Logo
আজঃ রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২
শিরোনাম

মিথ্যা মামলার ছোবল থেকে রেহাই পেতে দিলরুবা বেগমের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৯৩জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাড়ির পানি নিষ্কাশনের ঘটনা নিয়ে মিথ্যা মামলা নিয়ে জেলহাজতে বাস করছেন রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার ডিঙ্গাডোবা ঘোষমহাল এলাকার সোনা আমিন বাবু।

৮ ডিসেম্বর দুপুরে রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে দিলরুবা বেগম অভিযোগ করে বলেন  তার প্রতিবেশি পুলিশের অবসর প্রাপ্ত উপ পরিদর্শক (এস আই) আকতার জোরপুর্বক তাদের বাড়ির পানি নিষ্কাশনের পাইপটি ভেঙ্গে ফেলেন। এই ঘটনায় আকতারকে বাধা দিতে গেলে আকতার রাজপাড়া থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক ( এস আই ) মাহাফুজকে নিয়ে এসে হুমকি ধামকি প্রদান করেন।

দিলরুবা বেগম বলেন এমন ঘটনা নিয়ে দিলরুবা বেগম রাজপাড়া থানায় মামলা করতে গেলে রাজপাড়া থানা পুলিশ তার মামলা গ্রহণ করে নাই। আকতার বাদি হয়ে  দিলরুবা বেগমের স্বামী সোনা আমিন বাবু তার শ্বশুর ৭৫ বছরের বৃদ্ধ বনি আমিন,দিলরুবা বেগম সহ কয়েকজনকে আসামি করে একটি নাটকীয়  চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় দিলরুবা বেগম আদালত থেকে জামিনে বেরিয়ে আসলেও তার স্বামী সোনা আমিন বাবু রয়েছেন জেলহাজতে।

তিনি বলেন সংসারের একমাত্র উপার্জনের ব্যক্তি মিথ্যা মামলায় জেলহাজতে থাকার কারনে আমরা মানবেতর জীবন যাপন করছি। অপর দিকে প্রভাবশালী আকতার বিভিন্ন ভাবে আমাদের আবার হুমকি ধামকি প্রদান করছেন।

৭৫ বছরের বৃদ্ধা বনি আমিন সংবাদ সম্মেলনে বলেন এই বয়সে আমি নড়াচড়া করতে  রিতিমত হিমশিম খাই, আর আমার নামে মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা করে আমাকে  কোর্টে নিয়েছেন এর জন্য আল্লাহকে বিচার দিয়েছি।

দিলরুবা বেগমের মেয়ে বলেন আকতার পুলিশের চাকরি থেকে অবসরে যেয়েও তার ভেতর থেকে পুলিশের ভাব যায়নি। তিনি বলেন ডিঙ্গাডোবা ঘোষ মহাল এলাকায় তার আচরনে সাধারণ মানুষ অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। এমন ষড়যন্ত্র মুলক মিথ্যা মামলার সঠিক তদন্ত দাবি করেন তিনি। একজন অবসর প্রাপ্ত পুলিশ সদস্য থানা পুলিশের  সাথে আতাত করে কোন  নিরহ মানুষকে  যেন মিথ্যা ষড়যন্ত্র মুলক মামলায় ফাঁসাতে না পারেন সেই বিষয়ে পুলিশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন নির্যাতিতার মেয়ে।

অপর দিকে রাজপাড়া থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক (এস আই ) মাহফুজ তাদের বাড়িতে জোরপুর্বক প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করা সহ সরাসরি আকতারের পক্ষে (এস আই) মাহফুজ  কাজ করার বিষয় নিয়ে শংকিত রয়েছে দিলরুবার পরিবার। তাদের ধারণা যে কোন সময় তাদের আবারো কোন নাটকীয় মামলায় হয়রানি করা হবে।

জানতে চেয়ে রাজপাড়া থানার উপ পরিদর্শক ( এস আই ) মাহফুজকে মুঠো ফোনে ফোন করলে তিনি বলেন আকতার রহমানের করা মামলায় আমি তদন্তে গুয়েছি এটি সত্য। তবে হুমকি ধামকির কোন ঘটনা ঘটেনি।


আরও খবর



পাংশায় দিনব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৮৭জন দেখেছেন
Image

সৈকত শতদল ,রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি: পাংশা উপজেলা পরিষদ চত্তরে দিনব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৯ই নভেম্বর বুধবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ আলীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পাংশা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদ হাসান ওদুদ,পাংশা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ মাসুদুর রহমান রুবেল, পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ তদন্ত ইততেখার আলম প্রধান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ জালাল উদ্দির বিশ্বাস, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রোকেয়া বেগম, কৃষি কর্মকর্তা রতন কুমার ঘোষ। অনুষ্ঠান সজ্ঞালনা করেন পাংশা উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শ্যামল কুমার বিশ্বাস। 

বক্তাগণ বলেন ডিজিটাল সেবার সুফল এখন মানুষ ঘরে বসে পাচ্ছে। প্রযুক্তির মাধ্যে সেবার মান বৃদ্ধিতে কাজ করছে বর্তমান সরকার। উদাহরণ হিসেবে জরুরী সেবা ৯৯৯ এর কথা উল্লেখ করেন,এছারাও তথ্য সেবা ৩৩৩ কল সেন্টার, কৃষি সেবা কল সেন্টার ১৬১২৩, ভূমি সেবা ১৬১১২। 

এ মেলায় প্রদর্শনী ষ্টল সমূহকে  ৪টি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা হয়েছে প্যাভিলিয়ন ১ এ রয়েছে উদ্ভাবনী ও স্টার্টআপ, প্যাভিলিয়ন ২ এর রয়েছে ডিজিটাল সেবা, প্যাভিলিয়ন ৩ এর রয়েছে হাতের মুঠোয় সেবা, প্যাভিলিয়ন ৪ এ রয়েছে শিক্ষা দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান। 

মেলায় ব্যাংক ও অর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যাংক এশিয়া পাংশা শাখা অংশগ্রহন করে,এছারাও ডিজিটাল ভূমি সেবা, ই নথি কার্যক্রম ,স্ব্যাস্থ্য সেবা ,কৃষি সেবা সম্পের্কে জনসাধারণের মধ্যে প্রচারণা করা হয়।  কুইজ প্রতিয়োগীতা ও পুরষ্কার বিতরনের মধ্যে দিয়ে বিকেলে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা শেষ হয়।    


আরও খবর



নেত্রকোনার পাড়া-মহল্লা ও রাস্তার পাশে শীতের পিঠার পসরা দেখতে অসাধারন

প্রকাশিত:সোমবার ২১ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৪৪জন দেখেছেন
Image
সোহেল খান দূর্জয় : শীত প্রায় এসেই গেলো। প্রকৃতি অন্তত সেই বার্তাটা জানান দিতে শুরু করেছে। শীত মানেই তো পিঠা-পুলির দিন। পিঠার ঘ্রাণে ম-ম করবে চারদিক। এমন কিছু ভাবনাই তো বাঙালির মানসপটে জায়গা করে নেয়। হালকা শীতল আমেজ নিয়ে আসা বিকেল কিংবা সন্ধ্যায় এখন পিঠা বিক্রির ধুম পড়ে যায়। শীতের আগমনীবার্তা পেয়েই জমে উঠেছে নেত্রকোনার বিভিন্ন রাস্তার পাশে পিঠা বেচাকেনার দোকান গুলো। নেত্রকোনার বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট পিঠার দোকানে পসরা সাজিয়ে বসছে বিক্রেতারা। অনেকে আবার পেশা পরিবর্তন করেও বসছে পিঠা বিক্রির দোকান নিয়ে। বেচাকেনাও বেশ ভালোই।

শীতের আগমনে প্রকৃতিতে এখন হিম হিম গন্ধ। শিশির ভেজা ঘাসের ডগায় মুক্তোর দানা। ভোরের কাঁচা রোদ মৃদু হিমস্পর্শ প্রাণে শিহরণ তুলে বিদায় নিচ্ছে হেমন্তের রাজ কার্তিক। ধীরে ধীরে নেত্রকোনা ঢেকে যাচ্ছে শীতের চাঁদরে। পিঠা ছাড়া ভোজন রসিক বাঙালির শীত যেন পরিপূর্ণ হয় না। শীতে পিঠা খাওয়ার রীতি গ্রাম-বাংলার চিরায়ত সংস্কৃতির অংশ। সেই রীতিতে পিছিয়ে নেই নেত্রকোনাবাসীও।

শীতকে সামনে রেখে নেত্রকোনার পাড়া-মহল্লা ও বিভিন্ন রাস্তার পাশে পিঠার দোকান নিয়ে বসেছেন পিঠা বিক্রেতারা। এছাড়াও নেত্রকোনার মাছুয়া বাজার, রেলক্রসিং বাজর, বুষের বাজার, ইসলামপুর,ও রাজুর বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে হরেক রকমের পিঠার দোকানও বসেছে। তবে মানুষের কাছে চিতই ও ভাপা পিঠার কদর বেশি।

অল্প পুঁজি ও কম পরিশ্রমে ভালো লাভ হওয়ায় অর্ধশতাধিক নারী-পুরুষ পিঠা ব্যবসায় নেমেছেন। দোকানগুলোয় পিঠার পাশাপাশি রয়েছে হরেক রকমের ভর্তাও। এসব পিঠার দোকানে অফিসগামী কিংবা বাড়ি ফেরার পথে অনেককেই দেখা যায় পিঠার স্বাদ নিতে। হাতের নাগালে পছন্দের শীতের পিঠা খেতে পেরে খুশি শহরের মানুষগুলো।

গুড় ও নতুন চালের গুড়ি দিয়ে ভাপা পিঠা বানানো হয়। গরম পানির তাপে (ভাপে) এ পিঠা তৈরি হয় বলে একে ভাপা পিঠা বলা হয়। এ পিঠাকে আরো সুস্বাদু ও মুখরোচক করতে নারকেল ও গুড় ব্যবহার করা হয়। পিঠা তৈরিতে একটি পাতিল ও ঢাকনা ব্যবহার করা হয়। জ্বলন্ত চুলার উপর পাতিলে পানি দিয়ে ঢাকনার মাঝখানটা ছিদ্র করে পাত্রের মুখে দিতে হয়। এ সময় ঢাকনার চারপাশে আটা, চালের গুড়ি ও কাপড় দিয়ে শক্ত করে মুড়ে দেয়া হয়। যাতে করে গরম পানির ভাপ বের হতে না পারে। পরে ছোট একটি গোল পাত্রের মধ্যে চালের গুড়ি, নারকেল ও গুড় মিশিয়ে পাতলা কাপড়ের আবরণে ঢাকনার মুখে রাখা হয়। পানির হালকা গরম তাপে নিমিষেই সিদ্ধ হয়ে যায় নতুন চালের মজাদার ভাপা পিঠা। একটি পিঠা বানাতে ২ থেকে ৩ মিনিট সময় লাগে। পাতিলের মুখ থেকে পিঠা উঠানোর সময় নতুন চাল ও গুড়ের মন মাতানো গন্ধে ভরে যায় চারপাশ। প্রতি পিস পিঠা মানভেদে ৫ থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হয়।

নেত্রকোনার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে পিঠা বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, মৌসুমি এই পিঠা গুলোর প্রতি মানুষের আগ্রহের কমতি নেই। মূলতঃ সকাল ও সন্ধ্যায় পিঠা বিক্রি হলেও সন্ধ্যার বাজারে তুলনামূলক পিঠার চাহিদা বেশি থাকে। নেত্রকোনা মাছুয়া বাজার এলাকার পিঠা বিক্রেতা বাদশা মিয়া এই প্রতিনিধিকে বলেন, চিতই, ভাপা, ডিমচিতই  পিঠার চাহিদা সবচেয়ে বেশি। তবে ভাপা আর চিতই পিঠার কদর এবং বিক্রি বেশি। বন্ধুদের সঙ্গে পিঠা খেতে আসা কবির হোসেন এই প্রতিনিধিকে জানান, এই শীত-শীত সন্ধ্যায় চিতই পিঠার সাথে সরিষার ভর্তা, শুটকি ভর্তা, মরিচের ভর্তা, ধনেপাতা ভর্তা, কাচা মরিচের ভর্তা জিভে জল আসার মত স্বাদের কারণেই আমরা প্রতিদিন এখানে আসি পিঠা খেতে।

আরও খবর



বারহাট্টায় মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে যেতে শীতকালেও নৌকার প্রয়োজন

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৩২জন দেখেছেন
Image

সোহেল খান দূর্জয় : যাদের হাত ধরে এদেশে স্বাধীনতা এসেছে তাদেরই একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা জজ মিয়া খান। শহরে থেকেও যেন তিনি ভাটি অঞ্চলে বসবাস করছেন।যেখানে অগ্রহায়ণ মাসের ফসল উৎপাদন করে ঘরে তোলা হচ্ছে। সফলী জমি গুলো সরিষা চাষ করার উপযোগী হয়ে খড়খড়া হয়ে গেছে, সেই সময় নেত্রকোনা বারহাট্টা উপজেলা আসমা ইউনিয়নের আসমা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জজ মিয়া খানের বাড়িতে যেতে নৌকা ব্যবহার করতে হচ্ছে। 

হেমন্তকাল বেদ করে শীত কাল এসে গেছে, এখনও জজ মিয়ার বাড়ির সামনে পানি থইথই করছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জজ মিয়া খানের  বড় সন্তান নূরুল আমিন খান সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগ এর সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা এই বছরের বন্যার পর থেকে খুব কষ্টে আছি। অল্প জায়গার জন্য একটি রাস্তা করতে পারছি না।  এক সাইটের জমি আমার আপন খালু শাহজাহান খান এর , আরেক সাইটের জমি আমার চাচা জানু মিয়ার । আমার ভাই পুলিশে চাকরি করে। সে রাস্তার জন্য  বর্তমান বাজার মূল্য থেকে এই জমির দাম বেশি দিতে চেয়েছে। কিন্তু তাতেও কোন লাভ হচ্ছে না। এখন এই নৌকাটিই আমাদের প্রধান বাহন। এটি ছাড়া এক মুহূর্ত চলতে পারি না। আমার বাবা কয়েকদিন যাবৎ খুব অসুস্থ,ঘর থেকে ধরে ধরে বের করতে হয়। 

এই ব্যপারে কোন অভিযোগ হয়েছে কি-না জানতে চাইলে নূরুল আমিন খান বলেন গত মাস দুয়েক আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু কোন ফল হয়নি। 

স্হানীয় সূত্রে জানা যায় জজ মিয়া খানের বাড়িতে যেতে সামনে যে জমিটুকু আছে সেই জমির মালিক তার আত্মীয়। জজ মিয়া সরলসোজা মানুষ। অন্য কোন মুক্তিযোদ্ধা হলে এত দিনে রাস্তা হয়ে যেত।

জমির মালিক শাহজাহান খান বলেন, এই জমির পশ্চিম পাশে একটি রাস্তা রয়েছে। ইচ্ছে করলে  ঐ রাস্তা দিয়ে তারা যাতায়াত করতে পারে। আমার দুই ছেলে। এই জায়গা টি বাসা করার জন্য কিনেছি। রাস্তার জন্য কিছু জমি বিক্রি করলে আমার জায়গা কমে যাবে। 

আসমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম খান চন্দু বলেন, আমি রাস্তা দিতে চাই। কিন্তু রাস্তার দেওয়ার আগেই বাঁধা পড়লে তো তা সম্ভব হয়ে উঠে না। বিষয়টি আসলেই দুঃখ জনক আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করবো, যেন তাড়াতাড়ি এই রাস্তাটি হয়। 

সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শাহ মোহাঃ আবদুল কাদের বলেন, বারহাট্টা শহরের পাশে মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জজ মিয়া খানের বাড়ি। এখানে সারাবছর পানি লেগে থাকে, সে অসুস্থ, তাকে দেখতে গেলে কাঁদা পানির উপর দিয়ে যেতে হয়। এটা আসলেই লজ্জা জনক। আমি চাই দ্রুত যেন এই মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি যাওয়ার রাস্তাটি হয়ে যায়। 

বারহাট্টা উপজেলায় নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মাজহারুল ইসলাম বলেন, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জজ মিয়া খানের বাড়িতে যাওয়ার জন্য নিজস্ব কোন ভূমি না থাকায় রাস্তা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। জমির মালিক পক্ষ টাকা দিয়েও জমি বিক্রয় করতে রাজি না হওয়ায় রাস্তাটি হচ্ছে না। এর পরও চেষ্টা করবো যেন রাস্তাটি করা যায়।


আরও খবর



গুণীর গুনগান না গাইলে দেশে গুণীজন সৃষ্টি হয় না, সেনাপ্রধান এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৭৪জন দেখেছেন
Image
মাহফুজুল ইসলাম মন্নু,লোহাগড়া প্রতিনিধিঃ দেশের শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষকদের পাশাপাশি  অভিভাবকদের এগিয়ে আসতে হবে। শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। মেধাবী শিক্ষার্থীরাই কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রাধান্য পাবে। এলাকার উন্নয়নে রাজনীবিদদের পাশাপাশি শিক্ষিত মানুষদের এগিয়ে আসতে হবে। চাকুরীর প্রত্যাশায় না থেকে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মেধা কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়নে মনোনিবেশ করতে হবে। তবেই দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি ত্বরান্বিত হবে। গুণীর গুনগান না গাইলে দেশে গুণীজন সৃষ্টি হয় না। এজন্য গুণীজনদের যথাযথ সম্মান করতে হবে।
 
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ মঙ্গলবার(৮অক্টোবর) সকাল ১১টায় নড়াইলের লোহগড়া উপজেলার মল্লিকপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবের কার্যক্রম ও বীরমুক্তিযোদ্ধা মরহুম অধ্যাপক এস এম রোকন উদ্দিন আহমেদ এর নামে চারতলা ভবনের উদ্বোধন আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।

বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রবীণ সমাজসেবক আলহাজ¦ এলাহী মোল্যার সভাপতিত্বে ও শিক্ষার্থী কাজী আরিফুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মল্লিকপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মো: মহসিন উদ্দিন, ইউপি সদস্য মো: এমদাদুল হক মল্লিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: সাইফুর রহমান।

 এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন নড়াইলের জেলা প্রশাসক মো: হাবিবুর রহমান, নড়াইল জেলা আ’লীগের  সভাপতি ও নড়াইল জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আজগর আলী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুন্সী আলাউদ্দিন, লোহাগড়া পৌর মেয়র ও উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক সৈয়দ মসিয়ুর রহমান, মল্লিকপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো: শহিদুর রহমান , সাবেক চেয়ারম্যান শিকদার মোস্তফা কামাল, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য সাজ্জাদ হোসেন মুন্না সহ প্রমুখ।

সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ মুক্তিযোদ্ধাদের জাতির শ্রেষ্ট সন্তান আখ্যায়িত করে বলেন, তাঁদের জন্যই দেশ আজ স্বাধীন। জীবন বাজি রেখে তাঁরা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বলেই আজ আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি। তাদের অবদান জাতি কৃতজ্ঞতা চিত্তে স্বরণ করবে।
 
 সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ এলাকার সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়ে আরও বলেন, মধুমতি নদীর ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।  জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক সংস্কার ও নির্মাণ করা হবে। সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ তার পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম অধ্যাপক এস এম রোকন উদ্দিন আহমেদ এর নামে একটি শিক্ষা ট্রাষ্ট চালু করা হবে বলে ঘোষণা দেন। সেই ট্রাষ্ট থেকে অসহায় ও মেধাবীরা প্রতিবছর শিক্ষাবৃত্তি পাবে।

এর আগে সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ও তার স্ত্রী নুরজাহান আহমেদ সড়ক পথে পদ্মা ও মধুমতি সেতু পার হয়ে লোহাগড়ার মধুমতি আর্মি ক্যাম্পে পৌঁছান। এ সময় যশোর ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মো: মাহাবুবুর রহমান, পদ্মা বহুমুখী রেল প্রকল্পের প্রধান সমন্বয়ক মেজর জেনারেল মো: রেজাউল মজিবসহ উদ্ধর্তন সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এরপর এলাকাবাসী সেনাপ্রধানের স্ত্রী নুরজাহান আহমেদকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।

এরপর তিনি মধুমতি নদী পাড়ের পৈত্রিক ভিটায় তার পিতার নামে ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ হাসপাতাল নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন। মধুমতি আর্মি ক্যাম্পে দুপুরের খাবার শেষে তিনি সরকারি লোহাগড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি লোহাগড়া আদর্শ মহাবিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। বিকাল ৪টার দিকে তিনি স্বস্ত্রীক লোহাগড়া ত্যাগ করেন।

আরও খবর

এক দিনের সফরে যশোরে প্রধানমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার ২৪ নভেম্বর ২০২২




চারঘাটে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা-২০২২ উদযাপন উপলক্ষে প্রেস বিফিং

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৮১জন দেখেছেন
Image

চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ “উদ্ভাবনী জয়োল্লাসে র্স্মাট বাংলাদেশ” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অর্জনসমূহ প্রচারের লক্ষ্যে চারঘাট উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে  আগামী ১০ই নভেম্বর দিনব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা-২০২২ উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা নির্বাহী (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা মানজুরা মুশাররফ সভাপতিত্বে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে প্রেস বিফিং এর আয়োজন করা হয়।

বুধবার ১২টার দিকে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়্। এসময় বক্তব্য রাখেন চারঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাচ্চু,সাধারন সম্পাদক ময়েন উদ্দিন পিন্টু, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোজাম্মেল হকসহ স্থানীয় সকল সাংাদিকবৃন্দ।

প্রেস বিফিং বলেন, আগামী ১০ই নভেম্বর দিনব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আলহাজ¦ শাহরিয়ার আলম এমপি।


আরও খবর