Logo
আজঃ রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২
শিরোনাম

মানুষটাকে ধরে রাখতে পারলাম না: আকবরের স্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৫৬জন দেখেছেন
Image

না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন ‘ইত্যাদি’ খ্যাত গায়ক আকবর। রোববার বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। খবরটি নিশ্চিত করেছেন গায়কের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা। 

এ সময় তিনি বলেন, ‘মানুষটাকে ধরে রাখতে পারলাম না। আজ একেবারে চলেই গেল। সবাই দোয়া করবেন ওর জন্য।’ এছাড়াও ‘সিঙ্গার আকবর’ ফেসবুক আইডি থেকে আকবর কন্যা লেখেন, ‘আব্বু আর নেই’।

দীর্ঘদিন ধরেই ডায়াবেটিস, জন্ডিস, কিডনি, রক্তের প্রদাহসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত ছিলেন আকবর। দুই কিডনি নষ্ট হওয়ার কারণে তার শরীরে পানি জমে যায়, সে কারণে ডান পা নষ্ট হয়ে পড়ে। কিছু দিন আগে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সেই পা কেটে ফেলা হয়। এরপর কিডনি ও লিভারের সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করে।

গত ৯ নভেম্বর থেকে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। কিন্তু তাতে আশানুরূপ ফল আসেনি। এজন্য তাকে ভারতে নিয়ে যাওয়ার কথাও ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত না ফেরার দেশে উড়াল দিলেন ‘হাত পাখার বাতাসে’ খ্যাত এই শিল্পী। 

গত সপ্তাহে আকবরের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা বলেছিলেন, ‘আকবরের চিকিত্সার কোনো উন্নতি হয়নি। প্রস্রাব আর পায়খানার রাস্তা দিয়ে রক্ত যাচ্ছে। ডাক্তার জানিয়েছেন রক্ত যাওয়া বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না। ডাক্তার আরও জানিয়েছেন এ অবস্থা থেকে ফেরার চান্স খুব কমই থাকে। তারপরও প্রস্রাব আর পায়খানার রাস্তা দিয়ে রক্ত যাওয়া বন্ধ হলে তারা হয়তো আমাদের কিছুটা আশা দিতে পারতেন।’

আকবরের স্মৃতিচারণ করে যা বললেন পূর্ণিমাআকবরের স্মৃতিচারণ করে যা বললেন পূর্ণিমা

এর আগে কয়েক দফা ভারতে চিকিত্সা হয় তার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার চিকিত্সায় ২০ লাখ টাকা দেন। চিকিত্সায় সাহায্য করেন ইত্যাদির উপস্থাপক হানিফ সংকেত। বেশ কয়েকবার অভিনেতা ডিপজলও তার চিকিত্সা সহায়তায় এগিয়ে আসেন।

উল্লেখ্য, এক সময় যশোরে রিকশা চালাতেন আকবর। তবে গানের গলা ছিল সুরেলা। সেই সুরে তিনি স্থানীয় অনেককেই মুগ্ধ করেছিলেন। এরপর হানিফ সংকেতের ‘ইত্যাদি’তে এসে ব্যাপকভাবে পরিচিতি পান। পরবর্তীতে নিজের মৌলিক গানেও পান সাফল্য। তার গাওয়া ‘তোমার হাতপাখার বাতাসে’ গানটি সারাদেশের মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে গিয়েছিল। এছাড়া তার কণ্ঠে ‘একদিন পাখি উড়ে যাবে যে আকাশে, ফিরবে না সেতো আর কারও আকাশে’—কিশোর কুমারের গানটিও বেশ জনপ্রিয়তা পায়।


আরও খবর



কাতার বিশ্বকাপই কি শেষ নেইমারের ?

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৭৫জন দেখেছেন
Image

নেইমারকে সম্ভবত আর দেখা যাবে না পরের বিশ্বকাপে। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় কথা বলে দিলেন তিনি। ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ খেলতে নামছেন ব্রাজিল সুপারস্টার। তার আগেই কাতার বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করে দিয়েছে কোচ তিতের ব্রাজিল। ২৬ সদস্যের শক্তিশালী স্কোয়াড হয়েছে দলের তারকা ফুটবলার নেইমারকে নিয়েই। ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের পর জীবনের তৃতীয় বিশ্বকাপ খেলতে নামছেন তিনি। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে তাকে হয়তো আর দেশের জার্সিতে নাও দেখা যেতে পারে। কাতারের মাটিতে নামার আগেই নেইমার জানিয়ে দিলেন তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।

নেইমার এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমি শেষ বিশ্বকাপ মনে করেই খেলব। আমি এই নিয়ে বাবার সঙ্গে কথা বলব। আমাদের সবসময় ফুটবল নিয়ে কথা হয়। আমি প্রতিটি ম্যাচই শেষ ম্যাচ মনে করে খেলব। কারণ কেউ জানে না কাল কী হবে। আমি পরের বিশ্বকাপে খেলব কি না, সে ব্যাপারে কোনো গ্যারান্টি দিতে পারছি না। আমি সত্যিই জানি না। হয়তো খেলতে পারি, আবার নাও পারি। আমাদের কোচ বদলে যাবে এই বিশ্বকাপের পর। আমি জানি না নতুন যিনি আসবেন, তিনি আমাকে পছন্দ করবেন কি না! জাতীয় দলের সঙ্গে আমার দীর্ঘ ইতিহাস। আশা করি, শেষটা ভালো ভাবেই করব।’

ব্রাজিলের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি গোল করার নজির রয়েছে কিংবদন্তি পেলের। তার ঠিক পরেই রয়েছে নেইমার। পেলে করেছেন ৭৭ গোল। নেইমারের রয়েছে ৭৫ গোল। বিশ্বকাপে দুই গোল করে তিনি পেলেকে স্পর্শ করবেন। আর তিন গোল করলে  পেলেকে ছাপিয়ে ইতিহাস লিখবেন দেশের জার্সিতে। রেকর্ডের প্রসঙ্গে নেইমার বলেন, ‘ব্রাজিলের হয়ে খেলা স্বপ্নের মতো। আমি কখনো নম্বরের কথা ভাবিনি। কাউকে কখনো ছাপিয়ে যেতেও চাইনি। না ইচ্ছা ছিল রেকর্ড ভাঙারও। আমি শুধু ফুটবলই খেলতে চেয়েছিলাম।’ পাঁচ বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ২৫ নভেম্বর সার্বিয়ার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ অভিযানে নামছে।


আরও খবর

নেইমার কী পেলে হতে পারবেন?

বৃহস্পতিবার ২৪ নভেম্বর ২০২২




বারহাট্টায় মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে যেতে শীতকালেও নৌকার প্রয়োজন

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৩২জন দেখেছেন
Image

সোহেল খান দূর্জয় : যাদের হাত ধরে এদেশে স্বাধীনতা এসেছে তাদেরই একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা জজ মিয়া খান। শহরে থেকেও যেন তিনি ভাটি অঞ্চলে বসবাস করছেন।যেখানে অগ্রহায়ণ মাসের ফসল উৎপাদন করে ঘরে তোলা হচ্ছে। সফলী জমি গুলো সরিষা চাষ করার উপযোগী হয়ে খড়খড়া হয়ে গেছে, সেই সময় নেত্রকোনা বারহাট্টা উপজেলা আসমা ইউনিয়নের আসমা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জজ মিয়া খানের বাড়িতে যেতে নৌকা ব্যবহার করতে হচ্ছে। 

হেমন্তকাল বেদ করে শীত কাল এসে গেছে, এখনও জজ মিয়ার বাড়ির সামনে পানি থইথই করছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জজ মিয়া খানের  বড় সন্তান নূরুল আমিন খান সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগ এর সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা এই বছরের বন্যার পর থেকে খুব কষ্টে আছি। অল্প জায়গার জন্য একটি রাস্তা করতে পারছি না।  এক সাইটের জমি আমার আপন খালু শাহজাহান খান এর , আরেক সাইটের জমি আমার চাচা জানু মিয়ার । আমার ভাই পুলিশে চাকরি করে। সে রাস্তার জন্য  বর্তমান বাজার মূল্য থেকে এই জমির দাম বেশি দিতে চেয়েছে। কিন্তু তাতেও কোন লাভ হচ্ছে না। এখন এই নৌকাটিই আমাদের প্রধান বাহন। এটি ছাড়া এক মুহূর্ত চলতে পারি না। আমার বাবা কয়েকদিন যাবৎ খুব অসুস্থ,ঘর থেকে ধরে ধরে বের করতে হয়। 

এই ব্যপারে কোন অভিযোগ হয়েছে কি-না জানতে চাইলে নূরুল আমিন খান বলেন গত মাস দুয়েক আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু কোন ফল হয়নি। 

স্হানীয় সূত্রে জানা যায় জজ মিয়া খানের বাড়িতে যেতে সামনে যে জমিটুকু আছে সেই জমির মালিক তার আত্মীয়। জজ মিয়া সরলসোজা মানুষ। অন্য কোন মুক্তিযোদ্ধা হলে এত দিনে রাস্তা হয়ে যেত।

জমির মালিক শাহজাহান খান বলেন, এই জমির পশ্চিম পাশে একটি রাস্তা রয়েছে। ইচ্ছে করলে  ঐ রাস্তা দিয়ে তারা যাতায়াত করতে পারে। আমার দুই ছেলে। এই জায়গা টি বাসা করার জন্য কিনেছি। রাস্তার জন্য কিছু জমি বিক্রি করলে আমার জায়গা কমে যাবে। 

আসমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম খান চন্দু বলেন, আমি রাস্তা দিতে চাই। কিন্তু রাস্তার দেওয়ার আগেই বাঁধা পড়লে তো তা সম্ভব হয়ে উঠে না। বিষয়টি আসলেই দুঃখ জনক আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করবো, যেন তাড়াতাড়ি এই রাস্তাটি হয়। 

সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শাহ মোহাঃ আবদুল কাদের বলেন, বারহাট্টা শহরের পাশে মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জজ মিয়া খানের বাড়ি। এখানে সারাবছর পানি লেগে থাকে, সে অসুস্থ, তাকে দেখতে গেলে কাঁদা পানির উপর দিয়ে যেতে হয়। এটা আসলেই লজ্জা জনক। আমি চাই দ্রুত যেন এই মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি যাওয়ার রাস্তাটি হয়ে যায়। 

বারহাট্টা উপজেলায় নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মাজহারুল ইসলাম বলেন, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জজ মিয়া খানের বাড়িতে যাওয়ার জন্য নিজস্ব কোন ভূমি না থাকায় রাস্তা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। জমির মালিক পক্ষ টাকা দিয়েও জমি বিক্রয় করতে রাজি না হওয়ায় রাস্তাটি হচ্ছে না। এর পরও চেষ্টা করবো যেন রাস্তাটি করা যায়।


আরও খবর



অসামান্য সেবা পদকে ভুষিত হলেন পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৩২জন দেখেছেন
Image

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: দেশের তৃতীয় বৃহত্তর গভীর সমুদ্র পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মাদ সোহায়েল অসামান্য সেবা পদকে ভ‚ষিত হলেন।

নৌবাহিনীতে চাকরিরত অবস্থায় নৌবাহিনী ও দেশের উন্নতিকল্পে প্রশংসনীয় অবদান ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার জন্য গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০২১ সালের জন্য তাকে এ অসামান্য সেবা পদকে ভ‚ষিত করা হয়েছে। ২১ নভেম্বর সোমবার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০২২ উপলক্ষে নৌসদর “সাগরিকা” হল রুমে এ পদক দেয়া হয়।

বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে নৌবাহিনী প্রধান তাকে এ পদক পরিধান করিয়ে দেন। এসময় নৌবাহিনী প্রধানের সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন রিয়ার এডমিরল মোহাম্মদ মোজ্জাম্মেল হক, সহকারী প্রধান (পার্সোনাল) রিয়াল এডমিরল খন্দকার মিসবা-উল-আজিম, কমান্ডার ঢাকা নৌ-অঞ্চল এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগন।

জানা যায়, রিয়াল এডমিরল মোহাম্মদ সোহায়েল ইতিপূর্বে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কৃতিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর নির্মাণ কাজের প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এসময় বাংলাদেশের নৌশক্তির অতীত ইতিহাসের নিপুণ গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌশক্তির পাঁচ হাজার বছরের গৌরবময় ইতিহাস অত্যন্ত সুনিপণভাবে জাদুঘরে তুলে ধরেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস, ঐতিহ্য, সাফল্য সংক্রান্ত নিদর্শন জাদুঘরে তুলে ধরেন। তিনি মেরিটাইম বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের অসাধারণ হলোগ্রাফী তৈরী করে দেশে-বিদেশে আলোড়ন সৃষ্টি করেন।

এছাড়াও অসামান্য সেবা পদক প্রাপ্ত রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মাদ সোহায়েল নৌবাহিনীর অপারেশন ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে অসামান্য অবদান রেখেছেন। তিনি সাবমেরিন সংরক্ষন এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সার্বিক উন্নতি ও নিরাপত্তা বিধানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

তিনি নেভাল স্কুল অব ইন্টেলিজেন্স প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন ও উন্নয়নে অনবদ্য ভ‚মিকা পালন করেন। এসকল কারণে বাংলাদেশ সরকার তাকে এ পদকে ভ‚ষিত করেন। বর্তমানে তিনি পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।






আরও খবর



শীতের পরিচ্ছন্ন থাকুন

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৭০জন দেখেছেন
Image

শীতে আলস্য আরও বেশি কাজ করে। সকালে ঘুম ভাঙতেই আরও কিছুক্ষণ কম্বল মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকতে চাচ্ছেন। ওঠার নামগন্ধও নেই। এই আলস্যের কারণে অনেক সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিও মাথা থেকে হাওয়া হয়ে যায়। বিশেষত ছেলেদের ক্ষেত্রে এমন অভিযোগ আরও গুরুতর। শীতে তারা পরিচ্ছন্ন থাকেন না। শীতকালের কিছু অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। চলুন জেনে নেই সেসব অভ্যাস সম্পর্কে:

গোসল না করা
শীতকালে অনেকেই দু-একদিন গোসল করেন না। ঠিক আছে। এক বা দুইদিন মানা যায়। কিন্তু একটানা কয়েকদিন গোসল না করলে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনের প্রবণতা থাকে। অনেকেই সারাদিন অফিসে দৌড়ঝাঁপ করেন কিংবা ওয়ার্ক আউট করেন। এমন হলে গোসল না করার কারণ নেই। হতে পারে শীতে ঘাম বেশিক্ষণ থাকে না। কিন্তু ঘামের কারণে সৃষ্ট ব্যাকটেরিয়া থেকে যায়। ঘামের দুর্গন্ধ তো আছেই সেই সঙ্গে ব্রণ, ডার্মাটাইটিস, একজিমার মতো ত্বকের নানা সমস্যাও দেখা দিবে।

মোজা না বদলালে
শীতে নিয়মিত মোজা পরা হবেই। অনেকেই ঠাণ্ডা পানির আতঙ্কে মোজা বদলান না। ঘরেই যেহেতু পরছেন সেহেতু ধোয়ার কি প্রয়োজন? এমন করবেন না। রোজই মোজা বদলাবেন। জুতো-মোজা পরলে পা ঘামবেই। শীতে অনেকের পা ফাটার সমস্যা দেয় ফলে পায়ে ফাঙ্গাল ইনফেকশন হতে পারে। তাই নিয়মিত মোজা ভালোমতো কেঁচে শুকিয়ে নিন।

জামা না বদলানো
একই সোয়েটার কিংবা জ্যাকেটের নিচের জামা পরিষ্কার করেন না। নিজের শরীরের ক্ষতিই হবে। ঘাম, ত্বকের তেল, ব্যাকটেরিয়া পোশাকে মিশে দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করবে। তাছাড়া এমন ময়লা ত্বকে বডি অ্যাকনের সমস্যা তৈরি করতে করবে। 


আরও খবর

যেসব কারণে রক্ত ওঠানামা করে

সোমবার ২৯ আগস্ট ২০২২




শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ৬৪জন দেখেছেন
Image

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরশীলতাসহ পরিবেশ দূষণ কমবে। 

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (বুয়েট) এবং জেনেক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচারের মধ্যে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

বুয়েট মিলনায়তনে বুয়েটের উপাচার্য সত্য প্রসাদ মজুমদার এবং জেনেক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর তানজিদুল আলম এই সমঝোতা চুক্তি সই করেন। এই সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।  

চুক্তি অনুযায়ী বুয়েটের ২৪টি বিল্ডিংয়ের ৩ লাখ স্কয়ার ফিট ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন করবে জেনেক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার। এই প্যানেলগুলো থেকে বছরে ৪ হাজার ৩৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। এই বিদ্যুৎ ন্যাশনাল গ্রীডে সরবরাহ করা হবে। বুয়েট বিদ্যুৎ পাবে সাশ্রয়ী রেটে। এতে বুয়েটের বছরে ৬০ লাখ টাকা সাশ্রয় হবে।


আরও খবর

এসএসসির প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষ হলো

বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২