Logo
আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

জাতীয় পার্টির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি-২০২২,আহ্বায়ক হাজী মো.তুহিনুর রহমান (নুরু)

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ২৭২জন দেখেছেন

Image

রাকিবুল ইসলাম মামুন: সোমবার (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২) জাতীয় পার্টির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি-২০২২ এর সদস্য সচিব জনাব গোলাম মসীহ্- এর সুপারিশে সম্মেলন প্রস্ততি কমিটির আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশান এরশাদ এমপি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৭১ সদস্য বিশিষ্ট সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটিতে দানবীর হাজী মো.তুহিনুর রহমান (নুরু)কে আহ্বায়ক করে কমিটি অনুমোদন করেন। 

উক্ত বিষয় নিয়ে মতবিনিময় সভা আয়োজন করেন এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক কে ফুলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানায় যাত্রাবাড়ী সাংবাদিক ক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ

এ আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন যাত্রাবাড়ী সাংবাদিক ক্লাবের সভাপতি মোঃ শফিকুল ইসলাম সাদ্দাম, সাধারণ সম্পাদক এড.মোঃ আবুল কালাম শাকিল, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোঃ মশিউর রহমান সুজন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আলাউদ্দিন আজাদ, অর্থ সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম পারভেজ, দপ্তর সম্পাদক মুন্সি মোঃ আল ইমরান, প্রচার সম্পাদক অমর,  সমাজ কল্যান সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রনি, সহ এলাকার গণ্যমান ব্যক্তিবর্গ।


আরও খবর



সৈয়দপুর বিমানবন্দরে আগুনের রহস্য দশ দিনেও উদ্ঘাটন হয়নি

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬৯জন দেখেছেন

Image

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি: সৈয়দপুর বিমানবন্দর রানওয়ের ঘাসবনে রহস্য জনক আগুনে পুড়ে গেছে ৫০ হাজার বর্গমিটার এলাকা। এমনকি আগুন থেকে রক্ষা পায়নি বিদ্যুৎ লাইনের ৩০০ মিটার মূল্যবান ক্যাবল (তার)। গত ১ ফেব্রুয়ারি সকালে এ আগুনের ঘটনা ঘটলেও দশ দিন পেরিয়েও উদ্ঘাটন হয়নি রহস্য, গঠন করা হয়নি কোনো তদন্ত কমিটি। অভিযোগ উঠেছে, ঘটনা ধামাচাপা দিতে চলছে নানা ফন্দিফিকির। 

দেশের ব্যস্ততম অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরে এমন ঘটনায় বিস্মিত হয়েছে সংশ্লিষ্টরা। বিমানবন্দর রানওয়ে এলাকা সংরক্ষিত হওয়ায় সাধারণের নজর এড়িয়ে যায় দুর্ঘটনাস্থল। কিন্তু বিমানবন্দরে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ পাশের মার্কেটের ব্যবসায়ীরাদের আলোচনায় চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে  জানতে পারেন মিডিয়া কর্মীরাও। 

আগুনের ঘটনার বিষয় নিয়ে কথা হয় বিমানবন্দরের একাধিক কর্মচারীর সঙ্গে। তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বিমানবন্দর রানওয়ের ঘাসবনের ঘাস পরিষ্কার করার জন্য ইতোমধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষ ঘাস কাটার জন্য ঠিকাদারও নিযুক্ত করেছে। এ জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১০ লাখ টাকা। 

কিন্তু এ কাজটি সম্পন্ন করার জন্য বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক সুপ্লোব কুমার ঘোষ নিয়ম ভেঙে নিজে সাব কন্টাক্ট নেন। তিনি ঘাস না কেটেই চুক্তির টাকা আত্মসাৎ করতে ঘাসবনে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ঘাস পরিষ্কারের উদ্যোগ নেন। বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক তার বিশ্বস্ত কর্মচারী দিয়ে ঘাসে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেন। 

এতে এক ঘণ্টার ব্যবধানে রানওয়ের ৫০ হাজার বর্গ মিটার এলাকার ঘাস পুড়ে যায়। একইসাথে বিদ্যুতের ৩০০ মিটার মূল্যবান ক্যাবল (তার) আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমন অবস্থায় আগুনের তীব্রতা বৃদ্ধি পেলে বিমানবন্দরে কর্মরত ফায়ার ফাইটাররা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর ফলে বিমানবন্দর চত্বরের অন্যান্য মূল্যবান সম্পদ রক্ষা পায়। 

এদিকে বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক সুপ্লোব কুমার ঘোষ বাগান করার নামেও সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা বরাদ্দ নিয়ে পুরো টাকাটাই পকেটস্থ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রয়েছে কালোবাজারে জ্বালানি তেল বিক্রির অভিযোগ। বিমানবন্দর রানওয়ে সার্বক্ষণিক নজরে রাখার জন্য দুটি গাড়ি আছে। এর মধ্যে একটি গাড়ি সবসময় অচল পড়ে থাকে। কিন্তু ওই ব্যবস্থাপক দুটি গাড়ির বিপরীতে জ্বালানি কিনেন।

অথচ জ্বালানি ব্যবহার হয় একটি গাড়িতে। অন্য গাড়ির নামে বরাদ্দকৃত তেলের পুরোটাই তিনি কালোবাজারে বিক্রি করে টাকা হাতিয়ে নেন। হাতিয়ে নেয়া টাকার পরিমাণ বছরে কমপক্ষে পাঁচ লাখ টাকা বলে দপ্তরের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

দপ্তরে কর্মরত ব্যক্তিদের দেয়া তথ্য মতে, বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক তার অপকর্ম ঢাকতে সব সময় অধস্তনদের সঙ্গে চাকরি বিধি লঙ্ঘন করে দুর্ব্যবহার করেন। তারপরেও কেউ কোনোভাবে তার কথার প্রতিউত্তর করলে তিনি বদলির হুমকি দেন। 

এমন পরিস্থিতিতে বিমানবন্দর ব্যবস্থাপকের অপকর্মের বিরুদ্ধে কেউ টু শব্দটি করার সাহস পায় না। ফলে দিন দিন ব্যবস্থাপকের অনিয়ম- দুর্নীতির মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। অভিযোগ বিষয়ে জানতে মোবাইল ফোনে কথা হয় বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক সুপ্লোব কুমার ঘোষের সঙ্গে।

তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তবে যা কিছু লিখবেন জেনে-বুঝে-শুনে লিখলে সুবিধা হবে। তাঁর কথার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সংবাদকর্মীরা বিমানবন্দর রানওয়ে পরিদর্শন করতে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন। এমতাবস্থায় বিস্তারিত জানতে চাইলে আমি এখন অনেক ব্যস্ত, পরে কথা বলা যাবে বলে এড়িয়ে যান এবং সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।


আরও খবর



গাজায় ২৮ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ৭৫জন দেখেছেন

Image

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বর্বর হামলা চলছেই। বিগত ২৪ ঘণ্টায় আরও শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এতে করে উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা ২৮ হাজার ছাড়িয়েছে। বহু মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা আছে। উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ওই উপত্যকায় অন্তত ১১৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এতে করে শনিবার অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে ইসরায়েলি হামলায় মৃতের সংখ্যা ২৮ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, “ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী গাজা উপত্যকায় বিভিন্ন পরিবারের বিরুদ্ধে ১৬টি গণহত্যা চালিয়েছে এবং এতে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৭ জন নিহত ও আরও ১৫২ জন আহত হয়েছে। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন। উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।”

উল্লেখ্য, গত বছরের ৭ অক্টোবর গাজায় নির্বিচারে আগ্রাসন চালাচ্ছে ইসরায়েল। এতে ওই উপত্যকার হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।


আরও খবর



মোংলা বন্দর ইনার বারে ড্রেজিং প্রকল্পের কাজ পুনরায় চালু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৭জন দেখেছেন

Image

মোংলা বন্দর চ্যানেলের ইনার বারে ড্রেজিং প্রকল্পের কাজ পুনরায় শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর চারটি কাটার সাকশন ড্রেজারের মাধ্যমে মোংলা বন্দর চ্যানেলের ইনার বারে ডেজিং প্রকল্পের কাজ বন্দরের বেসক্তিক এলাকার সেকশন ২ এবং সেকশন ৪ এ শুরু হয়েছে। প্রকল্পের কাজ ২০২১ সালে শুরু হয়ে প্রায় ৩৫ শতাংশ কাজ সমাপ্ত হওয়ার পর ২০২২ সালে ড্রেজিং মাটি ফেলার জমি সংকটের কারণে ড্রেজিং কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। উক্ত সময়ে সম্পন্নকৃত ড্রেজিং এর ফলে মোংলা বন্দরে ৮.৫ মিটার ড্রাফটের জাহাজ আনা সম্ভব হয়। কিন্তু প্রায় এক বছর যাবৎ ড্রেজিং বন্ধ থাকায় চ্যানেলের কিছু স্থানে পলি জমার কারনে নিয়মিতভাবে ৮.৫ মিটার ড্রাফটের জাহাজ এ কন্দরে আসতে পারছিল না। এখন ড্রেজিং মাটি ফেলার জমির ব্যবস্থা হওয়ায় পুরনায় ড্রেজিং কাজ শুরু হয়েছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি "যে কোন উপায়ে মোংলা বন্দরকে সচল রাখতে হবে"। এর আলোকে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিমার এডমিরাল শাহীন রহমান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে। ইনার বারে চলমান ড্রেজিং প্রকল্পটি সমাপ্ত হলে ৯.৫ থেকে ১০ মিটার ড্রাফটের জাহাজ অনায়াসে মোংলা বন্দরে আসতে পারবে।

অধিক ড্রাফটের জাহাজ বন্দরে আগমনের ফলে মোংলা বন্দরের আয় বৃদ্ধির পাশিপাশি সরকারি রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে।


আরও খবর

চাঁদাবাজি বন্ধ না করলে নিত্যপণ্যের দাম কমবে না

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বাড়ল গ্যাসের দাম, ও বিদ্যুতের দাম

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




চালের বস্তায় দাম-জাতসহ ৬ তথ্য লেখা বাধ্যতামূলক করলো সরকার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৯জন দেখেছেন

Image

চালের দাম সহনশীল ও যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে ধানের নামেই চাল বাজারজাত নিশ্চিত করতে আগামী ১৪ এপ্রিল (১ বৈশাখ) থেকে বস্তার ওপর ছয়টি তথ্য লেখা বাধ্যতামূলক করেছে সরকার।

বস্তায় উৎপাদনকারী মিলের নাম, জেলা ও উপজেলার নাম, উৎপাদনের তারিখ, মিল গেট মূল্য এবং ধান বা চালের জাত উল্লেখ করার নির্দেশনা দিয়ে সরকারি বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) পরিপত্র জারি করেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

রাইস মিল (অটোমেটিক ও হাস্কিং) থেকে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে সরবরাহকৃত চালের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং ‘উৎপাদন ও সরবরাহ’ মূল্য অবহিতকরণ সংক্রান্ত পরিপত্রে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসমাইল হোসেন। এতে বলা হয়, সম্প্রতি দেশের চাল উৎপাদনকারী কয়েকটি জেলায় পরিদর্শন করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, বাজারে একই জাতের ধান থেকে উৎপাদিত চাল ভিন্ন ভিন্ন নামে ও দামে বিক্রি হচ্ছে। 

চালের দাম অযৌক্তিক পর্যায়ে গেলে বা অকস্মাৎ বৃদ্ধি পেলে মিলার, পাইকারি বিক্রেতা, খুচরা বিক্রেতা একে অপরকে দোষারোপ করছেন। এতে ভোক্তাগণ ন্যায্যমূল্যে পছন্দমত জাতের ধান, চাল কিনতে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ অবস্থার উত্তরণের লক্ষ্যে চালের বাজার মূল্য সহনশীল ও যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে, ধানের নামেই যাতে চাল বাজারজাতকরণ করা হয়, তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এবং এ সংক্রান্ত কার্যক্রম মনিটরিংয়ের সুবিধার্থে ছয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।

১. চালের উৎপাদনকারী মিলাররা গুদাম হতে বাণিজ্যিক কাজে চাল সরবরাহের প্রাক্কালে চালের বস্তার ওপর উৎপাদনকারী মিলের নাম, জেলা ও উপজেলার নাম, উৎপাদনের তারিখ, মিল গেট মূল্য এবং ধান/চালের জাত উল্লেখ করতে হবে। ধানের জাতের নাম, প্রস্তুতকারক, ঠিকানা (উপজেলা ও জেলা), নিট ওজন, উৎপাদনের তারিখ, মিল গেট মূল্যের এই তথ্যগুলো ছক মোতাবেক লেখা থাকবে।

২. বস্তার ওপর উল্লিখিত তথ্যাদি কালিতে হাত দিয়ে লেখা যাবে না।

৩. চাল উৎপাদনকারী সকল মিল মালিক (অটো/হাস্কিং) কর্তৃক সরবরাহকৃত সকল প্রকার চালের বস্তা/প্যাকেটের (৫০/২৫/১০/৫/২/১ কেজি ইত্যাদি) ওপর উল্লিখিত তথ্যাদি মুদ্রিত করতে হবে।

৪. কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও একই নির্দেশনা প্রতিপালন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে মিল গেট দামের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান চাইলে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য উল্লেখ করতে পারবে।

৫. এ পরিপত্রের আলোকে সকল জেলা প্রশাসক/উপজেলা নির্বাহী অফিসার/আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক/জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক/ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক। খাদ্য পরিদর্শকগণ পরিদর্শনকালে এ বিষয়টি নিশ্চিত করবেন। এর ব্যত্যয় ঘটলে ‘খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ, বিপণন (ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধ) আইন, ২০২৩’ এর ধারা ৬ ও ধারা ৭ মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

৬. আগামী ১৪ এপ্রিল (০১ বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ) তারিখ থেকে এ পরিপত্রের নির্দেশ আবশ্যিকভাবে প্রতিপালন করতে হবে।


আরও খবর

চাঁদাবাজি বন্ধ না করলে নিত্যপণ্যের দাম কমবে না

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বাড়ল গ্যাসের দাম, ও বিদ্যুতের দাম

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জমজমাট ফুলের বাজার : শত কোটি টাকা বিক্রির লক্ষ্য

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | ৮৫জন দেখেছেন

Image

পহেলা ফাল্গুন, বিশ্ব ভালোবাসা ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসসহ আগামী দিনের অন্যান্য দিবসগুলোর বাজার ধরতে প্রস্তুত যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালির ফুল চাষিরা। বিশেষ করে বসন্ত উৎসব ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের বাকি মাত্র এক দিন। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের বাকি আছে মাত্র আর কয়েকটা দিন। তাই ফুল নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটছে চাষিদের।

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার পুরো গদখালি পানিসারা অঞ্চল সেজেছে ফুলের সাজে। চাষিদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও নিষ্ঠায় মাঠে মাঠে শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন জাতের ফুল। সামনে আসন্ন বসন্ত উৎসব, ভালোবাসা দিবস ও মাতৃভাষা দিবসসহ অন্যান্য দিবসের বাজার ধরতেই এই প্রস্তুতি চাষিদের। ফুলের রাজধানী যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী, পানিসারা ও এর আশপাশের এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ হয় গোলাপ, জারবেরা, গ্লাডিওলাস, রজনীগন্ধা, গাঁদা, রড স্টিক, লিলিয়াম, জিপসি, চন্দ্রমল্লিকাসহ ১১ ধরনের ফুল।

চলতি মৌসুমে বিরূপ আবহাওয়ার কারণে ফুলের উৎপাদন কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে বসন্ত উৎসব, বিশ্ব ভালোবাসা ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষাসহ অন্যান্য দিবসগুলোর বাজার সামনে রেখে তা পুষিয়ে নেয়ার আশা করছেন চাষিরা। উৎসব পর্যন্ত ফুল ধরে রাখতে, পোকার আক্রমণ ও পচন রোধে নিচ্ছেন পরিচর্যা। চাষিদের দাবি, চাহিদা থাকায় উৎসব এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ফুলের দাম বাড়বে এবং তারা লাভবান হবেন।

ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী ইউনিয়নের সৈয়দপাড়ার ফুল চাষি পারভেজ বলেন, ‘আমি ৫ বিঘা গাঁদা ও ২ বিঘায় রজনিগন্ধা চাষ করেছি। ভালোবাসা দিবসে রজনীগন্ধা ও ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা দিবসে গাদা ফুল বিক্রি করব। এজন্য এখন ফুলের পরিচর্যা করছি। বিশেষ করে ফুল ধরে রাখতে এবং পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা করতে ভিটামিন ও কীটনাশক ব্যবহার করছি। আশা করছি ভালো দামে ফুল বিক্রি করতে পারব।’

পানিসারা গ্রামের ফুল চাষি কুরবান আলী বলেন, ‘আমার ২ বিঘা ৪ কাটায় গোলাপ বাগান রয়েছে। আমার বাগানের গোলাপগুলো লংস্টিক এবং লাল, সাদা, হলুদ, কমলা ও গোলাপি রঙের। এ ধরনের ফুলের ভালোবাসা দিবসে বেশ চাহিদা থাকে।’ তিনি জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় উৎপাদন কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাছে এখন নতুন কুঁড়ি রয়েছে। এগুলো যাতে নষ্ট না হয় সেজন্য ভিটামিন স্প্রে করা হচ্ছে। ভালোবাসা দিবসের আগেই ফুলের দাম বাড়বে।

কুরবান বলেন, ‘আশা করছি, এক একটি গোলাপের পাইকারি দাম ২৫ থেকে ৩০ টাকা করে পাব।’ পানিসারা গ্রামের আব্দুর রহমান বলেন, ‘আমরা যারা ফুলের চাষ করি, তারা উৎসবকে ঘিরেই চাষ করি। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় উৎসব বসন্ত, ভালোবাসা দিবস ও ২১ ফেব্রুয়ারি। এ কারণে আমরা পর্যাপ্ত ফুল মজুত করেছি। এখন প্রতিটি জারবেরা পাইকারি ৮/১০ টাকা দরে, গোলাপ ১৫/১৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু সামনে এসব ফুলের দাম তিনগুন হয়ে যাবে। কারণ এ বছর ভাইরাসের কারণে ফুল নষ্ট হয়েছে। এজন্য চাহিদার তুলনায় ফুলের যোগান কিছুটা কম।’

একই এলাকার ফুল চাষি ইসমাইল হোসেন বলেন, আসন্ন তিনটি দিবস সামনে রেখে বাকি অন্যান্য যে কয়টি দিবস আছে সেটাকে ঘিরে আমাদের প্রস্তুতি বেশ ভালো। গোলাপগুলো ক্যাপ পরিয়ে রাখা হয়েছে। এছাড়া নানা ধরনের ওষুধ স্প্রে করা হচ্ছে যাতে ফুল নষ্ট না হয়। এ বছর ফুলের ভালো দাম পাব, এমনটাই আশা করছি।

তিনি জানান, বর্তমানে গোলাপ প্রতি পিস ১৫-১৬ টাকা, জারবেরা প্রতি পিস ১০-১২ টাকা, গ্লাডিওলাস প্রতি পিস ১৫-১৭ টাকা, রজনীগন্ধা প্রতি পিস ১২টাকা, গাঁদা (প্রতি হাজার) ২০০-২৫০ টাকা, জিপসি প্রতি পিস ১০ টাকা, চন্দ্রমল্লিকা (১০০ পিস) ৫০০ টাকা, চায়না গোলাপ (প্রতি পিস) ২৫-২৬ টাকা, ভুট্টা (প্রতি পিস) ১২ টাকা দরে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে ফুল চাষিদের নেতা যশোর ফুল উৎপাদন ও বিপণন সমবায় সমিতির সভাপতি মো. আব্দুর রহিম বলেন, ‘আমরা সারা বছর ফুল বিক্রি করলেও আমাদের মূল ব্যবসা হয় বেশকিছু উৎসব ঘিরে। ফুল সারা বছরই বিকিনিকি হয়। তবে উৎসবকে ঘিরে ফুলের চাহিদা বেশি থাকে এবং কৃষকরা সেই অনুযায়ী ফুল উৎপাদন ও পরিচর্যায় ব্যস্ত দিন পার করে থাকে। এ বছর বৈরি আবহাওয়ার কারণে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে না।’

তবে গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে সামনের দিবসগুলোতে পানিসারা ও গদখালী অঞ্চল থেকে অন্তত শত কোটি টাকার ফুল বিক্রি হবে বলে আশাবাদী তিনি। আসন্ন সামনের তিনটি দিবসে প্রায় ৭০ কোটি টাকার ফুল বিক্রি হবে বলে তিনি মনে করেন। এছাড়াও বছরে প্রায় সাড়ে ৫০০ কোটি টাকার ফুল এ অঞ্চল থেকে বিক্রি হয় বলে তিনি জানান।

ঝিকরগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশ জানান, এ বছর উপজেলার ৬৩০ হেক্টর জামিতে ফুলের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে গোলাপের চাষ হয়েছে বেশি। ১৫০ থেকে ২০০ হেক্টর জমিতে নানা রঙের গোলাপের চাষ হয়েছে। এ ব্যবসার সঙ্গে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে লক্ষাধিক লোক জড়িত। কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, যশোরে প্রায় ৬০০ হেক্টর জমিতে ফুলের চাষ হয়।

সারা বছর কমবেশি ফুল বিক্রি হলেও সাধারণত ১৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু করে ১ বৈশাখ ও ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত ফুল বিক্রি হয় সবচেয়ে বেশি। এ ছাড়াও রয়েছে ইংরেজি নববর্ষ, মহান শহীদ দিবস, বসন্ত ও বিশ্ব ভালোবাসা, মহান স্বাধীনতা দিবস ও বঙ্গবন্ধু শতবার্ষিকী। এই দিবসগুলোতে শ্রদ্ধাঞ্জলি ও শুভেচ্ছা জানাতে অন্যতম অনুষঙ্গ তাজা ফুল। তাই শীত থেকে শুরু করে গ্রীষ্ম আসার আগ পর্যন্ত সময়টা ফুলের মৌসুম হিসেবে পরিচিত।

দেশের প্রথম বাণিজ্যিক ফুলের চাষের স্থান হিসেবে সুখ্যাতি যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী ও পানিসারা ইউনিয়নের। ১৯৮২ সালে শের আলী নামে একজন ফুল চাষি সর্বপ্রথম এ অঞ্চলে ফুলের চাষ শুরু করেন ।


আরও খবর

চাঁদাবাজি বন্ধ না করলে নিত্যপণ্যের দাম কমবে না

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বাড়ল গ্যাসের দাম, ও বিদ্যুতের দাম

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪