজির হয়ে এরই মধ্যে মৌসুমে ১৯ ম্যাচে করেছেন ১৫ গোল। ক্লাবের ফর্মটা তিনি কাতারে টেনে আনতে পারলে স্বপ্নপূরণের পথে অনেকটাই এগিয়ে যেতে পারবে ব্রাজিল। তাছাড়া কোচ তিতের অধীনে ব্রাজিলের এবারের দলটিও দুর্দান্ত।

গ্যাব্রিয়েল জেসুস, রিচার্লিসন, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, পেদ্রো, রদ্রিগো, অ্যান্তনি—ব্রাজিল দলে গোল দেওয়ার লোকের অভাব নেই। তবে দেশকে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জেতাতে হলে মূল ভূমিকাটা পালন করতে হবে নেইমারকেই। নেইমার পারবেন ‘পেলে’ হয়ে নিজের এবং দেশবাসীর স্বপ্ন পূরণ করতে?

জ্বলে ওঠার জন্য নেইমারের সামনে অন্য একটি উপলক্ষ্যও আছে। কিংবদন্তি পেলেকে টপকে ব্রাজিলের হয়ে সর্বোচ্চ গোল করার রেকর্ড। রেকর্ডটি থেকে মাত্র ৩টি গোল দূরে নেইমার। জাতীয় দলের হয়ে ১২১ ম্যাচে ৭৫ গোল করেছেন তিনি। দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৭ গোল করেছেন পেলে। মানে কাতারে দুটি গোল করলেই নেইমার ছুঁয়ে ফেলবেন পেলেকে। ৩টি করলে গড়ে ফেলবেন নতুন রেকর্ড।



আরও খবর

কাতার বিশ্বকাপই কি শেষ নেইমারের ?

সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২




বাবার পর ভারতে ছেলেও প্রধান বিচারপতি, শপথ নিলেন ধনঞ্জয় চন্দ্রচূড়

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | ৮২জন দেখেছেন
Image

ভারতের ৫০তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথগ্রহণ করেছেন বিচারপতি ধনঞ্জয় যশবন্ত চন্দ্রচূড়। বুধবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু চন্দ্রচূড়কে শপথবাক্য পাঠ করান। মঙ্গলবারই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন উদয় উমেশ ললিত। শপথ নেওয়ার পরেই চন্দ্রচূড় বলেছেন, “আমার কাজ কথা বলবে”।

১১ অক্টোবর কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি লিখে বিচারপতি ললিত তার উত্তরসূরি হিসেবে চন্দ্রচূড়ের নাম প্রস্তাব করেছিলেন। কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে চন্দ্রচূড়ের নাম রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হলে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মতি জানান। 

চন্দ্রচড়ের বাবা যশবন্ত বিষ্ণু (ওয়াই ভি) চন্দ্রচূড় আট বছর (১৯৭৮-১৯৮৫) ভারতের প্রধান বিচারপতি ছিলেন। এত দীর্ঘ সময় ধরে ভারতে কেউ প্রধান বিচারপতি পদে থাকেননি। পিতা এবং পুত্র দু’জনেই ভারতের প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন, এমন নজিরও আগে দেখা যায়নি। ২০১৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে কাজ শুরু করা চন্দ্রচূড় প্রধান বিচারপতির পদে ২০২৪ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত থাকবেন। 

সূত্র : আনন্দবাজার


আরও খবর



চারঘাটে থানাপাড়া সোয়ালোজ হস্তশিল্প কারখানা পরিদর্শন করেন- অতিরিক্ত সচিব

প্রকাশিত:রবিবার ১৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | ৬৬জন দেখেছেন
Image

চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃরাজশাহীর চারঘাটে থানাপাড়া সোয়ালোজ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি হস্তশিল্প কারখানা পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত সচিব ও রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান। রবিবার সকালে থানাপাড়া সোয়ালোজের হস্তশিল্প কারখানার তাঁত সেকশন, প্রিন্টিং সেকশান, এম্ব্রয়ডারী সেকশন ও টেইলরিং সেকশান ঘুরে দেখেন এবং উৎপাদিত রপ্তানীযোগ্য হস্তশিল্প পণ্য দেখে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন, রপ্তানী উন্নয়ন ব্যূরোর পরিচালক কুমকুম সুলতানা, সহকারী পরিচালক সাইদুর রহমান, স্টাফ অফিসার মইনুল ইসলাম, সোয়ালোজের নির্বাহী পরিচালক রায়হান আলী, হস্তশিল্প প্রকল্পের জেনারেল ম্যানেজার মাইনুল হকসহ সংস্থার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ। 

 


আরও খবর



নেত্রকোনার কলমাকান্দা সীমান্তে বেড়েছে চোরাচালান, আসছে গরু,সুপারী ও মাদকদ্রব্য

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | ১৩৭জন দেখেছেন
Image

নেত্রকোনা প্রতিনিধিঃ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আবারো বাড়ছে নেত্রকোনার কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর সীমান্তে গরু,সুপারী,সহ মাদকদ্রব্যের চোরাচালান। সক্রিয় হয়ে ওঠেছে সীমান্তের চোরাচালানকারীরা। ভারত থেকে দুই উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ের পাশ কাটিয়ে চোরাকারবারীরা তাদের কাজ করে প্রশাসনের নাকের ডগায়, পাঁচ গাঁও,লেংগুড়া,খারনৈ,ও দুর্গাপুর উপজেলার ভবানীপুর,বারমারী,ও বিজয়পুর এলাকার সীমান্ত দিয়ে বাড়ছে গরু ও মাদকদ্রব্য পাচার। এতে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এসব এলাকায় বসবাসকারী স্থানীয় বাসিন্দারা।

সোমবার (৭ নভেম্বর) সরেজমিন গেলে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে ওঠে আসে এমন তথ্য।

বিশেষ সূত্রে জানা যায়, কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর উপজেলার সীমান্তঘেষাঁ গ্রামগুলোর পাশে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমানা। এখানে সীমানা পিলারের জিরো পয়েন্টে ভারতের কাটাতারের বেড়ার নিচে বিভিন্ন স্থানে রয়েছে গোলাকৃতির কালভার্টের ফাঁক। যেখানে কাঁটাতারের বেড়া শেষ সেখানে খোলা অংশ। কোথাও নদী বা নদীর ওপর ব্রিজ। এসব কালভার্ট, খাল আর ব্রিজের ফাঁকা স্থান ব্যবহার করে চোরাকারবারিরা। বিএসএফ ও বিজিবির চোখ ফাঁকি দিয়ে এসব পথ দিয়ে চোরাকারবারীরা আনছে গরু ও মাদক দ্রব্য। 

চোরাই পথে আসা এসব গরু বেচাকেনা হচ্ছে স্থানীয় সীমান্ত এলাকা বিভিন্ন, গ্রামের বাজারে। ওইসব গ্রামের বাসিন্দারা জানান, প্রায় ৩-৪ মাস যাবত ভারতের বিএসএফের চোখ ফাঁকি দিয়ে চোরাই পথে আসছে গরু আর মাদকদ্রব্য। সপ্তাহের শনিবার দিবাগত ভোররাতেই বেশি আসে গরু। এজন্য ওইসব গ্রামে প্রতি শনিবার সন্ধ্যা হতে জড়ো হতে থাকে পাইকাররা। বেচাকেনা হয় সীমান্ত ঘেঁষা ওইসব গ্রামে। এর পর পাহাড়ি পথ বেয়ে নিয়ে আসা হয় কলমাকান্দা ও গুতুরা সহ বিভিন্ন বাজারে। গরুর সঙ্গে আসছে মাদকদ্রব্য। এসব বিক্রি হয় সিক্রেট। তবে মাদক ব্যবসায়ীদেরও আনাগোনা প্রকাশ্যেই।

বিশেষ সূত্রে জানা যায়, এসব চোরাচালানের সঙ্গে সরাসরি জড়িত আওয়ামী লীগ নাম দারি কিছু নেতা তারা আওয়ামী লীগের নাম বিক্রি করে এই ব্যবসা করে আসছেন। 

এদের মধ্যে অনেকেই মাদক ও গরুসহ একাধিকবার পুলিশ ও বিজিবির হাতে আটক হয়েছিল। জেলও খেটেছে। এ ব্যাপারে কথা হয় লেংগুরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সিদ্দিকের সাথে। তিনি বলেন, এখানে অনেকেই ভারতের চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত। তাদের জিজ্ঞেস করলে তারা শুধু আমার নাম বলে। আমি এখন আর বর্ডারে যাইনা। এ ব্যাপারে অন্যদের সঙ্গে ফোনে বা সরাসরি যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। 

কলমাকান্দা উপজেলার লেঙ্গুড়া ইউনিয়নের কালোপানি সীমান্ত ছড়া ১১৭১-৭২ পিলার পয়েন্ট দিয়ে প্রতিদিন টনের টন সুপারি বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রচার করছে কিছু অসাধু চোরাচালানকারীরা। রবিবার(৬ নভেম্বর) দুপুরে কালোপানি এলাকায় ঘুরতে গিয়ে এই দৃশ্য চোখে পড়ে। আমার কাছে এই দৃশ্যটা অদ্ভুত মনে হলে আমি পাহাড়ের চূড়ায় বসে বসে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করি। দুর থেকে বুঝা যাচ্ছিল না এত লোক মাথায় বহন করে কি নিয়ে যাচ্ছে, ধান না সুপাড়ী, কাছে গিয়ে কয়েকজন সুপাড়ী বহনকারীকে জিজ্ঞেস করলে তারা জানায়, এগুলো  সুপাড়ী ভারতে যাচ্ছে।

ছড়া থেকে আরেকটু দুরে তাকিয়ে দেখি কয়েকজন সুপাড়ীর মাহাজন লেঙ্গুড়া ইউনিয়নের গৌরিপুর এলাকার সবুজ মিয়া, ফুলবাড়ি এলাকার রফিকুল, শুভ্র বনিক, রমজান, গফুর, ইয়াসিন, জহিরুল, তারা সুপাড়ী বহনকারীদের  নির্দেশ দিচ্ছে তোমরা তাড়াতাড়ি করো বিজিবি এসে পড়বে। সেখান থেকে আনুমানিক এক গজ দুরে সীমান্ত পিলার নং ১১৭২ পয়েন্টে বিজিবি টহল দিচ্ছে। অথচ বিওপির নাকের ডগা দিয়ে প্রতিদিনেই এই চোরাচালান কারবারীরা টনের টন সুপারি এপার থেকে ওপারে প্রচার করছে, বিজিবি যেনো নিরব ভূমিকায়।

আরেক সূত্রে জানা যায়, সীমান্তের চোরাচালানের নিয়ন্ত্রণ করছে লেংগুরা বর্ডারের সবুজ মিয়া। ফলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সীমান্তে প্রবেশ করলেই মোবাইল ফোনে সতর্ক করে দেয়। ফলে নির্ভয়েই ব্যবসা করছেন চোরাচালানকারীরা। বিনিময়ে এ দুজন তাদের কাছ থেকে গরু প্রতি নেয় দুই শ থেকে তিন শ টাকা। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গরু চোরাচালানকারী জানান, হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে টাকা পাঠানো হয়। সেখান থেকে নিয়ে আসা হয় গরু ও মাদকদ্রব্য। এতে রয়েছে জীবনের ঝুঁকি। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মামলা মোকদ্দমায় অনেকে এলাকা ছাড়া। তবুও থেমে নেই গরু চোরাচালান আর মাদক ব্যবসা।

লেংগুরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান জানান, এখানে স্থানীয় কয়েকজন জড়িত আছে। এছাড়া গৌরীপুর,, ফুলবাড়িয়া, থেকে অনেকে আসে। তাদেরকে নিষেধ করলেও তারা মানে না। 

এ ব্যাপারে লেংগুরা বিজিবি ক্যাম্প ইনচার্জের সাথে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।



আরও খবর



ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত তিন

প্রকাশিত:রবিবার ১৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | ১২১জন দেখেছেন
Image

জয়নুল আবেদীন,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে তিনজন আহত হয়েছেন। আহতদের ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে দর্শকদের অভিযোগ খেলার মাঠে দেশীয় অস্ত্র আসলো কিভাবে? 

রবিবার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠে এই ঘটনাটি ঘটেছে। তবে আহতদের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। 

জানা গেছে, আজ বিকেলে জেলা স্কুল বড় মাঠে আজাদ ক্লাব বনাম জাগ্রত যুব সংঘের খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ৯০ মিনিটের খেলায় জাগ্রত যুব সংঘ দুই ও আজাদ ক্লাব এক গোল দেন। খেলার সময় শেষ হলে রেফারি আরো দুই মিনিট সময় বাড়িয়ে দেয়। দুই মিনিটের মধ্যে আজাদ ক্লাব আরো একটি গোল দেয় কিন্তু লাইসম্যান তা দেখতে না পেয়ে উত্তোজিত জনতা লাইসম্যানকে ঘিরে রাখে। এসময় উৎসুক জনতা মাঠে প্রবেস করে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হলেও গুরুতর অবস্থায় তিনজনকে স্থানীয়রা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করান। 

খেলা দেখতে আসা অনেকেই জানায়, খেলার মধ্যে হার-জিত থাকবেই তাই বলে মারামারি করতে হবে কেন? খেলার মধ্যে যে ভাবে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মারামারি করলো তার মানে বুঝায় যাচ্ছে এটা পূর্ব পরিকল্পিত। যদি পূর্ব পরিকল্পিত না হয় তাহলে মুহুর্তের মধ্যে কিভাবে এতো দেশীয় অস্ত্র পেলো। তারা। খেলায় যদি নিরাপদ না দিতে পারে তাহলে খেলার আয়োজন কেন করা হয়। দ্রুত অপরাধীর আইনের আওয়াতায় এনে কঠোর শাস্তি দেওয়া কথা জানান দর্শকরা। 

ঠাকুরগাঁও সদর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন জানান, আজ বিকেলে শহরের জগ্রত যুব সংঘ ও আজাদ ক্লাব এর খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলার এক পর্যায়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। 

খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলেই তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে


আরও খবর



শীতের পরিচ্ছন্ন থাকুন

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | ৬৯জন দেখেছেন
Image

শীতে আলস্য আরও বেশি কাজ করে। সকালে ঘুম ভাঙতেই আরও কিছুক্ষণ কম্বল মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকতে চাচ্ছেন। ওঠার নামগন্ধও নেই। এই আলস্যের কারণে অনেক সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিও মাথা থেকে হাওয়া হয়ে যায়। বিশেষত ছেলেদের ক্ষেত্রে এমন অভিযোগ আরও গুরুতর। শীতে তারা পরিচ্ছন্ন থাকেন না। শীতকালের কিছু অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। চলুন জেনে নেই সেসব অভ্যাস সম্পর্কে:

গোসল না করা
শীতকালে অনেকেই দু-একদিন গোসল করেন না। ঠিক আছে। এক বা দুইদিন মানা যায়। কিন্তু একটানা কয়েকদিন গোসল না করলে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনের প্রবণতা থাকে। অনেকেই সারাদিন অফিসে দৌড়ঝাঁপ করেন কিংবা ওয়ার্ক আউট করেন। এমন হলে গোসল না করার কারণ নেই। হতে পারে শীতে ঘাম বেশিক্ষণ থাকে না। কিন্তু ঘামের কারণে সৃষ্ট ব্যাকটেরিয়া থেকে যায়। ঘামের দুর্গন্ধ তো আছেই সেই সঙ্গে ব্রণ, ডার্মাটাইটিস, একজিমার মতো ত্বকের নানা সমস্যাও দেখা দিবে।

মোজা না বদলালে
শীতে নিয়মিত মোজা পরা হবেই। অনেকেই ঠাণ্ডা পানির আতঙ্কে মোজা বদলান না। ঘরেই যেহেতু পরছেন সেহেতু ধোয়ার কি প্রয়োজন? এমন করবেন না। রোজই মোজা বদলাবেন। জুতো-মোজা পরলে পা ঘামবেই। শীতে অনেকের পা ফাটার সমস্যা দেয় ফলে পায়ে ফাঙ্গাল ইনফেকশন হতে পারে। তাই নিয়মিত মোজা ভালোমতো কেঁচে শুকিয়ে নিন।

জামা না বদলানো
একই সোয়েটার কিংবা জ্যাকেটের নিচের জামা পরিষ্কার করেন না। নিজের শরীরের ক্ষতিই হবে। ঘাম, ত্বকের তেল, ব্যাকটেরিয়া পোশাকে মিশে দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করবে। তাছাড়া এমন ময়লা ত্বকে বডি অ্যাকনের সমস্যা তৈরি করতে করবে। 


আরও খবর

যেসব কারণে রক্ত ওঠানামা করে

সোমবার ২৯ আগস্ট ২০২২