Logo
আজঃ রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২
শিরোনাম

মোহনগঞ্জে ডিঙ্গাপোতা হাওরে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:শনিবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ১৩৮জন দেখেছেন
Image
নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার ডিংগাপোতা হাওরে দমকা হাওয়ায় নৌকা ডুবে নিখোঁজ জেলে রাসেলের মরদেহ  উদ্ধার করা হয়েছে। 

শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ২ টার দিকে ডিঙ্গাপোতা হাওর সংলগ্ন বদরখালী খাল থেকে নৌকাসহ তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। 

এর আগে শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে ডিঙ্গাপোতা হাওরে নিখোঁজ হয়। নিখোঁজ ব্যক্তির হচ্ছে-উপজেলার গাগলাজুর ইউনিয়নের বানিহারি গ্রামের ফজলু মিয়ার ছেলে রাসেল (৩০)।

মোহনগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শী ও গাগলাজুর ইউনিয়নের বানিহারী গ্রামের সাবেক মেম্বার বাচ্চু মিয়া জানান, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে হঠাৎ করে দমকা হাওয়া বয়ে যায়। ওই সময়ে হাওরে থাকা জেলেরা একে অন্যের সহযোগিতায় অনেকেই রক্ষা পায়। 

কিন্তু বানিহারি গ্রামের ফজলু মিয়ার ছেলে রাসেল (৩০) একা ছোট নৌকা দিয়ে মাছ ধরছিল। বাতাস শেষ হওয়ার পর এলাকাবাসী জেলেদের সন্ধানে এগিয়ে যায়। অনেককেই পানি থেকে উদ্ধার করা হয়। তবে রাসলকে নিখোঁজ হয়।

শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর বারোটা পর্যন্ত রাসেলের কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। তার লাশ উদ্ধারের জন্য ডিঙ্গাপোতা হাওয়ারে এলাকাবাসী তল্লাশি চালাচ্ছে। দুপুর পৌনে ২ টার দিকে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে। 

ওসি আরো বলেন, এখন পর্যন্ত ডিঙ্গাপোতা হাওরে জেলে নিখোঁজের সংবাদ কেউ জানায়নি। খবর নিয়ে পুলিশ পাঠিয়েছি।

মোহনগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ছাব্বির আহমেদ আকুঞ্জি মোবাইল করে বলেন, জেলে উদ্ধারের জন্য ডুবুরী দল ডিংগাপোতা হাওরে খুঁজাখুঁজির আগেই স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে।



আরও খবর



মিথ্যা মামলার ছোবল থেকে রেহাই পেতে দিলরুবা বেগমের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | ৯২জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাড়ির পানি নিষ্কাশনের ঘটনা নিয়ে মিথ্যা মামলা নিয়ে জেলহাজতে বাস করছেন রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার ডিঙ্গাডোবা ঘোষমহাল এলাকার সোনা আমিন বাবু।

৮ ডিসেম্বর দুপুরে রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে দিলরুবা বেগম অভিযোগ করে বলেন  তার প্রতিবেশি পুলিশের অবসর প্রাপ্ত উপ পরিদর্শক (এস আই) আকতার জোরপুর্বক তাদের বাড়ির পানি নিষ্কাশনের পাইপটি ভেঙ্গে ফেলেন। এই ঘটনায় আকতারকে বাধা দিতে গেলে আকতার রাজপাড়া থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক ( এস আই ) মাহাফুজকে নিয়ে এসে হুমকি ধামকি প্রদান করেন।

দিলরুবা বেগম বলেন এমন ঘটনা নিয়ে দিলরুবা বেগম রাজপাড়া থানায় মামলা করতে গেলে রাজপাড়া থানা পুলিশ তার মামলা গ্রহণ করে নাই। আকতার বাদি হয়ে  দিলরুবা বেগমের স্বামী সোনা আমিন বাবু তার শ্বশুর ৭৫ বছরের বৃদ্ধ বনি আমিন,দিলরুবা বেগম সহ কয়েকজনকে আসামি করে একটি নাটকীয়  চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় দিলরুবা বেগম আদালত থেকে জামিনে বেরিয়ে আসলেও তার স্বামী সোনা আমিন বাবু রয়েছেন জেলহাজতে।

তিনি বলেন সংসারের একমাত্র উপার্জনের ব্যক্তি মিথ্যা মামলায় জেলহাজতে থাকার কারনে আমরা মানবেতর জীবন যাপন করছি। অপর দিকে প্রভাবশালী আকতার বিভিন্ন ভাবে আমাদের আবার হুমকি ধামকি প্রদান করছেন।

৭৫ বছরের বৃদ্ধা বনি আমিন সংবাদ সম্মেলনে বলেন এই বয়সে আমি নড়াচড়া করতে  রিতিমত হিমশিম খাই, আর আমার নামে মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা করে আমাকে  কোর্টে নিয়েছেন এর জন্য আল্লাহকে বিচার দিয়েছি।

দিলরুবা বেগমের মেয়ে বলেন আকতার পুলিশের চাকরি থেকে অবসরে যেয়েও তার ভেতর থেকে পুলিশের ভাব যায়নি। তিনি বলেন ডিঙ্গাডোবা ঘোষ মহাল এলাকায় তার আচরনে সাধারণ মানুষ অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। এমন ষড়যন্ত্র মুলক মিথ্যা মামলার সঠিক তদন্ত দাবি করেন তিনি। একজন অবসর প্রাপ্ত পুলিশ সদস্য থানা পুলিশের  সাথে আতাত করে কোন  নিরহ মানুষকে  যেন মিথ্যা ষড়যন্ত্র মুলক মামলায় ফাঁসাতে না পারেন সেই বিষয়ে পুলিশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন নির্যাতিতার মেয়ে।

অপর দিকে রাজপাড়া থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক (এস আই ) মাহফুজ তাদের বাড়িতে জোরপুর্বক প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করা সহ সরাসরি আকতারের পক্ষে (এস আই) মাহফুজ  কাজ করার বিষয় নিয়ে শংকিত রয়েছে দিলরুবার পরিবার। তাদের ধারণা যে কোন সময় তাদের আবারো কোন নাটকীয় মামলায় হয়রানি করা হবে।

জানতে চেয়ে রাজপাড়া থানার উপ পরিদর্শক ( এস আই ) মাহফুজকে মুঠো ফোনে ফোন করলে তিনি বলেন আকতার রহমানের করা মামলায় আমি তদন্তে গুয়েছি এটি সত্য। তবে হুমকি ধামকির কোন ঘটনা ঘটেনি।


আরও খবর



মানুষটাকে ধরে রাখতে পারলাম না: আকবরের স্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
Image

না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন ‘ইত্যাদি’ খ্যাত গায়ক আকবর। রোববার বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। খবরটি নিশ্চিত করেছেন গায়কের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা। 

এ সময় তিনি বলেন, ‘মানুষটাকে ধরে রাখতে পারলাম না। আজ একেবারে চলেই গেল। সবাই দোয়া করবেন ওর জন্য।’ এছাড়াও ‘সিঙ্গার আকবর’ ফেসবুক আইডি থেকে আকবর কন্যা লেখেন, ‘আব্বু আর নেই’।

দীর্ঘদিন ধরেই ডায়াবেটিস, জন্ডিস, কিডনি, রক্তের প্রদাহসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত ছিলেন আকবর। দুই কিডনি নষ্ট হওয়ার কারণে তার শরীরে পানি জমে যায়, সে কারণে ডান পা নষ্ট হয়ে পড়ে। কিছু দিন আগে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সেই পা কেটে ফেলা হয়। এরপর কিডনি ও লিভারের সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করে।

গত ৯ নভেম্বর থেকে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। কিন্তু তাতে আশানুরূপ ফল আসেনি। এজন্য তাকে ভারতে নিয়ে যাওয়ার কথাও ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত না ফেরার দেশে উড়াল দিলেন ‘হাত পাখার বাতাসে’ খ্যাত এই শিল্পী। 

গত সপ্তাহে আকবরের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা বলেছিলেন, ‘আকবরের চিকিত্সার কোনো উন্নতি হয়নি। প্রস্রাব আর পায়খানার রাস্তা দিয়ে রক্ত যাচ্ছে। ডাক্তার জানিয়েছেন রক্ত যাওয়া বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না। ডাক্তার আরও জানিয়েছেন এ অবস্থা থেকে ফেরার চান্স খুব কমই থাকে। তারপরও প্রস্রাব আর পায়খানার রাস্তা দিয়ে রক্ত যাওয়া বন্ধ হলে তারা হয়তো আমাদের কিছুটা আশা দিতে পারতেন।’

আকবরের স্মৃতিচারণ করে যা বললেন পূর্ণিমাআকবরের স্মৃতিচারণ করে যা বললেন পূর্ণিমা

এর আগে কয়েক দফা ভারতে চিকিত্সা হয় তার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার চিকিত্সায় ২০ লাখ টাকা দেন। চিকিত্সায় সাহায্য করেন ইত্যাদির উপস্থাপক হানিফ সংকেত। বেশ কয়েকবার অভিনেতা ডিপজলও তার চিকিত্সা সহায়তায় এগিয়ে আসেন।

উল্লেখ্য, এক সময় যশোরে রিকশা চালাতেন আকবর। তবে গানের গলা ছিল সুরেলা। সেই সুরে তিনি স্থানীয় অনেককেই মুগ্ধ করেছিলেন। এরপর হানিফ সংকেতের ‘ইত্যাদি’তে এসে ব্যাপকভাবে পরিচিতি পান। পরবর্তীতে নিজের মৌলিক গানেও পান সাফল্য। তার গাওয়া ‘তোমার হাতপাখার বাতাসে’ গানটি সারাদেশের মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে গিয়েছিল। এছাড়া তার কণ্ঠে ‘একদিন পাখি উড়ে যাবে যে আকাশে, ফিরবে না সেতো আর কারও আকাশে’—কিশোর কুমারের গানটিও বেশ জনপ্রিয়তা পায়।


আরও খবর



বারহাট্টায় মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে যেতে শীতকালেও নৌকার প্রয়োজন

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

সোহেল খান দূর্জয় : যাদের হাত ধরে এদেশে স্বাধীনতা এসেছে তাদেরই একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা জজ মিয়া খান। শহরে থেকেও যেন তিনি ভাটি অঞ্চলে বসবাস করছেন।যেখানে অগ্রহায়ণ মাসের ফসল উৎপাদন করে ঘরে তোলা হচ্ছে। সফলী জমি গুলো সরিষা চাষ করার উপযোগী হয়ে খড়খড়া হয়ে গেছে, সেই সময় নেত্রকোনা বারহাট্টা উপজেলা আসমা ইউনিয়নের আসমা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জজ মিয়া খানের বাড়িতে যেতে নৌকা ব্যবহার করতে হচ্ছে। 

হেমন্তকাল বেদ করে শীত কাল এসে গেছে, এখনও জজ মিয়ার বাড়ির সামনে পানি থইথই করছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জজ মিয়া খানের  বড় সন্তান নূরুল আমিন খান সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগ এর সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা এই বছরের বন্যার পর থেকে খুব কষ্টে আছি। অল্প জায়গার জন্য একটি রাস্তা করতে পারছি না।  এক সাইটের জমি আমার আপন খালু শাহজাহান খান এর , আরেক সাইটের জমি আমার চাচা জানু মিয়ার । আমার ভাই পুলিশে চাকরি করে। সে রাস্তার জন্য  বর্তমান বাজার মূল্য থেকে এই জমির দাম বেশি দিতে চেয়েছে। কিন্তু তাতেও কোন লাভ হচ্ছে না। এখন এই নৌকাটিই আমাদের প্রধান বাহন। এটি ছাড়া এক মুহূর্ত চলতে পারি না। আমার বাবা কয়েকদিন যাবৎ খুব অসুস্থ,ঘর থেকে ধরে ধরে বের করতে হয়। 

এই ব্যপারে কোন অভিযোগ হয়েছে কি-না জানতে চাইলে নূরুল আমিন খান বলেন গত মাস দুয়েক আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু কোন ফল হয়নি। 

স্হানীয় সূত্রে জানা যায় জজ মিয়া খানের বাড়িতে যেতে সামনে যে জমিটুকু আছে সেই জমির মালিক তার আত্মীয়। জজ মিয়া সরলসোজা মানুষ। অন্য কোন মুক্তিযোদ্ধা হলে এত দিনে রাস্তা হয়ে যেত।

জমির মালিক শাহজাহান খান বলেন, এই জমির পশ্চিম পাশে একটি রাস্তা রয়েছে। ইচ্ছে করলে  ঐ রাস্তা দিয়ে তারা যাতায়াত করতে পারে। আমার দুই ছেলে। এই জায়গা টি বাসা করার জন্য কিনেছি। রাস্তার জন্য কিছু জমি বিক্রি করলে আমার জায়গা কমে যাবে। 

আসমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম খান চন্দু বলেন, আমি রাস্তা দিতে চাই। কিন্তু রাস্তার দেওয়ার আগেই বাঁধা পড়লে তো তা সম্ভব হয়ে উঠে না। বিষয়টি আসলেই দুঃখ জনক আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করবো, যেন তাড়াতাড়ি এই রাস্তাটি হয়। 

সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শাহ মোহাঃ আবদুল কাদের বলেন, বারহাট্টা শহরের পাশে মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জজ মিয়া খানের বাড়ি। এখানে সারাবছর পানি লেগে থাকে, সে অসুস্থ, তাকে দেখতে গেলে কাঁদা পানির উপর দিয়ে যেতে হয়। এটা আসলেই লজ্জা জনক। আমি চাই দ্রুত যেন এই মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি যাওয়ার রাস্তাটি হয়ে যায়। 

বারহাট্টা উপজেলায় নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মাজহারুল ইসলাম বলেন, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জজ মিয়া খানের বাড়িতে যাওয়ার জন্য নিজস্ব কোন ভূমি না থাকায় রাস্তা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। জমির মালিক পক্ষ টাকা দিয়েও জমি বিক্রয় করতে রাজি না হওয়ায় রাস্তাটি হচ্ছে না। এর পরও চেষ্টা করবো যেন রাস্তাটি করা যায়।


আরও খবর



১৮ নভেম্বর ঢাকায় আসছেন নোরা ফাতেহি, মিলেছে অনুমতি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৯২জন দেখেছেন
Image

সব জল্পনা-কল্পনা কাটিয়ে এবার ঢাকায় আসার অনুমতি পেলেন বলিউড ‘হার্টথ্রোব’ তারকা নোরা ফাতেহি। তাকে বাংলাদেশে আসা ও থাকার অনুমতি দিয়েছে মন্ত্রণালয়। 

সোমবার সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ খালেদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিষয়টি উইমেন লিডারশিপ করপোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা মারিয়া মৃত্তিক স্বর্ণা নিশ্চিত করেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বলিউড অভিনেত্রী নোরা ফাতেহির বাংলাদেশে আসা নিয়ে অনেক জলঘোলা পরিবেশের সৃষ্টি হলেও অবশেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পাওয়া গেছে।’

নোরা ফাতেহির বাংলাদেশ সফরে আর কোনো আইনি জটিলতা নেই। ১৮ নভেম্বর বাংলাদেশে আসছেন বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতির একটি চিঠি ইস্যু করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে— উইমেন লিডারশিপ করপোরেশনের উদ্যোগে ‘উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক ডকুমেন্টারির শুটিংয়ে অংশগ্রহণের নিমিত্তে ভারতীয় অভিনেত্রী মিস নোরা ফাতেহিকে শর্তসাপেক্ষে বাংলাদেশে আসার অনুমতি দেওয়া হলো।

এর পর পাঁচটি শর্ত দেওয়া হয়। তার একটিতে বলা হয়েছে— নোরা ফাতেহিকে আগামী ১৮ নভেম্বর একদিন (যাতায়াত সময় ব্যতীত) বাংলাদেশে অবস্থান করে প্রামাণ্যচিত্র শুটিংয়ে অংশগ্রহণ করতে হবে। এর বাইরে এই সময়ে তিনি অন্য কোনো কাজে বা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

এর আগে একই প্রতিষ্ঠানের ‘গ্লোবাল অ্যাচিভারস অ্যাওয়ার্ড-২০২২’-এ অংশ নিতে ঢাকায় আসার কথা ছিল ভারতীয় এ অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পীর। কিন্তু সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় তখন তাকে আসার অনুমতি দেয়নি।


আরও খবর



সিরাজগঞ্জে শিল্প পার্কে লাখো মানুষের কর্মসংস্থান হবে

প্রকাশিত:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ১২জন দেখেছেন
Image

বদরুল আলম দুলাল,সিরাজগঞ্জ :  শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, সিরাজগঞ্জে ৪০০ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত বিসিক শিল্প পার্কে সর্বমোট ৮২৯টি কারখানা স্থাপন হবে।

দেশের নামীদামি প্রতিষ্ঠান এখানে আসবে। এতে প্রায় এক লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।শুক্রবার (২৫ নভেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্প পার্কের নির্মাণকাজ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, যেকোনো কারণেই হোক প্রকল্পটি দেরি হয়ে গেছে। আশা করছি আগামী জুনের মধ্যে কাজ শেষ হলে প্রধানমন্ত্রী এর উদ্বোধন করবেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান এখানে জমির প্লট নিতে প্রস্তুত। তারা আসলে আরও বৃহৎ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এ সময় শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না, শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা, জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহাম্মদ, পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মন্ডল, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) চেয়ারম্যান মুহা. মাহবুবুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট কেএম হোসেন আলী হাসানসহ প্রকল্পের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 



আরও খবর